সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

করবিধি(Taxtation)

৩০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
TIN (Taxpayer Identification Number) হলো করদাতাদের শনাক্তকরণ নম্বর।
- ১৯৯৩ সালে এটি চালু হয় এবং ১ জুলাই ১৯৯৪ সাল থেকে কার্যকর করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ১০ সংখ্যার পরিবর্তে ১২ সংখ্যার e-TIN (Electronic Taxpayer's Identification Number) প্রবর্তন করা হয়, যার মাধ্যমে করদাতাগণ অনলাইনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) থেকে বিভিন্ন সেবা পেতে পারেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আয়কর আইনে যে আয় প্রকৃতপক্ষে হাতে পাওয়া যায় না, কিন্তু আইনানুযায়ী আয় হিসেবে গণ্য বা 'ধরে নেওয়া' হয়, তাকে অনুমিত আয় (Deemed Income) বলা হয়। আয়কর কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট নিয়মকানুনের ভিত্তিতে এ ধরনের আয়ের ওপর কর ধার্য করা হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে নির্দিষ্ট পরিমাণ আয় অতিক্রম করলে আয়কর দিতে হয়। বিভিন্ন শ্রেণির করদাতাদের জন্য নির্ধারিত করমুক্ত আয়সীমা হলো:
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা
- সাধারণ ব্যক্তি করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা
- মহিলা ও ৬৫ বছর ঊর্ধ্ব করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা
- প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা (Explanation)
অবচয় (Depreciation) হলো কোনো স্থায়ী সম্পত্তির ব্যবহার, সময়ের অতিবাহন বা প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কারণে এর মূল্যের ধারাবাহিক ও স্থায়ী হ্রাস। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা সম্পত্তির কার্যক্ষমতা কমার সাথে সম্পর্কিত।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা:
- অবলোপন (Amortization): অস্পর্শনীয় সম্পত্তির (যেমন: সুনাম, প্যাটেন্ট) মূল্য হ্রাস।
- শূন্যকরণ (Depletion): প্রাকৃতিক সম্পদের (যেমন: খনিজ পদার্থ, গ্যাস) ক্ষয় বা নিঃশেষকরণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আয়কর বিধিমালা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি করদাতার নিট সম্পদের মূল্যমান ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত হলে সারচার্জের হার শূন্য থাকে। নিট সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি টাকার বেশি হলে নির্দিষ্ট হারে সারচার্জ (Surcharge) বা অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হয়, যা সম্পদের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সরকার নতুন প্রতিষ্ঠিত শিল্প বা পর্যটন খাতকে উৎসাহিত করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যে কর অব্যাহতি প্রদান করে, তাকে কর অবকাশ বা Tax Holiday বলা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (VAT) এর সাধারণ বা স্ট্যান্ডার্ড হার হলো ১৫%।
- মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই সাধারণ হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
- তবে ক্ষেত্রবিশেষে সরকার কিছু নির্দিষ্ট খাত বা পণ্যে ভিন্ন হার বা কর অব্যাহতি প্রদান করে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- উৎস কর বা TDS (Tax Deducted at Source) কর্তনকারী বা সংগ্রহকারী সত্তাকে চিহ্নিত করার জন্য আয়কর প্রশাসনে যে শনাক্তকরণ নম্বর দেওয়া হয়, তার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো WIN।
- WIN-এর পূর্ণরূপ হলো Withholding Identification Number।
- এর মাধ্যমে উৎস কর কর্তন ও তা সরকারি কোষাগারে জমাদানের প্রক্রিয়াটি আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আয়কর বিধান অনুযায়ী, জীবন বিমা প্রিমিয়ামকে কর রেয়াতের জন্য অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করতে হলে তা পলিসি মূল্যের সর্বোচ্চ ১০% পর্যন্ত হতে পারবে।
- যদি প্রিমিয়াম পলিসি মূল্যের ১০%-এর বেশি হয়, তবে অতিরিক্ত অংশের ওপর কোনো কর রেয়াত সুবিধা পাওয়া যাবে না।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- একই আয়ের ওপর দুইবার বা ভিন্ন দুটি এখতিয়ারে কর পরিশোধ করাকে আয়করের ভাষায় দ্বৈত কর (Double Taxation) বলা হয়।
- এটি সাধারণত তখন ঘটে যখন একজন করদাতা এক দেশে আয় করেন এবং অন্য দেশের আবাসিক করদাতা হিসেবে পরিগণিত হন।
- এই সমস্যা দূর করতে আন্তর্জাতিকভাবে দুই দেশের মধ্যে দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (DTAA) করা হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যদি কোনো করদাতার আয়ের একমাত্র উৎস কেবল কৃষি হয়, তবে তার ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত থাকে।

