সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

আর্থিক হিসাব বিজ্ঞান - স্টকহোল্ডারদের মালিকানাস্বত্ব

৩০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
বোনাস শেয়ার হলো কোম্পানির পুঞ্জীভূত মুনাফা বা রিজার্ভ থেকে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের বিনামূল্যে দেওয়া অতিরিক্ত শেয়ার।
• যেহেতু আনুপাতিক হারে নতুন শেয়ার ইস্যু করা হয়, তাই কোম্পানির মোট শেয়ারের সংখ্যা বেড়ে যায়।
• এর ফলে কোম্পানির মোট ইক্যুইটি বা মূলধনের কোনো পরিবর্তন হয় না, শুধুমাত্র বাজারে শেয়ারের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আইন অনুযায়ী শুধুমাত্র পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (Public Limited Company) শেয়ার বাজারের (Stock Exchange) মাধ্যমে সাধারণ জনগণের নিকট শেয়ার ইস্যু করে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে।
• প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি: সাধারণ জনগণের কাছে শেয়ার বিক্রি করতে পারে না।
• একমালিকানা ও অংশীদারি ব্যবসায়: এগুলোর শেয়ার থাকে না এবং এরা শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারে না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোম্পানি যখন তার শেয়ারের অভিহিত মূল্য (Face Value)-এর চেয়ে বেশি মূল্যে শেয়ার ইস্যু করে, তখন তাকে শেয়ার অধিহার বা Premium-এ শেয়ার ইস্যু বলা হয়।
• এই অভিহিত মূল্যের উপরে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করার কৌশলের মাধ্যমে কোম্পানি তার সুনামের কারণে বাজার থেকে বেশি মূলধন সংগ্রহ করতে পারে।
• অন্যদিকে, অবহারে শেয়ার বিক্রয় বলতে কম মূল্যে বিক্রি করা বোঝায়, যা অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহে সহায়ক নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বোনাস শেয়ার (Bonus Share) হলো এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোম্পানি তার পুঞ্জীভূত মুনাফাকে মূলধনে রূপান্তর করে এবং বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের আনুপাতিক হারে বিনামূল্যে অতিরিক্ত শেয়ার প্রদান করে।
• রাইট শেয়ার: বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের নতুন শেয়ার কেনার অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তবে এটি বিনামূল্যে নয়।
• ক্যাশ ডিভিডেন্ড: এর মাধ্যমে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়, শেয়ার নয়।
• শেয়ার বাইব্যাক: বাজার থেকে কোম্পানির নিজের শেয়ার কিনে নেওয়ার প্রক্রিয়া।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য (Face Value) পরিবর্তন (যেমন: শেয়ার স্প্লিট বা বিভক্তিকরণ) করতে হলে কোম্পানির সংঘবিধিতে (Memorandum of Association) পরিবর্তন আনতে হয়।
• এই ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য কোম্পানির সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি বা ভোটাভুটির মাধ্যমে বিশেষ প্রস্তাব পাস করা বাধ্যতামূলক।
• পরিচালনা পর্ষদ একক সিদ্ধান্তে বা শুধু স্টক এক্সচেঞ্জের নোটিশে এটি পরিবর্তন করতে পারে না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
শেয়ার বাইব্যাক (Share Buyback) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো কোম্পানি বাজার থেকে নিজেদের শেয়ার পুনরায় কিনে নেয়।
এর ফলে বাজারে থাকা কোম্পানির মোট শেয়ারের সংখ্যা কমে যায়।
শেয়ার সংখ্যা কমে যাওয়ায় বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানার হার এবং শেয়ার প্রতি আয় (EPS) সাধারণত বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
দেওয়া আছে,
প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য (Face Value) = ১০০ টাকা।
