বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘ধূমকেতু’ কবিতাটি তাঁর ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা একাডেমি এবং বাংলাপিডিয়া প্রদত্ত তথ্য অনুসারে, ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে (কার্তিক, ১৩২৯ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত ‘অগ্নিবীণা’ হলো নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এই গ্রন্থে মোট ১২টি কবিতা সংকলিত আছে। প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো: - ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থটি কবি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেছিলেন। - এই কাব্যের প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করেছিলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এঁকেছিলেন বীরেশ্বর সেন। - ‘ধূমকেতু’ কবিতাটি ছাড়াও এই কাব্যের অন্যান্য বিখ্যাত কবিতা হলো: ‘প্রলয়োল্লাস’ (প্রথম কবিতা), ‘বিদ্রোহী’ (দ্বিতীয় কবিতা), ‘রক্তাম্বর-ধারিণী মা’, ‘আগমনী’, ‘কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার’, ‘রণভেরী’, ‘শাত-ইল-আরব’, ‘খেয়াপারের তরণী’, ‘কোরবানী’ এবং ‘মোহররম’।
• একই নামে অন্য লেখকের সাহিত্যকর্ম বা বিভ্রান্তি নিরসন: - ‘ধূমকেতু’ নামে কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকাও ছিল, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার প্রথম সংখ্যার আশীর্বাণী লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - অপশনে উল্লেখিত ‘বিদ্রোহী’, ‘প্রলয়োল্লাস’ এবং ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ (আগমনী) - এই তিনটিই ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের অন্তর্গত একেকটি কবিতার নাম, কোনো পৃথক কাব্যগ্রন্থ নয়। এর মধ্যে ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটির জন্য তিনি কারাবরণ করেছিলেন।
'জাগ্রত ধরিত্রী' জীবনানন্দ দাশের রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। বাকি তিনটি অপশনই জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যাকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'চিত্ররূপময় কবি' বলে অভিহিত করেছেন এবং বুদ্ধদেব বসু তাকে 'নির্জনতম কবি' বলেছেন।
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো: - জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম 'ঝরা পালক' (১৯২৭)। - তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ হলো 'রূপসী বাংলা'। - তিনি ছিলেন রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পথিকৃৎ।
• বিভ্রান্তিকর হতে পারে এমন তথ্যঃ - 'জাগ্রত ধরিত্রী' নামে কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর একটি বিখ্যাত কবিতা। সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থগুলো হলো— ছাড়পত্র, ঘুম নেই, পূর্বাভাস ইত্যাদি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১–১৯৪১) তাঁর জীবদ্দশায় সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি বেশ কিছু পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বও পালন করেছিলেন। তাঁর সম্পাদিত পত্রিকাগুলোর মধ্যে 'সাধনা' এবং 'তত্ত্ববোধিনী' অন্যতম।
• সাধনা পত্রিকা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সাল থেকে ১৮৯৫ সাল পর্যন্ত এই পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। তবে সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় ১২৯৮ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসে 'সাধনা' প্রথম প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ মূলত এর প্রধান লেখক ও চালক ছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেই সম্পাদকের দায়ীত্ব গ্রহণ করেন। এই পত্রিকায় তিনি সাহিত্য, সমাজ ও রাজনীতি বিষয়ক বহু প্রবন্ধ প্রকাশ করেন।
• তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা: মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’র মুখপত্র হিসেবে ১৮৪৩ সালে অক্ষয় কুমার দত্তের সম্পাদনায় এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন (১৯১১-১৯১৫)।
এছাড়াও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকাগুলো হলো: - ভারতী (১৮৯৮-১৮৯৯): দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত এই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তিনি এক বছর দায়িত্ব পালন করেন। - বঙ্গদর্শন (নবপর্যায়): বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রতিষ্ঠিত বঙ্গদর্শন বন্ধ হয়ে গেলে, ১৯০১ সালে রবীন্দ্রনাথের সম্পাদনায় এটি ‘বঙ্গদর্শন (নবপর্যায়)’ নামে পুনরায় প্রকাশিত হয়। তিনি ১৯০১ থেকে ১৯০৫ পর্যন্ত এটি সম্পাদনা করেন।
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না, তাকে অঘোষ ধ্বনি (voiceless/unvoiced sound) বলে। স্বরতন্ত্রী অনুরণিত না হওয়ার ফলে গাম্ভীর্য কম থাকে এবং উচ্চারণ কিছুটা মৃদু হয়। - বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো এবং শ, ষ, স - এইগুলো অঘোষ ব্যঞ্জন। - অন্যদিকে, যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়, তাকে ঘোষ ধ্বনি (voiced sound) বলে। বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণগুলো ঘোষ ব্যঞ্জন।
