সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

dump

১২৪ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কিছু ক্ষতি থাকে যা কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়, এটি প্রক্রিয়ার একটি অপরিহার্য অংশ। এ ধরনের ক্ষতিকে স্বাভাবিক ক্ষতি বলা হয়। কাঁচামালের প্রকৃতি বা উৎপাদন পদ্ধতির কারণেই মূলত এটি ঘটে থাকে।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলোঃ
- যে ক্ষতি স্বাভাবিক নিয়মে ঘটে এবং যা কোনোভাবেই এড়ানো যায় না, তাকে স্বাভাবিক ক্ষতি বলে।
- উৎপাদনের ক্ষতি মূলত দুই প্রকার: স্বাভাবিক ক্ষতি এবং অস্বাভাবিক ক্ষতি।
• উদাহরণ: রাসায়নিক পদার্থ বাষ্পীভূত হওয়া, কাঠ বা কাঁচামাল শুকিয়ে ওজন কমে যাওয়া।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে বিশেষ জাবেদায় ব্যবসায়ের শুধুমাত্র ধারে পণ্য ক্রয়ের লেনদেনগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়, তাকে ক্রয় জাবেদা (Purchase Journal) বলে ।
- নগদে পণ্য ক্রয় কিংবা ধারে কোনো সম্পত্তি ক্রয় করা হলে তা এই জাবেদায় অন্তর্ভুক্ত হয় না, বরং তা যথাক্রমে নগদ প্রদান জাবেদা ও প্রকৃত জাবেদায় লেখা হয়।
• উদাহরণ: রহিমের নিকট হতে ধারে ৫,০০০ টাকার পণ্য ক্রয়— এই লেনদেনটি ক্রয় জাবেদায় রেকর্ড করা হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলোঃ
- হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়ায় AIS এর পূর্ণরূপ হলো Accounting Information System ।
- এটি এমন একটি প্রক্রিয়া বা সিস্টেম যা আর্থিক লেনদেন ও ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রতিবেদন তৈরি করে ।
- আধুনিক যুগে এটি মূলত একটি কম্পিউটারাইজড হিসাবরক্ষণ সিস্টেমকে নির্দেশ করে ।

• উদাহরণ: ছোট ব্যবসার জন্য 'QuickBooks' বা বড় প্রতিষ্ঠানের 'SAP' হলো AIS এর চমৎকার উদাহরণ ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- CAATs-এর পূর্ণরূপ হলো Computer Assisted Audit Techniques বা কম্পিউটার-সাপোর্টেড অডিট টুলস ।
- এটি নিরীক্ষা প্রক্রিয়ায় সফটওয়্যার ব্যবহার করে তথ্য বিশ্লেষণ ও যাচাই করার একটি আধুনিক পদ্ধতি ।
- এর প্রধান ব্যবহার হলো বড় সংখ্যক ডেটা খুব সহজে এবং নির্ভুলভাবে অডিট করা ।
- এটি আইটি কন্ট্রোল যেমন: অটোমেটেড অ্যালার্ট, সফটওয়্যার লগ এবং অডিট ট্রেইল বিশ্লেষণে সাহায্য করে । • উদাহরণ: কোনো প্রতিষ্ঠানের লাখ লাখ লেনদেনের ডাটাবেজ থেকে ম্যানুয়ালি যাচাইয়ের পরিবর্তে CAATs ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ত্রুটি বা জালিয়াতি খুঁজে বের করা যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- হিসাববিজ্ঞানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিশাল ডেটাসেট দ্রুত বিশ্লেষণ করতে সক্ষম ।
- এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেটা এন্ট্রি ও শ্রেণিবদ্ধকরণের পাশাপাশি অস্বাভাবিক লেনদেনের প্যাটার্ন চিহ্নিত করে দ্রুত জালিয়াতি বা ফ্রড শনাক্তকরণে সাহায্য করে ।
- এর ফলে হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়ায় মানুষের কাজের চাপ কমে, নির্ভুলতা বাড়ে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা পাওয়া যায় ।
• উদাহরণ: AI-চালিত OCR প্রযুক্তি স্ক্যান করা চালান বা রশিদ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেটা সিস্টেমে এন্ট্রি করতে পারে ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- শেয়ার অবহার বা বাট্টা হলো কাল্পনিক বা ভুয়া সম্পত্তি, কারণ এর বাহ্যিক কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এর কোনো আর্থিক বা আদায়যোগ্য বাজারমূল্যও নেই।
- আর্থিক বিবরণী বা ব্যালান্স শিট প্রস্তুত করার সময় এই ধরনের খরচগুলোকে অসম্মিলিত বা ভুয়া সম্পদ হিসেবে ব্যালান্স শিটের সম্পত্তির দিকে দেখানো হয়, যতক্ষণ না পর্যন্ত তা মুনাফা দ্বারা সম্পূর্ণ অবলোপন করা হয়।
• উদাহরণ: শেয়ার অবহার, প্রাথমিক খরচাবলি, শেয়ার দালালের কমিশন, বিলম্বিত খরচ, লাভ-ক্ষতি হিসাবের ডেবিট উদ্বৃত্ত প্রভৃতি হলো ভুয়া সম্পত্তির উদাহরণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- অংশীদারি ব্যবসায়ে নতুন অংশীদার নগদ অর্থ বা অন্য কোনো সম্পদ নিয়ে যোগদান করলে প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ বৃদ্ধি পায়, তাই সংশ্লিষ্ট সম্পদ বা নগদান হিসাব ডেবিট করা হয়।
- এই আনীত সম্পদ নতুন অংশীদারের মালিকানাস্বত্ব নির্দেশ করে বিধায় নতুন অংশীদারের মূলধন হিসাব ক্রেডিট করা হয়।
• উদাহরণ: 'ক' নতুন অংশীদার হিসেবে ব্যবসায় ৫০,০০০ টাকা নগদ আনলে জাবেদা হবে: নগদান হিসাব ডেবিট ৫০,০০০ টাকা এবং ক-এর মূলধন হিসাব ক্রেডিট ৫০,০০০ টাকা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কোম্পানির মোট অনুমোদিত মূলধনের (Authorized Capital) যে অংশ জনসাধারণের নিকট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বাজারে ছাড়া হয় বা আহ্বান করা হয়, তাকে ইস্যুকৃত মূলধন (Issued Capital) বলে ।
- একটি কোম্পানি সাধারণত তার সম্পূর্ণ অনুমোদিত শেয়ার একবারে ইস্যু করে না; ভবিষ্যতের প্রয়োজনের জন্য কিছু অংশ সংরক্ষিত রাখে ।
• উদাহরণ: কোনো কোম্পানির অনুমোদিত শেয়ার যদি ২,০০০টি হয় এবং কোম্পানি এর মধ্যে ১,৫০০ শেয়ার বিক্রয়ের জন্য বাজারে বিনিয়োগকারীদের নিকট ছাড়ে, তবে ঐ ১,৫০০ শেয়ারের মূল্যই হলো কোম্পানির ইস্যুকৃত মূলধন ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্থায়ী সম্পদ ক্রয়ের পর তা ব্যবহারোপযোগী করার জন্য ক্রয়মূল্যের সাথে আনুষঙ্গিক সকল খরচ (পরিবহন, সংস্থাপন ইত্যাদি) যোগ করে মূলধন জাতীয় ব্যয় বা ক্যাপিটালাইজড কস্ট হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয় ।
- এসব ব্যয় দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা প্রদান করে এবং উদ্বৃত্তপত্রে সরাসরি সম্পদ হিসেবে দেখানো হয় ।
• উদাহরণ: একটি নতুন মেশিন ক্রয়ের পর কারখানায় বসানোর জন্য প্রদত্ত সংস্থাপন ব্যয় মেশিনের মোট মূল্যের সাথে যোগ হয়, যা একটি মূলধন জাতীয় ব্যয় ।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- অস্পর্শনীয় বা অদৃশ্যমান সম্পদ (যেমন: পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক, কপিরাইট, সুনাম) বলতে এমন সম্পদকে বোঝায় যার কোনো বস্তুগত বা শারীরিক অস্তিত্ব নেই ।
