সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

আর্থিক হিসাব বিজ্ঞান - FASB Framework

৩০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
মালিক যখন নিজের প্রয়োজনে কারবার থেকে নগদ অর্থ বা অন্য কোনো সুবিধা গ্রহণ করেন, তখন তাকে উত্তোলন বা মালিকের প্রতি বণ্টন (Distribution to Owners) বলা হয়।
- এটি মালিকানা স্বত্ব হ্রাস করে।
- ব্যবসায়ের সত্তা ধারণা অনুযায়ী মালিক এবং ব্যবসা আলাদা সত্তা, তাই মালিকের ব্যক্তিগত খরচ ব্যবসায়ের খরচ হিসেবে দেখানো যায় না, বরং তা মালিকের প্রতি বণ্টন হিসেবে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের অর্থের পরিমাপ একক ধারণা (Monetary Unit Assumption) অনুযায়ী, কেবল যে সকল ঘটনা বা লেনদেনকে অর্থের অঙ্কে পরিমাপ করা যায়, সেগুলোকেই হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ করা হয়।
- যেমন: কর্মচারীর দক্ষতা বা সততা ব্যবসায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা অর্থের অঙ্কে পরিমাপযোগ্য নয়, তাই এটি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
দেনাদারের কাছ থেকে অর্থ আদায় না হওয়ার সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবিলার জন্য 'অনাদায়ী পাওনা সঞ্চিতি' তৈরি করা হয় হিসাববিজ্ঞানের রক্ষণশীলতা নীতি (Conservatism Principle) অনুযায়ী।
- এই নীতি অনুসারে, সম্ভাব্য সকল ক্ষতি বা ব্যয়কে হিসাবভুক্ত করতে হয়, কিন্তু সম্ভাব্য আয়কে অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত হিসাবভুক্ত করা যায় না।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার অতিমূল্যায়ন রোধ করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ফিনান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডস বোর্ড (FASB)-এর মতে, অতীত কোনো ঘটনা বা লেনদেনের ফলে কোনো ব্যবসায়ী সত্তা কর্তৃক অর্জিত বা নিয়ন্ত্রিত সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ আর্থিক সুবিধাকে সম্পদ (Asset) বলা হয়।
- সম্পদের মূল বৈশিষ্ট্য: এটি ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করবে, বর্তমান সত্তার নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং অতীতের কোনো লেনদেনের ফলে সৃষ্টি হবে।
- উদাহরণ: নগদ অর্থ, আসবাবপত্র, প্রাপ্য হিসাব ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Statement of Financial Accounting Concepts (SFAC) No. 1-এর মূল আলোচ্য বিষয় হলো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদনের উদ্দেশ্যাবলি (Objectives of Financial Reporting by Business Enterprises) নির্ধারণ করা।
- এটি FASB কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি ধারণা কাঠামো, যা বিনিয়োগকারী, পাওনাদার এবং অন্যান্য ব্যবহারকারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক তথ্য প্রদানের লক্ষ্যগুলো বর্ণনা করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Materiality Constraint (বস্তুনিষ্ঠতা সীমাবদ্ধতা) অনুযায়ী, যদি কোনো লেনদেন বা আর্থিক তথ্য প্রতিষ্ঠানের সার্বিক আর্থিক অবস্থার ওপর তেমন কোনো প্রভাব না ফেলে, তবে তার জন্য জটিল হিসাবরক্ষণের প্রয়োজন নেই।
একটি ক্যালকুলেটরের আয়ুষ্কাল দীর্ঘ হলেও এর মূল্য খুবই সামান্য। তাই এটিকে সম্পদ হিসেবে লিপিবদ্ধ করে বছরের পর বছর অবচয় ধার্য করার পরিবর্তে সরাসরি খরচ (Expense) হিসেবে দেখানো হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আয়-ব্যয় সংযোগ নীতি (Matching Principle) অনুযায়ী, একটি নির্দিষ্ট হিসাবকালের অর্জিত আয়ের বিপরীতে শুধুমাত্র সেই সময়ের সংশ্লিষ্ট খরচগুলোকেই দেখাতে হয়।
এই নীতি অনুসরণ করেই সঠিক নিট লাভ বা ক্ষতি নির্ণয়ের জন্য অগ্রিম প্রদত্ত খরচকে (Prepaid Expense) চলতি হিসাবকালের খরচ না ধরে সম্পদ হিসেবে এবং বকেয়া খরচকে (Outstanding Expense) চলতি হিসাবকালের খরচ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে দায় হিসেবে আর্থিক বিবরণীতে দেখানো হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
IFRS-এর পূর্ণরূপ হলো International Financial Reporting Standards।