• উদাহরণ: ক-বর্গের বর্ণগুলো খেয়াল করলে দেখা যায়— - ক, খ (বর্গের ১ম ও ২য় বর্ণ) → অঘোষ ব্যঞ্জন - গ, ঘ, ঙ (বর্গের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম বর্ণ) → ঘোষ ব্যঞ্জন একইভাবে চ, ছ; ট, ঠ; ত, থ; প, ফ হলো অঘোষ ব্যঞ্জন।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - অপশন ১ (ঙ, হ): ‘ঙ’ হলো ক-বর্গের ৫ম বর্ণ এবং ‘হ’ উষ্ম বর্ণ, এই দুইটিতেই স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়। তাই এগুলো ঘোষ ব্যঞ্জন। - অপশন ২ (ড, ম): ‘ড’ (ট-বর্গের ৩য়) এবং ‘ম’ (প-বর্গের ৫ম) উভয়ই বর্গের শেষের দিকের বর্ণ, যা স্বরতন্ত্রীর কম্পনসহ উচ্চারিত হয়। তাই এরাও ঘোষ ব্যঞ্জন।
এই শব্দগুলো ‘সমষ্টিবাচক বিশেষ্য’ বা ‘সমষ্টি বিশেষ্য’ (Collective Noun)। যেহেতু অপশনে ‘সমষ্টি বিশেষ্য’ উল্লেখ নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে ‘একটিও নয়’।
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্য: - বিশেষ্য পদকে প্রধানত নাম, জাতি, বস্তু, সমষ্টি, গুণ ও ভাব—এই ছয়টি ভাগে দেখা যায় (যদিও আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ মতে এর শ্রেণীবিভাগ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু প্রচলিত প্রশ্নকাঠামোতে এই শব্দগুলো সমষ্টির অন্তর্ভুক্ত)। - যে বিশেষ্য পদ দ্বারা একজাতীয় প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টি বা দলকে বোঝায়, তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বা সমষ্টি বিশেষ্য বলে। - ‘জনতা’ শব্দটি দ্বারা অনেক মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়। ‘পরিবার’ দ্বারা বাবা-মা, ভাই-বোন নিয়ে গঠিত গোষ্ঠীকে বা সদস্যদের সমষ্টিকে বোঝায়। ‘ঝাঁক’ দ্বারা পাখি, মাছি বা মাছের দলকে বোঝায়। তাই এগুলো সবই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য। • উদাহরণ: - সভা, জনতা, সমিতি, পঞ্চায়েত, মাহফিল, পাল (গোরুর পাল), ঝাঁক (পাখির ঝাঁক), বহর (নৌবহর) ইত্যাদি সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - জাতি বিশেষ্য: যে পদ দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন— মানুষ, গরু, পাখি, নদী, পর্বত ইত্যাদি। এটি নির্দিষ্ট কোনো সমষ্টিকে বোঝায় না বরং পুরো শ্রেণীটিকে বোঝায়। - নাম বিশেষ্য: যে পদ দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট স্থান, কাল, পাত্র বা বস্তুর সুনির্দিষ্ট নাম বোঝায়। যেমন— ঢাকা, হিমালয়, রবীন্দ্রনাথ, গীতাঞ্জলি ইত্যাদি। - গুণ বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায়। যেমন— সততা, বীরত্ব, মধুরতা, যৌবন, সুখ, দুঃখ ইত্যাদি।
যে শব্দ বা পদ বাক্যের ক্রিয়াকে বা অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ (Adverb) বলে। ক্রিয়া বিশেষণ প্রধানত ক্রিয়ার ভাব, সময় বা স্থান নির্দেশ করে। - স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: যে ক্রিয়াবিশেষণ দিয়ে ক্রিয়াটি ‘কোথায়’ সংঘটিত হচ্ছে বা কোন দিকে নির্দেশ করছে তা বোঝায়, তাকে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বা স্থানবাচক ক্রিয়া বিশেষণ বলে। যেমন: মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়। এখানে ‘সামনে’ শব্দটি ক্রিয়া (এ এগিয়ে যাওয়া)-র স্থান বা দিক নির্দেশ করছে, তাই এটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। উদাহরণ: - সে কোথাও নেই। (স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ) - গাড়িটি দ্রুত চলছে। (ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ) - গতকাল বৃষ্টি হয়েছিল। (কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ)
ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ: যে বিশেষণ ক্রিয়া সংঘটনের ‘সময় বা কাল’ (কখন) নির্দেশ করে, তাকে কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ বলে। যেমন: এখন বৃষ্টি হচ্ছে। যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত ‘সামনে’ শব্দটি সময় বোঝায় না, তাই এটি ভুল। - পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ: যেসব শব্দ বাক্যের মধ্যে বা শেষে বসে বাক্যকে জোরদার করে বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু সরাসরি কোনো পদকে বিশেষিত করে না, তাদের পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ বলে। যেমন: সে তো আসবেই। এটি প্রশ্নের উদাহরণের সাথে মেলে না। (আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এটিকে ‘আবেগ শব্দ’ বা ‘পদাশ্রয়ী নির্দেশক’-এর আলোচনাতেও ভিন্নভাবে দেখা হয়, তবে ক্রিয়াবিশেষণের ধরণ হিসেবে এটি মূলত জোর বা সম্মতি প্রকাশে ব্যবহৃত হয়)। - ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: ক্রিয়াটি ‘কীভাবে’ বা ‘কেমন করে’ সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝালে তাকে ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে। যেমন: আস্তে, ধীরে, জোরে। এখানে ‘সামনে’ শব্দটি ‘কীভাবে’ নয় বরং ‘কোথায়/কোনদিকে’ বোঝাচ্ছে।
নোট: বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে, স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণকে নির্দেশ করতে ‘কোথায়’ বা ‘কোন দিকে’ প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যায়।
