সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

আর্থিক হিসাব বিজ্ঞান - আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ

৩০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
লভ্যাংশ কভারেজ অনুপাত (Dividend Coverage Ratio) নিট মুনাফা এবং অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশের মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশ করে। অগ্রাধিকার শেয়ার মালিকগণ তাদের লভ্যাংশ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা ও ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে মূলত এই অনুপাতটি বিশ্লেষণ করে থাকেন। অনুপাতটি যত বেশি হয়, লভ্যাংশ পাওয়ার নিশ্চয়তা তত বেশি থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব সম্পত্তির কোনো ভৌত বা বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই, অর্থাৎ যেগুলো ধরা বা ছোঁয়া যায় না, কিন্তু আর্থিক মূল্য ও উপযোগিতা আছে, তাদেরকে অস্পর্শনীয় সম্পত্তি বলা হয়।

অস্পর্শনীয় সম্পত্তির উদাহরণ:
- সুনাম (Goodwill)
- প্যাটেন্ট (Patents)
- ট্রেডমার্ক (Trademarks)
- লাইসেন্স ও কপিরাইট
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট হিসাবকালে নগদের উৎস (Source) এবং ব্যবহার (Application) মূলত নগদ প্রবাহ বিবরণী বা নগদ প্রবাহ বিশ্লেষণ-এর মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয়।

এই বিশ্লেষণের আওতায় ৩টি প্রধান খাত থাকে:
- পরিচালন কার্যক্রম: দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রমের স্থিতিশীলতা পর্যালোচনা করতে সহায়তা করে।
- বিনিয়োগ কার্যক্রম: দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বা সম্পদ ক্রয়-বিক্রয়ের অবস্থা বোঝায়।
- অর্থসংস্থান কার্যক্রম: মূলধন কাঠামো এবং ঋণ গ্রহণ বা পরিশোধের চিত্র তুলে ধরে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Debtors turnover ratio বা দেনাদার আবর্তন অনুপাত নির্দেশ করে একটি প্রতিষ্ঠান কত দ্রুত তার দেনাদার বা প্রাপ্য হিসাবের নিকট থেকে বকেয়া অর্থ আদায় করতে সক্ষম।

