সনাতন বা প্রাচীন পদ্ধতি অনুযায়ী হিসাবকে প্রধানত কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option B
সনাতন বা প্রাচীন পদ্ধতি অনুযায়ী হিসাবকে বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। যথা- ব্যক্তিবাচক, সম্পত্তিবাচক এবং নামিক বা আয়-ব্যয়বাচক।
ব্যক্তিবাচক হিসাব- যেসব হিসাব কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সাথে সম্পর্কিত, তাকে ব্যক্তিবাচক হিসাব বলে। এই হিসাবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সুবিধা গ্রহণকারী বা প্রদানকারী হতে পারে। যেমন: রহিম হিসাব, পাওনাদার হিসাব, ব্যাংক হিসাব ইত্যাদি।
সম্পত্তিবাচক হিসাব- যেসব হিসাব ব্যবসায়ের কোনো সম্পদ বা সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত, তাকে সম্পত্তিবাচক হিসাব বলে। এই হিসাব ব্যবসায়ের অধিকার বা মালিকানা নির্দেশ করে। যেমন: নগদান হিসাব, আসবাবপত্র হিসাব, যন্ত্রপাতি হিসাব ইত্যাদি।
নামিক বা আয়-ব্যয়বাচক হিসাব- যেসব হিসাব ব্যবসায়ের দৈনন্দিন আয় বা ব্যয়ের সাথে সম্পর্কিত, তাদের নামিক হিসাব বলে। এর কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই, কেবল হিসাব সংরক্ষণের সুবিধার্থে এগুলো ব্যবহৃত হয়। যেমন: বেতন হিসাব, ভাড়া হিসাব, বিক্রয় হিসাব ইত্যাদি।
ব্যক্তিবাচক হিসাব- যেসব হিসাব কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সাথে সম্পর্কিত, তাকে ব্যক্তিবাচক হিসাব বলে। এই হিসাবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সুবিধা গ্রহণকারী বা প্রদানকারী হতে পারে। যেমন: রহিম হিসাব, পাওনাদার হিসাব, ব্যাংক হিসাব ইত্যাদি।
সম্পত্তিবাচক হিসাব- যেসব হিসাব ব্যবসায়ের কোনো সম্পদ বা সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত, তাকে সম্পত্তিবাচক হিসাব বলে। এই হিসাব ব্যবসায়ের অধিকার বা মালিকানা নির্দেশ করে। যেমন: নগদান হিসাব, আসবাবপত্র হিসাব, যন্ত্রপাতি হিসাব ইত্যাদি।
নামিক বা আয়-ব্যয়বাচক হিসাব- যেসব হিসাব ব্যবসায়ের দৈনন্দিন আয় বা ব্যয়ের সাথে সম্পর্কিত, তাদের নামিক হিসাব বলে। এর কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই, কেবল হিসাব সংরক্ষণের সুবিধার্থে এগুলো ব্যবহৃত হয়। যেমন: বেতন হিসাব, ভাড়া হিসাব, বিক্রয় হিসাব ইত্যাদি।