বাংলা ব্যাকরণের বিভক্তি যোগের নিয়ম অনুযায়ী, প্রাতিপাদিক বা নামশব্দের শেষে যদি স্বরধ্বনি থাকে, তবে বিভক্তির রূপভেদ ঘটে। বিশেষভাবে শব্দের শেষে যদি ই-কার (ি) বা উ-কার (ু) থাকে, তবে সেখানে 'এ' বিভক্তি যুক্ত না হয়ে তার রূপভেদ হিসেবে '-তে' বিভক্তি যুক্ত হয়।
- শব্দের শেষে স্বরধ্বনি থাকলে: শব্দের শেষে যদি অ-কার বা আ-কার থাকে, তবে সাধারণত '-য়' বা '-য়ে' বিভক্তি যুক্ত হয়। (যেমন: মা + এ = মায়ে, ঘোড়া + এ = ঘোড়ায়)। - শব্দের শেষে ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে: শব্দের শেষে ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে সরাসরি 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়। (যেমন: হাত + এ = হাতে, কলম + এ = কলমে)। - ই-কার ও উ-কারান্ত শব্দ: শব্দের শেষে ই-কার বা উ-কার থাকলে এবং এরপর সপ্তমী বিভক্তি যোগ করতে হলে, 'এ'-এর পরিবর্তে 'তে' ব্যবহৃত হয়।
• উদাহরণ: - বাড়ি (ই-কারান্ত) + এ = বাড়িতে (সঠিক), 'বাড়িয়ে' নয়। - হাতি (ই-কারান্ত) + এ = হাতিতে। - মধু (উ-কারান্ত) + এ = মধু-তে। - লাউ (উ-কারান্ত) + এ = লাউতে (কথ্যরীতিতে অনেক সময় 'লায়ে' বলা হলেও প্রমিত ব্যাকরণে 'লাউতে' শুদ্ধ)
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - -য়ে: শব্দের শেষে আ-কার থাকলে 'এ' বিভক্তির রূপভেদ হিসেবে '-য়ে' ব্যবহৃত হয় (যেমন: বাংলা + এ = বাংলায়/বাংলায়ে)। ই/উ কারান্ত শব্দের ক্ষেত্রে এটি প্রজোয্য নয়। - -এ: এটি মূল বিভক্তি চিহ্ন, যা সাধারণত ব্যঞ্জনান্ত শব্দের শেষে বসে। ই/উ কারান্ত শব্দের শেষে সরাসরি 'এ' বসে না। - -কে: এটি বাংলা ব্যাকরণের দ্বিতীয়া বা চতুর্থী বিভক্তির চিহ্ন। এটি সপ্তমী বিভক্তি 'এ'-এর রূপভেদ নয়।
- পুরাঘটিত বর্তমান কাল: ক্রিয়া অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে কিন্তু তার ফল এখনও বর্তমান আছে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে। যেমন- *এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।* (ফলাফল এখনও বর্তমান)। • উদাহরণ: - শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল। (গুলি করার কাজটি শেষ, কিন্তু এর প্রভাব বা ফল অর্থাৎ পাখিটি যে গুলিবিদ্ধ বা মৃত, সেই অবস্থাটি এখনও বর্তমান)। - আমি ভাত খেয়েছি। (খাওয়া শেষ, কিন্তু পেটে ক্ষুধা নেই)।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - যদি বৃষ্টি হতো, সবাই মিলে খিচুড়ি খেতাম: এটি নিত্যবৃত্ত অতীত কালের উদাহরণ। অতীতে কোনো একটি কাজ হতো বা ঘটত অথবা কোনো কাজ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল কিন্তু হয়নি বোঝালে নিত্যবৃত্ত অতীত হয়। - যদি আরো শীত পড়তো, সবাই মিলে বেড়াতে যেতাম: এটিও নিত্যবৃত্ত অতীত কালের উদাহরণ। এখানেও অতীতের একটি শর্তসাপেক্ষ অসমাপ্ত কাজের কথা বলা হয়েছে। - আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম: এটি সাধারণ অতীত কালের উদাহরণ। অতীতে কোনো কাজ সাধারণভাবে সংঘটিত হয়েছিল বোঝালে সাধারণ অতীত হয়।
সতর্কতা: প্রশ্নে "ক্রিয়ার ফলে অতীত" অংশটি কিছুটা বিভ্রান্তিকর হতে পারে, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে 'শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল' বাক্যটি গঠনগতভাবে সাধারণ অতীত মনে হলেও অর্থগতভাবে এবং কাজটির সদ্য সমাপ্তি বোঝাতে অনেক সময় পুরাঘটিত বর্তমানের মতোই আচরণ করে, একে সাধারণ অতীত বা নিত্য অতীত হিসেবেও কোনো কোনো ব্যাকরণ বইয়ে উল্লেখ করা হয়। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই একমাত্র বাক্য যা সদ্য সমাপ্ত কাজের রেশ বা 'পুরাঘটিত বর্তমান'-এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'করল', 'গেল' ইত্যাদি ক্রিয়া বিভক্তি সাধারণ অতীতের, কিন্তু "এইমাত্র" শব্দটি যুক্ত থাকায় এটি সদ্য সমাপ্ত কাজ বোঝাচ্ছে যা পুরাঘটিত বর্তমানের সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।
ভাব বা অর্থ অনুসারে বাক্যকে প্রধানত ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- ১. নির্দেশক বা বিবৃতিমূলক (Assertive) ২. প্রশ্নবোধক (Interrogative) ৩. অনুজ্ঞাসূচক (Imperative/Optative) ৪. আবেগসূচক (Exclamatory) ৫. ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক (Optative)
- তবে আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ এবং এনসিটিবি (NCTB) এর পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের পরিসর ব্যাপক। আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, আশীর্বাদ বা প্রার্থনা ইত্যাদি প্রকাশ করতে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য ব্যবহৃত হয়। - যে বাক্যের দ্বারা কোনো কিছু আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, নিষেধ, আশীর্বাদ বা প্রার্থনা বোঝায়, তাকে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে। - যেহেতু ‘তার মঙ্গল হোক’ বাক্যটি দ্বারা বক্তার মনের ইচ্ছা, আশীর্বাদ বা প্রার্থনা প্রকাশ পাচ্ছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি অনুজ্ঞাবাচক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত।