- নির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল বিশিষ্ট এসব অস্পর্শনীয় সম্পদের অর্জন ব্যয়কে তাদের কার্যকরী জীবনকালের মধ্যে খরচ হিসেবে যৌক্তিকভাবে বণ্টন করার বা মূল্য হ্রাসের প্রক্রিয়াকেই হিসাববিজ্ঞানে অবলোপন (Amortization) বলে ।
- অন্যদিকে, দৃশ্যমান স্থায়ী সম্পদের মূল্য হ্রাসকে 'অবচয়' এবং প্রাকৃতিক সম্পদের হ্রাসকে 'নিঃশেষকরণ' (Depletion) বলা হয় ।
• উদাহরণ: কোনো কোম্পানি ১০ বছরের জন্য ১০,০০০ টাকায় একটি পেটেন্ট কিনলে, প্রতি বছর এর অবলোপন খরচ হবে ১,০০০ টাকা ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- IAS 16 (Property, Plant and Equipment) অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য স্থায়ী সম্পদের ওপর অবচয় ধার্য করা হয় ।
- জমি বা ভূমি এমন একটি স্থায়ী সম্পদ যার কোনো নির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল (Unlimited useful life) নেই এবং এর কার্যকারিতা সর্বদা অক্ষুণ্ণ থাকে ।
- যেহেতু জমির ব্যবহার উপযোগিতা সময়ের সাথে নিঃশেষ হয় না, তাই হিসাববিজ্ঞানের নীতি অনুযায়ী জমির ওপর কোনো অবচয় ধার্য করা হয় না, এটি ক্রয়মূল্যেই হিসাবভুক্ত থাকে ।

• উদাহরণ: একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কারখানা তৈরির জন্য জমি কিনলে বছরের পর বছর তা ব্যবহার করা যাবে, এর কোনো অবচয় হবে না; কিন্তু কারখানার মেশিনের নির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল থাকায় তার অবচয় হবে ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রতিষ্ঠানের সচ্ছলতা বলতে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকা এবং দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পরিশোধের সামর্থ্যকে বোঝায় ।
- দায়-মালিকানা অনুপাত (Debt-to-Equity Ratio) হলো একটি সচ্ছলতা অনুপাত, যা মালিকানা তহবিলের তুলনায় বহির্দায় বা ঋণের পরিমাণ নির্ণয় করে ।
- এই অনুপাতটি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি দায় মেটানোর ক্ষমতা ও আর্থিক ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় ।
• উদাহরণ: কোনো কোম্পানির দায়-মালিকানা অনুপাত ১.৫:১ হলে বোঝায়, প্রতি ১ টাকা মালিকানা তহবিলের বিপরীতে ১.৫০ টাকা ঋণ রয়েছে ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
দেনাদার আবর্তন অনুপাত হলো একটি দক্ষতা যাচাইকারী অনুপাত, যা নির্দেশ করে প্রতিষ্ঠান তার ধারে বিক্রীত অর্থ কত দ্রুত দেনাদারের কাছ থেকে নগদ টাকায় আদায় করতে পারে ।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলোঃ
- অনুপাত নির্ণয়ের সূত্র: নিট বাকিতে বিক্রয় ÷ গড় (দেনাদার + প্রাপ্য বিল) ।
- অনুপাতটি যত বেশি হবে, নগদ অর্থ আদায়ের দক্ষতা তত ভালো ধরা হয় ।
- এর আদর্শ মান ৪-৬ বার বা ২-৩ মাস ।