এটি হলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হিসাববিজ্ঞানের মানদণ্ড বা নীতিমালা, যা International Accounting Standards Board (IASB) কর্তৃক প্রণীত হয়। বিশ্বব্যাপী আর্থিক বিবরণীর স্বচ্ছতা, সামঞ্জস্যতা এবং তুলনযোগ্যতা নিশ্চিত করতে এই মানদণ্ডগুলো অনুসরণ করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Revenue Recognition Principle (আয় স্বীকৃতি নীতি) হলো বকেয়াভিত্তিক হিসাববিজ্ঞানের (Accrual basis of accounting) একটি মৌলিক নীতি।
এই নীতি অনুযায়ী, আয় যখন অর্জিত হয় ঠিক তখনই তা হিসাবভুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ, পণ্য বিক্রয় বা সেবা প্রদানের সাথে সাথেই তা আয় হিসেবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, এর জন্য নগদ অর্থ সাথে সাথে পাওয়া যাক বা ভবিষ্যতে পাওয়া যাক তা বিবেচ্য নয়।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যবসায়িক সত্তা নীতি (Business Entity Concept) অনুযায়ী, মালিক এবং ব্যবসায় দুটি সম্পূর্ণ আলাদা ও স্বাধীন সত্তা।
ধাপে ধাপে এর কারণগুলো হলো:
• মালিক যখন ব্যবসায়ে মূলধন বিনিয়োগ করেন, তখন ব্যবসায় একটি পৃথক সত্তা হিসেবে সেই অর্থ গ্রহণ করে।
• ব্যবসায়ের দৃষ্টিকোণ থেকে, এই মূলধন হলো মালিকের প্রতি ব্যবসায়ের একটি ঋণ বা দায়।
• এই কারণেই মূলধনকে ব্যবসায়ের আন্তঃদায় (Internal Liability) হিসেবে উদ্বৃত্তপত্রে প্রদর্শন করা হয়।
এই নীতির জন্যই ব্যক্তিগত লেনদেন ও ব্যবসায়িক লেনদেনকে আলাদাভাবে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থা সঠিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পূর্ণ প্রকাশ নীতি (Full Disclosure Principle) অনুসারে, আর্থিক বিবরণী ব্যবহারকারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলতে পারে এমন সব গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করতে হয়।
এর পেছনের যুক্তিগুলো হলো:
• সম্ভাব্য দায় (Contingent Liabilities) বা হিসাব নীতির পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো সরাসরি আর্থিক বিবরণীর মূল অংশে টাকার অঙ্কে দেখানো যায় না।
• তবে এগুলো বিনিয়োগকারী, ঋণদাতা ও অন্যান্য ব্যবহারকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
• তাই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং আর্থিক অবস্থার একটি নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরতে এই বিষয়গুলো আর্থিক বিবরণীর নিচে পাদটীকা (Note) হিসেবে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
এটি রক্ষণশীলতার নীতি (Conservatism Principle)-এর একটি আদর্শ প্রয়োগ।
এই নীতির মূল নিয়ম হলো:
• ভবিষ্যতের সম্ভাব্য কোনো আয়কে আয় হিসেবে গণ্য করা যাবে না, কিন্তু ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সকল ক্ষতি বা ব্যয়কে হিসাবভুক্ত করতে হবে।
• মজুত পণ্যের ক্রয়মূল্য ও বাজারমূল্যের মধ্যে তুলনা করার সময় যদি বাজারমূল্য কমে যায়, তবে তা ব্যবসায়ের জন্য সম্ভাব্য ক্ষতি নির্দেশ করে, তাই কম মূল্যটি লিপিবদ্ধ করা হয়।
• অন্যদিকে, বাজারমূল্য বেশি হলে তা সম্ভাব্য আয় নির্দেশ করে, যা এই নীতি অনুযায়ী হিসাবভুক্ত করা থেকে বিরত থাকতে হয়।
এর ফলে ব্যবসায়ের সম্পদ ও আয় অতিরঞ্জিত হয়ে প্রদর্শিত হয় না এবং আর্থিক অবস্থার বাস্তব চিত্র পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্থায়ী সম্পত্তির ওপর অবচয় ধার্য করার মূল ভিত্তি হলো চলমান প্রতিষ্ঠান ধারণা (Going Concern Concept)।
ধাপে ধাপে এর যৌক্তিকতা নিচে দেওয়া হলো:
• এই ধারণা অনুযায়ী ধরে নেওয়া হয় যে, একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অনন্তকাল ধরে চলতে থাকবে এবং অদূর ভবিষ্যতে এটি বন্ধ হওয়ার বা গুটিয়ে ফেলার কোনো সম্ভাবনা নেই।
• যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘকাল চলবে, তাই স্থায়ী সম্পত্তিগুলো (যেমন- যন্ত্রপাতি, দালানকোঠা) দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হবে।
• এই কারণে সম্পত্তি কেনার সময় পুরো ব্যয়কে এককালীন খরচ হিসেবে না দেখিয়ে, এর ব্যবহারযোগ্য আয়ুষ্কাল অনুযায়ী প্রতি বছর একটু একটু করে বণ্টন করা হয়।
• এই বণ্টিত খরচকেই অবচয় (Depreciation) বলা হয়। প্রতিষ্ঠানটি যদি আজই বন্ধ হয়ে যেত, তবে সম্পত্তির মূল্যায়ন নগদায়ন মূল্যে করতে হতো এবং অবচয় ধার্য করার কোনো প্রয়োজন হতো না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
International Accounting Standards Committee (IASC) ১৯৭৩ সালে গঠিত হয়।

