সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

Cost Accounting: বিভিন্ন প্রকার ব্যয়ের পরিচিতি ও উদ্দেশ্য

৩০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
উৎপাদনের পরিমাণ সম্পূর্ণ শূন্য বা বন্ধ থাকলেও প্রতিষ্ঠানের যে ব্যয়ের কোনো পরিবর্তন হয় না, তাকে স্থায়ী ব্যয় (Fixed Cost) বলে।

মূল কারণ: এই ব্যয়গুলো উৎপাদন বা বিক্রয় পরিমাণের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট সময়ের সাথে সম্পর্কিত। যেমন: কারখানার ভাড়া বা বীমা খরচ উৎপাদন বন্ধ থাকলেও পরিশোধ করতে হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো স্থায়ী ব্যয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বা পরিবহন কোম্পানির মতো প্রতিষ্ঠান কোনো ভৌত পণ্য উৎপাদন করে না, বরং সেবা প্রদান করে।

এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে প্রদত্ত সেবার একক প্রতি খরচ বা ব্যয় নির্ণয়ের জন্য সেবা ব্যয় হিসাব (Service Costing) বা পরিচালন ব্যয় হিসাব (Operating Costing) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভবিষ্যতের একটি নিদিষ্ট সময়ের জন্য আগে থেকেই যৌক্তিকভাবে যে ব্যয় অনুমান করে নির্ধারণ করা হয়, তাকে Budgeted Cost বলা হয়।

মূল বৈশিষ্ট্য: এটি ভবিষ্যতের আর্থিক পরিকল্পনার অংশ যা পূর্ববর্তী তথ্যের ভিত্তিতে এবং ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির অনুমান করে প্রতিষ্ঠানের ব্যয় নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে নির্ধারণ করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে যে স্থায়ী ব্যয় নির্ধারিত হয় এবং প্রয়োজনে সাময়িকভাবে পরিহার বা স্থগিত করা যায়, তাকে Discretionary Fixed Cost বলে।

উদাহরণ: গবেষণা বা উন্নয়ন ব্যয়, বিজ্ঞাপন খরচ, কর্মীদের প্রশিক্ষণ ব্যয় ইত্যাদি। আর্থিক সঙ্কটের সময় কর্তৃপক্ষ চাইলে এই ব্যয়গুলো কমাতে পারে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রতিষ্ঠানের কার্যপরিধি বৃদ্ধি সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি বা কাঠামোগত কারণে সৃষ্ট যে স্থায়ী ব্যয় সহজে পরিবর্তন বা বাতিল করা যায় না, তাকে Committed Fixed Cost বলে।

উদাহরণ: কারখানার ভবন নির্মাণ, দীর্ঘমেয়াদি ইজারা, বা ভারী যন্ত্রপাতি ক্রয়ের অবচয়। এগুলো প্রতিষ্ঠানের মৌলিক কাঠামোর সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত হওয়ায় চাইলেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে ব্যয়কে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো একটি পণ্য, বিভাগ বা প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি চিহ্নিত করা বা পৃথকভাবে চার্জ করা যায়, তাকে পৃথক ব্যয় (Separable Cost) বলা হয়।
যৌথ পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিভক্তি বিন্দুর (Split-off point) পর যে ব্যয়গুলো নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য আলাদাভাবে নির্ণয় করা যায়, সেগুলোই মূলত পৃথক ব্যয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
একই কাঁচামাল ও উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে একাধিক পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিভক্তি বিন্দু (Split-off point) বা পৃথকীকরণ বিন্দুর পূর্ব পর্যন্ত যে ব্যয় একত্রে সংঘটিত হয়, তাকে যৌথ পণ্য ব্যয় (Joint Product Cost) বলা হয়।
এই ব্যয়কে নির্দিষ্ট কোনো একটি পণ্যের ওপর আলাদাভাবে ধার্য করা সম্ভব হয় না, তাই উপযুক্ত ভিত্তির ওপর নির্ভর করে সব পণ্যের মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উৎপাদন ব্যয় বিবরণীতে উৎপাদিত পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বা বিক্রীত পণ্যের ব্যয়-এর সাথে ব্যবসায়ের দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা এবং পণ্য বিক্রয় সংক্রান্ত খরচ অর্থাৎ প্রশাসনিক এবং বিক্রয় ও বণ্টন ব্যয় যোগ করলে সর্বশেষ মোট খরচ (Total Cost) পাওয়া যায়।
এই মোট খরচের সাথেই মূলত কাঙ্ক্ষিত মুনাফা যোগ করে পণ্যের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উৎপাদন ব্যয় হিসাববিজ্ঞানে মোট উৎপাদন ব্যয় (Factory Cost বা Manufacturing Cost) নির্ণয়ের একটি সুনির্দিষ্ট ধাপ রয়েছে।

