সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

Management Accounting: Flexible Budget

২০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেকোনো পণ্য বা সেবা উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরাসরি যে খরচগুলো জড়িত থাকে, তাদের সমষ্টিকে মুখ্য ব্যয় বা Prime Cost বলা হয়। হিসাববিজ্ঞানের সূত্র অনুযায়ী, মুখ্য ব্যয় বা প্রধান খরচ হলো ব্যবহৃত কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম (মজুরি) এবং প্রত্যক্ষ অন্যান্য ব্যয়ের সমষ্টি । তাই নমনীয় বাজেটের ক্ষেত্রেও 'Prime Cost' বলতে কাঁচামাল + মজুরি + প্রত্যক্ষ খরচ-কে বোঝানো হয় ।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো যা চাকরি পরীক্ষার নিয়োগের জন্য গুরুত্তপুর্ণ, তা নিচে দেওয়া হলো:
- প্রধান খরচ (Prime Cost) = ব্যবহৃত কাঁচামাল + প্রত্যক্ষ শ্রম + প্রত্যক্ষ অন্যান্য ব্যয় ।
- প্রাইম কস্টে কারখানা উপরি ব্যয় (Factory overhead) অন্তর্ভুক্ত হয় না ।
- কস্ট শিট বা ব্যয়ের বিবরণীতে ব্যবহৃত কাঁচামালের সাথে প্রত্যক্ষ শ্রম ও প্রত্যক্ষ অন্যান্য ব্যয় যোগ করে মুখ্য ব্যয় বা Prime Cost নির্ণয় করা হয় ।

• উদাহরণ
ধরা যাক, একটি আসবাবপত্র তৈরিতে কাঠ (কাঁচামাল) বাবদ ৫,০০০ টাকা, শ্রমিকের মজুরি (প্রত্যক্ষ শ্রম) বাবদ ২,০০০ টাকা এবং নকশা তৈরি (প্রত্যক্ষ খরচ) বাবদ ৫০০ টাকা খরচ হলো। তাহলে এর মুখ্য ব্যয় (Prime Cost) হবে = ৫,০০০ + ২,০০০ + ৫০০ = ৭,৫০০ টাকা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
 সঠিক উত্তরটি নমনীয় বাজেট হবে, কারণ এই বাজেটের একটি অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো এটি সঠিক ব্যয় বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যয়গুলোকে তাদের প্রকৃতি অনুযায়ী আলাদা করতে সহায়তা করে ।

'প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো' যেগুলো চাকরি পরীক্ষার নিয়োগের জন্য গুরুত্তপুর্ণ:
- নমনীয় বাজেট (Flexible Budget): যখন একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রার জন্য বাজেট না করে একই সাথে সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রার বাজেট তৈরি করা হয়, তখন তাকে নমনীয় বাজেট বলে ।
- নমনীয় বাজেটের সুবিধাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, এটি সঠিক ব্যয় বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্থায়ী, পরিবর্তনশীল এবং আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় বিশ্লেষণে সুবিধা প্রদান করে ।
- স্থায়ী ব্যয় (Fixed Cost): যেসব ব্যয় উৎপাদনের পরিমাণের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় অর্থাৎ উৎপাদন হ্রাস-বৃদ্ধির সাথে ব্যয়ের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে না, তাকে স্থায়ী ব্যয় বলে ।
- পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost): উৎপাদনের পরিমাণ পরিবর্তনের সাথে সাথে যে ব্যয় আনুপাতিক হারে বাড়ে বা কমে, তাকে পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে ।
- আধা-পরিবর্তনশীল বা মিশ্র ব্যয় (Semi-variable or Mixed Cost): যেসব ব্যয়ের মধ্যে স্থায়ী এবং পরিবর্তনশীল উভয় ব্যয়ের বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান থাকে, তাকে আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে ।

• উদাহরণ: একটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যমাত্রায় নমনীয় বাজেট প্রণয়ন করার সময় ব্যয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী— কারখানার ভাড়া (স্থায়ী ব্যয়), ব্যবহৃত কাঁচামাল বা শ্রমের মজুরি (পরিবর্তনশীল ব্যয়) এবং টেলিফোন বিল বা বিদ্যুৎ বিল (আধা-পরিবর্তনশীল বা মিশ্র ব্যয়)-কে নির্ভুলভাবে আলাদা করে বিশ্লেষণ করা হয় । এতে করে যেকোনো উৎপাদন মাত্রায় সঠিক ব্যয়ের পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব হয়। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
অঙ্কটি সমাধান করার জন্য ঐকিক নিয়ম ব্যবহার করতে হবে। এটি ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞানের নমনীয় বাজেট ও উৎপাদন ব্যয় হিসাবের একটি সাধারণ গাণিতিক প্রয়োগ ।
দেওয়া আছে,
কারখানার ৫০% উৎপাদন ক্ষমতা = ১০,০০০ একক
সুতরাং, ১% উৎপাদন ক্ষমতা = (১০,০০০ ÷ ৫০) একক = ২০০ একক
অতএব, ৮০% উৎপাদন ক্ষমতা = (২০০ × ৮০) একক = ১৬,০০০ একক ।

'প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো'
- কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা (Capacity) বলতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঐ কারখানায় সর্বোচ্চ যে পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব, তাকে বোঝায়।
- এ ধরনের গাণিতিক হিসাব নমনীয় বাজেট (Flexible Budget) প্রণয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। কারণ নমনীয় বাজেটে একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রার জন্য বাজেট না করে একই সাথে সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রায় (যেমন: ৫০%, ৮০% বা ১০০%) বাজেট তৈরি করা হয় ।
- উৎপাদন মাত্রার বা পরিমাণের পরিবর্তনের সাথে সাথে কারখানার পরিবর্তনশীল ব্যয়ের (Variable Cost) আনুপাতিক হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে, তবে একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রা পর্যন্ত স্থির ব্যয় (Fixed Cost) অপরিবর্তিত থাকে ।

• উদাহরণ
যদি এই একই কারখানার পূর্ণ অর্থাৎ ১০০% উৎপাদন ক্ষমতা নির্ণয় করতে বলা হতো, তবে ঐকিক নিয়মে তার পরিমাণ হতো: (২০০ × ১০০) = ২০,০০০ একক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost) হলো এমন ব্যয় যা উৎপাদনের পরিমাণ পরিবর্তনের সাথে সাথে আনুপাতিক হারে পরিবর্তিত হয় ।
- এই ব্যয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর একক প্রতি ব্যয় সবসময় স্থির থাকে, কিন্তু মোট ব্যয় পরিবর্তনশীল হয় ।
- উৎপাদনের পরিমাণের সাথে সাথে এই ব্যয়ের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে; অর্থাৎ, উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে মোট ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং উৎপাদন হ্রাস পেলে মোট ব্যয় হ্রাস পায় ।
- কারখানায় উৎপাদন হলেই কেবল এই ব্যয় সংঘটিত হবে, উৎপাদন না হলে এই ব্যয় হবে না ।

• উদাহরণ: কাঁচামাল, শ্রম ও অন্যান্য প্রত্যক্ষ ব্যয় ইত্যাদি হলো পরিবর্তনশীল ব্যয়ের প্রকৃষ্ট উদাহরণ ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যের পরিমাণ সাধারণত পূর্বেই অনুমান করা যায় বা কার্যের খুব বেশি পরিবর্তন হয় না, সেক্ষেত্রে নমনীয় বাজেট অপ্রয়োজনীয়। কিন্তু যেসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বা চাহিদার পরিমাণ ঘন ঘন পরিবর্তিত হয়, তাদের ক্ষেত্রে নমনীয় বাজেটের প্রয়োগ দেখা যায়। ঋতুভিত্তিক পণ্যের (যেমন: শীতবস্ত্র) চাহিদা একটি নির্দিষ্ট ঋতুতেই বেশি থাকে এবং অন্য সময়ে হ্রাস পায়। চাহিদার এই ব্যাপক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে নমনীয় বাজেট সবচেয়ে বেশি উপযোগী।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো যেগুলো চাকরি পরীক্ষার নিয়োগের জন্য গুরুত্তপুর্ণ, তা নিচে দেওয়া হলো:

- যখন একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রার জন্য বাজেট না করে একই সাথে সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রার বাজেট তৈরি করা হয়, তখন তাকে নমনীয় বাজেট বলে।
- যেসব প্রতিষ্ঠান ঋতুভিত্তিক দ্রব্য উৎপাদন করে, ঋতুর পরিবর্তনে যেখানে দ্রব্যের চাহিদার পরিবর্তন হয়, তাদের জন্য নমনীয় বাজেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ফ্যাশন দ্রব্যের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও নমনীয় বাজেট প্রযোজ্য, কারণ ফ্যাশনের রুচির পরিবর্তন ঘটে থাকে।

• উদাহরণ: শীতবস্ত্র উৎপাদন। কারণ ঋতুর পরিবর্তনের সাথে সাথে শীতবস্ত্রের চাহিদার ব্যাপক পরিবর্তন হয়, যার জন্য আগে থেকেই বিভিন্ন উৎপাদন মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বাজেট তৈরি করে রাখতে হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নমনীয় বাজেট (Flexible Budget) হলো এমন এক প্রকার বাজেট যা কেবল একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রার জন্য তৈরি না করে, সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রার জন্য একত্রে তৈরি করা হয় । যেহেতু এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন কার্যমাত্রার বা স্তরের জন্য একাধিক বাজেট তৈরি করতে হয়, তাই এই প্রক্রিয়ায় স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি তথ্য সংগ্রহ, হিসাব ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন পড়ে । ব্যাপক তথ্যের ব্যবহার এবং একাধিক স্তরের হিসাব নিকাশ করার কারণেই নমনীয় বাজেট তৈরির প্রক্রিয়াটি অন্যান্য সাধারণ বাজেটের তুলনায় অধিক ব্যয়বহুল হয়ে থাকে ।

'প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো' যেগুলো চাকরি পরীক্ষার নিয়োগের জন্য গুরুত্তপুর্ণ:
- নমনীয় বাজেট হলো এমন একটি বাজেট যা প্রতিষ্ঠানের কার্যমাত্রা বা উৎপাদনের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন বা সমন্বয় করা যায় ।
- এই বাজেটের মূল উদ্দেশ্য হলো স্থায়ী বাজেটের অসুবিধা দূর করা এবং পরিবর্তিত কার্যমাত্রার সাথে বাজেটের ব্যয়ের সামঞ্জস্য বিধান করা ।
- নমনীয় বাজেট তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের ব্যয়গুলোকে মূলত স্থায়ী ব্যয়, পরিবর্তনশীল ব্যয় এবং আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয়—এই বৈশিষ্ট্যগুলোর ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা হয় ।

• উদাহরণ: একটি প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদনে অনিশ্চয়তা থাকলে সুনির্দিষ্ট একটি মাত্রার পরিবর্তে সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রায় কতগুলো বাজেট একত্রে তৈরি করে রাখে। পরবর্তীতে প্রকৃত উৎপাদন যে মাত্রার কাছাকাছি বা সমান হয়, সেই মাত্রার বাজেটের সাথে তুলনা করে বাজেট বৈষম্য নির্ণয় করা হয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
এই প্রশ্নটি মূলত হিসাববিজ্ঞানের 'ব্যয় আচরণ বা Cost Behavior' অধ্যায় থেকে এসেছে। যখন কোনো ব্যয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ স্থির (Fixed) থাকে এবং বাকি অংশ উৎপাদনের সাথে পরিবর্তিত হয়, তখন তাকে মিশ্র ব্যয় (Mixed Cost) বা আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় (Semi-variable Cost) বলা হয় ।

প্রশ্নে বলা হয়েছে, 'Works Overhead' বা কারখানা উপরিব্যয় ৪০% স্থির। গাণিতিকভাবে যেকোনো ব্যয়ের মোট পরিমাণকে ১০০% ধরা হয়। সুতরাং, এই ব্যয়ের ৪০% যদি স্থির হয়, তবে অবশিষ্ট অংশ অর্থাৎ (১০০% - ৪০%) = ৬০% হবে পরিবর্তনশীল (Variable) । এটি প্রমাণ করে যে, এই Works Overhead একটি মিশ্র ব্যয়, যার মধ্যে স্থির এবং পরিবর্তনশীল উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান ।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
- আধা-পরিবর্তনশীল বা মিশ্র ব্যয় (Semi-variable or Mixed Cost): যেসব ব্যয়ের মধ্যে স্থায়ী এবং পরিবর্তনশীল উভয় ব্যয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে আধা-পরিবর্তনশীল বা মিশ্র ব্যয় বলে ।
- স্থায়ী বা স্থির ব্যয় (Fixed Cost): উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলেও যে ব্যয় সর্বদা স্থির থাকে বা অপরিবর্তিত থাকে, তাকে স্থায়ী ব্যয় বলে ।
- পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost): উৎপাদনের পরিমাণের পরিবর্তনের সাথে সাথে যে ব্যয় আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়, তাকে পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে ।
- কোনো প্রতিষ্ঠানের 'Works Overhead' যদি আংশিক স্থির হয়, তবে এর অর্থ হলো প্রতিষ্ঠানটিকে একটি নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত স্থির খরচ বহন করতেই হবে এবং বাকি খরচটি উৎপাদনের মাত্রার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হবে ।

• উদাহরণ:
ধরা যাক, তোমার কারখানার মোট 'Works Overhead' বা কারখানা উপরিব্যয় ১০,০০০ টাকা। প্রশ্ন অনুযায়ী যদি এর ৪০% স্থির হয়, তার মানে ৪,০০০ টাকা (১০,০০০ এর ৪০%) হলো স্থির ব্যয়, যা কারখানায় উৎপাদন হোক বা না হোক তোমাকে পরিশোধ করতেই হবে। আর বাকি ৬,০০০ টাকা (১০,০০০ এর ৬০%) হলো পরিবর্তনশীল ব্যয়, যা তোমার কারখানার উৎপাদন বাড়লে বাড়বে এবং কমলে কমে যাবে ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উৎপাদন হ্রাস পেলে একক প্রতি স্থায়ী ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এর কারণ হলো, মোট স্থায়ী ব্যয় একটি নির্দিষ্ট উৎপাদন সীমা পর্যন্ত অপরিবর্তিত বা স্থির থাকে। যখন উৎপাদনের পরিমাণ কমে যায়, তখন ওই একই পরিমাণ মোট স্থায়ী ব্যয় কম সংখ্যক উৎপাদিত এককের মধ্যে বণ্টিত হয়, ফলে একক প্রতি ব্যয় আনুপাতিক হারে বেড়ে যায় ।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
- স্থায়ী ব্যয় (Fixed Cost) হলো এমন ব্যয় যা উৎপাদনের পরিমাণ পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত না হয়ে একটি প্রাসঙ্গিক সীমা পর্যন্ত স্থায়ী বা স্থির থাকে ।
- স্থায়ী ব্যয় এককপ্রতি পরিবর্তনশীল, কিন্তু মোট পরিমাণ স্থির থাকে ।
- উৎপাদনের একক বৃদ্ধি পেলে স্থায়ী ব্যয়ের এককপ্রতি হ্রাস পায় এবং স্বাভাবিকভাবেই উৎপাদন হ্রাস পেলে এককপ্রতি ব্যয় বৃদ্ধি পায় ।
- উৎপাদনের পরিমাণ যাই হোক না কেন, স্থায়ী ব্যয় নিয়মিত দিতে হয় ।
- অন্যদিকে, পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost)-এর ক্ষেত্রে একক প্রতি ব্যয় স্থির থাকে কিন্তু মোট ব্যয় পরিবর্তনশীল হয় ।

• উদাহরণ: মাসিক কারখানা ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, বিমা, যন্ত্রপাতির অবচয় ইত্যাদি হলো স্থায়ী ব্যয়ের উদাহরণ ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আধা-পরিবর্তনশীল বা মিশ্র ব্যয় (Semi-variable or Mixed Cost) হলো এমন এক ধরনের ব্যয়, যার মধ্যে আংশিক স্থির এবং আংশিক পরিবর্তনশীল উভয় ধরনের ব্যয়ের উপাদানই যুক্ত থাকে । - এই ধরনের ব্যয়ের ক্ষেত্রে উৎপাদন বা কার্যমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে ব্যয় পরিবর্তিত হয়, তবে তা সম্পূর্ণ সমানুপাতিক হারে হ্রাস বা বৃদ্ধি পায় না । - আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় থেকে পরিবর্তনশীল অংশটুকু আলাদা করার জন্য হিসাববিজ্ঞানে 'High and Low Point' পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় । - এই পদ্ধতিতে একক প্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় নির্ণয়ের সূত্র হলো: ব্যয়ের পার্থক্য ÷ উৎপাদনের পরিমাণের (বা এককের) পার্থক্য । • উদাহরণ: কারখানার বিদ্যুৎ বিল বা টেলিফোন বিল হলো আধা-পরিবর্তনশীল বা মিশ্র ব্যয়ের চমৎকার উদাহরণ । নোটঃ আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয়ের সঠিক বিশ্লেষণের জন্য এর পরিবর্তনশীল ও স্থির অংশকে আলাদা করা জরুরি।
এই কারণেই সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন স্তরের ব্যয়ের পার্থক্যকে তাদের এককের পার্থক্য দিয়ে ভাগ করে খুব সহজেই একক প্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় বের করা হয় ।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সঠিক উত্তরটি হলো বিক্রয় - পরিবর্তনশীল ব্যয়। নমনীয় বাজেট (Flexible Budget) বা ব্যয়-পরিমাণ-মুনাফা বিশ্লেষণে কন্ট্রিবিউশন মার্জিন (Contribution Margin) বা অবদান প্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কোনো প্রতিষ্ঠানের মোট বিক্রয় থেকে মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost) বাদ দিলে যে উদ্বৃত্ত পাওয়া যায়, তাকেই কন্ট্রিবিউশন বা অবদান বলা হয় । এই অংশটি মূলত প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ব্যয় (Fixed Cost) মেটাতে এবং মুনাফা অর্জনে সহায়তা করে।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
- কন্ট্রিবিউশন মার্জিন (Contribution Margin) = বিক্রয় (Sales) - পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable cost) ।
- সমচ্ছেদ বিন্দুতে (Break-Even Point) প্রতিষ্ঠানের মোট অবদান বা কন্ট্রিবিউশন এবং স্থায়ী ব্যয় (Fixed Cost) পরস্পর সমান হয়, অর্থাৎ এই বিন্দুতে কোনো লাভ বা ক্ষতি থাকে না ।
- সমচ্ছেদ বিন্দু (এককে) নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মোট স্থায়ী ব্যয়কে একক প্রতি অবদান (Contribution per unit) দ্বারা ভাগ করা হয় ।
- একক প্রতি অবদান (Contribution per unit) = একক প্রতি বিক্রয়মূল্য (Selling price per unit) - একক প্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable cost per unit) ।

• উদাহরণ: ধরা যাক, একটি কোম্পানির মোট বিক্রয় ১,০০,০০০ টাকা এবং এর জন্য পরিবর্তনশীল ব্যয় হলো ৬০,০০০ টাকা। এক্ষেত্রে কন্ট্রিবিউশন মার্জিন বা অবদান হবে (১,০০,০০০ - ৬০,০০০) = ৪০,০০০ টাকা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বিক্ষেপ চিত্র পদ্ধতি (Scatter graph method) হলো মূলত আধা-পরিবর্তনশীল বা মিশ্র ব্যয়কে (Mixed cost) এর স্থির ও পরিবর্তনশীল অংশে পৃথক করার একটি পদ্ধতি ।
- এই পদ্ধতিতে উপাত্তগুলোকে গ্রাফ কাগজে উপস্থাপন করা হয়, যেখানে OY অক্ষ (উল্লম্ব বা Y-অক্ষ) দ্বারা 'মোট মিশ্র ব্যয়' (Total Mixed Cost) নির্দেশ করা হয় ।
- অন্যদিকে, এই গ্রাফের OX অক্ষ (অণুভূমিক বা X-অক্ষ) দ্বারা প্রতিষ্ঠানের 'কার্যমাত্রা' (Activity Level) বা উৎপাদনের পরিমাণ নির্দেশ করা হয় ।
- মিশ্র বা আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় পৃথকীকরণের জন্য ব্যবহৃত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হলো উচ্চ-নিচু পদ্ধতি (High and Low Point Method) এবং ন্যূনতম বর্গ পদ্ধতি (Least Square Method) ।
- ন্যূনতম বর্গ পদ্ধতিতে (Least Square Method) মিশ্র ব্যয় পৃথকীকরণের জন্য ব্যবহৃত সমীকরণটি হলো Y = a + bx, যেখানে 'Y' দ্বারা মোট মিশ্র ব্যয় বোঝানো হয় ।

