শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় — শ্রম পরিদর্শক (সেফটি) - ১১.০৫.২০২৬ (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাসা-বাড়ি বা সাধারণ সরবরাহ লাইনে যে ভোল্টেজ উল্লেখ থাকে (যেমন 220V), তা মূলত RMS (Root Mean Square) ভোল্টেজের মান।
- এ.সি. (A.C.) সাপ্লাইয়ের ক্ষেত্রে শীর্ষমান বা Peak Voltage বের করার সূত্র হলো: Vpeak = Vrms × √2
- যেহেতু লাইনের RMS ভোল্টেজ 220V, তাই এর শীর্ষমান বা পিক মান হবে: 220 × 1.4142 ≈ 311V
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ন্যানোবস্তু বা Nanoparticle হলো এমন অতি ক্ষুদ্র কণা যাদের আকার সাধারণত ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার (nm) এর মধ্যে থাকে।
- ১ ন্যানোমিটার (nm) হলো এক মিটারের একশ কোটি ভাগের এক ভাগ (1 nm = 10&supmin;⁹ m)।
- এই ন্যানোস্কেলে (1-100 nm) বস্তুর ভৌত, রাসায়নিক ও যান্ত্রিক ধর্মে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রকৃতিতে সোডিয়ামের (Na) মাত্র একটি স্থায়ী আইসোটোপ পাওয়া যায়, যা হলো সোডিয়াম-২৩ (23Na)
- প্রকৃতিতে এটি ১০০% পাওয়া যায়।
- যেহেতু সোডিয়ামের কেবলমাত্র একটিই স্থিতিশীল আইসোটোপ রয়েছে, তাই একে মনোআইসোটোপিক (Monoisotopic) মৌল বলা হয় এবং সাধারণ অর্থে ধরা হয় এর ভিন্ন কোনো আইসোটোপ নেই।
- অন্যদিকে কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H) এবং ক্লোরিন (Cl) এর একাধিক আইসোটোপ রয়েছে (যেমন: কার্বনের C-12, C-13, C-14; হাইড্রোজেনের প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম ইত্যাদি)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তড়িৎ আধান বা চার্জের এসআই (SI) একক হলো কুলম্ব (Coulomb)

অন্যান্য অপশনগুলো ভুল হওয়ার কারণ:
- ওহম (Ω): এটি রোধের (Resistance) একক।
- জুল (J): এটি কাজ বা শক্তির (Energy/Work) একক।
- ফ্যারাড (F): এটি ধারকত্বের (Capacitance) একক।

