ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন , প্ল্যানিং অ্যান্ড এস্টিমেটিং (54 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি,
১ ইউনিট বিদ্যুৎ = ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা (1 kWh)

দেওয়া আছে,
বাল্বের ক্ষমতা, P = 100 watt = (100 ÷ 1000) kilowatt = 0.1 kilowatt
প্রতিদিন ব্যবহারের সময়, t = 5 hours
মোট দিন সংখ্যা = 30 days
১ দিনে বিদ্যুৎ খরচ হয় = (ক্ষমতা × সময়) = 0.1 × 5 = 0.5 kWh বা ০.৫ ইউনিট
৩০ দিনে মোট বিদ্যুৎ খরচ হয় = (0.5 × 30) ইউনিট = 15 ইউনিট

এখন,
১ ইউনিটের দাম = ৩.০ টাকা
∴ ১৫ ইউনিটের দাম = (১৫ × ৩.০) টাকা = ৪৫.০ টাকা
উত্তর: Tk. 45.0

শর্টকাট নিয়ম:
বিদ্যুৎ বিল = P × t × D 1000 × Unit Cost
যেখানে, P = ওয়াট, t = দৈনিক সময়, D = দিন।
বিল = 100 × 5 × 30 1000 × 3
= 15000 1000 × 3
= 15 × 3
= 45 Tk.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বৈদ্যুতিক তারের স্পেসিফিকেশন বা মান প্রকাশের ক্ষেত্রে 3/0.036 বা এই ধরণের সংখ্যাগুলো একটি নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে। এর ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
১. প্রথম সংখ্যা (3): এটি দ্বারা তারের বা কেবলের ভেতরে কতটি সরু পরিবাহী তার বা 'স্ট্র্যান্ড' (strand) আছে তা বোঝায়। এখানে 3 মানে হলো তারটির ভেতরে মোট ৩টি সরু তার রয়েছে।
২. দ্বিতীয় সংখ্যা (0.036): এটি দ্বারা প্রতিটি সরু তারের ব্যাস (diameter) বোঝায়। ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ড ওয়্যার গেজ (SWG) বা ইম্পেরিয়াল পদ্ধতিতে এই পরিমাপটি সচরাচর ইঞ্চিতে (inch) প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, প্রতিটি সরু তারের ব্যাস হলো 0.036 inch
সুতরাং, The wire 3/0.036 means তারটিতে ৩টি সরু তার আছে এবং প্রত্যেকের ব্যাস ০.০৩৬ ইঞ্চি।

শর্টকাট মনে রাখার উপায়:

3/0.036 বা 7/0.029 ইত্যাদি ফরম্যাটে:
লব (উপরের সংখ্যা) = তারের সংখ্যা (Number of strands)
হর (নিচের সংখ্যা) = প্রতিটি তারের ব্যাস (Diameter of each strand)
সাধারণত এই ব্যাস ইঞ্চিতে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ফিউজ তারের রেটিং সর্বদা অ্যাম্পিয়ার (Amperes) এককে প্রকাশ করা হয়।
- একটি ফিউজ তারের মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তারটি গলে যাবে না বা বিচ্ছিন্ন হবে না, তাকে ওই ফিউজ তারের রেটিং বলা হয়।
- ফিউজ হলো একটি বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা ডিভাইস যা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি থেকে সার্কিটকে রক্ষা করে।
- যখন ফিউজের নির্দিষ্ট রেটিংয়ের (যেমন- 5A, 10A) চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন অত্যধিক তাপের কারণে ফিউজ তারটি গলে গিয়ে সার্কিট বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
- ফিউজ তার সাধারণত কম গলনাঙ্ক বিশিষ্ট সংকর ধাতু, যেমন- সীসা ও টিনের মিশ্রণ (Lead and Tin alloy) দিয়ে তৈরি হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
৩টি বাতির প্রতিটির ক্ষমতা = 100 watts
১টি পাম্পের ক্ষমতা = 746 watts