• উদাহরণ: - আল্লাহ তোমার সহায় হোন। (প্রার্থনা অর্থে অনুজ্ঞা) - মিথ্যা কথা বলো না। (নিষেধ অর্থে অনুজ্ঞা) - কাজটি করে দাও। (আদেশ/অনুরোধ অর্থে অনুজ্ঞা)
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - বিবৃতিবাচক বাক্য: যে বাক্যে কোনো কিছু সাধারণভাবে বর্ণনা করা হয় বা তথ্য দেওয়া হয়। যেমন- 'সে স্কুলে যায়।' এখানে কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা নেই, কেবল তথ্য আছে। - প্রশ্নবাচক বাক্য: যে বাক্যে কোনো কিছু জানার জন্য প্রশ্ন করা হয়। বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) থাকে। যেমন- 'তোমার নাম কী?' - আবেগবাচক বাক্য: যে বাক্য দ্বারা মনের আকস্মিক আবেগ (আনন্দ, বিস্ময়, দুঃখ, ঘৃণা) প্রকাশ পায়। যেমন- 'বাহ্! কী সুন্দর দৃশ্য।'
বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত যে শব্দগুচ্ছ বা জোট একটি মাত্র পদের কাজ করে তাকে বর্গ বা Phrase বলে। প্রশ্নে 'খেয়ে আর ঘুমিয়ে' অংশটি বাক্যের মূল সমাপিকা ক্রিয়া 'কাটাচ্ছে'-কে বিশেষায়িত করছে। • কেন এটি ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ (Adverbial Phrase): বাক্যের মূল ক্রিয়াকে 'কীভাবে', 'কখন', 'কোথায়' ইত্যাদি দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। এখানে, - সে কীভাবে সময় কাটাচ্ছে? - উত্তর: খেয়ে আর ঘুমিয়ে। যেহেতু 'খেয়ে আর ঘুমিয়ে' শব্দগুচ্ছটি 'কাটাচ্ছে' (ক্রিয়া) পদের ধরণ বা প্রকৃতি নির্দেশ করছে, তাই এটি একটি ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ।
*(বিশেষ দ্রষ্টব্য: আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ (৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ) অনুযায়ী, অসমাপিকা ক্রিয়া দিয়ে তৈরি বর্গ অনেক সময় ক্রিয়াকে বিশেষায়িত করলে তা ক্রিয়াবিশেষণ বর্গের অন্তর্ভুক্ত হয়। তবে, যদি অপশনে 'ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ' না থাকে বা পুরনো কোনো প্রশ্নের ধাঁচ অনুযায়ী উত্তর করতে হয়, তবে ক্রিয়ার 'অবস্থা' বোঝাচ্ছে বলে এটিকে কেউ কেউ 'বিশেষণ বর্গ' হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন। কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে 'ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ' অধিক যুক্তিযুক্ত।)*
উদাহরণ: - সকাল আটটার সময়ে সে রওনা হলো। (ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ - সময় বোঝাচ্ছে) - হেলে দুলে লোকটা হাঁটছে। (ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ - ধরণ বোঝাচ্ছে)
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ - বিশেষ্য বর্গ (Noun Phrase): বাক্যে বিশেষ্য বা বিশেষ্য স্থানীয় কোনো শব্দগুচ্ছ যদি কর্তা, কর্ম বা পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন- বাবার একমাত্র ছেলে আজ আসবে। কিন্তু প্রশ্নে উল্লিখিত অংশটি কর্তা বা কর্ম নয়। - ক্রিয়া বর্গ (Verb Phrase): বাক্যের বিধেয় অংশে সমাপিকা ক্রিয়া এবং তার সহযোগী শব্দগুলো মিলে ক্রিয়া বর্গ তৈরি করে। যেমন- সে অংক করছে। এখানে 'কাটাচ্ছে' মূল ক্রিয়া হলেও 'খেয়ে আর ঘুমিয়ে' তার অংশ নয়, বরং তার বিশেষণ।
- যৌগিক বাক্য (Compound Sentence): একাধিক সরল বাক্য বা সমাপিকা ক্রিয়াবিশিষ্ট খণ্ডবাক্য যখন কোনো যোজক (Conjunction) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। - যোজক: বাংলা ব্যাকরণে যোজক হলো এমন কিছু শব্দ বা পদ যা দুটি শব্দ, বাক্য বা বাক্যাংশকে যুক্ত, বিযুক্ত বা সংকুচিত করে। সাধারণত ‘ও’, ‘এবং’, ‘আর’, ‘কিন্তু’, ‘নতুবা’, ‘অথবা’, ‘তথাপি’ ইত্যাদি যোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এই যোজকগুলো দুটি স্বাধীন বাক্যকে সম্পর্কযুক্ত করে একটি অখণ্ড ভাব প্রকাশ সাহায্য করে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ এবং এনসিটিবি (NCTB) পাঠ্যক্রম অনুসারে, যৌগিক বাক্য গঠনের প্রধান শর্তই হলো দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যের মাঝে যোজকের উপস্থিতি।
• উদাহরণ - রহিমা কঠোর পরিশ্রম করে তাই সে সফল হয়। (এখানে 'তাই' একটি যোজক) - সে দরিদ্র কিন্তু সৎ। (এখানে 'কিন্তু' যোজকটি দুটি বাক্যকে সংযুক্ত করেছে) - তুমি আসবে, নাকি আমি যাব? (এখানে 'নাকি' বিয়োজক হিসেবে কাজ করেছে যা যৌগিক বাক্যের অংশ)
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ - বিশেষ্য: বিশেষ্য হলো কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা গুণের নাম। এটি বাক্যকে সংযুক্ত করার কাজ করে না, বরং বাক্যের কর্তা বা কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বিশেষণ: বিশেষণ হলো এমন পদ যা বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে। এটি সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে না। - অনুসর্গ: অনুসর্গ সাধারণত শব্দবিভক্তির মতো কাজ করে এবং বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে অন্য পদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে (যেমন- দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, থেকে)। এটি দুটি পূর্ণ বাক্যকে যুক্ত করে যৌগিক বাক্য গঠন করে না।
