Solution
Correct Answer: Option B
- এক বা একাধিক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি একত্র হয়ে যখন কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে।
- শব্দের প্রাণ হলো অর্থ। অর্থহীন কোনো ধ্বনিসমষ্টি শব্দ হতে পারে না। তাই বলা হয়— 'শব্দের নিজস্ব অর্থ আছে'।
- ভাষাকে অলঙ্কারমন্ডিত ও শ্রুতিমধুর করতে এবং বাক্যের অন্তর্গত বিভিন্ন পদকে বাচ্যযোগ্য করতে শব্দ ব্যবহৃত হয়।
• উদাহরণ
‘ক’, ‘ল’ ও ‘ম’—এই তিনটি ধ্বনি একত্র হয়ে ‘কলম’ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার একটি নির্দিষ্ট অর্থ আছে (লেখার উপকরণ)। কিন্তু ‘ম’, ‘ল’, ‘ক’ মিলে ‘মলক’ হলে তার কোনো অর্থ নেই, তাই এটি শব্দ নয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- উপসর্গ: বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না এবং এদের নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করার ক্ষমতা (অর্থদ্যোতকতা) আছে। যেমন- প্র, পরা, অপ, সম ইত্যাদি।
- প্রত্যয়: প্রত্যয় হলো সেই সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি, যা ধাতু বা নাম শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। প্রত্যয়ের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই। যেমন- √চল্ + অন্ত = চলন্ত। এখানে ‘অন্ত’ প্রত্যয়ের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই।
- বচন: বচন শব্দের অর্থ সংখ্যার ধারণা। এটি বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যা নির্দেশ করে মাত্র (একবচন বা বহুবচন), এটি কোনো স্বতন্ত্র অর্থবোধক ইউনিট নয়।
নোটঃ বাংলা ব্যাকরণ (৯ম-১০ম শ্রেণি) ও বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুযায়ী, একমাত্র শব্দেরই প্রত্যক্ষ ও নিজস্ব অর্থ রয়েছে। উপসর্গ ও প্রত্যয় কেবল শব্দ গঠনে সহায়তা করে।