১ কুলম্ব বলতে 6.242 × 10¹⁸ টি ইলেকট্রনের মোট আধানের পরিমাণকে বোঝায়। এটি বিদ্যুৎ প্রবাহ ও সময়ের গুণফলের সমান (1 C = 1 Ampere × 1 Second)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন কোনো গ্যাসই আদর্শ গ্যাস (Ideal Gas) নয়।
- হাইড্রোজেন ($H_{2}$), অক্সিজেন ($O_{2}$), কার্বন ডাইঅক্সাইড ($CO_{2}$) ইত্যাদি হলো বাস্তব গ্যাস (Real Gas)
- বাস্তব গ্যাসগুলো কেবল নিম্ন চাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের মতো আচরণ করে।
- যেহেতু বাস্তবে কোনো গ্যাসই সম্পূর্ণ আদর্শ নয়, তাই সঠিক উত্তর হবে 'কোনটিই নয়'।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) হলো একটি তীব্র ক্ষার (NaOH) এবং মৃদু এসিড (H2CO3) এর বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ।
জলীয় দ্রবণে এটি আর্দ্রবিশ্লেষিত (hydrolysis) হয়ে তীব্র ক্ষার এবং দুর্বল এসিড উৎপন্ন করে:
Na2CO3 + 2H2O → 2NaOH (তীব্র ক্ষার) + H2CO3 (মৃদু এসিড)
যেহেতু উৎপন্ন NaOH একটি তীব্র ক্ষার এবং এটি দ্রবণে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রক্সাইড আয়ন (OH-) দান করে, তাই সামগ্রিকভাবে Na2CO3 এর জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ বা ইলেকট্রন খুব সহজেই চলাচল করতে পারে, তাদেরকে পরিবাহী বা Conductor বলে। পরিবাহী পদার্থের পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ স্তরে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম (Al) একটি ধাতু এবং এটি সুপরিবাহী। তাই এর মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে।
- অন্যদিকে, কাঁচ হলো অপরিবাহী (Insulator) যার মধ্য দিয়ে মুক্ত ইলেকট্রন চলতে পারে না।
- সিলিকন (Si) এবং জার্মেনিয়াম (Ge) হলো অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductor), সাধারণ তাপমাত্রায় এদের মধ্য দিয়ে খুব সামান্য পরিমাণ ইলেকট্রন চলাচল করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা হয়। ভূপৃষ্ঠ থেকে ওপরের দিকে স্তরগুলো হলো: ট্রপোস্ফেয়ার, স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার, মেসোস্ফেয়ার, থার্মোস্ফেয়ার এবং এক্সোস্ফেয়ার।
- এর মধ্যে স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার স্তরে ওজোন (O3) গ্যাসের ঘন স্তর রয়েছে।
- স্ট্র্যাটোস্ফেয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১২ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই স্তরের মধ্যে প্রায় ২০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার উচ্চতায় ওজোন গ্যাসের একটি ঘন স্তর পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, যা ওজোন স্তর বা ওজোনোস্ফিয়ার নামে পরিচিত।
- এই স্তরটি সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মির প্রায় ৯৭-৯৯ শতাংশ শোষণ করে নেয় এবং পৃথিবীর জীবজগতকে মারাত্মক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাইড্রোকার্বনসমূহের সাধারণ সংকেত নিচে দেওয়া হলো:
✔ অ্যালকেনের সাধারণ সংকেত: CnH2n+2
✔ অ্যালকিনের সাধারণ সংকেত: CnH2n
✔ অ্যালকাইনের সাধারণ সংকেত: CnH2n-2
✔ অ্যালকাইল মূলকের সাধারণ সংকেত: CnH2n+1
যেহেতু প্রশ্নে অ্যালকাইনের সাধারণ সংকেত চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হবে CnH2n-2

