‘বাংলা গদ্যের জনক’ বলা হয় কাকে?

A রামমোহন রায়

B ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

C বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

D উইলিয়াম কেরি

Solution

Correct Answer: Option B

- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- তাঁর আগে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার এবং রাজা রামমোহন রায়ের বাংলা গদ্য রচনার প্রয়াস থাকলেও, তা ছিল কিছুটা জড়তাপূর্ণ ও অপূর্ণ।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, সঠিক পদবিভাগ ও যতি চিহ্নের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষাকে সুবোধ্য ও শিল্পগুণান্বিত করে তুলেছিলেন।
- তিনি বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস প্রথম উপলব্ধি করেন এবং গদ্যে ‘উচ্চবচ ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দস্রোত’ সৃষ্টি করেন।
- যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যকে সাহিত্যগুণ সম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই তাঁকে ‘বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী’ বা 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে শ্রদ্ধাভরে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম যথার্থ শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন।
- প্রসঙ্গত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা – ৭৯
কোর্স নামঃ প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (২য় ব্যাচ)
টপিকসঃ
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী সম্পূর্ণ সিলেবাস (১০০ মার্ক)
৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু।
রুটিন দেখুন
পরীক্ষা-৫৪
কোর্স নামঃ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।
টপিকসঃ
বাংলা সাহিত্য
খুব গুরুত্বপূর্ণঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
গুরুত্বপূর্ণঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, এস. ওয়াজেদ আলি, কায়কোবাদ, কাজী ইমদাদুল হক, কাজী আবদুল ওদুদ, জহির রায়হান, জাহানারা ইমাম, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্যারীচাঁদ মিত্র,।
কম গুরুত্বপূর্ণঃ আবুল হাসান, আসাদ চৌধুরী, আরজ আলী মাতুব্বর, আশরাফ সিদ্দিকী, আহমদ ছফা, ড. আহমদ শরীফ, আহসান হাবীব, আহমদ রফিক, ইব্রাহীম খাঁ, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, উইলিয়াম কেরি, এম. আর. আখতার মুকুল, কাঙাল হরিনাথ, কাজী মোতাহার হোসেন, কামিনী রায়, কালিদাস রায়, কালীপ্রসন্ন ঘোষ, কালীপ্রসন্ন।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রুটিন দেখুন

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions