ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' বা 'দুই যুগের কবি' বলা হয়। - ১৭৬০ সালে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যুর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে। এরপর ১৮০১ সাল থেকে আধুনিক যুগের সূচনা হলেও, ১৮৬১ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' প্রকাশিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কাব্যে প্রকৃত আধুনিকতা আসেনি। - এই একশ বছর (১৭৬০-১৮৬০) ছিল অবক্ষয় বা যুগসন্ধিক্ষণ, যখন কাব্যে আধুনিকতায় পৌঁছানোর কেবল প্রচেষ্টা চলছিল। - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত তাঁর কবিতায় মধ্যযুগের দেব-দেবীর বন্দনার পরিবর্তে বাস্তব সমাজ, দৈনন্দিন জীবন ও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে কবিতা রচনা শুরু করেন। - তাঁর কাব্যে মধ্যযুগের শব্দপ্রয়োগ ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের পাশাপাশি আধুনিক যুগের বিষয়বস্তু ও স্বদেশপ্রেমের উন্মেষ—এই উভয় যুগের বৈশিষ্ট্যই সমানভাবে পরিলক্ষিত হয় বলেই তাঁকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি আখ্যা দেওয়া হয়।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
কোর্স নামঃ
৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।
টপিকসঃ
বাংলাদেশ বিষয়াবলী বাংলাদেশের জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি, বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র এবং গণমাধ্যম।