এই অনুপাতটি যত বেশি হয়, অর্থ আদায়ের গতি তত ভালো বলে বিবেচিত হয়, যা প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী মূলধন ব্যবস্থাপনার দক্ষতা প্রমাণ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বিনিয়োগকারী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেনা-ইকুইটি অনুপাত (Debt-Equity Ratio)-কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এর কারণসমূহ:
- এটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মূলধন (Equity) এবং বহিরাগত ঋণের (Debt) মধ্যকার সম্পর্ক নির্দেশ করে।
- ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সচ্ছলতা যাচাই করতে ভূমিকা রাখে।
- অনুপাতটি বেশি হলে ঋণদাতাদের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়, ফলে ঋণ মঞ্জুরের সিদ্ধান্ত সরাসরি প্রভাবিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, লাভজনকতা এবং কার্যক্ষমতা পরিমাপ করার জন্য আর্থিক তথ্যাবলি পর্যালোচনা করার প্রক্রিয়াকে আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ (Financial Statement Analysis) বলে।
- এর মাধ্যমে ব্যবসায়ের আয় বিবরণী, উদ্বৃত্তপত্র এবং নগদ প্রবাহ বিবরণী বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়।
- অন্যান্য বিশ্লেষণগুলো (যেমন- উৎপাদন ব্যয় বা মানবসম্পদ) ব্যবসায়ের নির্দিষ্ট ও ভিন্ন ক্ষেত্রের সাথে জড়িত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো নির্দিষ্ট হিসাবের স্বাভাবিক জের বা পরিমাণ কমানোর জন্য তার বিপরীতে বা সাথে সম্পর্কিত যে হিসাব খোলা হয়, তাকে Contra Account (বিপরীত হিসাব) বলে।
- Contra Account-এর ব্যালেন্স মূল হিসাবের ব্যালেন্সের বিপরীত দিকে (ডেবিট/ক্রেডিট) থাকে।
- উদাহরণ: পুঞ্জীভূত অবচয় (Accumulated Depreciation), যা স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য হ্রাস করে প্রদর্শন করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব সম্পদের কোনো বাস্তব বা ভৌত অস্তিত্ব নেই এবং যেগুলোকে কখনো নগদে রূপান্তর করা যায় না বা বাস্তবে কোনো বাজারমূল্য নেই, তাদের ভুয়া বা কাল্পনিক সম্পত্তি (Fictitious Assets) বলে।
- ভুয়া সম্পত্তির উদাহরণ: প্রাথমিক খরচাবলি, শেয়ার অবহার ইত্যাদি।
- অন্যদিকে, অস্পর্শনীয় সম্পত্তির (যেমন- সুনাম বা প্যাটেন্ট) দৃশ্যমান অস্তিত্ব না থাকলেও এর আর্থিক মূল্য থাকে, যা আয় বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- চলতি সম্পত্তি হলো সেসব সম্পদ যা সহজেই নগদে রূপান্তরযোগ্য।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যবসায়ের মালিকানা তহবিল (Owner's Equity) এবং দীর্ঘমেয়াদি দায়ের (Long-term Liabilities) সমষ্টিকে বিনিয়োগিত মূলধন (Capital Employed) বলা হয়।
- এটি মূলত কারবারে মোট কত টাকা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করা হয়েছে তা নির্দেশ করে।
- বিনিয়োগিত মূলধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা এবং মুনাফা অর্জনের সক্ষমতা পরিমাপ করা হয়।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
আর্থিক অনুপাত বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে যখন অনুপাতের একটি উপাদান উদ্বৃত্তপত্র (Balance Sheet) থেকে এবং অপরটি আয় বিবরণী বা লাভ-ক্ষতির হিসাব (Income Statement) থেকে নিয়ে তুলনা করা হয়, তখন তাকে মিশ্র বা আন্তঃবিবরণী অনুপাত (Mixed or Inter-statement Ratio) বলে।
- উদাহরণ: মজুত আবর্তন অনুপাত (Inventory Turnover Ratio), যেখানে বিক্রিত পণ্যের ব্যয় (আয় বিবরণী) এবং গড় মজুত পণ্য (উদ্বৃত্তপত্র) ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
তুলনামূলক বিশ্লেষণ (Comparative Analysis) হলো আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণের এমন একটি কৌশল যেখানে একটি প্রতিষ্ঠানের একাধিক বছরের আর্থিক উপাত্তগুলোকে পাশাপাশি উপস্থাপন করা হয়।
এর মাধ্যমে উপাদানগুলোর অর্থের অঙ্কে নিট পরিবর্তন এবং শতকরা হারের বৃদ্ধি বা হ্রাস সহজে মূল্যায়ন করা যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
গড় পরিশোধ সময় (Average Payment Period) দ্বারা একটি প্রতিষ্ঠান তার পাওনাদার বা সরবরাহকারীদের বকেয়া টাকা গড়ে কত দিন বা মাসে পরিশোধ করে তা নির্ণয় করা হয়।
এটি প্রতিষ্ঠানের তারল্য ব্যবস্থাপনা এবং স্বল্পমেয়াদি দায় পরিশোধের গতিশীলতা ও দক্ষতা নির্দেশ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মজুদ আবর্তন অনুপাত (Inventory Turnover Ratio) নির্ণয়ের সূত্র হলো: বিক্রীত পণ্যের ব্যয় ÷ গড় মজুদ।
এটি নির্দেশ করে একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিষ্ঠানের মজুদ পণ্য কত দ্রুত বিক্রয়ে রূপান্তরিত হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের মজুত ব্যবস্থাপনার দক্ষতা যাচাইয়ে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
শেয়ার প্রতি আয় (Earnings Per Share বা EPS) হলো সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্য নিট মুনাফাকে সাধারণ শেয়ারের মোট সংখ্যা দ্বারা ভাগ করে প্রাপ্ত ফলাফল।
সূত্র: (কর পরবর্তী নিট মুনাফা - অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশ) ÷ সাধারণ শেয়ারের মোট সংখ্যা।
এটি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের কাছে কোম্পানির লাভজনকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বিনিয়োগিত মূলধনের আয় অনুপাত (Return on Capital Employed) দ্বারা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত দীর্ঘমেয়াদি তহবিলের বিপরীতে উপার্জিত লাভের হার পরিমাপ করা হয়।
সূত্র: (সুদ ও করপূর্ব নিট লাভ ÷ বিনিয়োগিত মূলধন) × ১০০।
এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনের ব্যবহার কতটা লাভজনক হয়েছে তা নিরূপণ করা যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নিট বিক্রয়ের ওপর মোট লাভের শতকরা হার নির্ণয় করা হয় মোট লাভের অনুপাতের মাধ্যমে। এর সূত্র হলো: (মোট লাভ / নিট বিক্রয়) × ১০০। এই অনুপাতটি প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় বা পরিচালন আয় থেকে অর্জিত সরাসরি মুনাফার হার নির্দেশ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মোট সম্পত্তির কত অংশ মালিকদের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হয়েছে, তা মালিকানা মোট সম্পত্তির অনুপাত (Proprietary Ratio)-এর মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। এটি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সচ্ছলতা ও ঝুঁকির মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাধারণ শেয়ার মূলধনের (মালিকানা তহবিল) তুলনায় স্থির খরচযুক্ত তহবিলের (যেমন: অগ্রাধিকার শেয়ার, দীর্ঘমেয়াদী ঋণপত্র) অনুপাতকে মূলধন গিয়ারিং অনুপাত (Capital Gearing Ratio) বলা হয়। এটি প্রতিষ্ঠানের মূলধন কাঠামোতে স্থির ব্যয়ের প্রভাব এবং আর্থিক ঝুঁকি পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কারবারের দৈনন্দিন বা রুটিন কার্যাবলি পরিচালনার জন্য যে তহবিলের প্রয়োজন হয়, তাকে কার্যকরী মূলধন (Working Capital) বলে। গাণিতিকভাবে, মোট চলতি সম্পদ থেকে মোট চলতি দায় বাদ দিলে নিট কার্যকরী মূলধন পাওয়া যায়। এটি ব্যবসায়ের তারল্য এবং দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহের সক্ষমতা নির্দেশ করে।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রতিষ্ঠানের মোট চলতি দায় থেকে ব্যাংক জমাতিরিক্ত (Bank overdraft) বাদ দিলে যে দায় পাওয়া যায়, তাকে Quick liabilities বা ত্বরিত দায় বলে।

