আলুটিলা গুহা বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গুহা। স্থানীয়রা একে বলে মাতাই হাকড় বা দেবতার গুহা। গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূগর্ভস্থ টানেলের মতো, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট ।
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ মুজিব নগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য ৪ টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করেন। পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এর নির্দেশে কর্নেল এম.এ.জি ওসমানী ৪টি সেক্টরকে পুনর্গঠিত করে পুরো দেশকে ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করে। ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর ৮ জন বাঙালি নৌ- কর্মকর্তা মিলে ১০ নং সেক্টর গঠন করেন। এ সেক্টরে নির্দিষ্ট কোন কমান্ডার ছিল না। এটি সরাসরি প্রধান সেনাপতির নির্দেশনায় পরিচালিত হত।
পুরো পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর ৫৪ শতাংশের মুখের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও সংখ্যালঘিষ্ঠ ৩.২৭% জনগোষ্ঠীর ভাষা উর্দুকে ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে ঘোষণা করলে বাঙালিরা আন্দোলনে ফেটে পড়ে। এই আন্দোলনে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটে যা পরবর্তীতে স্বাধিকার আন্দোলনে রূপ নেয়।
- Sustainable Development Goals (SDGs) হলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা যা Millennium Development Goals (MDGs) এর স্থলে প্রতিস্থাপন করা হয়। - ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে "Transforming our world: The 2030 Agenda for Sustainable development' শিরোনামের একটি কর্মসূচি গৃহীত হয়, যা SDGs নামে পরিচিত। - SDGs এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্যসমূহ হলো:
- প্রথম : দারিদ্র্য নির্মূল
- দ্বিতীয় : ক্ষুধামুক্তি
- তৃতীয় : সুস্বাস্থ্য
- চতুর্থ : মানসম্মত শিক্ষা
- পঞ্চম : লিঙ্গ সমতা
- ষষ্ঠ : বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সপ্তম : সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- অষ্টম : কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি
- নবম : শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- দশম : বৈষম্য হ্রাস
- একাদশ : টেকসই শহর ও জনগণ
- দ্বাদশ : পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- ত্রয়োদশ : জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- চতুর্দশ : সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- পঞ্চদশ : স্থলভাগের জীবন
- ষোড়শ : শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনকাহিনী ভিত্তিক রচনা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী'। - ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধুর হাতে লেখা চারটি খাতা আকস্মিকভাবে তাঁর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার হস্তগত হয়। - মূল্যবান এ খাতাগুলিই পরবর্তীতে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' নামে জুন, ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়। - ১৯৬৬-১৯৬৯ সময়কালীন ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু তাঁর জন্ম, শৈশব ও কৈশোর থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক ঘটনাবলি লিখেছেন। এটি The Unfinished Memoirs নামে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম। - গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা এবং প্রচ্ছদ তৈরি করেছেন সমর মজুমদার।
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর। ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী এই জেলা থেকে পালিয়ে যায়।
- ৪৮ (১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন। - ৭২(১) ধারা অনুযায়ী সরকারী বিজ্ঞপ্তি- দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন এবং সংসদ আহ্বানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন।