IASC সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বিশ্বব্যাপী হিসাববিজ্ঞানের একটি সর্বজনীন ও গ্রহণযোগ্য মানদণ্ড বা International Accounting Standards (IAS) প্রণয়নের লক্ষ্যে ২৯ জুন ১৯৭৩ সালে IASC গঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৯টি দেশের হিসাববিজ্ঞান পেশাজীবী সংস্থাসমূহ (যেমন: অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জাপান, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানি)।
- পরবর্তীতে ২০০১ সালের ১ এপ্রিল IASC-এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে International Accounting Standards Board (IASB) গঠিত হয়।
- বর্তমানে IASB নতুন আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান মান হিসেবে International Financial Reporting Standards (IFRS) প্রণয়ন করে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি (C.A) ডিগ্রি প্রদান এবং হিসাববিজ্ঞান পেশার মান নিয়ন্ত্রণের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হলো Institute of Chartered Accountants of Bangladesh (ICAB)। এটি ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ:
• Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh (ICMAB): এটি কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং (CMA) পেশার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
• Financial Reporting Council (FRC): এটি জনস্বার্থ সংস্থাগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন এবং অডিট কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য গঠিত তদারকি সংস্থা।
• Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC): এটি বাংলাদেশের শেয়ার বাজার বা পুঁজিবাজারের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাব তথ্যের গুণগত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রাসঙ্গিকতা (Relevance) অন্যতম। একটি তথ্য ব্যবহারকারীদের কাছে প্রাসঙ্গিক হতে হলে তাতে প্রধানত তিনটি বিষয় থাকতে হয়:
১. পূর্বাভাস মূল্য (Predictive Value): প্রদত্ত তথ্যটি ব্যবহার করে যেন ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কোনো ধারণা, প্রবণতা বা পূর্বাভাস দেওয়া যায়।
২. ফলাবর্তন মূল্য (Feedback/Confirmatory Value): এটি পূর্ববর্তী কোনো সিদ্ধান্ত বা পূর্বাভাসের সঠিকতা যাচাই করতে বা অতীত ভুল সংশোধন করতে সাহায্য করে।
৩. সময়োপযোগিতা (Timeliness): তথ্যটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ঠিক সময়ে ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছাতে হবে। অনেক পুরোনো বা দেরিতে পাওয়া তথ্য তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে।
এই তিনটি উপাদান একত্রে নিশ্চিত করে যে, হিসাব তথ্য ব্যবহারকারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরাসরি প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো আয়-ব্যয় সংযোগ নীতি (Matching Principle)।