প্রতিটি শেয়ারের বিক্রয় মূল্য = ১২০ টাকা।
বিক্রয় করা মোট শেয়ারের সংখ্যা = ১,০০০টি।
এখানে, প্রতিটি শেয়ারে অতিরিক্ত প্রাপ্ত অর্থ = বিক্রয় মূল্য - অভিহিত মূল্য
= ১২০ - ১০০ = ২০ টাকা।
সুতরাং, ১,০০০টি শেয়ারের জন্য মোট অতিরিক্ত মূলধন = ১,০০০ × ২০ = ২০,০০০ টাকা।
হিসাববিজ্ঞানের নিয়মানুযায়ী এই অতিরিক্ত ২০,০০০ টাকাকে শেয়ার প্রিমিয়াম বা অধিহার হিসেবে গণ্য করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোম্পানি তার অর্জিত মুনাফার যে অংশ শেয়ারহোল্ডারদের নগদ অর্থে প্রদান করে, তাকে cash dividend বা নগদ লভ্যাংশ বলা হয়।
অন্যদিকে, নগদ অর্থের পরিবর্তে শেয়ারের মাধ্যমে লভ্যাংশ প্রদান করা হলে তাকে stock dividend বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো কোম্পানির নির্দিষ্ট হিসাবকালের নিট মুনাফার যে অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে তাদের শেয়ারের মালিকানার অনুপাতে বণ্টন করা হয়, তাকে লভ্যাংশ বা Dividend বলে।
এটি মূলত কোম্পানিতে শেয়ারহোল্ডারদের বিনিয়োগের আর্থিক প্রতিদান।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
যখন কোনো কোম্পানি প্রথমবারের মতো সাধারণ জনগণের কাছে তাদের শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব দেয়, তখন তাকে Initial Public Offering (IPO) বলা হয়।
এর মাধ্যমে একটি প্রাইভেট কোম্পানি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয় এবং শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোম্পানি যখন বড় আকারের মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে অবলেখক (Underwriter)-এর মাধ্যমে সর্বস্তরের বিনিয়োগকারীদের কাছে সিকিউরিটিজ বিক্রির প্রস্তাব দেয়, তখন তাকে গণপ্রস্তাব বা পাবলিক অফারিং বলা হয়।
এটি মূলত প্রাথমিক বাজারে (Primary Market) শেয়ার ছেড়ে তহবিল সংগ্রহের একটি অন্যতম মাধ্যম।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: চূড়ান্ত লভ্যাংশ
• একটি নির্দিষ্ট আর্থিক বছর শেষে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (AGM) শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন সাপেক্ষে যে লভ্যাংশ ঘোষণা ও বণ্টন করা হয়, তাকে চূড়ান্ত লভ্যাংশ বা Final Dividend বলে।
• অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ (Interim Dividend): দুটি বার্ষিক সাধারণ সভার মধ্যবর্তী সময়ে যে লভ্যাংশ দেওয়া হয়।
• বোনাস লভ্যাংশ: নগদ অর্থের পরিবর্তে শেয়ার হিসেবে যে লভ্যাংশ দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: Stock split
• Stock split বা শেয়ার বিভাজন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোম্পানি তার প্রতিটি শেয়ারকে একাধিক শেয়ারে বিভক্ত করে।
• এর ফলে শেয়ারের সমমূল্য (Par value) আনুপাতিক হারে কমে যায়, কিন্তু শেয়ারের মোট সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং কোম্পানির মোট বাজারমূল্য বা মূলধনে কোনো পরিবর্তন হয় না।
• এটি সাধারণত শেয়ারের বাজারমূল্য কমিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারটিকে আরও ক্রয়যোগ্য করার উদ্দেশ্যে করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: রাইট শেয়ার
• কোম্পানি যখন অতিরিক্ত মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে নতুন শেয়ার ইস্যু করে, তখন সেই শেয়ার কেনার জন্য প্রথমে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের যে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তাকে রাইট শেয়ার (Right issue) বলে।
• এটি সাধারণত বর্তমান বাজারমূল্যের চেয়ে কিছুটা কম দামে (Discount price) অফার করা হয়।
• বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডাররা তাদের ধারণকৃত শেয়ারের অনুপাতের ভিত্তিতে এই রাইট শেয়ার ক্রয়ের সুযোগ পান।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: বোনাস শেয়ার
• কোম্পানি যখন তার অবণ্টিত মুনাফা বা রিটেইনড আর্নিংস (Retained Earnings) নগদে বণ্টন না করে মূলধনে রূপান্তর করে এবং তার বিপরীতে শেয়ারহোল্ডারদের আনুপাতিক হারে বিনামূল্যে নতুন শেয়ার প্রদান করে, তাকে বোনাস শেয়ার বা Stock dividend বলা হয়।
• ট্রেজারি শেয়ার: কোম্পানি যখন নিজের ইস্যুকৃত শেয়ার বাজার থেকে পুনরায় কিনে নিজের কাছে রেখে দেয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: প্রিফার্ড স্টক
• প্রিফার্ড স্টক (Preferred Stock) বা অগ্রাধিকার শেয়ার হলো এমন এক ধরনের শেয়ার, যার মালিকরা সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের (Common Stock) আগে নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পাওয়ার অধিকারী হন।
• কোম্পানি যদি কখনো দেউলিয়া বা অবলুপ্ত হয়, তবে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের আগে প্রিফার্ড স্টক হোল্ডারদের বিনিয়োগকৃত মূলধন ফেরত দেওয়া হয়।
• তবে প্রিফার্ড স্টকহোল্ডারদের সাধারণত কোম্পানিতে কোনো ভোটাধিকার (Voting rights) থাকে না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ট্রেজারি স্টক (Treasury Stock) হলো কোম্পানির নিজের ইস্যুকৃত শেয়ার, যা তারা বাজার থেকে পুনরায় কিনে নেয়।
এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
• এটি লভ্যাংশ (Dividend) পাওয়ার যোগ্য নয়।
• এর কোনো ভোটাধিকার (Voting right) থাকে না।
• কোম্পানির অবসায়নের সময় এটি কোনো অগ্রাধিকার পায় না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যখন কোনো কোম্পানি তার নিজের ইস্যুকৃত শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বাজার থেকে কিনে নেয় এবং তা বাতিল না করে নিজেদের কাছে রেখে দেয়, তখন তাকে ট্রেজারি স্টক (Treasury Stock) বলা হয়।
এটি বাজারে কোম্পানির মোট আউটস্ট্যান্ডিং শেয়ারের পরিমাণ কমিয়ে দেয়, যার ফলে শেয়ার প্রতি আয় (EPS) বৃদ্ধি পেতে পারে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রতিটি শেয়ারের একটি নির্দিষ্ট গায়ে লেখা মূল্য থাকে, যাকে অভিহিত মূল্য বা ফেস ভ্যালু (Face Value) বলা হয়।
যখন কোনো কোম্পানি বাজারে তার শেয়ার এই অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করে, তখন সেই অতিরিক্ত মূল্যকে প্রিমিয়াম বলে এবং এই প্রক্রিয়াকে অধিহারে শেয়ার ইস্যু (Issue of shares at a premium) বলা হয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
শেয়ারের গায়ে লেখা নির্দিষ্ট মূল্যকে অভিহিত মূল্য (Face Value) বলে।
যখন কোম্পানি তার শেয়ার এই অভিহিত মূল্যের চেয়ে কম দামে বা ডিসকাউন্টে বাজারে বিক্রি করে, তখন তাকে অবহারে শেয়ার ইস্যু (Issue of shares at a discount) বলা হয়।
সাধারণত আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে এভাবে অবহারে শেয়ার ইস্যু করে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
শেয়ার বাজারে ইস্যু করার সময় মূল্য নির্ধারণের তিনটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে:
• সমহারে (At Par): যখন শেয়ার তার মূল বা অভিহিত মূল্যে (Face Value) বিক্রি করা হয়।
• অধিহারে (At Premium): যখন শেয়ার অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করা হয়।
• অবহারে (At Discount): যখন শেয়ার অভিহিত মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রি করা হয়।
যেহেতু এখানে কোম্পানি তার শেয়ার ঠিক অভিহিত মূল্যেই বিক্রি করেছে, তাই হিসাববিজ্ঞানের নীতি অনুযায়ী এটিকে সমহারে শেয়ার ইস্যু বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