- ব্যাংক জমাতিরিক্ত একটি চলতি দায় হলেও তা সাধারণত তাৎমানিকভাবে বা সাথে সাথে পরিশোধ করতে হয় না বা ব্যাংক হঠাৎ করেই ফেরত চায় না।

- তাই, দ্রুত বা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধযোগ্য দায়ের পরিমাণ জানতে মোট চলতি দায় থেকে এটি বাদ দেওয়া হয়। এটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত স্বল্পমেয়াদী অর্থ পরিশোধের ক্ষমতা মূল্যায়নে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
চলতি সম্পদ থেকে সমাপনী মজুদ পণ্য এবং অগ্রিম খরচ বাদ দিলে হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় তাকে ত্বরিত সম্পদ (Quick/Liquid Assets) বলা হয়।
- ত্বরিত সম্পদ: এটি হলো সেইসব সম্পদ যা দ্রুততম সময়ে নগদে রূপান্তর করা যায়। সমাপনী মজুদ পণ্য বিক্রি করা এবং অগ্রিম খরচের উপযোগ পাওয়া সময়সাপেক্ষ, তাই এদেরকে চলতি সম্পদ থেকে বাদ দিয়ে ত্বরিত সম্পদ নির্ণয় করা হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
- কার্যকরী মূলধন / নিট চলতি সম্পদ: চলতি সম্পদ থেকে চলতি দায় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে।
- স্থায়ী সম্পদ: দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কেনা সম্পদ (যেমন: জমি, দালানকোঠা)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কারবারের তাৎক্ষণিক ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা নির্দেশকারী ত্বরিত অনুপাত বা অগ্নি পরীক্ষা অনুপাতের (Acid test ratio / Quick Ratio) আদর্শ মান হলো ১:১।
- এটি একটি liquidity ratio যা কোম্পানির current liabilities দ্রুততম সময়ে পরিশোধ করার আর্থিক সামর্থ্য পরিমাপ করে।
- ত্বরিত সম্পদকে চলতি দায় দ্বারা ভাগ করে এটি নির্ণয় করা হয়। ১ টাকা চলতি দায়ের বিপরীতে ১ টাকা ত্বরিত সম্পদ থাকাকে আদর্শ ও নিরাপদ ধরা হয়।
অন্যান্য বিকল্প:
- ২:১ হলো চলতি অনুপাতের (Current Ratio) আদর্শ মান।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আর্থিক বিশ্লেষণের মানদণ্ড অনুযায়ী চলতি অনুপাতের (Current Ratio) আদর্শ মান হলো ২:১।
- এর অর্থ হলো প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ১ টাকা চলতি দায়ের বিপরীতে কমপক্ষে ২ টাকার চলতি সম্পদ থাকা উচিত।
- চলতি অনুপাত প্রতিষ্ঠানের স্বল্পমেয়াদি ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা নির্দেশ করে। এটি মোট চলতি সম্পদকে মোট চলতি দায় দিয়ে ভাগ করে নির্ণয় করা হয়।
অন্যান্য বিকল্প:
- ১:১ হলো ত্বরিত অনুপাত বা Acid Test Ratio-এর আদর্শ মান।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যবসায়ের স্বল্পমেয়াদি ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা (Short-term debt-paying ability) সম্পর্কে জানা যায় চলতি অনুপাতের (Current Ratio) মাধ্যমে।
- একটি প্রতিষ্ঠানের চলতি সম্পদ দিয়ে তার চলতি দায়গুলো (যা সাধারণত এক বছরের মধ্যে পরিশোধযোগ্য) কতটা সহজে মেটানো যায়, তা এই অনুপাত দ্বারা পরিমাপ করা হয়। এই অনুপাতের আদর্শ মান ২:১।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
- দায়-মালিকানা অনুপাত: এটি দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সচ্ছলতা বা solvency পরিমাপ করে।
- মোট লাভ অনুপাত: এটি বিক্রয়ের ওপর প্রতিষ্ঠানের লাভজনকতা বা profitability নির্দেশ করে।
- মূলধন গিয়ারিং অনুপাত: সাধারণ শেয়ার মূলধনের সাথে স্থির ব্যয়যুক্ত তহবিলের (যেমন: ঋণপত্র, অগ্রাধিকার শেয়ার) সম্পর্ক প্রকাশ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
অর্থনৈতিক এবং বাজার পরিস্থিতির বিভিন্ন চলকের পরিবর্তনের ফলে (যেমন: কাঁচামালের দাম, বিক্রয়ের পরিমাণ পরিবর্তন) প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ফলাফল বা মুনাফা কীভাবে প্রভাবিত হবে তা মূল্যায়ন করাকে সংবেদনশীলতা বিশ্লেষণ (Sensitivity Analysis) বলা হয়।
- এটি মূলত "What-if" মডেল নিয়ে কাজ করে, যা প্রকল্প মূল্যায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ঝুঁকি বিশ্লেষণ: ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অনিশ্চয়তা বা আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা মূল্যায়ন করা।
- ব্রেক-ইভেন বিশ্লেষণ: বিক্রয়ের যে স্তরে আয় ও মোট ব্যয় সমান হয় (যেখানে লাভ বা ক্ষতি শূন্য) তা নির্ণয় করা।
- সমআকার বিশ্লেষণ (Common size analysis): আর্থিক বিবরণীর প্রতিটি উপাদানকে মোট সম্পদের বা মোট বিক্রয়ের শতকরা হার হিসেবে প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রতিষ্ঠানের কোনো নির্দিষ্ট এক বছরের আর্থিক বিবরণীর বিভিন্ন দফাকে যখন একটি সাধারণ দফার (যেমন- মোট সম্পদ বা নিট বিক্রয়) ভিত্তিতে শতকরা হারে (%) প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে উল্লম্ব বিশ্লেষণ (Vertical Analysis) বলে।
এটি প্রতিষ্ঠানের একই বছরের বিভিন্ন খাতের মধ্যকার সম্পর্ক গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যখন একাধিক বছরের আর্থিক বিবরণীর তথ্য পাশাপাশি রেখে তুলনা করা হয়, তখন তাকে অনুভূমিক বিশ্লেষণ (Horizontal Analysis) বলে।
এর মাধ্যমে সময়ের সাথে সাথে ব্যবসায়ের কোনো নির্দিষ্ট দফার প্রবণতা বা Trend এবং বৃদ্ধি বা হ্রাসের হার সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো একটি কোম্পানির সার্বিক আর্থিক স্বাস্থ্য, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা মূল্যায়ন করার জন্য আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ ব্যবহার করে।
এর মাধ্যমে কোম্পানির আয়-ব্যয়, দায় ও সম্পদের প্রকৃত অবস্থা এবং আইনি পরিপালন সংক্রান্ত দিকগুলো পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রখ্যাত আর্থিক বিশ্লেষক I.M. Pandey আর্থিক বিশ্লেষণের এই সংজ্ঞাটি প্রদান করেছেন।
তাঁর মতে, এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যা উদ্বৃত্তপত্র (Balance Sheet) ও লাভ-লোকসান হিসাবের আইটেমগুলোর মধ্যে যৌক্তিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সফলতা ও দুর্বলতা চিহ্নিত করে।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
চূড়ান্ত আর্থিক বিবরণীর বিভিন্ন দফার মধ্যে গাণিতিক সম্পর্ক স্থাপন করে ব্যবসায়ের সার্বিক অবস্থার মূল্যায়ন করার প্রক্রিয়াকে আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ বলে।
এর মাধ্যমে আয়-ব্যয়, সম্পত্তি ও দায়ের তুলনামূলক চিত্র পাওয়া যায় যা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।