মূল ধারণা:
এই নীতি অনুযায়ী, একটি নির্দিষ্ট হিসাবকালে প্রতিষ্ঠান যে পরিমাণ আয় অর্জন করে, ঠিক সেই আয়টুকু অর্জন করতে গিয়ে যে ব্যয়গুলো হয়েছে, তা একই হিসাবকালে লিপিবদ্ধ করতে হবে।

ধাপভিত্তিক বিশ্লেষণ:
১. প্রথমে একটি নির্দিষ্ট সময়ের (যেমন: এক বছর) মোট অর্জিত আয় চিহ্নিত করা হয়।
২. এরপর ওই আয় উপার্জনের জন্য সংঘটিত সকল খরচ বা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়।
৩. অবশেষে, এই আয় এবং ব্যয়কে একই আর্থিক বিবরণীতে সমন্বয় করে প্রকৃত মুনাফা বা ক্ষতি নির্ণয় করা হয়।

অন্যান্য অপশনগুলো সঠিক নয় কারণ আয় স্বীকৃতি নীতি কেবল আয় কখন লিপিবদ্ধ হবে তা নির্ধারণ করে, পূর্ণ প্রকাশ নীতি আর্থিক তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এবং রক্ষণশীলতা নীতি সম্ভাব্য ক্ষতির হিসাব রাখে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো আয়-ব্যয় সংযোগ নীতি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের অন্যতম মৌলিক ধারণা হলো Periodicity Assumption বা হিসাবকাল ধারণা।

মূল ধারণা:
একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনন্তকাল ধরে চলতে পারে। কিন্তু এর আর্থিক অবস্থা বা লাভ-ক্ষতি জানার জন্য অনন্তকাল অপেক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই ব্যবসায়ের সমগ্র জীবনকালকে সুবিধাজনক এবং সমান কিছু ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করা হয়।

ধাপভিত্তিক বিশ্লেষণ:
১. ব্যবসায়ের জীবনকালকে সাধারণত এক বছর, ছয় মাস বা এক মাস ইত্যাদি সমান মেয়াদে ভাগ করা হয়।
২. প্রতিটি ভাগকে এক একটি হিসাবকাল (Accounting Period) বলা হয়।
৩. এই নির্দিষ্ট সময় শেষে আর্থিক প্রতিবেদন (যেমন: আয় বিবরণী, উদ্বৃত্তপত্র) তৈরি করে ব্যবসায়ের আর্থিক ফলাফল মূল্যায়ন করা হয়।

Economic Entity ব্যবসাকে মালিক থেকে আলাদা করে, Going Concern ব্যবসায়ের দীর্ঘস্থায়িত্ব নির্দেশ করে এবং Monetary Unit কেবল অর্থের মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য লেনদেনকে বিবেচনা করে। তাই ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করার এই ধারণাকে Periodicity Assumption বলা হয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের একটি প্রধান অনুমান হলো চলমান প্রতিষ্ঠান ধারণা (Going Concern Assumption)।