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে (স্থান) অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি বা ‘এ’, ‘য়’, ‘তে’ বিভক্তি যুক্ত হয়। উদাহরণস্বরূপ: * কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল। (কানন + এ = স্থান বোঝাচ্ছে) * সকালে সোনার রবি পূর্ব দিকে ওঠে। (সকাল + এ = সময় বোঝাচ্ছে) * তিলকে তাল করা। (তিল + কে = এখানে কে বিভক্তি হলেও তিলকের মধ্যে অর্থে স্থান বোঝাচ্ছে, তবে মূল প্রশ্নানুসারে 'এ' বিভক্তি প্রাসঙ্গিক: তিলে তৈল আছে।) * গলায় হার। (গলা + য় = স্থান বোঝাচ্ছে)
ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - করণ কারক: ‘করণ’ শব্দটির অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। এতে সাধারণত ‘দ্বারা’, ‘দিয়া’, ‘কর্তৃক’ ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়, অথবা তৃতীয়া বিভক্তি দেখা যায়। যেমন- ছেলেরা বল খেলে (বলের দ্বারা)।
- অপাদান কারক: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এতে সাধারণত ‘হতে’, ‘থেকে’, ‘চেয়ে’ অনুসর্গ ও পঞ্চমী বিভক্তি ব্যবহৃত হয়। যেমন- গাছ থেকে পাতা পড়ে।
- সম্বন্ধ পদ: ক্রিয়াপদের সাথে সম্পর্ক না রেখে যে নামপদ বাক্যের অন্য কোনো পদের সাথে সম্পর্ক যুক্ত হয়, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে। এটি মূলত কারক নয়। এতে সাধারণত ‘র’ বা ‘এর’ (ষষ্ঠী বিভক্তি) যুক্ত থাকে। যেমন- করিমের ভাই এসেছে।
নোট: বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ এবং এনসিটিবি (NCTB) অনুমোদিত পাঠ্যবই অনুসারে, স্থান ও কালবাচক শব্দের শেষে ‘এ’ ও ‘য়’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারক গঠন করার নিয়মটি সুপ্রতিষ্ঠিত।
- বাচ্য (Voice): বাক্যের প্রকাশভঙ্গি বা বাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশভঙ্গিকে বাচ্য বলে। বাচ্যের মাধ্যমে বোঝা যায় বাক্যের কর্তা, কর্ম বা ক্রিয়াপদের মধ্যে কার প্রাধান্য বেশি। - বাংলায় বাচ্য প্রধানত তিন প্রকার: ক. কর্তৃবাচ্য, খ. কর্মবাচ্য এবং গ. ভাববাচ্য।
সঠিক উত্তরের ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তরটি হলো: চিঠিটা পড়া হয়েছে। যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে। কর্মবাচ্যে কর্তা গৌণ থাকে অথবা উজ্জহ্য থাকে এবং কর্মই বাক্যের কর্তা হিসেবে কাজ করে। এই বাক্যে: * কর্ম: 'চিঠিটা' (কাকে পড়া হয়েছে বা কী পড়া হয়েছে? - চিঠিটা)। * কর্তা এখানে অনুপস্থিত (কে পড়েছে তা বলা নেই)। * ক্রিয়াপদ 'পড়া হয়েছে' কর্মপদ 'চিঠিটা'-কেই অনুসরণ করছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ এবং এনসিটিবি (NCTB) পাঠ্যক্রম অনুযায়ী, কর্মবাচ্যের ক্রিয়াপদ সাধারণত মূল ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে এবং এরপর 'হওয়া' বা 'যাওয়া' ধাতুর রূপ ব্যবহৃত হয়। এখানে 'পড়' ধাতুর সাথে 'আ' যোগে 'পড়া' এবং সহকারী ক্রিয়া হিসেবে 'হয়েছে' ব্যবহৃত হয়েছে।
ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: * আমরা কঠোর পরিশ্রম করি: এটি কর্তৃবাচ্য। কারণ এখানে কর্তা 'আমরা' প্রধান এবং ক্রিয়াপদ 'করি' কর্তাকে অনুসরণ করেছে। * ছেলেটি ছবি আঁকে: এটিও কর্তৃবাচ্য। এখানে কর্তা 'ছেলেটি' প্রধান এবং ক্রিয়া 'আঁকে' কর্তার অনুসারী। * কোথা থেকে আসা হলো: এটি ভাববাচ্য। ভাববাচ্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার অর্থই প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়। এখানে 'আসা' ক্রিয়াটিই মুখ্য, কোনো নির্দিষ্ট কর্তা বা কর্ম প্রাধান্য পাচ্ছে না।
- বিরামচিহ্ন: লেখার মাধ্যমে মনের ভাব সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করার জন্য, বাক্যের অর্থ সহজ ও বোধগম্য করার জন্য এবং বাক্যের মধ্যে বা শেষে শ্বাসবিরতির জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাদের বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন বলে। - ত্রিবিন্দু বা লোপচিহ্ন (Ellipsis): লেখার সময়ে কোনো কথা অব্যক্ত রাখতে চাইলে কিংবা কোনো উদ্ধৃতির অংশবিশেষ বর্জন করতে চাইলে ত্রিবিন্দু (...) ব্যবহার করা হয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও এনসিটিবি (NCTB) পাঠ্যবই অনুসারে, এই চিহ্নটি তিনটি বিন্দুর সমষ্টি। একে লোপচিহ্নও বলা হয়।
• উদাহরণ: - তিনি রেগে বললেন, “তোমাকে আমি দেখে নেব...” (এখানে পরের কথা আর বলা হলো না বা অব্যক্ত রাখা হলো)। - “স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়... দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায়।” (এখানে কবিতার মাঝখানের অংশ বর্জন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে)।]
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - বিন্দু (Full Stop): বিন্দু বলতে সাধারণত পূর্ণচ্ছেদ বা দাড়িকে (।) বোঝানো হয় না, বরং এটি ফোটা বা ডট (.)। বাংলায় বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে দাড়ি (।) ব্যবহৃত হয়। আর সংক্ষেপণের কাজে বা গণিতে বিন্দু ব্যবহৃত হয়, অব্যক্ত কথা বোঝাতে নয়। - কোলন (Colon): কোনো বিশেষ উক্তির আগে, উদাহরণ উপস্থাপনের আগে বা নাটকের সংলাপের আগে কোলন (:) ব্যবহৃত হয়। এটি কথা শেষ করা বা অসম্পূর্ণ রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় না।
