সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

Management Accounting: Absorption and Direct Costing

২০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সর্বজনস্বীকৃত হিসাববিজ্ঞান নীতিমালা (GAAP) অনুসারে প্রতিষ্ঠানের বাহ্যিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করার জন্য শোষণ বা পরিশোষণ ব্যয় পদ্ধতি (Absorption Costing) অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক ।
- পরিশোষণ ব্যয় কৌশল মূলত প্রতিষ্ঠানের আয় নিরূপণে এবং বাহ্যিক আর্থিক প্রতিবেদন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় ।
- এই পদ্ধতিতে উৎপাদন ব্যয়ের মধ্যে প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম, পরিবর্তনশীল ব্যয় এবং স্থির বা পরোক্ষ কারখানাসংক্রান্ত ব্যয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা পণ্য বা সেবার পূর্ণাঙ্গ ব্যয় নির্ধারণে সহায়তা করে ।
- অপরদিকে, পরিবর্তনশীল (Variable), প্রত্যক্ষ (Direct) বা প্রান্তিক (Marginal) ব্যয় পদ্ধতি মূলত প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যবহৃত হয়, যা GAAP দ্বারা বাহ্যিক প্রতিবেদনের জন্য অনুমোদিত নয় ।

• উদাহরণ: ধরি, একটি কোম্পানি ১,০০০টি পণ্য উৎপাদন করল। এর প্রত্যক্ষ কাঁচামাল ও শ্রম ব্যয় ৫০,০০০ টাকা এবং কারখানার স্থির বা পরোক্ষ ব্যয় (যেমন- কারখানার ভাড়া) ১০,০০০ টাকা। GAAP অনুযায়ী, পরিশোষণ ব্যয় পদ্ধতিতে এই পুরো ৬০,০০০ টাকাই (৫০,০০০ + ১০,০০০) পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বা মজুদের অংশ হিসেবে গণ্য হবে । কিন্তু পরিবর্তনশীল বা প্রান্তিক ব্যয় পদ্ধতিতে কারখানার স্থির ব্যয় (১০,০০০ টাকা) পণ্যের ব্যয়ের অংশ না ধরে শুধুমাত্র পরিবর্তনশীল ব্যয়কেই পণ্যের ব্যয় হিসেবে ধরা হয়, যা সর্বজনস্বীকৃত হিসাববিজ্ঞান নীতির (GAAP) পরিপন্থী ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
- শোষণ বা পরিশোষণ ব্যয় (Absorption Costing) পদ্ধতিতে বিক্রয় হতে বিক্রীত পণ্যের ব্যয় বাদ দিয়ে মোট মুনাফা নির্ণয় করা হয় ।
- এই পদ্ধতিতে মুনাফা নির্ণয়ের জন্য বিক্রয় থেকে বিক্রীত পণ্যের পরিবর্তনশীল ব্যয় বিয়োগ করে অবদান প্রান্ত বা কন্ট্রিবিউশন মার্জিন (Contribution Margin) নির্ণয় করা হয় না ।
- পরিশোষণ বা সামগ্রিক ব্যয় পদ্ধতিতে উৎপাদনের সকল প্রকার ব্যয়কে (স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল) পণ্য ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা বিক্রীত পণ্যের ব্যয়ের অংশ হিসেবে গণ্য হয় ।

• উদাহরণ: পরিশোষণ ব্যয় পদ্ধতিতে মোট মুনাফা নির্ণয়ের মৌলিক সমীকরণটি হলো: মোট মুনাফা = বিক্রয় - বিক্রীত পণ্যের ব্যয় ।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- পরিবর্তনশীল ব্যয় হিসাব পদ্ধতিতে মোট বিক্রয়মূল্য থেকে পরিবর্তনশীল ব্যয় বিয়োগ করলে যে উদ্বৃত্ত থাকে তাকে অবদান বা কন্ট্রিবিউশন মার্জিন (Contribution Margin) বলে ।
- এটি মূলত বিক্রয়ের সেই অংশ, যা প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ব্যয় মেটাতে এবং মুনাফা অর্জনে সহায়তা করে ।

• উদাহরণ: একটি পণ্যের বিক্রয়মূল্য ২৫ টাকা এবং এর পরিবর্তনশীল ব্যয় ১০ টাকা হলে, পণ্যটির কন্ট্রিবিউশন মার্জিন হবে (২৫ - ১০) = ১৫ টাকা ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলোঃ
- যদি উৎপাদন বিক্রয়ের চেয়ে বেশি হয় (অর্থাৎ সমাপনী মজুত > প্রারম্ভিক মজুত), তবে শোষণ বা পরিশোষণ ব্যয় পদ্ধতিতে মুনাফা বেশি প্রদর্শিত হয় ।
- বিপরীতভাবে, যদি প্রারম্ভিক মজুত পণ্য সমাপনী মজুত পণ্যের চেয়ে বেশি হয়, তবে পরিবর্তনশীল ব্যয় পদ্ধতিতে মুনাফা বেশি হবে ।
- উৎপাদন ও বিক্রয় একক সমান হলে উভয় পদ্ধতিতে মুনাফা সমান হবে ।
- পরিশোষণ ব্যয় (Absorption Costing) বা অন্তর্ভুক্তি ব্যয় পদ্ধতিতে উৎপাদন ব্যয়ের মধ্যে প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম, অন্যান্য পরিবর্তনশীল ব্যয় ও কারখানার পরোক্ষ (স্থায়ী) ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকে ।
- অন্যদিকে, পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Costing) বা প্রত্যক্ষ ব্যয় পদ্ধতিতে শুধুমাত্র পরিবর্তনশীল ব্যয়গুলোকে (প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম ও পরিবর্তনশীল উপরিঅব্যয়) উৎপাদন ব্যয় ধরা হয় এবং স্থায়ী উৎপাদন উপরিঅব্যয়কে কালীন ব্যয় হিসেবে গণ্য করা হয় ।