• উদাহরণ: কোনো কোম্পানির দেনাদার আবর্তন অনুপাত ৪ হওয়ার অর্থ হলো, বছরে ৪ বার দেনাদারদের কাছ থেকে নগদ টাকা আদায় করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কার্যকরী বা চলতি মূলধন (Working Capital) হলো একটি ব্যবসায়ের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল ।
- গাণিতিক সূত্র: কার্যকরী মূলধন = চলতি সম্পদ - চলতি দায় ।
- এটি একটি প্রতিষ্ঠানের স্বল্পমেয়াদি দায় মেটানোর আর্থিক সক্ষমতা ও তারল্য (Liquidity) নির্দেশ করে ।
• উদাহরণ: একটি প্রতিষ্ঠানের মোট চলতি সম্পদ ৫০,০০০ টাকা এবং চলতি দায় ২০,০০০ টাকা হলে, তার কার্যকরী বা চলতি মূলধন হবে (৫০,০০০ - ২০,০০০) = ৩০,০০০ টাকা ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ত্বরিত বা তারল্য অনুপাত প্রতিষ্ঠানের তাৎক্ষণিক দায় পরিশোধের সক্ষমতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয় ।
- ত্বরিত সম্পদ হলো সেইসব চলতি সম্পদ যা খুব দ্রুত নগদে রূপান্তর করা যায়। এর সূত্র হলো: ত্বরিত সম্পদ = চলতি সম্পদ - (মজুতপণ্য + অগ্রিম খরচ) ।
- সমাপনী মজুত পণ্য দ্রুত বিক্রি করা সবসময় সম্ভব হয় না এবং অগ্রিম খরচ থেকে সরাসরি নগদ অর্থ ফেরত পাওয়া যায় না বিধায় এগুলোকে ত্বরিত সম্পদ থেকে বাদ দেওয়া হয় ।
• উদাহরণ: কোনো প্রতিষ্ঠানের চলতি সম্পদ ১,০০,০০০ টাকা, মজুত পণ্য ২০,০০০ টাকা এবং অগ্রিম ভাড়া ৫,০০০ টাকা হলে, ত্বরিত সম্পদ হবে ১,০০,০০০ - (২০,০০০ + ৫,০০০) = ৭৫,০০০ টাকা ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মান ব্যয় বা প্রমাণ ব্যয় (Standard Costing) পদ্ধতিতে পূর্বনির্ধারিত আদর্শ ব্যয়ের সাথে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনা করা হয়।
- কোনো পণ্য বা সেবা উৎপাদনের ক্ষেত্রে পূর্বনির্ধারিত প্রমাণ ব্যয় এবং প্রকৃত ব্যয়ের মধ্যকার এই গাণিতিক পার্থক্যকেই হিসাববিজ্ঞানে বিচ্যুতি (Variance) বলা হয়।
- বিচ্যুতি বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যবস্থাপকগণ ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

• উদাহরণ: ধরা যাক, একটি পণ্য তৈরির পূর্বনির্ধারিত প্রমাণ ব্যয় ১০ টাকা কিন্তু প্রকৃতপক্ষে খরচ হলো ১২ টাকা। এখানে এই ২ টাকার পার্থক্যই হলো বিচ্যুতি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভবিষ্যতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের সম্ভাব্য নগদ প্রাপ্তি ও প্রদানের পূর্বানুমানকে নগদান বাজেট বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো ব্যবসায়ে নগদের উদ্বৃত্ত বা ঘাটতি নির্ণয় করা ।
- নগদ ঘাটতি থাকলে তা পূরণের ব্যবস্থা করা (যেমন: ঋণ গ্রহণ) এবং উদ্বৃত্ত থাকলে তা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা এই বাজেটের অন্যতম কাজ ।