অন্যান্য ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা (২০২৫-২৬ এবং ২০২৬-২৭):
- সাধারণ শ্রেণির ব্যক্তি করদাতাদের জন্য ৩,৭৫,০০০ টাকা।
- নারী এবং ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সি করদাতাদের জন্য ৪,২৫,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্য ৫,০০,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৫,২৫,০০০ টাকা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে কোম্পানিগুলোর আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে কর্পোরেট কর বলা হয়।
- ব্যাংক, বিমা এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর আয়ের ওপর সাধারণত ৩৭.৫০% হারে কর্পোরেট কর ধার্য করা হয়।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাধারণ লিমিটেড কোম্পানির তুলনায় অধিক হারে কর্পোরেট কর প্রদান করতে হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ TIN-এর পূর্ণরূপ হলো Taxpayer Identification Number বা করদাতা শনাক্তকরণ সংখ্যা। বাংলাদেশে যারা আয়কর প্রদান করেন, তাদের জন্য এই নাম্বারটি থাকা বাধ্যতামূলক।
⇒ পূর্বে বাংলাদেশে যে ম্যানুয়াল টিন (TIN) সার্টিফিকেট দেওয়া হতো, সেটি ছিল ১০ ডিজিটের। কিন্তু কর ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে এবং জালিয়াতি রোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ২০১৩ সালে e-TIN ব্যবস্থা চালু করে।
⇒ নতুন এই আধুনিক e-TIN নাম্বারটি ১২ ডিজিটের হয়ে থাকে। বর্তমানে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ক্রেডিট কার্ড নেওয়া, জমি বা গাড়ি কেনা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কাজে এই ১২ ডিজিটের e-TIN বাধ্যতামূলক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের প্রচলিত আয়কর আইন অনুসারে বিভিন্ন খাতের আয়ের ওপর কর নির্ধারণের জন্য সুনির্দিষ্ট ধারা রয়েছে।
- চাকরি বা বেতন থেকে প্রাপ্ত আয়ের ওপর আয়কর নির্ধারণ, এর অন্তর্ভুক্ত ভাতাদি এবং অন্যান্য সুবিধার হিসাব আয়কর আইনের ধারা ৩২-৩৪ এর অধীনে বর্ণিত হয়েছে।
- মূল বেতন, বোনাস, উৎসব ভাতা ইত্যাদি বেতন খাতের আয় হিসেবে এই ধারার মাধ্যমেই পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কর ফাঁকি বা কর ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিভাষা ব্যবহৃত হয়:

- Tax Evasion: অবৈধভাবে আয় গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে কর না দেওয়ার অপচেষ্টাকে Tax Evasion বা কর ফাঁকি বলা হয়। এটি আইনত অপরাধ।
- Tax Avoidance: আইনের ফাঁকফোকর বা আইনি দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে করের পরিমাণ কমানোকে Tax Avoidance বলা হয়।
- Tax Planning: দেশের প্রচলিত কর আইন মেনে বৈধ উপায়ে বিনিয়োগ ও ছাড় গ্রহণের মাধ্যমে কর কমানোর ব্যবস্থাকে Tax Planning বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে কর ব্যবস্থায় করদাতার আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে করের হারও বৃদ্ধি পায়, তাকে Progressive Tax বা প্রগতিশীল কর বলা হয়।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজে আয়ের বৈষম্য কমানো এবং উচ্চ আয়ের মানুষের ওপর অধিক করের হার প্রয়োগ করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের বর্তমান আয়কর আইন অনুযায়ী, ব্যক্তিগত করদাতাদের আয়ের বিভিন্ন স্তরের (slab) ওপর ভিত্তি করে কর ধার্য করা হয়।
বর্তমানে ব্যক্তিগত আয়করের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সর্বোচ্চ কর হার হলো ৩০%। আয় একটি নির্দিষ্ট স্তর অতিক্রম করলে এই সর্বোচ্চ কর হার প্রযোজ্য হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের আয়কর আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে 'নিবাসী' (Resident) বা আবাসিক করদাতা হিসেবে গণ্য হতে হলে তাকে সংশ্লিষ্ট আয় বছরে (Income Year) কমপক্ষে ১৮২ দিন বাংলাদেশে অবস্থান করতে হয়। এটি করদাতার আবাসিক মর্যাদা নিরূপণের অন্যতম প্রধান শর্ত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নতুন আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, কর নির্ধারণের সুবিধার্থে আয়ের প্রধান উৎস বা খাতকে ৭টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন: চাকরি হতে আয়, ভাড়া হতে আয়, কৃষি হতে আয়, ব্যবসা হতে আয়, মূলধনি আয়, আর্থিক পরিসম্পদ হতে আয় এবং অন্যান্য উৎস হতে আয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
আয়করের পরিভাষায়, যে বছরে করদাতা আয় অর্জন করেন তাকে Income Year (আয়বর্ষ) বলা হয়।
আর আয়বর্ষের ঠিক পরবর্তী যে আর্থিক বছরে উক্ত আয়ের পরিমাণ নিরূপণ করে কর নির্ধারণ ও আদায় করা হয়, তাকে Assessment Year (করবর্ষ) বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বাংলাদেশের রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- এর প্রধান কাজ হলো কর আদায় এবং দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশে ২০০৮ সাল থেকে আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে।
- আগে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপিত হলেও ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বরকে আয়কর দিবস হিসেবে বেছে নিয়েছে এনবিআর।
- এই দিনটিই ব্যক্তিগত করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার সাধারণ শেষ সময় বা কর দিবস।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নতুন আয়কর বিল পাস হওয়ার পর তা ২২ জুন ২০২৩ তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে এবং ওই দিন থেকেই 'আয়কর আইন, ২০২৩' কার্যকর হয়।
- এটি আগের 'আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪'-কে প্রতিস্থাপন করেছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ফরোয়ার্ড শিফটিং (Forward Shifting) হলো কর স্থানান্তরের এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে উৎপাদক বা বিক্রেতা তার ওপর আরোপিত করের বোঝা পণ্যের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে সরাসরি ভোক্তার ওপর চাপিয়ে দেন।
- সাধারণত পরোক্ষ করের (যেমন: ভ্যাট, আবগারি শুল্ক) ক্ষেত্রে এ ধরনের শিফটিং দেখা যায়।
- এর ফলে বাজারে পণ্য বা সেবার মূল্য বৃদ্ধি পায় এবং চূড়ান্ত ক্রেতা এই কর পরিশোধ করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা:
- সাধারণ ব্যক্তি করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা
- প্রতিবন্ধী করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা
- তৃতীয় লিঙ্গ: ৪,৭৫,০০০ টাকা
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা:
- সাধারণ ব্যক্তি করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা
- প্রতিবন্ধী করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা
- তৃতীয় লিঙ্গ: ৪,৭৫,০০০ টাকা
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা:
এটি হলো সরকার কর্তৃক ঘোষিত আয়সীমা যা অতিক্রম করলে একজন ব্যক্তিকে আয়কর দিতে হয়। বিভিন্ন শ্রেণীর করদাতার জন্য এই সীমা ভিন্ন:
- সাধারণ ব্যক্তি (পুরুষ) করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা
- প্রতিবন্ধী করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রত্যক্ষ কর (Direct Tax) হলো এমন একটি কর ব্যবস্থা, যা সরাসরি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয়, মুনাফা বা সম্পদের ওপর আরোপ করা হয়।
- এই করের করাঘাত (Impact of tax) এবং করপাত (Incidence of tax) একই ব্যক্তির ওপর পড়ে।
- এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর বোঝা কোনোভাবেই অন্যের ওপর স্থানান্তর বা চাপানো সম্ভব নয়।
- উদাহরণ: আয়কর, সম্পদ কর ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো রাজস্ব বা কর। সরকারের বার্ষিক বাজেটের প্রায় ৮০% অর্থ কর বা রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে আসে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- মোট বাজেটের আকার: ৭,৯০,০০০ কোটি টাকা
- মোট রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৬৪,০০০ কোটি টাকা
- এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা
- বাজেট ঘাটতি: ২,২৬,০০০ কোটি টাকা
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা: ৫.৫%
- মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রা: ৬.৫%

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সরকারি অর্থব্যবস্থা (Public Finance) হলো অর্থনীতির সেই শাখা, যা মূলত সরকারের আয়-ব্যয় এবং ঋণ সংক্রান্ত নীতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করে।
- একটি নির্দিষ্ট অর্থবছরে সরকার বিভিন্ন উৎস (যেমন: প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর, ফি, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ) থেকে কীভাবে অর্থ সংগ্রহ করে এবং জনকল্যাণ ও রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে কীভাবে তা ব্যয় করে, এটি তার সামগ্রিক কাঠামো বিশ্লেষণ করে।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।