৫টি ফ্যানের প্রতিটির ক্ষমতা = 70 watts

আমরা জানি, মোট লোড (Total Load) হলো সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ক্ষমতার সমষ্টি।
১. ৩টি বাতির মোট ক্ষমতা = 3 × 100 watts = 300 watts
২. ১টি পাম্পের মোট ক্ষমতা = 1 × 746 watts = 746 watts
৩. ৫টি ফ্যানের মোট ক্ষমতা = 5 × 70 watts = 350 watts
সুতরাং, বাড়িটির মোট লোড = (300 + 746 + 350) watts
= 1396 watts

শর্টকাট নিয়ম:
পরীক্ষার হলে দ্রুত সমাধানের জন্য সরাসরি গুণ ও যোগ করা যায়:
Total Load = (3 × 100) + (1 × 746) + (5 × 70)
= 300 + 746 + 350
= 1396 watts
1396 watts
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নিরাপত্তার স্বার্থে বৈদ্যুতিক মোটরের আর্থিং এর জন্য উপযুক্ত মানের তার ব্যবহার করা আবশ্যক, যার সর্বনিম্ন সাইজ সাধারণ বিধি অনুযায়ী 8 SWG (Standard Wire Gauge) তামা বা তার সমতুল্য পরিবাহী হওয়া উচিত।
- আর্থিং তারের সাইজ নির্ধারণ করার সময় মোটরের ক্ষমতা এবং সম্ভাব্য ফল্ট কারেন্টের পরিমাপ বিবেচনা করতে হয়, যাতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নিরাপদে মাটিতে চলে যেতে পারে।
- SWG বা Standard Wire Gauge হলো তারের ব্যাস পরিমাপের একটি একক, যেখানে নম্বর যত কম হয়, তারের পুরুত্ব বা ব্যাস তত বেশি হয়।
- অর্থাৎ, 8 SWG তারটি 10 SWG বা 11 SWG তারের চেয়ে বেশি মোটা এবং শক্তিশালী, যা উচ্চ ক্ষমতার মোটরের আর্থিংয়ের জন্য অধিক কার্যকর ও নিরাপদ।
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC) এবং আন্তর্জাতিক ইলেকট্রিক্যাল কোড অনুযায়ী বড় আকারের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির আর্থিং লিড বা আর্থ কন্টিনিউটি কন্ডাক্টর হিসেবে মোটা তার ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শুষ্ক অবস্থায় মানুষের শরীরের রোধ সাধারণত অনেক বেশি থাকে (প্রায় ৫০,০০০ ওহম থেকে ১,০০,০০০ ওহম পর্যন্ত)।
- কিন্তু ভেজা অবস্থায় মানবদেহের ত্বকের রোধ অনেক কমে যায়।
- শরীর যখন ভিজে থাকে, তখন এই রোধ কমে যায় এবং এর মান হয় প্রায় ১,০০০ থেকে ৫,০০০ ওহম এর মধ্যে।
- তবে, গড় হিসাব অনুযায়ী ভেজা চামড়ার জন্য রোধ প্রায় ১০০০ ওহম (1 kΩ) ধরা হয়, কিন্তু প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৫০০০ ওহম বা 5 kΩ গ্রহণযোগ্য একটি উত্তর।
- ভেজা শরীর বা ঘর্মাক্ত শরীরে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়া অত্যন্ত সহজ, যে কারণে ভেজা হাতে ইলেকট্রিক সুইচ ধরা বিপজ্জনক
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাসা-বাড়িতে লোড ৫০ কিলোওয়াট (50 kW) এর বেশি হলে ৩-ফেজ বিদ্যুৎ সংযোগ বা 400V লাইন নেওয়ার প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত বাসা-বাড়ির জন্য সিঙ্গেল ফেজ (220V/230V) সংযোগ ব্যবহার করা হয়, যা কম লোডের জন্য উপযুক্ত।
- তবে ভারী ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা শিল্প কারখানার জন্য ৩-ফেজ (Three-phase) সংযোগ বা 400V সিস্টেমের দরকার হয়।
- বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিতরণ নীতিমালা অনুযায়ী, ৫০ কিলোওয়াট পর্যন্ত লোডের জন্য ৪০০ ভোল্টের ৩-ফেজ সংযোগ অনুমোদিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Luminous Intensity বা দীপন তীব্রতার এসআই (SI) একক হলো ক্যান্ডেলা (Candela) এবং এর সংকেত ‘cd’ ।