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রানুসারে, অভিকর্ষজ ত্বরণ, g = GM/d2
যেখানে, G = মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, M = পৃথিবীর ভর এবং d = পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব।
যখন দূরত্ব অসীম (d = ∞) হয়, তখন 1/∞ = 0 হয়।
তাই সমীকরণ অনুযায়ী অসীম দূরত্বে অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান 0 (শূন্য) হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লা-শাতেলিয়ার নীতি অনুযায়ী, গ্যাসীয় বিক্রিয়ায় চাপের প্রভাব নির্ভর করে বিক্রিয়ক ও উৎপাদের মোল সংখ্যার ওপর।
- প্রদত্ত বিক্রিয়ায়: N2(g) + 3H2(g) ⇌ 2NH3(g)
- এখানে বিক্রিয়কের মোট মোল সংখ্যা = 1 + 3 = 4 এবং উৎপাদের মোল সংখ্যা = 2।
- যেহেতু বিক্রিয়ায় মোল সংখ্যা বা আয়তন হ্রাস পায়, তাই চাপ বৃদ্ধি করলে সাম্যাবস্থা ডানদিকে সরে যাবে এবং উৎপাদ বৃদ্ধি পাবে
- বিপরীতভাবে, চাপ হ্রাস করলে উৎপাদ কমবে
- প্রশ্নে চাপ বৃদ্ধি বা হ্রাসের কথা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকায়, সরাসরি উৎপাদ বাড়বে বা কমবে বলা সম্ভব নয়। তাই সঠিক উত্তর 'কোনটিই নয়'
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যখন কোনো তরঙ্গের দুটি বিন্দুর মধ্যে দশা পার্থক্য (রেডিয়ান) হয়, তখন তা পুরো এক তরঙ্গের সমান।
- তরঙ্গের সম্পূর্ণ এক চক্র সম্পন্ন করতে যে পরিমাণ পথ অতিক্রম করতে হয়, তাকে তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ) বলে।
- সুতরাং, দশা পার্থক্য 2π হলে পথ পার্থক্য হবে এক পূর্ণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য, অর্থাৎ λ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম এক ঘরের দৈর্ঘ্য এবং ভার্নিয়ার স্কেলের এক ঘরের দৈর্ঘ্যের পার্থক্যকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক (Vernier Constant) বলা হয়।
- গাণিতিকভাবে: VC = 1 MSD - 1 VSD
- যেহেতু এটি দুটি দৈর্ঘ্যের পার্থক্য নির্দেশ করে, তাই ভার্নিয়ার ধ্রুবকের অবশ্যই একটি একক থাকে (যেমন: সে.মি. বা মি.মি.)।
- তাই 'ভার্নিয়ার ধ্রুবকের কোন একক নেই' উক্তিটি মিথ্যা
- অন্যদিকে স্ক্রু-গজের পিচের একক মিটার, একক ভেক্টরের কোনো একক থাকে না এবং আলোক বর্ষ হলো দূরত্বের একক, যা সঠিক তথ্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাধারণত একটি শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা 2n2 সূত্র দিয়ে নির্ণয় করা হয়।
- এই সূত্র অনুযায়ী ৫ম শক্তিস্তরের জন্য (n = 5) সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা হবে 2 × (5)2 = 2 × 25 = 50টি
- অতএব, তাত্ত্বিকভাবে ৫ম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ 50টি ইলেকট্রন থাকতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আলফা রশ্মি বা আলফা কণা হলো মূলত একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
- একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াসে দুটো প্রোটন এবং দুটো নিউট্রন থাকে, তাই এটি একটি ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা।
- চার্জযুক্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে এর গতিপথকে প্রভাবিত করা যায়।
- আলফা কণা পদার্থের ভেতর দিয়ে বেশি দূর যেতে পারে না। তবে জিংক সালফাইড পর্দায় এটি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে (SI) বিভিন্ন উপসর্গের মান নির্দিষ্ট থাকে।
পিকো (Pico) বা p নির্দেশ করে 10-12 কে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গগুলোর মান হলো:
টেরা (Tera, T) = 1012
গিগা (Giga, G) = 109
ন্যানো (Nano, n) = 10-9
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্লাজমা (Plasma) হলো পদার্থের চতুর্থ অবস্থা, যা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস (আয়ন ও ইলেকট্রনের মিশ্রণ) দিয়ে গঠিত।
• নক্ষত্রের ভেতরে (যেমন: সূর্য) অতি উচ্চ তাপমাত্রার কারণে প্লাজমা অবস্থার সৃষ্টি হয়।
• এছাড়া দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত টিউব লাইট এবং নিওন লাইটের ভেতরেও গ্যাস বিদ্যুৎ প্রবাহে শক্তি পেয়ে আয়নিত হয় এবং প্লাজমা তৈরি করে।
• তাই উল্লিখিত সবগুলোতেই প্লাজমা পাওয়া যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সকল ভৌত রাশি প্রকাশের জন্য শুধু মান (অর্থাৎ সংখ্যা ও একক) ব্যবহার করা হয়, তাদের স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলে। এদের কোনো দিক থাকে না।
দূরত্ব (Distance) এবং দ্রুতি (Speed) উভয়েরই কেবল মান আছে, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট দিক নেই। তাই এরা স্কেলার রাশি।
• অন্যদিকে বেগ, ত্বরণ এবং সরণ হলো ভেক্টর রাশি, কারণ এদের প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়েরই প্রয়োজন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, কাজের পরিমাণ, W = Fs cosθ (যেখানে F = বল, s = সরণ এবং θ = বল ও সরণের মধ্যবর্তী কোণ)।
• বল ও সরণের মধ্যবর্তী কোণ 90° হলে কাজের পরিমাণ শূন্য হয়।
• কারণ, cos 90° = 0
• সুতরাং, W = Fs × 0 = 0।
• এ ধরনের বলকে কার্যহীন বল (Zero work force) বলা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সকল রং অন্য কোনো রঙের মিশ্রণ ছাড়া তৈরি হয় এবং যে রংগুলোর মিশ্রণে অন্যান্য সকল রং তৈরি করা যায়, তাদেরকে মৌলিক রং বলা হয়।
• আলোর ক্ষেত্রে মৌলিক রং তিনটি। যথা: লাল, নীল এবং সবুজ
• তাই সঠিক উত্তরটি হলো লাল
• অন্যদিকে কমলা, বেগুনী, বাদামী ইত্যাদি হলো যৌগিক রং, যা একাধিক রঙের মিশ্রণে তৈরি হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেনজিন (C6H6) অণুর গঠনে কার্বন পরমাণুগুলো একটি সমতলীয় ষড়ভুজাকার বলয় তৈরি করে।