• উদাহরণ: কারখানার বিদ্যুৎ বিল বা টেলিফোন বিল হলো মিশ্র ব্যয়ের একটি আদর্শ উদাহরণ । বিক্ষেপ চিত্র পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করার সময় এই মোট বিলের টাকাকে OY অক্ষে (মোট মিশ্র ব্যয় হিসেবে) এবং কারখানার মেশিন ঘণ্টা বা উৎপাদনের পরিমাণকে OX অক্ষে (কার্যমাত্রা হিসেবে) স্থাপন করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'Y = a + bx' সমীকরণে 'a' দ্বারা স্থায়ী ব্যয় বোঝানো হয় । এটি মূলত আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় পৃথকীকরণের বা মোট ব্যয় নির্ণয়ের একটি সমীকরণ ।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
- Y = মোট ব্যয় (Total Cost) ।
- a = স্থায়ী ব্যয় (Fixed Cost) ।
- b = একক প্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost per unit) ।
- x = উৎপাদনের পরিমাণ বা স্তর ।
- এই সমীকরণটি ন্যূনতম বর্গ পদ্ধতিতে (Least Square Method) আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় পৃথকীকরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় (Semi-variable cost): যেসব ব্যয়ের মধ্যে স্থায়ী এবং পরিবর্তনশীল উভয় ব্যয়েরই অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে ।
- আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় পৃথকীকরণের 'ন্যূনতম বর্গ পদ্ধতিতে' (Least Square Method) ব্যবহৃত গাণিতিক সমীকরণটি হলো Y = a + bx ।
- Y = a + bx সমীকরণে 'a' দ্বারা স্থায়ী ব্যয় (Fixed Cost)-কে বোঝানো হয় ।
- আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয়কে স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল অংশে ভাগ করার ক্ষেত্রে ন্যূনতম বর্গ পদ্ধতি ছাড়াও উচ্চ-নিচু পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।

• উদাহরণ
টেলিফোন বিল হলো আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয়ের একটি আদর্শ উদাহরণ। টেলিফোন বিলের ক্ষেত্রে লাইন রেন্ট (Line rent) হলো স্থায়ী ব্যয় এবং পরবর্তীতে কলের পরিমাণ বৃদ্ধি বা হ্রাসের সাথে যে ব্যয় পরিবর্তিত হয়, তা হলো পরিবর্তনশীল ব্যয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সঠিক উত্তরটি হলো Idle Capacity বা অলস সক্ষমতা।
- যখন একটি কোম্পানি তার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বা স্বাভাবিক বিক্রয় অর্জনে ব্যর্থ হয়, তখন বিক্রয়ের এই ঘাটতিকে অলস সক্ষমতা বা Idle Capacity বলা হয় ।
- স্বাভাবিক বিক্রয় অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার ফলে উৎপাদন কর্মী এবং যন্ত্রপাতির অলস বসে থাকাকেই এটি নির্দেশ করে ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
- যে ব্যয়ের মধ্যে স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল উভয় প্রকার ব্যয়ের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে তাকে মিশ্র ব্যয় বা আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় (Semi-variable/Mixed cost) বলে ।
- আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয়কে স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল অংশে ভাগ করার একটি অন্যতম কৌশল হলো উচ্চ-নিচু পদ্ধতি (High-Low method) ।
- এই পদ্ধতি ছাড়াও আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় পৃথকীকরণের জন্য ন্যূনতম বর্গ পদ্ধতি (Least Square Method) এবং বিক্ষেপ চিত্র পদ্ধতি (Scatter graph method) ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।
- ন্যূনতম বর্গ পদ্ধতিতে আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় পৃথকীকরণের সমীকরণটি হলো Y = a + bx, যেখানে 'a' দ্বারা স্থির বা স্থায়ী ব্যয়কে বোঝানো হয় ।

• উদাহরণ: টেলিফোন বিল, কারখানার বিদ্যুৎ বিল, গ্যাসের বিল ইত্যাদি হলো আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয়ের চমৎকার উদাহরণ। কারণ এসব ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ স্থির বিলের পাশাপাশি ব্যবহারের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তনশীল বিলও অন্তর্ভুক্ত থাকে ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্থায়ী ব্যয় (Fixed Cost): উৎপাদনের পরিমাণ যাই হোক না কেন, বা উৎপাদনের পরিমাণ পরিবর্তনের সাথে পরিবর্তিত না হয়ে একটি প্রাসঙ্গিক সীমা পর্যন্ত যে ব্যয় স্থির থাকে, তাকে স্থায়ী ব্যয় বলে । লক্ষণীয় যে, স্থায়ী ব্যয় মোট পরিমাণে স্থির থাকলেও এককপ্রতি স্থায়ী ব্যয় পরিবর্তনশীল (উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে এককপ্রতি স্থায়ী ব্যয় হ্রাস পায়) ।
- পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost): উৎপাদনের পরিমাণ পরিবর্তনের সাথে সাথে যে ব্যয়ের পরিবর্তন হয় (অর্থাৎ উৎপাদন বাড়লে বাড়ে এবং কমলে কমে), তাকে পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে ।
- মিশ্র ব্যয় (Mixed Cost): যে ব্যয়ের কিছু অংশ স্থায়ী এবং কিছু অংশ পরিবর্তনশীল, তাকে মিশ্র ব্যয় বলে ।