ধাপসমূহ:
১. প্রথমে প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম ও অন্যান্য প্রত্যক্ষ খরচের সমষ্টি বা মুখ্য ব্যয় (Prime Cost) নির্ণয় করা হয়।
২. এরপর এই মুখ্য ব্যয়ের সাথে কারখানার যাবতীয় পরোক্ষ খরচ বা কারখানা উপরিভ্যয় (Factory Overhead) যোগ করে মোট উৎপাদন ব্যয় নির্ণীত হয়।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
উৎপাদনে ব্যবহৃত সকল প্রত্যক্ষ খরচের যোগফলকে মুখ্য ব্যয় (Prime Cost) বলা হয়।
অর্থাৎ, একটি উৎপাদন ব্যয় বিবরণীতে ব্যবহৃত প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম এবং অন্যান্য প্রত্যক্ষ ব্যয়ের সমষ্টিই হলো মুখ্য ব্যয়। এটি যেকোনো পণ্য উৎপাদনের প্রাথমিক ও প্রধান খরচ যা সরাসরি পণ্যের সাথে জড়িত থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উৎপাদনের সাথে পরোক্ষভাবে জড়িত সকল ব্যয়কে Overhead Expenses বা উপরিভ্যয় বলা হয়।
প্রত্যক্ষ কাঁচামাল ও প্রত্যক্ষ মজুরি (Prime Cost) বাদে কারখানার ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, কারখানার বিমা ইত্যাদি পরোক্ষ ব্যয়গুলো এর অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে সকল কর্মী সরাসরি পণ্য উৎপাদনে জড়িত থাকে না, কিন্তু উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, তাদের বেতন বা মজুরিকে পরোক্ষ শ্রম (Indirect Labor) বলা হয়।
উদাহরণস্বরূপ: ফোরম্যান, সুপারভাইজার বা কারখানার দারোয়ানের বেতন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পণ্য উৎপাদনের প্রধান ও অপরিহার্য উপাদান হলো প্রত্যক্ষ কাঁচামাল (Direct Material)।
এটি উৎপাদিত পণ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে তা সহজেই শনাক্ত করা যায় (যেমন: আসবাবপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত কাঠ)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নতুন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকৃতপক্ষে যে নগদ অর্থ প্রদান করতে হয় বা নগদ বহিঃপ্রবাহ ঘটে, তাকে Out of Pocket Cost বলা হয়।
এই ব্যয় বর্তমান বা ভবিষ্যতের নগদ অর্থ পরিশোধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যবস্থাপকীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় দুটি বিকল্প অবস্থার মধ্যকার মোট ব্যয়ের পার্থক্যকে পার্থক্যমূলক বা বর্ধিত ব্যয় (Differential or Incremental Cost) বলা হয়।
উৎপাদনের পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি বা নতুন বিকল্প গ্রহণের ফলে ব্যয়ের যে পরিবর্তন (হ্রাস বা বৃদ্ধি) ঘটে, তা এর মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে ব্যয়টি বাস্তবে কোনো নগদ অর্থের বহিঃপ্রবাহ ঘটায় না, কিন্তু আর্থিক বা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধার্থে কাল্পনিক বা বিকল্প ব্যয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাকে আরোপিত ব্যয় (Imputed Cost) বলে।
এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো:
- এটি হিসাবের আনুষ্ঠানিক খাতায় সাধারণত লিপিবদ্ধ করা হয় না।
- এটি কেবলমাত্র ব্যবস্থাপনার সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধার্থে ধরা হয়।
- যেমন: মালিকের নিজস্ব মূলধনের ওপর কাল্পনিক সুদ বা নিজস্ব দালানে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে তার সম্ভাব্য ভাড়া।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Opportunity Cost (সুযোগ ব্যয়) হলো এমন একটি ধারণা যেখানে একাধিক বিকল্পের মধ্য হতে একটি নির্দিষ্ট বিকল্প বেছে নেওয়ার কারণে অন্য সর্বোত্তম বিকল্পটির যে সুবিধা বা আয় হাতছাড়া হয়।
ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এই ত্যাগকৃত সুবিধাকে আর্থিক মূল্যে বিবেচনা করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে অতীত ব্যয়টি ইতিমধ্যে সংঘটিত হয়েছে এবং বর্তমান বা ভবিষ্যতের কোনো সিদ্ধান্ত দ্বারাই পরিবর্তন করা বা ফিরে পাওয়া যায় না, তাকে Sunk Cost (নিমজ্জিত ব্যয়) বলা হয়।
যেহেতু এই ব্যয়টি পুনরুদ্ধার করা অসম্ভব, তাই ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণে এটি কোনো ভূমিকা রাখে না।
যেমন: ইতিমধ্যে সম্পন্ন হওয়া কোনো গবেষণার ব্যয় বা পুরনো মেশিনের অবচয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম এবং কারখানা উপরিভ্যয়ের সমষ্টিকে পণ্য ব্যয় (Product Cost) বলা হয়।
এই ব্যয় মূলত উৎপাদিত পণ্যের মোট উৎপাদন খরচের পরিমাণ নির্দেশ করে এবং অবিক্রীত মজুত পণ্যের আর্থিক মূল্য নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
কারখানার বাইরে সংঘটিত প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য প্রশাসনিক ও বিক্রয় ব্যয়কে Period Cost (কালান্তিক ব্যয়) বলা হয়।
এটি পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট সময়কালের সাথে সম্পর্কিত। এই ব্যয়গুলো যে হিসাবকালে সংঘটিত হয়, সেই নির্দিষ্ট বছরের আয় বিবরণীতে খরচ হিসেবে দেখানো বা অবলোপন করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মূলধনি ব্যয় (Capital Expenditure) হলো সেই সব ব্যয় যা দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা অর্জনের জন্য করা হয়।