লভ্যাংশ হলো কোম্পানির নিট মুনাফার একটি অংশ যা শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বণ্টন করা হয়।
দ্বিতরফা দাখিলা পদ্ধতি (Double Entry System) অনুযায়ী, যেকোনো ব্যয় বা উত্তোলন বৃদ্ধি পেলে তা ডেবিট হয় এবং সম্পদ হ্রাস পেলে ক্রেডিট হয়।
কোম্পানি যখন লভ্যাংশ প্রদান করে, তখন কোম্পানির মালিকানাস্বত্ব বা সংরক্ষিত আয় হ্রাস পায়, যা একটি ব্যয় হিসেবে গণ্য হয়।
এই কারণে লভ্যাংশ ব্যয় (Dividend Expense) হিসাবটিকে ডেবিট করা হয়। অন্যদিকে নগদ অর্থ চলে যাওয়ায় নগদ হিসাবকে ক্রেডিট করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মুক্ত বাজার থেকে কোনো কোম্পানির নিজের ইস্যুকৃত শেয়ার পুনরায় কিনে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে শেয়ার বাইব্যাক (Share Buyback) বা স্টক রিপারচেজ বলা হয়।
এই প্রক্রিয়ার কিছু গাণিতিক ও আর্থিক প্রভাব রয়েছে:
• বাজারে কোম্পানির মোট শেয়ারের সংখ্যা (Outstanding Shares) কমে যায়।
• কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (EPS) গাণিতিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
এই কেনা শেয়ারগুলোকে হিসাববিজ্ঞানে ট্রেজারি স্টক (Treasury Stock) হিসেবে রেকর্ড করা হয়, যা একটি বিপরীত-মালিকানাস্বত্ব (Contra-equity) হিসাব।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নতুন সাধারণ শেয়ার ইস্যু করার মাধ্যমে কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহ করে।
হিসাববিজ্ঞানের মৌলিক সমীকরণ (Assets = Liabilities + Equity) অনুযায়ী, কোম্পানিতে কোনো সম্পদ আসলে তা ডেবিট হয়।
শেয়ার ইস্যু করার ফলে কোম্পানির তহবিলে নগদ অর্থ বা সমতুল্য সম্পদের আগমন ঘটে।
যেহেতু সম্পদ বৃদ্ধি পায়, তাই নগদ বা অন্যান্য সম্পদ হিসাবকে ডেবিট করা হয়। এর বিপরীতে কোম্পানির মালিকানাস্বত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় শেয়ার মূলধন হিসাবকে ক্রেডিট করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
শেয়ার ইস্যু করার সময় যখন তা অভিহিত মূল্য (Par Value) বা লিখিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করা হয়, তখন সেই অতিরিক্ত অংশকে অতিরিক্ত মূলধন বা শেয়ার প্রিমিয়াম বলা হয়।
ধাপসমূহ:
১. প্রথমে শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
২. এরপর বাজারে শেয়ারটি যে মূল্যে বিক্রি হয় (ইস্যু মূল্য) তা থেকে অভিহিত মূল্য বাদ দেওয়া হয়।
গাণিতিক নিয়ম: অতিরিক্ত মূলধন = শেয়ারের বিক্রয় মূল্য - শেয়ারের অভিহিত মূল্য।
সুতরাং, অভিহিত মূল্যের উপরে অর্জিত অতিরিক্ত অর্থই হলো অতিরিক্ত মূলধন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোম্পানির মালিকানার মূল ভিত্তি হলো সাধারণ শেয়ার বা স্টক।
ধাপসমূহ:
১. একটি কোম্পানি যখন তার মালিকানার অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিক্রি বা বিতরণ করে, তখন তার একটি নির্দিষ্ট হিসাব রাখতে হয়।
২. এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেয়ার ইস্যু, শেয়ারের মূল্য এবং মালিকানা স্বত্বের পরিবর্তন লিপিবদ্ধ করা হয়।
এই সম্পূর্ণ হিসাব রাখার প্রক্রিয়াটিকে সাধারণ স্টক হিসাবরক্ষণ বলা হয়। এর মাধ্যমে কোম্পানির মোট ইকুইটি বা মালিকানা স্বত্বের সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেকোনো ব্যবসায়ের নিট মুনাফার পুরো অংশ সাধারণত শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন করা হয় না।
ধাপসমূহ:
১. প্রথমে কোম্পানির মোট আয় থেকে সকল খরচ বাদ দিয়ে নিট মুনাফা নির্ণয় করা হয়।
২. এই নিট মুনাফা থেকে একটি নির্দিষ্ট অংশ শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসেবে দেওয়া হয়।