• উদাহরণ:
- স্থায়ী ব্যয়ের উদাহরণ: কারখানার ভাড়া, যন্ত্রপাতির অবচয়, মাসিক কর্মচারীর বেতন, বিমা ইত্যাদি ।
- পরিবর্তনশীল ব্যয়ের উদাহরণ: কাঁচামাল, শ্রমিকের মজুরি ইত্যাদি ।
- মিশ্র ব্যয়ের উদাহরণ: বিদ্যুৎ বিল, ফোন বা টেলিফোন বিল ইত্যাদি ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যেসব ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অনিশ্চয়তা থাকে, সেসব ক্ষেত্রে নমনীয় বাজেট (Flexible Budget) তৈরি করা হয় ।
- যখন কোনো প্রতিষ্ঠানে একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রার জন্য বাজেট না করে একই সাথে সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রার জন্য বাজেট তৈরি করা হয়, তখন তাকে নমনীয় বাজেট বলে ।
- সম্পূর্ণ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোর (যেমন- গার্মেন্টস শিল্প) বিদেশি অর্ডারের পরিমাণ এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রায় প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তন থাকে, তাই এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য নমনীয় বাজেট অপরিহার্য ।

• উদাহরণ: সম্পূর্ণ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান (গার্মেন্টস শিল্প), যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন পণ্য উৎপাদন করে, অর্ডার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, ঋতুভিত্তিক দ্রব্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান (যেমন: শীতবস্ত্র), এবং ফ্যাশন দ্রব্যের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যেখানে ক্রেতার রুচির পরিবর্তনে দ্রব্যের চাহিদা পরিবর্তিত হয়, এসব ক্ষেত্রে নমনীয় বাজেট প্রয়োগ করা হয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নমনীয় বাজেটে একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রার জন্য বাজেট না করে একই সাথে সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রার বাজেট তৈরি করা হয়। একটি প্রতিষ্ঠানে কাঁচামালের জোগান, শ্রমিকের জোগান, বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো নানা অনিশ্চয়তার কারণে কোনো সুনির্দিষ্ট কার্যমাত্রায় দ্রব্য উৎপাদন করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না । এজন্য বিভিন্ন কার্যমাত্রায় কতকগুলো বাজেট একত্রে তৈরি করে রাখা হয় । পরবর্তীতে প্রকৃত উৎপাদন মাত্রার সাথে যে বাজেট মাত্রার কাছাকাছি বা সমান হয়, সেই মাত্রার সাথে তুলনা করে উৎপাদন দক্ষতা বা বাজেট বৈষম্য নির্ণয় করা হয়, যা সরাসরি প্রতিষ্ঠানের কার্য মূল্যায়নে সাহায্য করে ।

- যখন একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রার জন্য বাজেট না করে একই সাথে সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রার বাজেট তৈরি করা হয় তখন তাকে নমনীয় বাজেট (Flexible Budget) বলে ।
- নমনীয় বাজেটের ক্ষেত্রে একাধিক কার্যমাত্রার বাজেট তৈরি করা হয় বলে কার্য মূল্যায়নে সুবিধা হয় ।
- স্থায়ী বাজেটের অসুবিধা দূর করে বাজেট তৈরি করার প্রকৃত সুবিধা অর্জনই হলো নমনীয় বাজেটের প্রধান উদ্দেশ্য ।
- সঠিক ব্যয় বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্থায়ী, পরিবর্তনশীল এবং আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় বিশ্লেষণে সুবিধা হয় ।