- এটি ‘ইন্টারন্যাশনাল সিস্টেম অফ ইউনিটস’ বা আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতির সাতটি মৌলিক এককের মধ্যে একটি।
- ১৯৪৮ সালে এই এককের নাম রাখা হয়েছিল 'ক্যান্ডেল' (candle), যা পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে পরিবর্তন করে 'ক্যান্ডেলা' রাখা হয়।
- লুমেন (Lumen) হলো দীপন ফ্লাক্স বা Luminous Flux-এর একক, যা কোনো উৎস থেকে প্রতি সেকেন্ডে নির্গত মোট আলোর পরিমাণ বোঝায়।
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে আলোক শক্তি কতটুকু তীব্রভাবে বিকিরিত হচ্ছে, তা পরিমাপের জন্যই ক্যান্ডেলা ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ৩ ফেজ ইন্ডাকশন মোটরের স্টার্টিং কারেন্ট কমানোর জন্য Y-Δ (স্টার-ডেল্টা) স্টার্টার ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত ৫ এইচপি (5 HP) থেকে ২০ এইচপি (20 HP) ক্ষমতার মোটরের জন্য এই নির্দিষ্ট ধরণের স্টার্টারটি উপযুক্ত।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১৫ এইচপি (15 HP) রেটিংটি এই সীমার মধ্যে পড়ে, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
- ৫ এইচপির কম ক্ষমতার মোটরের জন্য সাধারণত ডাইরেক্ট অন লাইন (DOL) স্টার্টার ব্যবহার করা হয়।
- আবার, ২০ এইচপির বেশি ক্ষমতার মোটরের ক্ষেত্রে অটো-ট্রান্সফর্মার স্টার্টার বা সফট স্টার্টার ব্যবহার করা বেশি সুবিধাজনক।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাড়িতে বা কলকারখানায় সাধারণত দুই ধরনের বৈদ্যুতিক সার্কিট ব্যবহার করা হয়, যথা- লাইটিং সার্কিট এবং পাওয়ার সার্কিট
- লাইটিং সার্কিট সাধারণত বাতি, ফ্যান এবং কম লোডের যন্ত্রপাতির জন্য ব্যবহৃত হয়, যার সাধারণ লোড ক্যাপাসিটি ৫ থেকে ৬ অ্যাম্পিয়ার (5A-6A) এর মধ্যে থাকে।
- অন্যদিকে, পাওয়ার সার্কিট হেভি লোডের যন্ত্রপাতির জন্য তৈরি করা হয়, যেমন- রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, গিজার বা হিটার।
- অধিক শক্তি খরচের কারণে পাওয়ার সার্কিটে তারের পুরুত্ব এবং সকেটের রেটিং বেশি হতে হয়, যার সর্বোচ্চ কারেন্ট রেটিং সাধারণত ১৫ অ্যাম্পিয়ার (15A) ধরা হয়।
- পাওয়ার প্লাগ বা সকেটগুলোতে সাধারণত ৩টি পিন থাকে এবং এগুলো উচ্চ কারেন্ট পরিবহনে সক্ষম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মেইনটেন্যান্স ফ্যাক্টর (Maintenance Factor) হলো একটি সহগ যা আলোকসজ্জা বা লাইটিং ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি অনুপাত যা একটি নতুন আলোর উৎসের তুলনায় নির্দিষ্ট সময় পর সেই আলোর প্রকৃত আউটপুট নির্দেশ করে।
- সময়ের সাথে সাথে বাতির উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া এবং ধুলাবালি জমার কারণে আলোর পরিমাণ হ্রাস পায়, তাই ডিজাইনের সময় এই ফ্যাক্টরটি বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
- সাধারণত ভালো পরিবেশে মেইনটেন্যান্স ফ্যাক্টরের মান ০.৮ ধরা হয় এবং ধুলাবালিযুক্ত বা নোংরা পরিবেশের ক্ষেত্রে এর মান ০.৬ ধরা হয়।