৩. অবশিষ্ট অংশ ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ বা পুনর্বিনিয়োগের জন্য প্রতিষ্ঠানে রেখে দেওয়া হয়।
গাণিতিক নিয়ম: সংরক্ষিত আয় = প্রারম্ভিক সংরক্ষিত আয় + চলতি বছরের নিট মুনাফা - প্রদত্ত লভ্যাংশ।
সুতরাং, মুনাফার এই অবণ্টিত বা সংরক্ষিত অংশকেই সংরক্ষিত আয় বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানিতে যে মোট অর্থ বিনিয়োগ করে, হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় তাকে প্রদত্ত মূলধন বা পরিশোধিত মূলধন বলা হয়।
ধাপসমূহ:
১. যখন শেয়ার বিক্রি করা হয়, তখন শেয়ারের একটি মূল বা অভিহিত মূল্য (Par value) থাকে।
২. অনেক সময় শেয়ার অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়, যাকে অতিরিক্ত পরিশোধিত মূলধন (Additional paid-in capital) বলে।
গাণিতিক নিয়ম: প্রদত্ত মূলধন = শেয়ারের অভিহিত মূল্য + অতিরিক্ত পরিশোধিত মূলধন।
এই দুটি খাতের সমষ্টিই নির্দেশ করে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিতে প্রকৃতপক্ষে কত টাকা প্রদান করেছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি কর্পোরেশনের মোট মালিকানা স্বত্ব বা কর্পোরেট মূলধনকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।
ধাপসমূহ:
১. পরিশোধিত মূলধন (Paid-in Capital): এটি হলো সেই অর্থ যা শেয়ারহোল্ডাররা সরাসরি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে (যেমন: শেয়ার বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ)।
২. অর্জিত মূলধন বা সংরক্ষিত আয় (Earned Capital/Retained Earnings): এটি হলো কোম্পানির নিজস্ব কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফার সেই অংশ, যা লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন না করে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য রেখে দেওয়া হয়।
গাণিতিক নিয়ম: মোট কর্পোরেট মূলধন = পরিশোধিত মূলধন + অর্জিত মূলধন।
তাই এই দুটিই কর্পোরেট মূলধনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান অংশ।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
যেকোনো কর্পোরেশন বা কোম্পানির মালিকানা স্বত্ব বা কর্পোরেট মূলধন (Corporate Capital) প্রধানত দুটি মূল উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত হয়:

• সরাসরি বিনিয়োগকৃত মূলধন: কোম্পানির মালিকপক্ষ বা শেয়ারহোল্ডাররা শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে যে অর্থ সরাসরি ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন।
• অবণ্টিত নিট লাভ (Retained Earnings): ব্যবসায় অর্জিত নিট লাভের যে অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন না করে, ব্যবসায়ের সম্প্রসারণ বা ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্য রেখে দেওয়া হয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর গাণিতিক ও হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম:
• অনুমোদিত মূলধন: এটি হলো কোম্পানির সংঘস্মারকে উল্লেখিত সর্বোচ্চ মূলধনের সীমা, যা মালিকদের প্রকৃত বিনিয়োগ নয়।
• চলতি মূলধন: গাণিতিকভাবে, চলতি মূলধন = চলতি সম্পদ - চলতি দায়। এটি দৈনন্দিন কাজ পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• সংরক্ষিত মূলধন: এটি শুধুমাত্র অবণ্টিত লাভের অংশকে নির্দেশ করে, এর সাথে সরাসরি বিনিয়োগ যুক্ত থাকে না।

হিসাববিজ্ঞানের সমীকরণ অনুযায়ী, মালিকানা স্বত্ব (কর্পোরেট মূলধন) = শেয়ার মূলধন (সরাসরি বিনিয়োগ) + সংরক্ষিত আয় (অবণ্টিত লাভ)। তাই উল্লিখিত দুটি উপাদানের সমষ্টিই হলো কর্পোরেট মূলধন।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।