মূল ধারণা:
এই ধারণা অনুযায়ী ধরে নেওয়া হয় যে, একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তার বর্তমান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য অনির্দিষ্ট বা দীর্ঘ সময় ধরে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। অদূর ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার বা এর কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

গাণিতিক ও প্রায়োগিক প্রভাব:
১. এই নীতির কারণেই স্থায়ী সম্পদগুলোকে (যেমন: যন্ত্রপাতি, দালানকোঠা) তাদের ক্রয়মূল্যে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে অবচয় (Depreciation) ধার্য করা হয়।
২. যদি প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকত, তবে সম্পদগুলোকে বাজার মূল্যে (লিকুইডেশন ভ্যালু) দেখাতে হতো।

যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘকাল চলবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, তাই সঠিক উত্তরটি চলমান প্রতিষ্ঠান ধারণা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের অন্যতম নীতি হলো সামঞ্জস্যতা নীতি (Consistency Principle)।

মূল ধারণা:
এই নীতি নির্দেশ করে যে, একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসাবরক্ষণের ক্ষেত্রে যে নীতি বা পদ্ধতি একবার গ্রহণ করবে, তা এক হিসাবকাল থেকে অন্য হিসাবকালে অবিরত ও ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করবে।

ধাপভিত্তিক বিশ্লেষণ:
১. যদি একটি প্রতিষ্ঠান অবচয় ধার্যের জন্য 'সরলরৈখিক পদ্ধতি' বা মজুত পণ্য মূল্যায়নের জন্য 'FIFO' পদ্ধতি ব্যবহার করে, তবে প্রতি বছর একই পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
২. এর ফলে বিভিন্ন বছরের আর্থিক বিবরণীর মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ (Comparative Analysis) করা সম্ভব হয়।
৩. বারবার পদ্ধতি পরিবর্তন করলে আর্থিক প্রতিবেদনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।

উপযুক্ত কারণ না থাকলে পদ্ধতি পরিবর্তন করা যায় না, তাই অবিরতভাবে একই পদ্ধতি অনুসরণের এই নিয়মকে সামঞ্জস্যতা নীতি বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত সতর্কতামূলক সীমাবদ্ধতা হলো Conservatism Constraint বা রক্ষণশীলতা নীতি।

মূল ধারণা:
এই নীতি অনুযায়ী, সম্ভাব্য কোনো আয়কে আয় হিসেবে গণ্য করা যাবে না, কিন্তু সম্ভাব্য সকল ক্ষতিকে ক্ষতি হিসেবে লিপিবদ্ধ করতে হবে।

গাণিতিক ও প্রায়োগিক প্রভাব:
১. ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থা যেন বাস্তবের চেয়ে বেশি ভালো দেখানো না হয়, তা নিশ্চিত করা এই নীতির উদ্দেশ্য।
২. সন্দেহজনক পাওনা সঞ্চিতি (Provision for Bad Debts) তৈরি করা এই নীতির একটি চমৎকার উদাহরণ। এখানে দেনাদার থেকে টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনাকে আগে থেকেই ক্ষতি হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।
৩. সমাপনী মজুত পণ্যের মূল্যায়ন করার সময় 'ক্রয়মূল্য ও বাজার মূল্যের মধ্যে যেটি কম' সেটি ধরা হয়, যা এই নীতিরই প্রতিফলন।