মূল ধারণা:
যন্ত্রপাতি, ভূমি, বা দালানকোঠার মতো স্থায়ী সম্পদ ক্রয় বা তাদের আয়ুষ্কাল বৃদ্ধির জন্য যে অর্থ ব্যয় করা হয়, তা মূলধনি ব্যয় হিসেবে গণ্য হয়। এই ব্যয়ের সুবিধা একাধিক হিসাবকাল ধরে পাওয়া যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ:
মুনাফা জাতীয় ব্যয় ও পরিচালন ব্যয় দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার সাথে সম্পর্কিত এবং স্বল্পমেয়াদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
নিয়ন্ত্রণযোগ্য ব্যয় (Controllable Cost) হলো এমন ব্যয় যা ব্যবস্থাপনার নির্দিষ্ট পর্যায়ের সিদ্ধান্তে কমানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

মূল ধারণা:
শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, অপচয় রোধ বা সতর্কতার মাধ্যমে যে ব্যয়সমূহ সরাসরি প্রভাবিত করা সম্ভব, তাকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য ব্যয় বলে। যেমন: কাঁচামাল বা প্রত্যক্ষ মজুরি।

অন্যান্য অপশনসমূহ:
অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ব্যয় সহজে পরিবর্তন করা যায় না (যেমন: কারখানার ভাড়া)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সেবা বিভাগের ব্যয় (Service Department Cost) বলতে সেই সব বিভাগের ব্যয়কে বোঝায় যা মূলত উৎপাদন কাজে সাহায্য করে।

মূল ধারণা:
কারখানার যেসব বিভাগ (যেমন: গুদামঘর, মেরামত বিভাগ, ক্যাফেটেরিয়া) সরাসরি পণ্য উৎপাদনে অংশ নেয় না, বরং উৎপাদন বিভাগগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন সেবা ও সহায়তা প্রদান করে, তাদের ব্যয়সমূহকে সেবা বিভাগের ব্যয় বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি কারখানায় প্রত্যক্ষ কাঁচামালকে চূড়ান্ত বা ব্যবহারযোগ্য পণ্যে রূপান্তর করতে যে খরচ হয়, তাকে রূপান্তর ব্যয় (Conversion Cost) বলে।