• উদাহরণ
কোনো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে যদি নির্দিষ্ট হিসাবকালে বিক্রয়ের চেয়ে উৎপাদন বেশি হয়, তবে পরিশোষণ ব্যয় পদ্ধতির নিয়মানুযায়ী অবিক্রীত পণ্যের (সমাপনী মজুতের) মূল্যের ভেতর কারখানার স্থায়ী উপরিঅব্যয়ের একটি অংশ অন্তর্ভুক্ত থেকে যায় । ফলে চলতি হিসাবকালের আয় বিবরণীতে ব্যয় কম মূল্যায়িত হয় এবং পরিশোষণ ব্যয় পদ্ধতিতে মুনাফা বেশি প্রদর্শিত হয় । অপরদিকে পরিবর্তনশীল পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ স্থায়ী উৎপাদন উপরিঅব্যয়কে চলতি বছরের আয় থেকে সরাসরি বাদ দেওয়ায় মুনাফা তুলনামূলক কম দেখায় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে ব্যয় নির্দিষ্ট সময়কালের সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং ঐ সময়ের আয় হতে যে ব্যয় মেটাতে হয় তাকে কালীন ব্যয় (Periodical cost) বলে ।

- প্রান্তিক ব্যয় হিসাবে অফিস ও প্রশাসনিক এবং বিক্রয় খরচ ছাড়াও কারখানা স্থায়ী খরচ কালীন ব্যয়রূপে বিবেচিত হয় ।
- বিক্রীত পণ্যের ব্যয়ও কালীন ব্যয়রূপে গণ্য হয় ।
- কোনো নির্দিষ্ট বছরের কারখানার বাইরে সংঘটিত এবং বার্ষিক আয় বিবরণীতে অবলোপনকৃত ব্যয়কে কালীন ব্যয় বা Period Cost বলে ।

• উদাহরণ: অফিস ব্যয়, বিক্রয় ব্যয়, বিতরণ ব্যয়, গবেষণা ও উন্নয়ন উপরিমাংশ ইত্যাদি ।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রত্যক্ষ বা পরিবর্তনশীল ব্যয় হিসাব পদ্ধতিতে (Variable বা Marginal Costing) কোনো দ্রব্য বা সেবার উৎপাদন ব্যয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পরিবর্তনশীল ব্যয়গুলোকে বিবেচনা করা হয়। এই পদ্ধতিতে স্থায়ী ব্যয়কে উৎপাদন ব্যয়ের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না, বরং এটিকে একটি নির্দিষ্ট সময়কালের সাথে সম্পর্কযুক্ত খরচ বা 'কালীন ব্যয়' (Period Cost) হিসেবে গণ্য করা হয় । যেহেতু কারখানার স্থায়ী উপরিব্যয় উৎপাদনের পরিমাণের ওপর নির্ভর না করে সময়ের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি কালীন ব্যয়।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলোঃ
- প্রান্তিক বা প্রত্যক্ষ ব্যয় বা পরিবর্তনশীল ব্যয় হিসাব পদ্ধতিতে (Marginal/direct/Variable Costing) স্থায়ী ব্যয়কে উপেক্ষা করে শুধু পরিবর্তনশীল ব্যয়ের ভিত্তিতে কোনো দ্রব্য বা সেবার উৎপাদন ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ।
- এই পদ্ধতিতে স্থায়ী ব্যয়কে কালীন ব্যয় হিসাব গণ্য করা হয় এবং এটা উৎপাদন ব্যয়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত না করে লাভ-লোকসান হিসেবে খরচরূপে প্রদর্শন করা হয় ।
- কালীন ব্যয় (Periodical cost) হলো সেই ব্যয় যা নির্দিষ্ট সময়কালের সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং ঐ সময়ের আয় হতে যে ব্যয় মেটাতে হয় ।
- প্রান্তিক বা পরিবর্তনশীল ব্যয় পদ্ধতিতে অফিস ও প্রশাসনিক ব্যয় এবং কারখানার স্থায়ী খরচ কালীন ব্যয়রূপে বিবেচিত হয় ।

• উদাহরণ: কারখানার ভাড়া, কারখানার বীমা খরচ, যন্ত্রপাতির অবচয় ইত্যাদি হলো কারখানার স্থায়ী উপরিব্যয় বা কালীন ব্যয়ের উদাহরণ , যা পরিবর্তনশীল ব্যয় পদ্ধতিতে পণ্য উৎপাদন ব্যয়ের অংশ না হয়ে সরাসরি ওই নির্দিষ্ট হিসাবকালের আয়-বিবরণীতে খরচ হিসেবে দেখানো হয়।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।