- তাই আদর্শ পরিসীমা হিসেবে মেইনটেন্যান্স ফ্যাক্টরের মান ০.৬ থেকে ০.৮ এর মধ্যে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্যাকোমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র বা সেন্সর, যা কোনো ঘূর্ণায়মান শ্যাফট বা ডিস্কের ঘূর্ণন গতি (RPM) বা কৌণিক বেগ পরিমাপ করে।
- একটি বৈদ্যুতিক মোটরের স্পিড বা গতি সাধারণত প্রতি মিনিটে কতবার ঘুরছে (RPM - Revolutions Per Minute) তার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যা মাপতে ট্যাকোমিটার ব্যবহৃত হয়।
- অপশনে থাকা অন্য যন্ত্রগুলোর কাজ ভিন্ন, যেমন- ভোল্টমিটার দিয়ে সার্কিটের ভোল্টেজ এবং ওয়াটমিটার দিয়ে বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা পাওয়ার পরিমাপ করা হয়।
- এছাড়া মাল্টিমিটার একটি বহুমুখী যন্ত্র যা ভোল্টেজ, কারেন্ট এবং রেজিস্ট্যান্স বা রোধ পরিমাপের কাজে ব্যবহৃত হয়, মোটরের গতি মাপতে নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সোডিয়াম ভ্যাপার ল্যাম্পের আলোক দক্ষতা বা Luminous efficacy সাধারণত ৪০-৭০ লুমেন/ওয়াট হয়ে থাকে।
- এই দক্ষতা নির্ভর করে ল্যাম্পটি নিম্নচাপের (Low Pressure) নাকি উচ্চচাপের (High Pressure) তার ওপর।
- নিম্নচাপের সোডিয়াম ভ্যাপার ল্যাম্পের (LPS) দক্ষতা অনেক বেশি, যা প্রায় ২০০ লুমেন/ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে।
- অন্যদিকে উচ্চচাপের সোডিয়াম ভ্যাপার ল্যাম্পের (HPS) দক্ষতা কিছুটা কম, যা সাধারণত ৮৫ থেকে ১৫০ লুমেন/ওয়াট এর মধ্যে থাকে।
- পুরাতন প্রযুক্তির বা সাধারণ সোডিয়াম ল্যাম্পের গড় দক্ষতা হিসেবে এখানে ৭০ লুমেন/ওয়াট অপশনটিই সবচেয়ে নিকটতম ও সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এই বাতিগুলো সাধারণত হলুদ রঙের আলো দেয় এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় রাস্তার বাতি হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণত বাসা-বাড়িতে বা ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানে ৭.৫ কিলোওয়াট (7.5 kW) পর্যন্ত লোডের জন্য সিঙ্গেল ফেজ (1-φ) বা ২৩০ ভোল্ট সংযোগ ব্যবহার করা হয়।
- যদি মোট লোডের পরিমাণ ৭.৫ কিলোওয়াটের বেশি হয়, তবে বিদ্যুৎ বিতরণ নীতি অনুযায়ী থ্রি-ফেজ সংযোগ (3-φ) বা ৪০০ ভোল্ট লাইনের প্রয়োজন হয়।
- সিঙ্গেল ফেজ সিস্টেমে ফেজ এবং নিউট্রাল এই দুটি তারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, যা কম ক্ষমতার যন্ত্রপাতির জন্য উপযুক্ত।
- পক্ষান্তরে, ভারী যন্ত্রপাতি বা মোটর চালানোর জন্য থ্রি-ফেজ সংযোগ বেশি কার্যকরী এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শুষ্ক অবস্থায় মানুষের শরীরের রোধ সাধারণত অনেক বেশি থাকে, যার মান প্রায় ১ লক্ষ ওহম থেকে ৫ লক্ষ ওহম (100,000 Ω - 500,000 Ω)।
- ওহমের এককে রূপান্তর করলে এই মান দাঁড়ায় ০.১ মেগাওহম থেকে ০.৫ মেগাওহম (0.1 MΩ - 0.5 MΩ), যা সঠিক উত্তরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- মানবদেহের চামড়া যখন শুকনো থাকে, তখন এটি বিদ্যুৎ প্রবাহে বেশি বাধা দেয় বা উচ্চ রোধ তৈরি করে।
- তবে শরীর যখন ভেজা বা ঘর্মাক্ত থাকে, তখন এই রোধ মারাত্মকভাবে কমে যায় এবং প্রায় ১,০০০ ওহম (1 kΩ) এর কাছাকাছি চলে আসে।