- শব্দার্থ পরিবর্তন: ভাষায় ব্যবহৃত শব্দের অর্থ সর্বদা স্থির থাকে না; কালের বিবর্তনে শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তন মূলত তিন প্রকার: অর্থের বিস্তার বা প্রসার, অর্থের সংকোচন, এবং অর্থের রূপান্তর বা সংশ্লেষ। - অর্থ সংকোচন: যখন কোনো শব্দ তার আদি বা মূল অর্থের ব্যাপকতা হারিয়ে, কালক্রমে একটি নির্দিষ্ট বা সংকীর্ণ অর্থে ব্যবহৃত হতে শুরু করে, তখন তাকে অর্থের সংকোচন বা অর্থ-সংকোচন বলে।
• উদাহরণ: - মৃগয়া: শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো ‘বন্য প্রাণী শিকার’ (মৃগ অর্থাৎ বন্য জন্তু শিকার)। প্রাচীনকালে যে কোনো বন্য পশু শিকারকেই ‘মৃগয়া’ বলা হতো। কিন্তু বর্তমানে শব্দটি কেবল ‘হরিণ শিকার’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেহেতু বন্য প্রাণীর ব্যাপক অর্থ থেকে সরে এসে এটি নির্দিষ্ট একটি প্রাণীতে (হরিণ) সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে, তাই এটি অর্থের সংকোচন-এর উদাহরণ। - অন্ন: একসময় এর অর্থ ছিল ‘খাদ্য বা ভক্ষ্য বস্তু’। বর্তমানে এটি সংকুচিত হয়ে কেবল ‘ভাত’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - অর্থ বদল: এটি কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণিক পরিভাষা নয়, সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণে অর্থের পরিবর্তনের নির্দিষ্ট শ্রেণিবিভাগ রয়েছে। - অর্থ প্রসার: যখন কোনো শব্দ তার মূল অর্থের গণ্ডি ছাড়িয়ে ব্যাপকতর অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে অর্থ প্রসার বলে। যেমন: ‘গং’ (গঙ্গা নদী) > বর্তমানে ‘যে কোনো নদী’। - অর্থের ভাবার্থ: এটি শব্দের অর্থের পরিবর্তন নির্দেশক কোনো প্রক্রিয়া নয়, বরং কোনো বিষয়ের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নে উল্লেখিত 'দৃঢ় সংকল্প' অর্থটি প্রদত্ত কোনো বাগধারার সাথেই সরাসরি মেলে না। 'দৃঢ় সংকল্প' বোঝাতে বাংলা ভাষায় সাধারণত ‘এক কথার মানুষ’ (যার কথার নড়চড় নেই), ‘পন করা’ (প্রতিজ্ঞা করা) কিংবা ‘গোঁ ধরা’ (জেদ বা সংকল্পে অটল থাকা) ইত্যাদি বাগধারা ব্যবহৃত হয়। প্রশ্নের অপশনগুলোতে থাকা বাগধারাগুলোর অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই সঠিক উত্তর হবে ‘একটিও নয়’।
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো - কোনো শব্দ বা শব্দসমষ্টি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে যখন ভিন্ন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাগধারা (Idiom) বলে। - বাগধারা ভাষার একটি বিশেষ সম্পদ, যা ভাবকে জোরালো ও সুন্দর করে প্রকাশে সাহায্য করে। - ড. এনামুল হকের মতে, "এক বা একাধিক শব্দের যে বিশিষ্ট অর্থ বা প্রয়োগ বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে, তাকে বাগধারা বলে।" • উদাহরণ: 'শকুনি মামা' শব্দটির আভিধানিক অর্থ 'শকুনি নামক মামা' হলেও বাগধারায় এর বিশেষ অর্থ ‘কুচক্রী লোক’।
• ভুল অপশনগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা: - খয়ের খাঁ: এই বাগধারাটির অর্থ হলো ‘চাটুকার’ বা তোষামোদকারী ব্যক্তি। - চিনে জোঁক: এই বাগধারাটির অর্থ হলো ‘নাছোড়বান্দা’ (যে সহজে ছাড়ে না)। এটি কিছুটা কাছাকাছি মনে হতে পারে, কিন্তু এটি মূলত বিরক্তি বা আঠার মতো লেগে থাকাকে নির্দেশ করে, ইতিবাচক দৃঢ় সংকল্পকে নয়। - লেফাফা দুরস্ত: এই বাগধারাটির অর্থ হলো ‘বাইরে ফিটফাট কিন্তু ভেতরে ফাঁপা’ বা বাইরের ঠাট বজায় রেখে চলা।
- সমার্থক শব্দ: যে সব শব্দ একই অর্থ প্রকাশ করে, তাদের সমার্থক বা প্রতিশব্দ বলে। একে একার্থ শব্দও বলা হয়। - ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে এবং ভাষার মাধুর্য বৃদ্ধি করতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ - সম্রাট: ‘সম্রাট’ বলতে রাজাধিরাজ বা বাদশাহকে বোঝায়। এটি ‘বাদশাহ’ শব্দের প্রতিশব্দ। - ভূপতি: ‘ভূ’ মানে পৃথিবী এবং ‘পতি’ মানে প্রভু। অর্থাৎ পৃথিবীর অধিপতি বা রাজা। এটিও ‘বাদশাহ’ শব্দের সমার্থক। - নৃপ: ‘নৃ’ মানে মানুষ এবং ‘প’ মানে পালনকারী। অর্থাৎ মানুষের পালনকর্তা বা রাজা। এটিও ‘বাদশাহ’ শব্দের প্রতিশব্দ।
সঠিক উত্তরের ব্যাখ্যা: ‘বিভাবরী’ শব্দটি ‘বাদশাহ’ এর প্রতিশব্দ নয়। ‘বিভাবরী’ শব্দের অর্থ রাত বা রজনী। বাংলা ভাষায় রাতের অন্যান্য প্রতিশব্দ হলো: নিশি, যামিনী, শর্বরী ইত্যাদি। রাজা বা বাদশাহ-এর সাথে এর অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: বিভাবরী।
- সচেষ্ট শব্দের অর্থ হলো চেষ্টাযুক্ত, উদ্যোগী বা যত্নবান। এর গঠন হলো: স (সহিত) + চেষ্টা = সচেষ্ট (বহুব্রীহি সমাস)। - এর বিপরীত শব্দটি এমন হতে হবে যা চেষ্টা বা উদ্যোগের অভাব বোঝায়। - সঠিক বিপরীত শব্দ হলো ‘নিশ্চেষ্ট’। এর অর্থ হলো চেষ্টাহীন, নিষ্ক্রিয় বা উদ্যমহীন। - ‘নিশ্চেষ্ট’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: নিঃ + চেষ্টা = নিশ্চেষ্ট। (বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গ (ঃ) এর পর 'চ' বা 'ছ' থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য 'শ' হয়)।