• উদাহরণ: আগামী মাসে একটি প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য নগদ আয় ৫০,০০০ টাকা ও ব্যয় ৪০,০০০ টাকা হতে পারে। হিসাব করে ১০,০০০ টাকা উদ্বৃত্তের যে পূর্বাভাস পাওয়া যায়, সেটিই মূলত নগদান বাজেটের কাজ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাজেট হলো ভবিষ্যতের কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ের কার্য পরিকল্পনার সংখ্যাভিত্তিক বা আর্থিক বিবরণী।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (সাধারণত এক বছর বা এক মাস) গৃহীত পরিকল্পনাকে যখন সংখ্যা বা টাকার অঙ্কে প্রকাশ করা হয়, তাকে বাজেট বলে। এটি মূলত ভবিষ্যতে কী করা হবে তার একটি আর্থিক রূপরেখা, যা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনাকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
• উদাহরণ: একটি কোম্পানি আগামী এক বছরে ১০ লক্ষ টাকার পণ্য বিক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে যে আর্থিক পরিকল্পনা তৈরি করে, তাকে বিক্রয় বাজেট বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কন্ট্রিবিউশন মার্জিন অনুপাত (C/M Ratio) বা পি/ভি (P/V) অনুপাত হলো মোট অবদান (Contribution Margin) এবং মোট বিক্রয়ের (Sales) আনুপাতিক হার ।
- এই অনুপাত নির্দেশ করে যে প্রতিটি বিক্রয়কৃত টাকা থেকে কতটুকু অংশ প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ব্যয় মেটানো এবং মুনাফা অর্জনের জন্য অবশিষ্ট থাকে ।
• উদাহরণ: যদি কোনো পণ্যের একক প্রতি বিক্রয়মূল্য ২৫ টাকা এবং পরিবর্তনশীল ব্যয় ১০ টাকা হয়, তবে কন্ট্রিবিউশন মার্জিন ১৫ টাকা। এক্ষেত্রে কন্ট্রিবিউশন মার্জিন অনুপাত হবে = (১৫ / ২৫) × ১০০ = ৬০% ।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলোঃ
- সমচ্ছেদ বিন্দু (Break-even Point) হলো কারবারের এমন একটি স্তর যেখানে মোট আয় এবং মোট ব্যয় সমান হয়। এ স্তরে কোনো লাভ বা ক্ষতি হয় না ।
- সমচ্ছেদ বিন্দু (এককে) নির্ণয়ের সূত্র হলো: মোট স্থির বা স্থায়ী ব্যয় ÷ একক প্রতি অবদান বা কন্ট্রিবিউশন মার্জিন ।

• উদাহরণ: এই প্রশ্নে মোট স্থায়ী ব্যয় = ৪০,০০০ টাকা এবং একক প্রতি কন্ট্রিবিউশন মার্জিন = ৮ টাকা। অতএব, সমচ্ছেদ বিন্দু = (৪০,০০০ ÷ ৮) = ৫,০০০ একক ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
FIFO (First-In, First-Out) পদ্ধতিতে আগে কেনা কাঁচামাল আগে কারখানায় ইস্যু করা হয়। এর ফলে সমাপনী মজুদে সর্বশেষ কেনা কাঁচামাল অবশিষ্ট থাকে। কাঁচামালের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকলে সমাপনী মজুদের মূল্য বর্তমান বাজার মূল্যের কাছাকাছি থাকে, যা সবচেয়ে বাস্তবসম্মত ফলাফল দেয় ।
- ঊর্ধ্বগতির বাজারে FIFO পদ্ধতিতে সমাপনী মজুদের মূল্য বেশি ও বাস্তবসম্মত দেখায় ।
- এই পদ্ধতিতে বিক্রীত পণ্যের ব্যয় কম হয় এবং মোট মুনাফা বেশি দেখায় ।
• উদাহরণ: শুরুতে ১০ টাকা এবং পরে ১৫ টাকা দরে কাঁচামাল কেনা হলে, বছর শেষে সমাপনী মজুদে ১৫ টাকা দরের মালই মূল্যায়িত হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মিতব্যয়ী ফরমায়েশ পরিমাণ (Economic Order Quantity বা EOQ) হলো কাঁচামাল ক্রয়ের এমন একটি আদর্শ পরিমাণ, যে পরিমাণের জন্য অর্ডার দিলে প্রতিষ্ঠানের মোট মজুত খরচ অর্থাৎ ফরমায়েশ খরচ (Ordering Cost) এবং বহন বা রক্ষণাবেক্ষণ খরচ (Carrying Cost) সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে ।