- ভেজা শরীরে রোধ কমে যাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ খুব সহজেই প্রবাহিত হতে পারে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক বা প্রাণঘাতী হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণত ২০ অশ্বশক্তি (20 HP) বা তার বেশি ক্ষমতার মোটরের ক্ষেত্রে অটো-ট্রান্সফরমার স্টার্টার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ৫ অশ্বশক্তি (5 HP) পর্যন্ত মোটরের জন্য ডাইরেক্ট অন লাইন (DOL) স্টার্টার ব্যবহার করা হয়।
- ৫ এইচপি (5 HP) থেকে ২০ এইচপি (20 HP) ক্ষমতার মোটরের জন্য স্টার-ডেল্টা (Star-Delta) স্টার্টার ব্যবহার করা হয়।
- স্টার-ডেল্টা স্টার্টারের তুলনায় অটো-ট্রান্সফরমার স্টার্টার অনেক বেশি দামী, তাই ছোট মোটরের ক্ষেত্রে এটি সাধারণত ব্যবহার করা হয় না।
- উচ্চ ক্ষমতার ইন্ডাকশন মোটরের স্টার্টিং কারেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং স্টার্টিং টর্ক বাড়ানোর জন্য ১৫ এইচপি-এর উপরে বা বড় শিল্পকারখানায় এই স্টার্টার অপরিহার্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণত ৫০ কিলোওয়াটের বেশি এবং ৫ মেগাওয়াট (5 MW) পর্যন্ত লোডের জন্য ১১ কিলোভোল্ট (11000V) লাইন ব্যবহৃত হয়।
- এই স্তরের ভোল্টেজ মূলত মাঝারি ও বড় আকারের শিল্প কারখানা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা বড় আবাসিক কমপ্লেক্সের জন্য প্রয়োজন হয়।
- যদি লোড ৫ মেগাওয়াটের বেশি হয়, তখন সাধারণত ৩৩ কিলোভোল্ট (33 kV) লাইনের সংযোগ প্রয়োজন হয়।
- বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় বিভিন্ন লোডের জন্য ভোল্টেজের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া থাকে, যাতে সিস্টেম লস কমানো যায় এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
- ১১ কিলোভোল্ট লাইনকে হাই টেনশন (HT) লাইন বলা হয়, যা সরাসরি সাব-স্টেশন থেকে গ্রাহকের ট্রান্সফরমার পর্যন্ত পৌঁছায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ফিউজ তার তৈরি হয় সিসা ও টিন-এর সংকর ধাতু দিয়ে।
- এই সংকর ধাতুতে সাধারণত ৩৭% সিসা এবং ৬৩% টিন থাকে।
- ফিউজ তারের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর উচ্চ রোধ এবং নিম্ন গলনাঙ্ক
- বর্তনীতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এই তার দ্রুত গরম হয়ে গলে যায় এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
- ফলে শর্ট সার্কিট বা ওভারলোডিংয়ের কারণে সম্ভাব্য বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা ও যন্ত্রপাতির ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
- বৈদ্যুতিক বর্তনীতে ফিউজ তার সবসময় শ্রেণি সমবায়ে (Series Connection) যুক্ত করা থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আর্থিং সাধারণত মাটিতে গর্ত করে রড বা প্লেট পুঁতে করা হয়, তবে অতি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মাটির অভাব থাকায় এটি সবসময় সম্ভব হয় না।
- তাই বিকল্প হিসেবে এই ধরনের এলাকায় পানির পাইপের মাধ্যমে আর্থিং একটি কার্যকর ও সাশ্রয়ী পদ্ধতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- জিআই (Galvanized Iron) দিয়ে তৈরি পানির পাইপগুলো মাটির অনেক গভীরে বিস্তৃত থাকে, ফলে এগুলোর রেজিস্ট্যান্স বা রোধ খুব কম হয় যা আর্থিংয়ের জন্য আদর্শ।
