সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

Management Accounting: Different costs for Decisions Making.

২০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
একাধিক পণ্য উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় 'বিচ্ছেদ বিন্দু' (Split-off point) পর্যন্ত যে ব্যয়গুলো সম্মিলিতভাবে বা একত্রে সংঘটিত হয়, ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় তাকে যৌথ ব্যয় (Joint cost) বলা হয়।

১. যৌথ পণ্য: যখন একই উৎপাদন প্রক্রিয়ায় এবং একই সময়ে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন পণ্য উৎপাদিত হয়, তখন সেই পণ্যগুলোকে 'যৌথ পণ্য' বলা হয়।

২. বিচ্ছেদ বিন্দু (Split-off point): উৎপাদন প্রক্রিয়ার প্রাথমিক দিকে এই পণ্যগুলো একসাথে মিশে থাকে, অর্থাৎ এদের আলাদা অস্তিত্ব থাকে না। কিন্তু প্রক্রিয়ার এমন একটি নির্দিষ্ট পর্যায় আসে, যেখানে এসে এই যৌথ পণ্যগুলোকে আলাদা, পৃথক এবং স্বতন্ত্র পণ্য হিসেবে সহজেই চেনা বা শনাক্ত করা যায়। এই নির্দিষ্ট বিভাজন পর্যায়টিকেই 'বিচ্ছেদ বিন্দু' বলা হয়।

৩. যৌথ ব্যয়: কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু করা থেকে শুরু করে ঠিক ওই 'বিচ্ছেদ বিন্দু' বা আলাদা হওয়ার পর্যায় পর্যন্ত যতগুলো খরচ একত্রে সংঘটিত হয়, তা নির্দিষ্ট কোনো একক পণ্যের জন্য আলাদাভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয় না। তাই পণ্যগুলো আলাদা হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সংঘটিত এই সামগ্রিক বা সম্মিলিত ব্যয়কেই মূলত যৌথ ব্যয় হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

সহজ কথায়, একাধিক পণ্য তাদের নিজস্ব স্বতন্ত্র রূপ পাওয়ার আগ পর্যন্ত একত্রে যে উৎপাদন ব্যয়টি বহন করে, সেটিই হলো যৌথ ব্যয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি কোম্পানি তার কোনো কার্যক্রম বা বিভাগ বন্ধ করে দিলেও যে ব্যয়গুলো চলতে থাকে এবং যা নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়, তাকে ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় 'অনিবার্য ব্যয়' বলা হয়।
সহজ কথায়, একটি প্রতিষ্ঠান যদি তাদের কোনো নির্দিষ্ট উৎপাদন বা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধও করে দেয়, তবুও কিছু কিছু স্থায়ী খরচ থেকেই যায় যা কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব হয় না। যেহেতু এই ধরনের ব্যয়গুলো যেকোনো পরিস্থিতিতেই সংঘটিত হবে এবং এগুলো কমানো বা পরিবর্তন করা যায় না, তাই নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এগুলো কোনো প্রভাব ফেলে না বা প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হয় না।
 
 
 
ব্যাখ্যা (Explanation)
সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি নতুন বিকল্প গ্রহণ করা তখনই প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক বলে বিবেচিত হয়, যখন পার্থক্যমূলক ব্যয় অপেক্ষা পার্থক্যমূলক আয়ের (Differential Income) পরিমাণ বেশি হয় ।
সহজ কথায়, একটি নতুন বা বিকল্প সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গেলে প্রতিষ্ঠানকে যে অতিরিক্ত খরচ বা 'পার্থক্যমূলক ব্যয়' বহন করতে হয়, সেই নতুন সিদ্ধান্ত থেকে প্রাপ্ত অতিরিক্ত আয়ের পরিমাণ যদি ওই খরচের চেয়ে বেশি হয়, তবেই সেটি গ্রহণ করা যৌক্তিক ও লাভজনক হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যথায় বিকল্পটি গ্রহণ করলে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কার্যক্রমের সেই নির্দিষ্ট পরিসীমা বা স্তরকে ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় 'প্রাসঙ্গিক সীমা' (Relevant Range) বলা হয় । সহজ কথায়, এটি হলো প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বা কার্যক্রমের এমন একটি নির্দিষ্ট স্তর, যার ভেতরে স্থায়ী ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে এবং পরিবর্তনশীল ব্যয় উৎপাদনের সাথে আনুপাতিক হারে পরিবর্তিত হয়— ব্যয়ের আচরণের এই ধারণাগুলো কার্যকর বা বৈধ বলে ধরে নেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রান্তিক ব্যয় (Marginal Cost) বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সাধারণত শুধুমাত্র 'পরিবর্তনশীল ব্যয়' (Variable Cost)-কে বিবেচনায় আনা হয়। সহজ কথায়, প্রান্তিক ব্যয় বলতে মূলত উৎপাদন মাত্রার পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট পরিবর্তনশীল ব্যয়ের পার্থক্যকে বোঝায় । এই বিশ্লেষণে ধরে নেওয়া হয় যে, উৎপাদনের পরিমাণ হ্রাস বা বৃদ্ধি পেলেও প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী বা স্থির ব্যয় (Fixed Cost) অপরিবর্তিত থাকে। তাই কারখানায় অতিরিক্ত এক একক পণ্য উৎপাদনের জন্য যে বাড়তি খরচটি হয়, তা কেবল ওই পরিবর্তনশীল ব্যয়ের কারণেই ঘটে থাকে। একারণেই ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞানে প্রান্তিক ব্যয় বিশ্লেষণের সময় স্থায়ী ব্যয়কে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র পরিবর্তনশীল ব্যয়কে হিসাবভুক্ত ও বিবেচনা করা হয়।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- নিমজ্জিত ব্যয় (Sunk Cost) হলো এমন এক প্রকার অতীত ব্যয় যা পূর্বেই সংঘটিত বা নির্ধারিত হয়ে গেছে ।
- বর্তমান বা ভবিষ্যতের কোনো সিদ্ধান্ত দ্বারাই এই ব্যয়কে পরিবর্তন বা উদ্ধার করা সম্ভব নয় ।
- নতুন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যয় সর্বদা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করা হয় ।
• উদাহরণ: ধরা যাক, একটি মেশিনের ক্রয়মূল্য ১,৫০,০০০ টাকা এবং ভগ্নাবশেষ মূল্য ৩০,০০০ টাকা। এখানে ১,২০,০০০ টাকা হলো নিমজ্জিত ব্যয়, যা আর কোনোভাবেই উদ্ধার করা সম্ভব নয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)