মূল ধারণা:
মূলত প্রত্যক্ষ শ্রম (Direct Labor) এবং কারখানার উপরিপ্যয়ের (Factory Overhead) সমষ্টিই হলো রূপান্তর ব্যয়। এই ব্যয়ে কাঁচামালের নিজস্ব খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে না, বরং এটি কাঁচামালকে পণ্যে পরিণত করার আনুষঙ্গিক খরচগুলোর একটি রূপ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মিশ্র ব্যয় (Mixed Cost বা Semi-variable Cost) হলো এমন ব্যয় যার মধ্যে স্থির এবং পরিবর্তনশীল উভয় ধরনের বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান থাকে।

মূল ধারণা:
উৎপাদন মাত্রার পরিবর্তনের সাথে এই ব্যয় পরিবর্তিত হয়, তবে সম্পূর্ণ আনুপাতিক হারে নয়। এর একটি নির্দিষ্ট অংশ সব সময় স্থির থাকে এবং বাকি অংশ উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। যেমন: বিদ্যুৎ বা টেলিফোন বিল, যেখানে একটি নির্দিষ্ট লাইন রেন্ট থাকে এবং ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত চার্জ বাড়ে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্থায়ী ব্যয় (Fixed Cost) হলো এমন এক ধরনের ব্যয়, যা একটি নির্দিষ্ট সময় বা উৎপাদনের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত মোট অঙ্কে অপরিবর্তিত থাকে।
- উৎপাদন বাড়লে বা কমলেও মোট স্থায়ী ব্যয়ের কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তবে উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে এই ব্যয় অধিক এককের মধ্যে বণ্টিত হয়ে যায়, ফলে একক প্রতি স্থায়ী ব্যয় হ্রাস পায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost) হলো সেই ব্যয় যা উৎপাদনের পরিমাণের সাথে সরাসরি এবং সমানুপাতিক হারে পরিবর্তিত হয়।
- উৎপাদন বাড়লে মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় বাড়ে এবং উৎপাদন বন্ধ থাকলে তা শূন্য হয়।
- এক্ষেত্রে মোট ব্যয় পরিবর্তিত হলেও একক প্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় স্থির থাকে। উদাহরণ: উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত কাঁচামালের ব্যয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হিসাববিজ্ঞানের পরিভাষায়, ব্যয়ের যে অংশ থেকে ব্যবসা কোনো আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধা পায় না, তাকে ক্ষতি (Loss) বলা হয়।
এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- এটি অপ্রত্যাশিত এবং অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে।
- এর ফলে প্রতিষ্ঠানের মূলধন বা সম্পদ হ্রাস পায় কিন্তু বিনিময়ে কোনো রাজস্ব অর্জিত হয় না।
- উদাহরণস্বরূপ: আগুনে বিনষ্ট পণ্য, শ্রমিকের অলস সময় বা কাঁচামাল চুরি হওয়া।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আয় অর্জনের উদ্দেশ্যে বা একটি নির্দিষ্ট হিসাবকাল অতিক্রান্ত হওয়ার কারণে ব্যয়ের যে অংশ তার উপযোগিতা হারায়, তাকে খরচ (Expense) বলে।
- এটি হলো ব্যয়ের সেই অংশ যা নির্দিষ্ট সময়ে রাজস্ব অর্জনের জন্য নিঃশেষিত হয়েছে।
- এর ফলে তাৎক্ষণিক সুবিধা পাওয়া যায়, কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য কোনো উপযোগিতা অবশিষ্ট থাকে না। উদাহরণ: প্রদেয় বেতন বা প্রদত্ত ভাড়া।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
ভবিষ্যতে কোনো সুবিধা, সম্পদ বা সেবা পাওয়ার উদ্দেশ্যে বর্তমানে যে আর্থিক ত্যাগ স্বীকার করা হয়, তাকে ব্যয় (Cost) বলে।
- এটি মূলত একটি আর্থিক লগ্নি বা ত্যাগ, যা দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা অর্জনের জন্য করা হয়।
- ব্যয়ের যে অংশটুকু এখনও নিঃশেষিত হয়নি বা ভবিষ্যতে উপযোগিতা দেবে, তা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়। পরবর্তীতে সুবিধা গ্রহণ সম্পন্ন হলে তা খরচ-এ রূপান্তরিত হয়।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।