- পানির পাইপ ব্যবহারের ফলে আলাদা করে গর্ত খোঁড়ার বা অতিরিক্ত আর্দ্রতা বজায় রাখার প্রয়োজন পড়ে না।
- তবে মনে রাখতে হবে, এই পদ্ধতির জন্য পানির পাইপটি অবশ্যই ধাতব হতে হবে, প্লাস্টিক বা পিভিসি পাইপ আর্থিংয়ের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি মার্কারি ভ্যাপার ল্যাম্প বা পারদ বাষ্প বাতি হল এক ধরনের গ্যাস ডিসচার্জ ল্যাম্প।
- এই ল্যাম্পের ডিসচার্জ টিউবের ভিতরে প্রধানত আর্গন গ্যাস এবং পারদ (Mercury) ব্যবহার করা হয়।
- আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে কাজ করে, যা বৈদ্যুতিক আর্ক বা স্ফুলিঙ্গ তৈরি করতে সাহায্য করে।
- যখন এই আর্ক পারদ বাষ্পের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন এটি অতিবেগুনী রশ্মি এবং উজ্জ্বল দৃশ্যমান আলো উৎপন্ন করে।
- মার্কারি ভ্যাপার ল্যাম্প সাধারণত সাদা বা নীলাভ-সবুজ রঙের একঘেয়ে তীব্র আলো প্রদান করে।
- এই ল্যাম্পগুলো বড় জায়গা আলোকিত করতে, যেমন রাস্তার বাতি (street lights) বা কারখানার আলোর জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
- এর কার্যকারিতা বা লুমিনাস এফিসিয়েন্সি সাধারণত ৩৫ থেকে ৬৫ লুমেন প্রতি ওয়াট এর মধ্যে হয়ে থাকে।
- এর আয়ুষ্কাল বা লাইফস্প্যান অনেক বেশি, যা প্রায় ২৪,০০০ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গৃহস্থালী কাজে বা সাধারণ আর্থিং (Earthing) ব্যবস্থার জন্য ব্যবহৃত রড ইলেকট্রোডের (লোহা বা ইস্পাত) নির্দিষ্ট কিছু মাপকাঠি আছে।
- এর মধ্যে রড ইলেকট্রোডের ব্যাস সাধারণত ১৬ মিমি (16 mm) হওয়া উচিত বলে ধরা হয়।
- যদি জি আই পাইপ (Galvanized Iron Pipe) ইলেকট্রোড ব্যবহার করা হয়, তবে তার ব্যাস সাধারণত ৩৮ মিমি হয়।
- প্লেট ইলেকট্রোডের ক্ষেত্রে তামার পাতের পুরুত্ব অন্তত ৩.১৫ মিমি এবং লোহা বা ইস্পাতের পাতের পুরুত্ব ৬.৩০ মিমি হওয়া বাঞ্ছনীয়।
- সঠিক ব্যাস ও দৈর্ঘ্যের রড ইলেকট্রোড মাটির গভীরে আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং বিদ্যুৎ লিকেজের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণত একটি ৪৮ ইঞ্চি (১২০০ মিমি) স্ট্যান্ডার্ড সিলিং ফ্যানের ওয়াটেজ পাওয়ার ৬০-৭৫ ওয়াট এর মধ্যে হয়ে থাকে।
- তবে আধুনিক প্রযুক্তি এবং ব্রান্ডের ভিন্নতার কারণে এটি কিছুটা কম বা বেশি হতে পারে।
- অপশনগুলোর মধ্যে ৬০ ওয়াট সবচাইতে সঠিক এবং প্রচলিত মান হিসেবে গণ্য হয়।
- বর্তমানে বিএলডিসি (BLDC) প্রযুক্তির ফ্যানগুলো অবশ্য অনেক কম বিদ্যুত খরচ করে, যা সাধারণত ২৫-৩৫ ওয়াট হয়।
- ফ্যানের ওয়াটেজ বাড়লে সাধারণত তার টর্ক বা ঘোরার ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মার্কারি ভ্যাপার ল্যাম্প (Mercury Vapour Lamp) বা পারদ বাষ্প বাতি এক ধরনের গ্যাস ডিসচার্জ ল্যাম্প।
- ১৯০১ সালে প্রকৌশলী পিটার কুপার হিউইট প্রথম পারদ বাষ্প বাতির বা মার্কারি ভ্যাপার ল্যাম্পের একটি প্রাথমিক সংস্করণ তৈরি করেন।
- ১৯০০ এর দশকের গোড়ার দিকে এর ব্যবহার শুরু হলেও তা রাস্তার আলোর জন্য উপযুক্ত ছিল না।