• উদাহরণ: - তিনি সাফল্যের জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকেন। - অলস ব্যক্তিরা ভাগ্যের দোহাই দিয়ে নিশ্চেষ্ট হয়ে বসে থাকে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - নীশ্চেষ্ট: বানানটি ভুল। প্রমিত বাংলা বানানে ‘নিশ্চেষ্ট’ শব্দে হ্রস্ব-ই কার (ি) ব্যবহৃত হয়, দীর্ঘ-ঈ কার (ী) নয়। সংস্কৃত 'নিঃ' উপসর্গ বা সন্ধিজাত শব্দে সাধারণত হ্রস্ব-ই কার থাকে। - নিশেস্ট: বানানটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। ‘ষ’ বা ‘স’ এর ব্যবহার এখানে ভুল, সঠিক যুক্তবর্ণটি হলো ‘শ্চ’ (শ + চ)। - নীশেস্ট: এই বানানটিও ভুল। এখানে দীর্ঘ-ঈ কার এবং যুক্তবর্ণ—উভয়ের ব্যবহারই অশুদ্ধ।
ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।
লিঙ্গান্তরের নিয়ম ও শব্দার্থ অনুসারে, সংবাদ বাহক পুরুষের স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দটি হলো ‘দূতী’। বাংলা ভাষায় পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে 'ঈ' প্রত্যয় যোগ করে অনেক সময় স্ত্রীলিঙ্গ গঠন করা হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী, পুংলিঙ্গবাচক শব্দ ‘দূত’ (যে সংবাদ বহন করে)-এর শেষে ‘ঈ’ কার যোগে ‘দূতী’ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ নারী সংবাদ বাহক বা সংবাদদাত্রী।
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো: - বিশেষ্য পদের লিঙ্গান্তর বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাধারণত পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে আ, ঈ, নী, আনী, ইনী ইত্যাদি স্ত্রী-প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ গঠন করা হয়। - বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী, ‘দূত’ শব্দের অর্থ বার্তাবহ বা চর এবং এর স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হলো ‘দূতী’। • উদাহরণ: - পুংলিঙ্গ: তরুণ -> স্ত্রীলিঙ্গ: তরুণী - পুংলিঙ্গ: ছাত্র -> স্ত্রীলিঙ্গ: ছাত্রী - পুংলিঙ্গ: দূত -> স্ত্রীলিঙ্গ: দূতী
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - দূত: এটি পুংলিঙ্গবাচক শব্দ, যার অর্থ পুরুষ সংবাদ বাহক। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। - নারীদূত: ব্যাকরণগতভাবে ‘নারীদূত’ শব্দটি অশুদ্ধ নয় (কর্মধারয় সমাসযোগে গঠিত হতে পারে), কিন্তু এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বা লিঙ্গান্তরের সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে ‘দূতী’ শব্দটিই সর্বজনস্বীকৃত এবং প্রমিত। - দ্যুতি: এই শব্দটির অর্থ আলো, কিরণ বা দীপ্তি। এর সাথে সংবাদ বাহকের কোনো সম্পর্ক নেই।
- Somber শব্দটির অর্থ বিষণ্ন, অন্ধকারাচ্ছন্ন, নিরানন্দ বা গম্ভীর। - অন্যদিকে Bright শব্দটির অর্থ উজ্জ্বল, হাসিখুশি বা প্রাণবন্ত। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Sleepy অর্থ ঘুমন্ত বা তন্দ্রালু, Dismal অর্থ হতাশাপূর্ণ বা নিরানন্দ এবং Drab অর্থ একঘেয়ে বা বৈচিত্রহীন। - যেহেতু 'বিষণ্ন' বা 'অন্ধকারাচ্ছন্ন' এর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'উজ্জ্বল', তাই সঠিক বিপরীত শব্দটি হলো Bright।
- OUTSKIRTS বলতে কোনো TOWN বা শহরের বাইরের বা প্রান্তীয় এলাকাকে বোঝায়। - ঠিক একইভাবে, MARGIN বলতে কোনো PAGE বা পৃষ্ঠার বাইরের বা প্রান্তীয় ফাঁকা অংশকে বোঝায়। - প্রশ্নে প্রদত্ত শব্দজোড়ের সম্পর্কটি হলো 'স্থান এবং তার শেষ প্রান্ত বা সীমানা'। - শহরের সীমানা বা প্রান্তকে যেমন আউটস্কার্টস (Outskirts) বলে, তেমনি পৃষ্ঠার সীমানা বা প্রান্তকে মার্জিন (Margin) বলে। - বাকি অপশনগুলোর মধ্যে Trunk হলো গাছের (Tree) প্রধান অংশ, Rung হলো মইয়ের (Ladder) ধাপ এবং Hangar হলো বিমান (Airplane) রাখার জায়গা, যা এই সম্পর্কের সাথে মেলে না।
- Lazy শব্দটি এখানে Adjective বা গুণবাচক বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো একক Adjective-এর আগে সাধারণত Article (a/an/the) বসে না। তাই প্রথম শূন্যস্থানে কোনো Article বসবে না। - তবে, যদি Adjective-এর পরে কোনো Noun থাকে, তখন সেই Noun-এর সংখ্যা বা নির্দিষ্টতা বোঝাতে Adjective-এর আগে Article বসাতে হয়। - দ্বিতীয় শূন্যস্থানের ক্ষেত্রে 'lazy'-এর পরে 'man' (Noun) শব্দটি রয়েছে। - যেহেতু এখানে একজন অনির্দিষ্ট অলস ব্যক্তি বা 'lazy man'-এর কথা বলা হচ্ছে, তাই এর আগে Indefinite Article 'a' বসবে। - সঠিক বাক্যটি হবে: "Though he is lazy, he does not like a lazy man."
- জেমস জয়েস (James Joyce) ছিলেন একজন বিখ্যাত আইরিশ উপন্যাসিক, ছোটগল্প লেখক এবং কবি। - তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী আভা-গর্দ (avant-garde) ধারার অন্যতম প্রভাবশালী লেখক হিসেবে বিবেচিত হন। - তার জন্ম ১৮৮২ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে এবং তিনি ১৯৪১ সালে জুরিখে মৃত্যুবরণ করেন। - তার লেখা বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম গুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ইউলিসিস’ (Ulysses), ‘ডাবলিনার্স’ (Dubliners) এবং ‘আ পোর্ট্রেট অফ দ্য আর্টিস্ট এজ এ ইয়াং ম্যান’ (A Portrait of the Artist as a Young Man)। - তার লেখার শৈলী এবং পরীক্ষামূলক ভাষা ব্যবহারের কারণে তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে Fugitive, Deserter এবং Apostate তিনটি শব্দই নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, যা পলাতক বা দলত্যাগের সাথে সম্পর্কিত। - Fugitive অর্থ পলাতক, যিনি আইন বা বিপদ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। - Deserter অর্থ দলত্যাগী, বিশেষ করে সৈনিক হিসেবে কর্তব্য বা দল ত্যাগ করে পালানো ব্যক্তি। - Apostate মানে স্বধর্মত্যাগী বা বিশ্বাসঘতক, যিনি নিজের ধর্ম বা নীতি ত্যাগ করেছেন। - অন্যদিকে, Allegiance শব্দটি একটি ইতিবাচক গুণ বা আনুগত্য প্রকাশ করে, যার অর্থ কোনো রাষ্ট্র, শাসক বা গোষ্ঠীর প্রতি বিশ্বস্ততা। - যেহেতু বাকি তিনটি শব্দ বিশ্বাসঘাতকতা বা পলায়ন বোঝাচ্ছে এবং Allegiance আনুগত্য বোঝাচ্ছে, তাই এটি তালিকায় বেমানান বা Odd word।