তাই সম্ভাব্য ক্ষতি লিপিবদ্ধ করা এবং সম্ভাব্য লাভ এড়িয়ে চলার এই নিয়মটি Conservatism Constraint নির্দেশ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো Cost Principle বা ঐতিহাসিক ব্যয় নীতি।
এই নীতির মূল বিষয়গুলো হলো:
- স্থায়ী সম্পদ (যেমন: জমি, দালানকোঠা, যন্ত্রপাতি) যে মূল্যে ক্রয় করা হয়, ঠিক সেই মূল্যেই হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ করতে হয়।
- সময়ের সাথে সাথে সম্পদের বাজার মূল্য বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলেও, হিসাবের বইতে তার ক্রয়মূল্য বা ঐতিহাসিক মূল্যই (Historical Cost) দেখানো হয়।
- বাজার মূল্যের (Market Value) পরিবর্তে ক্রয়মূল্যে লিপিভুক্ত করার কারণে হিসাবরক্ষণ অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য ও বস্তুনিষ্ঠ হয়।
তাই স্থায়ী সম্পদকে বাজার মূল্যের পরিবর্তে কেনা মূল্যে লিপিবদ্ধ করার নিয়ম হলো Cost Principle।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানে কারবারি সত্তা ধারণা (Business Entity Concept) অনুযায়ী ব্যবসা এবং ব্যবসার মালিক সম্পূর্ণ আলাদা।
এই ধারণার মূল বিষয়গুলো ধাপে ধাপে নিচে দেওয়া হলো:
- ব্যবসা তার নিজের নামে পরিচালিত হবে, মালিকের নামে নয়।
- ব্যবসার হিসাবের খাতায় শুধুমাত্র ব্যবসার লেনদেনগুলোই লিপিবদ্ধ করা হবে।
- মালিক যদি ব্যবসায় মূলধন প্রদান করেন, তবে তা ব্যবসার জন্য একটি দায় (Liability) হিসেবে গণ্য হবে, কারণ ব্যবসাকে একদিন সেই অর্থ মালিককে ফেরত দিতে হবে।
- মালিকের ব্যক্তিগত খরচ (যেমন: ব্যক্তিগত আয়কর, সন্তানের স্কুলের বেতন) ব্যবসার খরচ হিসেবে দেখানো যাবে না, বরং তা উত্তোলন (Drawings) হিসেবে ধরা হবে।
সুতরাং, মালিক ও ব্যবসাকে পৃথক গণ্য করার এই নীতিকে কারবারি সত্তা ধারণা বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের মৌলিক সমীকরণটি হলো Assets = Liabilities + Equity (সম্পদ = দায় + মালিকানা সত্ত্ব)।
এটি থেকে ধাপে ধাপে Equity (মালিকানা সত্ত্ব) নির্ণয় করা যায়:
- একটি প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদের ওপর প্রধানত দুটি পক্ষের দাবি থাকে: ১. বাইরের লোক বা পাওনাদারদের দাবি (Liabilities বা দায়) এবং ২. মালিকের দাবি (Equity)।
- সমীকরণটিকে সাজিয়ে লিখলে পাই: Equity = Assets - Liabilities।
- অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ (Assets) থেকে তৃতীয় পক্ষের বা বাইরের লোকের দাবি (Liabilities) বাদ দিলে যে অবশিষ্ট অংশ থাকে, তা হলো মালিকের নিজস্ব পাওনা বা Equity।
এই গাণিতিক ও তাত্ত্বিক নিয়মের ওপর ভিত্তি করেই সঠিক উত্তর Equity।
ব্যাখ্যা (Explanation)
FASB (Financial Accounting Standards Board) কর্তৃক ইস্যুকৃত SFAC No. 6 (Statement of Financial Accounting Concepts No. 6) অনুযায়ী একটি আর্থিক বিবরণীর মোট ১০টি উপাদান রয়েছে।
উপাদানগুলো হলো:
১. Assets (সম্পদ)
২. Liabilities (দায়)
৩. Equity (মালিকানা সত্ত্ব)
৪. Investments by Owners (মালিকের বিনিয়োগ)
৫. Distributions to Owners (মালিককে বণ্টন)
৬. Comprehensive Income (সার্বিক আয়)
৭. Revenues (রাজস্ব/আয়)
৮. Expenses (ব্যয়)
৯. Gains (লাভ)
১০. Losses (ক্ষতি)
অতএব, এই আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান কাঠামো অনুযায়ী উপাদান সংখ্যা ১০টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাব তথ্যের গুণগত বৈশিষ্ট্যগুলোকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যার মধ্যে প্রাথমিক বা Primary qualitative characteristics হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এর প্রধান দুটি গুণ হলো Relevance (প্রাসঙ্গিকতা) এবং Reliability (বিশ্বাসযোগ্যতা)।
- Relevance: হিসাবের তথ্য এমন হতে হবে যা ব্যবহারকারীদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। এর মধ্যে সময়ানুবর্তিতা এবং ভবিষ্যৎ পূর্বাভাসের ক্ষমতা থাকতে হবে।
- Reliability: তথ্যটি অবশ্যই ত্রুটিমুক্ত, পক্ষপাতহীন এবং যাচাইযোগ্য হতে হবে। অর্থাৎ, তথ্যের ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
এই দুটি গুণের সমন্বয়েই হিসাবের তথ্যের গুণগত মান নিশ্চিত হয়, তাই সঠিক উত্তর Relevance and Reliability।
ব্যাখ্যা (Explanation)
FASB (Financial Accounting Standards Board)-এর ধারণাগত কাঠামো বা Conceptual Framework-কে মূলত তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়।