- ২০ নভেম্বর - ১৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে কাতারে অনুষ্ঠিত ২২তম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা ও রানার্সআপ হয় ফ্রান্স। আর তৃতীয় স্থান অর্জন করে ক্রোয়েশিয়া। - ২৩তম ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে। এটি উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশের ১৬টি শহর যৌথভাবে আয়োজন করবে: কানাডা, মেক্সিকো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মধ্যে ‘হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম' একটি দৈনন্দিন সেবাধর্মী কার্যক্রম, যা দরিদ্র, দুস্থ- অসহায় ও আর্ত-পীড়িতদের ও আর্ত-পীড়িতদের সেবার সাথে সম্পৃক্ত। - সমাজসেবা অধিদপ্তর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি অধিদপ্তর। - এটি অন্যান্য কার্যক্রমের পাশাপাশি হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে অসহায় রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় বহন, তথ্য প্রদান এবং চিকিৎসা শেষে পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান করে।
বেলজিয়াম উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ। দেশটিকে ইউরোপের ককপিট বা রণক্ষেত্র বলা হয়। এখানে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মধ্যে বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধ সংঘটিত হয়। দুটি বিবদমান বৃহৎ দেশের মাঝে যে দেশটি যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাকে ককপিট বলা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। - এটি একটি লিখিত দলিল। - বাংলাদেশর সংবিধান দুটি ভাষায় (বাংলা ও ইংরেজি) রচিত। - সংবিধানের মূলপাঠ বা ভাষাগত কোনো বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার পাঠ প্রাধান্য পাবে। - লিখিত খসড়া সংবিধান ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদে উত্থাপন করা হয়, যা ৪ নভেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে কার্যকর হয়।
মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ট হওয়ার পর একজন শিশু ক্রম বিকাশের সঙ্গে যে ভাষা শিখে থাকে তাই মাতৃভাষা। ভাষা মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম, যা একজন শিশু জন্মের পর তার মায়ের কাছ থেকে শিখে থাকে।
জুম চাষ: - জুম চাষ হলো একটি প্রাচীন কৃষি পদ্ধতি, যেখানে পাহাড়ের ঢালে বন উজাড় করে এবং তা আগুনে পুড়িয়ে জমিকে চাষের উপযোগী করা হয়। - এটি "স্ল্যাশ অ্যান্ড বার্ন" পদ্ধতি নামেও পরিচিত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) মিলে প্রায় ৫৪৮০ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি রয়েছে। এর সিংহভাগ অংশে জুম চাষ করা হয়।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে মোট ৬৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয়। এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন), বীর উত্তম (৬৮ জন), বীর বিক্রম (১৭৫ জন) ও বীর প্রতীক (৪২৬ জন)।
বর্তমানে খেতাবগুলো হলো:
বীরপ্রতীক- ৪২৪ জন বীরবিক্রম- ১৭৪ জন বীরউত্তম- ৬৭ জন মুক্তিযোদ্ধা (মোট ৬৮ জন) বীরশ্রেষ্ঠ- ০৭ জন মোট খেতাবধারী- ৬৭২ জন মুক্তিযোদ্ধা (মোট ৬৭৩ জন)
গত ৭ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকান্ডের চার আসামীর খেতাব বাতিল করে। তারা হলেন: লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম), লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)
- বাংলাদেশের জাতীয় (রাষ্ট্রীয়) প্রতীক ভাসমান শাপলার দু'পাশে ধানের শীষ, শাপলার ওপরে তিনটি পরস্পর যুক্ত পাট পাতা, পাতাগুলোর দু'পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা। - চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধানে চারটি মূলনীতি নির্দেশ করা হয়েছে। - আর পানি, ধান ও পাট দ্বারা বাংলাদেশের প্রকৃতি ও অর্থনীতিকে বুঝানো হয়েছে। - রাষ্ট্রীয় এ প্রতীকটির ডিজাইন করে মোহাম্মদ ইদ্রিস ও শামসুল আলম। - আর পুরো প্রতীক তৈরির কাজের তত্ত্বাবধান করেন পটুয়া কামরুল হাসান।
- প্রাচীনকালে বাংলা নামে কোন অখন্ড রাষ্ট্র ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন সমষ্টিগতভাবে নাম দেওয়া হয় জনপদ। - এ পর্যন্ত প্রাচীন বাংলার ছোট বড় ১৬ টি জনপদের কথা জানা যায়। - তাদের মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র। পুণ্ড্র নামে একটি জাতি বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী,রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে এ জনপদ গড়ে তুলেছিল। পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ। - প্রাচীন গৌড় জনপদ ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে গড়ে ওঠে। - হরিকেল জনপদটির অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে, মনে করা হয় আধুনিক সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদের বিস্তৃতি ছিল। হরিকেলের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল তাম্রলিপ্ত জনপদ। বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিঙের প্রাণকেন্দ্র।
- বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল দায়িত্ব নিরাপত্তা পরিষদের উপর ন্যস্ত। এটি ‘স্বস্তি পরিষদ’ নামেও পরিচিত। - নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫। এর মধ্যে ৫ টি দেশ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য (যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া) এবং বাকি ১০ টি দেশকে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটির মাধ্যমে দুই বছরে জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) শরণার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক সচেতনতা এবং ত্রাণ তহবিল গঠনের লক্ষ্যে জর্জ হ্যারিসন ও রবি শঙ্করের উদ্যোগে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয়। এই কনসার্টের প্রধান শিল্পী ছিলেন জর্জ হ্যারিসন। এছাড়া পণ্ডিত রবিশঙ্কর, এরিক ক্লাপটন, লিয়ন রাসেল, বিলি প্রিস্টন ও বব ডিলান সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এই কনসার্টে মোট ৪০ হাজার মানুষের সমাগম হয়।
যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: সৌন্দর্য, মধুরতা, তারল্য, তিক্ততা, তারুণ্য, সৌরভ, স্বাস্থ্য, যৌবন, সুখ, দুঃখ, সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।
লবণ- বস্তুবাচক বিশেষ্য; দর্শন ও ভোজন- ভাববাচক বিশেষ্য।
ক্রিয়া সংঘটনের সময়কে কাল বলে। চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে পরোক্ষ উক্তির ক্রিয়ার কাল অপরিবর্তিত থাকে। যেমন: আমরা বই পড়ছি। 'পড়া' ক্রিয়াটি দ্বারা বর্তমানে সংঘটিত হচ্ছে বোঝাচ্ছে। কাল তুমি শহরে গিয়েছিলে। ‘যাওয়া' ক্রিয়াটি পূর্বে অর্থাৎ অতীতে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল স্কুল বন্ধ থাকবে। 'বন্ধ থাকা কাজটি পরে বা ভবিষ্যতে সম্পন্ন হবে। সুতরাং ক্রিয়া বর্তমানে, অতীতে বা ভবিষ্যতে সম্পন্ন হওয়ার সময় নির্দেশই ক্রিয়ার কাল।
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকেই কর্মকারক বলে। ক্রিয়ার সাথে কি বা কাকে যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্মকারক। যেমনঃ ডাক্তার ডাক। এখানে যদি প্রশ্ন করা হয়, কাকে ডাক? তাহলে উত্তর পাই ‘ডাক্তার’ । সুতরাং, ‘ডাক্তার’ কর্মকারক এবং এর সাথে শূন্য বিভক্তি (ডাক্তার+০) যোগ হওয়ায় এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
এরুপ, - আমাকে একখানা বই দাও। - রবীন্দ্রনাথ পড়লাম ।
একের বেশি সংখ্যা বোঝাতে যেসব লগ্নক (রা, এরা, গুলো, গুলি, গুচ্ছ, দের, রাজি, মালা, সমূহ) বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে যুক্ত হয়, সেগুলোকে বচন বলে। অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ/লগ্নক: গুচ্ছ → কবিতাগুচ্ছ; মালা → মেঘমালা; রাজি → বৃক্ষরাজি।
একই শব্দ পরপর দুই বার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। যেমন: রাশি রাশি ধান। প্রদত্ত উদাহরণে ‘রাশি রাশি’ দ্বিরুক্তি বিশেষ্য পদের বিশেষণরূপে আধিক্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
দ্বন্দ্ব বলতে জোড়া বোঝায়। যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। এ সমাসে উভয় পদই বিশেষ্য এবং উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য বজায় থাকে। এতে শুধু এবং, ও, আর সংযোজক অব্যয় পদ ব্যবহার করা হয়। যেমন: নয় ও ছয় = নয়-ছয়; সোনা ও রুপা = সোনা-রুপা। খাস যে জমি = খাসজমি (কর্মধারয় সমাস); কনক যে চাঁপা / কনক নামের চাঁপা = কনকচাঁপা (কর্মধারয় সমাস); ত্রি ফলের সমাহার = ত্রিফলা (দ্বিগু সমাস / দ্বিগু কর্মধারয় সমাস)।
কোনো মৌলিক শব্দের যে অংশকে আর কোনোভাবেই বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। অর্থাৎ যে ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাই প্রকৃতি। প্রকৃতি দুই প্রকার। যথা: ধাতু বা ক্রিয়া প্রকৃতি ও নাম প্রকৃতি বা প্রাতিপদিক।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।