- Intransitive verb বা অকর্মক ক্রিয়া হলো এমন একটি ক্রিয়া, যার অর্থ প্রকাশের জন্য কোনো object বা কর্মের প্রয়োজন হয় না। - প্রদত্ত বাক্য "Mother laughs" (মা হাসেন)-এ 'laughs' ক্রিয়াপদটি নিজেই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করেছে। - এখানে 'কী হাসেন?' বা 'কাকে হাসেন?' প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর পাওয়া যায় না, অর্থাৎ এর কোনো object নেই। - যেহেতু 'laughs' ভার্বটি কোনো object গ্রহণ করেনি, তাই এটি একটি Intransitive verb। - অন্যদিকে, Transitive verb বা সকর্মক ক্রিয়ার অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য অবশ্যই একটি object-এর প্রয়োজন হতো (যেমন: She reads a book)।
- Glance at একটি Appropriate Preposition, যার অর্থ কারোর দিকে একনজর তাকানো। - এখানে Mr. Gani আমাদের দিকে একবার তাকিয়েছিলেন বোঝাতে at ব্যবহৃত হয়েছে। - বাক্যের অর্থ দাঁড়ায়: জনাব গনি আমাদের দিকে একবার তাকিয়েছিলেন। - অন্যদিকে Glance এর সাথে সাধারণত to, down বা up ব্যবহৃত হয় না, বরং Glance through (তাড়াতাড়ি পড়া) বা Glance over (দ্রুত চোখ বুলানো) ব্যবহৃত হয়।
- Treacherous (Option 2) বানানটি সঠিক, যার বাংলা অর্থ বিশ্বাসহন্তারক, বিশ্বাসঘাতক বা প্রতারক। - ইংরেজি শব্দটি "Treachery" (বিশ্বাসঘাতকতা) থেকে উদ্ভুত হয়েছে। - শব্দটির সঠিক বানান মনে রাখার জন্য একে ভেঙে এভাবে পড়া যেতে পারে: Trea + cher + ous। - বাকি অপশনগুলোর বানান (Treacharous, Trecherous, Trecharous) ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এদের কোনো অর্থ নেই।
- বাক্যে ব্যবহৃত ‘filtered through’ শব্দগুচ্ছটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে কোনো খবর বা তথ্য ধীরে ধীরে বা বিভিন্ন বাধার মধ্য দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো। - অপশনগুলোর মধ্যে ‘made its way to’ কথাটি একই অর্থ প্রকাশ করে, যার অর্থ হলো কোনো খবর পরোক্ষভাবে বা ধীরে ধীরে কারও কাছে এসে পৌঁছানো। - যেমন- কোনো ঘটনা ঘটার অনেক পরে গুজব বা খবরের মাধ্যমে তা যখন কেউ জানতে পারে, তখন এই ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়। - অন্যদিকে, 'was known by all' অর্থ সবার কাছে জানা, 'burst through' অর্থ হঠাৎ করে ফেটে পড়া বা জোরপূর্বক প্রবেশ করা এবং 'surprised' অর্থ বিস্মিত হওয়া—যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।
- প্রদত্ত বাক্যেটির অর্থ হলো, "একজন বক্তার সর্বদা চেষ্টা করা উচিত এমন একটি ... উপস্থাপক না হতে, যা শ্রোতাদের আগ্রহকে ... করে দেয়।" - বাক্যটি নেতিবাচক অর্থে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে শ্রোতার আগ্রহ কমে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তাই শূন্যস্থানে এমন শব্দ বসাতে হবে যা এই ভাবটি প্রকাশ করে। - চতুর্থ অপশনে থাকা Insipid শব্দটির অর্থ নিরস বা স্বাদহীন এবং Dwindle শব্দটির অর্থ কমে যাওয়া বা হ্রাস পাওয়া। - যদি আমরা বাক্যটিতে এই শব্দগুলো বসাই, তবে অর্থ দাঁড়াবে: "একজনের সর্বদা চেষ্টা করা উচিত যাতে সে একজন নিরস (insipid) উপস্থাপক না হয়, যে শ্রোতাদের আগ্রহ কমিয়ে (dwindle) দেয়।" - অন্যদিকে, Vivacious অর্থ প্রাণবন্ত এবং Diminish অর্থ কমানো; Languid অর্থ নিস্তেজ এবং Amplify অর্থ বৃদ্ধি করা; Rampant অর্থ ব্যাপক এবং Flounder অর্থ হাবুডুবু খাওয়া। এগুলোর কোনোটিই বাক্যের প্রসঙ্গের সাথে সঠিক অর্থ তৈরি করে না। - সুতরাং, বাক্যের ভাব এবং ব্যাকরণগত দিক বিবেচনায় insipid/dwindle সঠিক উত্তর।
✅চাকরি পরীক্ষার আপডেট ============================= ১। ২৩ তারিখের অফিসার জেনারেল পিছিয়ে ৩১ তারিখ বিকাল হবে ৩-৪টা।
✅ ১৯তারিখ থেকে ৫০তম বিসিএস ফুল মডলে টেস্ট ১০টি নেওয়া হবে।
✅প্রাইমারী, নিবন্ধন বা ১১তম-২০তম গ্রেডের যেকোনো চাকরি জন্য প্রশ্ন ব্যাংক লেগে থেকে শেষ করুন। অ্যাপ এর প্রশ্ন ব্যাংক থেকে ১০০% কমন আসবে। বাকি চাকরি পরীক্ষা জন্য ৭০%-৮০% কমন আসবে। আপনার চর্চার সময় আপনার ভুল প্রশ্ন, বুকমার্ক প্রশ্ন সব ডাটাবেজে জমা থাকে। মনে করুন বাংলা সাহিত্য ৪০০০ প্রশ্ন আছে, আপনি একবার ভালো করে পড়বেন, এর মধ্যে দেখবেন ৪০% প্রশ্ন আপনার জানা, যেগুলো কখনও ভুল হবে না, বাকি আছে ৬০%, এই প্রশ্নগুলো আলাদা বাটনে জমা হয়, যেগুলো আপনি ভুল করছেন, এখন এইগুলো ভালো করে রিভিশন দিন। এতে সহজে কম সময় প্রস্তুতি শেষ হবে। যারা একেবারে নতুন তারা জব শুলুশন্স বাটন দিয়ে শুরু করতে পারেন।
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। পরীক্ষা শুরুঃ ১৫ আগস্ট। মোট পরীক্ষাঃ ৫৮টি
✅ আপকামিং রুটিনঃ
- ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।