- এই নির্দিষ্ট পরিমাণে কাঁচামাল ক্রয় করলে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পায়, ফলে এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য সবচেয়ে লাভজনক ক্রয় পরিমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
• উদাহরণ: একটি কারখানায় যদি প্রতিবার ৫,০০০ একক কাঁচামাল অর্ডার করলে অর্ডার দেওয়া ও গুদামে সংরক্ষণের মোট খরচ সবচেয়ে কম হয়, তবে এই ৫,০০০ এককই হলো ওই কারখানার EOQ বা মিতব্যয়ী ফরমায়েশ পরিমাণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পণ্য বা সেবা সরবরাহের সময় পণ্য বা সেবা সরবরাহকারী কর্তৃক ক্রেতাকে বিক্রয়ের প্রমাণস্বরূপ যে দলিলাটি প্রদান করতে হয় তাকে মূসক চালানপত্র বলে ।
- ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থায় এই চালানপত্রটি মূসক-১১ বা মূসক-১১ক নামক নির্ধারিত ফরমেটে প্রদান করতে হয় । এটি কর নির্ধারণ ও হিসাবরক্ষণের একটি অত্যাবশ্যকীয় দলিল ।
• উদাহরণ: কোনো ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য ক্রয় করলে বিক্রেতা ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত করে ক্রেতাকে যে মুদ্রিত চালান বা বিলটি দেন, আইনি ভাষায় সেটিই মূসক-১১।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- TDS-এর পূর্ণরূপ হলো Tax Deducted at Source বা উৎসে কর কর্তন ।
- কোনো আয়ের বিপরীতে টাকা পরিশোধের সময় প্রদানকারী যখন নির্দিষ্ট হারে কর কেটে রেখে বাকি টাকা প্রাপককে প্রদান করেন, তখন সেই কেটে রাখা করকে TDS বলে।
- এর মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ করা সহজ হয় এবং সরকার নিয়মিত রাজস্ব পায় ।
• উদাহরণ: ব্যাংক জমার সুদ, বেতন, কন্ট্রাক্ট, কমিশন বা লভ্যাংশের টাকা প্রাপককে দেওয়ার আগেই নির্দিষ্ট হারে TDS কেটে রাখা বাধ্যতামূলক ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে আয়কর নির্ধারণ ও আদায়ের প্রধান দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওপর ন্যস্ত। এটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ।

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আয়কর কর্তৃপক্ষ এবং ট্যাক্স আদায়ের প্রধান প্রতিষ্ঠান ।
- আয়কর আইন অনুযায়ী কর প্রশাসন ও রাজস্ব আদায়ের যাবতীয় কার্যক্রম এই বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয় ।
• উদাহরণ: কোনো ব্যক্তির আয় করযোগ্য সীমা অতিক্রম করলে তাকে NBR-এর নির্ধারিত নিয়মে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে কর পরিশোধ করতে হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভাউচার যাচাই (Vouching) হলো নিরীক্ষা প্রক্রিয়ার এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যেখানে প্রতিটি লেনদেনের পেছনে থাকা মূল দলিল যেমন: বিল, চালান, রসিদ, চেক ইত্যাদি পরীক্ষা করা হয় ।
- মানবদেহের মেরুদণ্ড যেমন শরীরকে সোজা রাখে, তেমনি ভাউচিং হলো নিরীক্ষা কাজের মূল ভিত্তি বা মেরুদণ্ড। এটি ছাড়া নিরীক্ষা কাজ সম্পূর্ণ মূল্যহীন ও ভিত্তিহীন।