• উদাহরণ: কোনো প্রতিষ্ঠানে যদি বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা কাঁচামাল সংকটের কারণে নির্দিষ্ট মাত্রায় উৎপাদন সম্ভব না হয়, তখন বিভিন্ন কার্যমাত্রায় (যেমন- ৮০% বা ৯০% ক্ষমতায়) বাজেট তৈরি করে রাখা হয়। পরবর্তীতে প্রকৃত উৎপাদনের মাত্রার সাথে সবচেয়ে কাছাকাছি বাজেটের তুলনা করে কার্য মূল্যায়ন বা বাজেট বৈষম্য নির্ণয় করা হয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ICMA England-এর মতে, যে বাজেট প্রতিষ্ঠানের অর্জিত কার্যস্তর বা প্রকৃত কাজের মাত্রার সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে পারে, তাকে Flexible Budget বা নমনীয় বাজেট বলা হয় । স্থির বাজেটের অসুবিধা দূর করে প্রকৃত সুবিধা অর্জনের জন্যই মূলত এই বাজেটের উদ্ভব ।

'প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো' যেগুলো চাকরি পরীক্ষার নিয়োগের জন্য গুরুত্তপুর্ণ, তা নিচে দেওয়া হলো:
- নমনীয় বাজেটের সংজ্ঞা: যখন একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রার জন্য বাজেট না করে একই সাথে সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রার বাজেট তৈরি করা হয় তখন তাকে নমনীয় বাজেট বলে ।
- প্রয়োগক্ষেত্র: যেসব ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের মাত্রা বা কার্যমাত্রায় অর্জনে অনিশ্চয়তা থাকে, সেখানে এই বাজেট তৈরি করা হয় ।
- পরিবর্তনশীলতা: কাজের বিভিন্ন স্তরে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এই বাজেট পরিবর্তন করা যায় ।

• উদাহরণ: প্রতিষ্ঠান নানা প্রকার অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে তাদের উৎপাদন কার্য পরিচালনা করে। যেমন: কাঁচামালের যোগান, শ্রমিক যোগান, বিদ্যুৎ বিভ্রাট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অর্থনৈতিক মন্দা ইত্যাদি পরিস্থিতির অনুকূলে যেকোনো কার্যমাত্রায় যেন উৎপাদন করা সম্ভব হয়, তাই নমনীয় বাজেট তৈরি করা হয় ।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, যখন একটি নির্দিষ্ট কার্যমাত্রার জন্য বাজেট না করে একই সাথে সম্ভাব্য বিভিন্ন কার্যমাত্রার বাজেট তৈরি করা হয়, তখন তাকে নমনীয় বাজেট (Flexible Budget) বলে। যেসব ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অনিশ্চয়তা থাকে, সেক্ষেত্রে এই নমনীয় বাজেট তৈরি করা হয়। এই বাজেট প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করে কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয় ।

'প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো' যেগুলো চাকরি পরীক্ষার নিয়োগের জন্য গুরুত্তপুর্ণ, তা নিচে দেওয়া হলো:
- নমনীয় বাজেটের উদ্দেশ্য: পরিবর্তিত কার্যমাত্রার সাথে বাজেটের কার্যমাত্রার সামঞ্জস্য বিধান করা এবং সঠিক বাজেট ব্যয় নির্ণয় করে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনা করা ।
- ব্যয় বিশ্লেষণ: নমনীয় বাজেটে সঠিক ব্যয় বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্থায়ী, পরিবর্তনশীল এবং আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয় পৃথকভাবে বিশ্লেষণে সুবিধা হয় ।
- সুবিধা: নমনীয় বাজেটের ক্ষেত্রে একাধিক কার্যমাত্রার বাজেট তৈরি করা হয় বলে কার্য মূল্যায়নে সুবিধা হয়। এছাড়া উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার পরিবর্তন এলে ব্যয় হ্রাস-বৃদ্ধি করা যায় ।

• উদাহরণ: একটি প্রতিষ্ঠান নানা প্রকার অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে তাদের উৎপাদন কার্য পরিচালনা করে। যেমন: কাঁচামালের যোগানের অভাব, শ্রমিক যোগান, বিদ্যুৎ বিভ্রাট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অর্থনৈতিক মন্দা। এসব কারণে বাস্তবে কোনো সুনির্দিষ্ট কার্যমাত্রায় দ্রব্য উৎপাদন করা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। এজন্য বিভিন্ন সম্ভাব্য কার্যমাত্রায় কতগুলো বাজেট একত্রে তৈরি করে রাখা হয়, যা পরবর্তীতে প্রকৃত উৎপাদনের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়। এটিই মূলত নমনীয় বাজেটের একটি প্রায়োগিক উদাহরণ ।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।