প্রথম স্তর (First Level): এই স্তরে আর্থিক বিবরণীর মৌলিক উদ্দেশ্যাবলি (Basic Objectives) আলোচনা করা হয়। অর্থাৎ, হিসাববিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য এবং কাদের জন্য এই তথ্য প্রয়োজন তা এখানে নির্ধারণ করা হয়।

দ্বিতীয় স্তর (Second Level): এই স্তরে হিসাববিজ্ঞানের তথ্যের গুণগত বৈশিষ্ট্য (Qualitative Characteristics) এবং আর্থিক বিবরণীর উপাদানসমূহ (Elements) নিয়ে আলোচনা করা হয়।

তৃতীয় স্তর (Third Level): এই স্তরে স্বীকৃতি, পরিমাপ ও প্রকাশ নীতি (Recognition, Measurement, and Disclosure Concepts) নিয়ে আলোচনা করা হয়।

যেহেতু এখানে প্রথম স্তরের কথা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হবে মৌলিক উদ্দেশ্যাবলি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে GAAP হলো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এর পূর্ণরূপ হলো Generally Accepted Accounting Principles, যাকে বাংলায় 'সর্বজনস্বীকৃত হিসাববিজ্ঞান নীতিমালা' বলা হয়।

GAAP-এর মূল বিষয়সমূহ:
• এটি মূলত হিসাবরক্ষণের নিয়ম, মানদণ্ড এবং পদ্ধতিগুলোর একটি সাধারণ সেট বা সমষ্টি।
• আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করার সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নীতিমালাগুলো মেনে চলতে হয়।
• এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো আর্থিক তথ্যের মধ্যে স্বচ্ছতা, ধারাবাহিকতা এবং তুলনযোগ্যতা নিশ্চিত করা।

সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক পূর্ণরূপটি হলো Generally Accepted Accounting Principles।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
FASB হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিসাববিজ্ঞান সংক্রান্ত একটি স্বাধীন এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এর পূর্ণরূপ হলো Financial Accounting Standards Board।

FASB-এর কাজ এবং গুরুত্ব:
• এটি মূলত সরকারি, বেসরকারি এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য হিসাববিজ্ঞান ও আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড নির্ধারণ করে।
• GAAP (Generally Accepted Accounting Principles) তৈরি এবং হালনাগাদ করার মূল দায়িত্ব এই প্রতিষ্ঠানটির।
• ১৯৭৩ সালে এই বোর্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি বিনিয়োগকারী ও অন্যান্য ব্যবহারকারীদের জন্য আর্থিক তথ্যের মান উন্নত করতে ধাপে ধাপে কাজ করে।

তাই সঠিক অপশনটি হলো Financial Accounting Standards Board।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।