• উদাহরণ: নগদে পণ্য বিক্রয়ের হিসাব ঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে ক্যাশ মেমোর কার্বন কপি বা বিক্রয় রশিদ (ভাউচার) পরীক্ষা করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ধারাবাহিক নিরীক্ষা (Continuous Audit) হলো এমন এক নিরীক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে নিরীক্ষক সারা বছর ধরে নিয়মিত বা অনিয়মিত বিরতিতে প্রতিদিনের হিসাবপত্র পরীক্ষা করেন ।
- বৃহৎ আয়তনের প্রতিষ্ঠানে যেখানে লেনদেনের সংখ্যা প্রচুর এবং দ্রুত চূড়ান্ত হিসাব প্রস্তুত করতে হয়, সেখানে এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর।
- অন্যদিকে, হিসাবকালের মাঝামাঝি সময়ে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে যে নিরীক্ষা হয়, তাকে অন্তর্বর্তীকালীন নিরীক্ষা (Interim Audit) বলে ।
• উদাহরণ: বড় ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিশাল লেনদেনের নির্ভুলতা যাচাইয়ের জন্য সারা বছর ধরেই ধারাবাহিক নিরীক্ষা পরিচালিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- নিরীক্ষাকালে সন্দেহজনক কোনো তথ্য থাকলে বা জালিয়াতির ইঙ্গিত পেলে নিরীক্ষককে যে সংশয়মূলক মনোভাব বা অতিরিক্ত সতর্কতা বজায় রেখে গভীরভাবে পরীক্ষা করতে হয়, তাকে Professional Skepticism বা পেশাগত সন্দেহবাদ বলে ।
- এটি নিরীক্ষকের একটি প্রধান ভূমিকা, যা ত্রুটি ও প্রতারণা শনাক্তে সাহায্য করে ।
• উদাহরণ: কোনো লেনদেনের ভাউচার বা রসিদের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে তা অবহেলা না করে গভীরভাবে যাচাই করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলোঃ
- ট্রানজিটে জমা (Deposits in Transit) বা Outstanding Deposits হলো এমন জমা যা প্রতিষ্ঠান বা গ্রাহক কর্তৃক ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ব্যাংক এখনো তা আদায় বা প্রক্রিয়াজাত করেনি ।
- এর ফলে নগদান বই ও ব্যাংক বিবরণীর উদ্বৃত্তের মাঝে পার্থক্য বা গরমিল সৃষ্টি হয়।
- ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুতের সময় এই চেকগুলো ব্যাংক বিবরণীর উদ্বৃত্তের সাথে যোগ করতে হয়।
• উদাহরণ: ৩১ ডিসেম্বর ১০,০০০ টাকার চেক ব্যাংকে জমা দেওয়া হলো যা ব্যাংক ২ জানুয়ারি আদায় করল। ৩১ ডিসেম্বর এটি ট্রানজিটে জমা।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- বছরের শেষে হিসাব বন্ধ করার জন্য সমাপনী দাখিলা (Closing Entry) প্রদান করা হয়।
- এর মাধ্যমে যাবতীয় আয় ও ব্যয় হিসাব Income Summary বা আয় সারাংশ হিসাবে স্থানান্তর করে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়।
- পরবর্তীতে নিট লাভ বা ক্ষতি মালিকের Capital (মূলধন) বা সংরক্ষিত আয় হিসাবে যুক্ত করা হয়।
• উদাহরণ: বছর শেষে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় আয় ও বেতন খরচ হিসাব বন্ধ করে চূড়ান্ত নিট লাভ মূলধন হিসাবে স্থানান্তর করা।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।