বাজার থেকে পণ্য ক্রয়ের মূল্য কারখানায় উৎপাদনের মূল্যের তুলনায় কম হওয়া সত্ত্বেও (অর্থাৎ উৎপাদন ব্যয় বেশি হওয়া সত্ত্বেও) মূলত কয়েকটি বিশেষ কারণে বা আশঙ্কায় একটি প্রতিষ্ঠান নিজেই পণ্য উৎপাদন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। এই বিশেষ পরিস্থিতি বা কারণগুলো হলো:

১. ব্যবসায়িক গোপনীয়তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা: পণ্যটি বাইরে থেকে সরবরাহকারীর মাধ্যমে ক্রয় করলে যদি প্রতিষ্ঠানের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কৌশল বা গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, তবে বেশি খরচ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠান নিজেই তা উৎপাদন করার সিদ্ধান্ত নেয়]।

২. সরবরাহের অনিশ্চয়তা: বাইরে থেকে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে পরিবহনজনিত জটিলতা বা অন্য কোনো কারণে যদি যথাসময়ে পণ্যটি হাতে পাওয়ার নিশ্চয়তা না থাকে, তবে উৎপাদন ব্যয় বেশি হলেও নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের স্বার্থে পণ্যটি নিজে উৎপাদন করা উচিত ।

৩. গুণগত মান ঠিক না থাকার ঝুঁকি: বাইরে থেকে পণ্য ক্রয় করলে যদি তা প্রতিষ্ঠানের কাঙ্ক্ষিত বা নির্দিষ্ট মান অনুযায়ী না হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে পণ্যের মান অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে প্রতিষ্ঠান নিজেই তা তৈরি করে থাকে ।

৪. পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ: বাইরে থেকে পণ্য ক্রয় না করে নিজেদের কারখানায় উৎপাদন করলে যদি পণ্যটির সরবরাহ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ অধিকতর সুপ্রতিষ্ঠিত হয়, তবে এক্ষেত্রেও ক্রয়ের পরিবর্তে উৎপাদনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা লাভজনক বিবেচিত হয়।

সহজ কথায়, সাময়িক আর্থিক সুবিধার চেয়ে যখন গুণগত মান, নিশ্চয়তা এবং গোপনীয়তা রক্ষার মতো দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বিষয়গুলো প্রতিষ্ঠানের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখনই তারা বাজার থেকে ক্রয়ের পরিবর্তে নিজস্ব কারখানায় উৎপাদনের পথ বেছে নেয়।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পার্থক্যমূলক ব্যয়কে সর্বদা একক প্রতি ব্যয়ের পরিবর্তে 'মোট ব্যয়' (Total Cost) ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়। যখন কোনো ব্যবস্থাপকীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একাধিক বিকল্পের মধ্যে তুলনা করা হয়, তখন প্রতিটি বিকল্পের সামগ্রিক বা মোট ব্যয়ের পার্থক্যটুকুই হিসাব করা হয়, পণ্যের একক প্রতি ব্যয় নয়। এর ফলে দুটি বিকল্পের মধ্যে কোনটি প্রতিষ্ঠানের জন্য আর্থিকভাবে বেশি লাভজনক হবে, তা সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করা সহজ হয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।