- পরবর্তীতে, উচ্চ চাপের পারদ বাষ্প ল্যাম্পের উন্নয়ন ঘটে এবং ১৯৩৪ সাল থেকে এটি বাণিজ্যিকভাবে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করতে শুরু করে।
- এই বাতিতে একটি বৈদ্যুতিক আর্কের মাধ্যমে পারদ বাষ্পকে উত্তেজিত করে আলো উৎপন্ন করা হয়।
- এই আর্ক ডিসচার্জ সাধারণত একটি ছোট ফিউজড কোয়ার্টজ আর্ক টিউবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে যা একটি বড় বোরোসিলিকেট গ্লাস বাল্বের অভ্যন্তরে বসানো থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আর্থ কন্টিনিউইটি তার (Earth Continuity Conductor/Wire) হলো সেই তার যা বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ধাতব বডি এবং আর্থিং লিডের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- একটি আর্থিং সিস্টেমে সাধারণত তিনটি প্রধান উপাদান থাকে: আর্থ ইলেকট্রোড, আর্থিং লিড এবং আর্থ কন্টিনিউইটি তার
- আর্থ ইলেকট্রোড হলো মাটির গভীরে পোঁতা ধাতব রড বা পাইপ, যা কারেন্টকে মাটিতে ছড়িয়ে দেয়।
- আর্থিং লিড হলো সেই তার যা আর্থ ইলেকট্রোড থেকে মেইন ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করে।
- আর আর্থ কন্টিনিউইটি তারের কাজ হলো লিকেজ কারেন্টকে যন্ত্রপাতির ধাতব অংশ থেকে নিরাপদে আর্থিং লিডে পৌঁছে দেওয়া, যাতে বৈদ্যুতিক শক থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- এই তারের রোধ বা রেজিস্ট্যান্স সব সময় খুবই কম (১ ওহমের নিচে) রাখা হয় যাতে ফল্ট কারেন্ট সহজেই প্রবাহিত হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সোডিয়াম ভ্যাপার ল্যাম্পে সোডিয়াম বাষ্পের সাথে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে নিয়ন (Neon) গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাম্পটি চালু করার শুরুতে এই নিয়ন গ্যাস ল্যাম্পটিকে লালচে আভা দিয়ে প্রজ্বলিত হতে সাহায্য করে।
- ল্যাম্পটি গরম হওয়ার সাথে সাথে কঠিন সোডিয়াম বাষ্পে পরিণত হয় এবং তখন উজ্জ্বল হলুদ রঙের আলো প্রদান করে।
- সোডিয়াম ভ্যাপার বাষ্প বাতি স্ট্রিট লাইট বা বড় রাস্তা আলোকিত করার কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
- এর কার্যক্ষমতা অনেক বেশি এবং এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলতে সক্ষম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইলেকট্রিক্যাল বা বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ব্যবস্থায় সাধারণত দুই ধরনের সাব-সার্কিট ব্যবহৃত হয়, যথা: লাইটিং সাব-সার্কিট এবং পাওয়ার সাব-সার্কিট
- লাইটিং সার্কিট সাধারণত বাতি, ফ্যান এবং কম ওয়াটের যন্ত্রপাতির জন্য বব্যহার করা হয়, যার লোড ক্যাপাসিটি সাধারণত ৮০০ ওয়াট পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে।
- অন্যদিকে, যে সাব-সার্কিটে বেশি ওয়াটের লোড অর্থাৎ হিটার, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি সংযুক্ত করা হয়, তাকে পাওয়ার সাব-সার্কিট বলে।
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC) এবং ইলেকট্রিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী, একটি পাওয়ার সার্কিটের সর্বোচ্চ লোড বা ওয়াটেজ সাধারণত ৩০০০ ওয়াট (3000W) ধরা হয়।
- এই সীমার বেশি লোড হলে তার জন্য আলাদা সার্কিট ব্রেকার এবং তারের ব্যবস্থা করতে হয় যাতে ওভারলোডিং বা শর্টসার্কিট না ঘটে।
- তাই পাওয়ার সার্কিটের স্ট্যান্ডার্ড ওয়াটেজ হিসেবে ৩০০০ ওয়াট সঠিক উত্তর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণত আর্থিং সিস্টেম তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত। যথা: আর্থ ইলেকট্রোড, আর্থিং লিড এবং আর্থ কনটিনিউইটি কন্ডাকটর বা তার।
- আর্থ ইলেকট্রোড হলো একটি ধাতব রড, পাইপ বা প্লেট যা মাটির গভীরে পুঁতে রাখা হয় যাতে লিকেজ কারেন্ট নিরাপদে মাটিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
- আর্থিং লিড একটি তার যা আর্থ ইলেকট্রোডের সাথে সার্ভিস মিটার বা মেইন ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ডের সংযোগ স্থাপন করে।
- আর্থ কনটিনিউইটি তার হলো সেই তার যা বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতির মেটাল বডিকে আর্থিং লিডের সাথে সংযুক্ত করে।
- আর্থ কানেক্টর নামে আর্থিং সিস্টেমে সুনির্দিষ্ট বা প্রামাণিক কোনো মূল উপাদান নেই, তাই এটি আর্থিং-এর অংশ হিসেবে গণ্য হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আর্থিং-এর বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে রড আর্থিং সবচাইতে কম খরচে করা সম্ভব হয়।
- এই পদ্ধতিতে তামার রড বা দন্ড সরাসরি মাটির অভ্যন্তরে স্থাপন করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে কোনো গর্ত বা পিট খোঁড়ার প্রয়োজন হয় না, বরং হাতুড়ি ব্যবহার করেই রডটি মাটিতে পুঁতে ফেলা যায়।
- গর্ত খোঁড়া এবং অন্যান্য উপাদান কম লাগে বালে এতে সময় ও শ্রম উভয়ই কম প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত বালুময় বা নরম মাটিতে যেখানে আর্দ্রতা বেশি থাকে, সেখানে এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর।
- অন্যদিকে প্লেট বা পাইপ আর্থিং করতে গভীর গর্ত খুঁড়তে হয় এবং কাঠকয়লা ও লবণের স্তর তৈরি করতে হয়, যা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রিওয়্যারেবল ফিউজ হলো এক ধরনের ফিউজ, যেখানে ফিউজ ওয়্যারটি পুড়ে গেলে পুনরায় বদলানো যায়।
- কারট্রিজ ফিউজ হলো একটি সম্পূর্ণ আবদ্ধ ফিউজ যা সাধারণত কাঁচ বা সিরামিকের টিউবে থাকে।
- এইচআরসি (HRC - High Rupturing Capacity) ফিউজও এক ধরনের শক্তিশালী ফিউজ যা উচ্চ কারেন্ট প্রবাহে সুরক্ষা দেয়।
- কিন্তু এসপিডিটি (SPDT - Single Pole Double Throw) কোনো ফিউজ নয়, এটি এক ধরনের সুইচ
- তাই সঠিক উত্তর হলো এসপিডিটি, কারণ এটি ফিউজের শ্রেণীভুক্ত নয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণ ফ্লুরোসেন্ট টিউবলাইটের ক্ষেত্রে ৪ ফুট দৈর্ঘ্যের টিউবের ওয়াটেজ ৩৬-৪০ ওয়াট হয়।
- সেই অনুপাতে, ২ ফুট দৈর্ঘ্যের টিউবলাইটের ওয়াটেজ সাধারণত ১৮-২০ ওয়াট হয়ে থাকে।
- আধুনিক প্রযুক্তির এলইডি (LED) টিউবলাইট হলে দুই ফুটের জন্য সাধারণত ৮-১০ ওয়াট প্রয়োজন হয়, তবে পুরোনো সাধারণ টিউবলাইটের ক্ষেত্রে ২০ ওয়াট একটি মানসম্মত হিসাব।
- তাই প্রচলিত টিউবলাইটের হিসাব অনুযায়ী সঠিক উত্তরটি হলো ২০ ওয়াট
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0