- বেনজিন বলয়ে ৩টি একান্তর কার্বন-কার্বন পাই (π) বন্ধন রয়েছে।
- প্রতিটি পাই বন্ধন ২টি ইলেকট্রন দ্বারা গঠিত হয়।
- সুতরাং, ৩টি পাই বন্ধনে মোট (৩ × ২) = ৬টি পাই ইলেকট্রন থাকে।
- (অতিরিক্ত তথ্য: বেনজিনে মোট ১২টি সিগমা বন্ধনও থাকে)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব পদার্থ প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়, বায়ুর উপাদান (যেমন: জলীয় বাষ্প, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড) দ্বারা আক্রান্ত হয় না এবং যাদের প্রমাণ দ্রবণ দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকে, তাদের প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে।

- কয়েকটি প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের উদাহরণ: K2Cr2O7 (পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট), Na2CO3, অক্সালিক এসিড ইত্যাদি।
- অন্যদিকে NaOH, KMnO4 এবং HCl হলো সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ, কারণ বায়ুর সংস্পর্শে এদের ঘনমাত্রা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ত্রৈধ বিন্দু (Triple point) হলো সেই অবস্থা যেখানে পানি একসঙ্গে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় (বাষ্প)—এই তিন অবস্থায় সাম্যাবস্থায় থাকে।

- পানির ত্রৈধ বিন্দু একটি নির্দিষ্ট চাপ (≈611 Pa) ও তাপমাত্রায় ঘটে, আর সেই তাপমাত্রা হলো 273.16 K
- 0°C = 273.15 K, যা স্বাভাবিক চাপে পানির গলনাঙ্ক, এটি ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা নয়।
- তাই সঠিক উত্তর 273.16k
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কাঁচা ফল পাকানোর জন্য ইথিলিন (Ethylene) বা ইথিন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।

- ইথিলিন হলো একটি প্রাকৃতিক ফাইটোহরমোন বা উদ্ভিদ হরমোন, যা প্রাকৃতিকভাবে ফল পাকাতে সাহায্য করে।
- বাণিজ্যিকভাবে বা কৃত্রিমভাবে দ্রুত কাঁচা ফল (যেমন: কলা, আম, পেঁপে ইত্যাদি) পাকানোর জন্যও ইথিলিন গ্যাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মূল ধারণা: পরম শূন্য তাপমাত্রা (Absolute zero) হলো তাপমাত্রার সর্বনিম্ন সীমা, যেখানে কণার গতিশক্তি শূন্য বা ন্যূনতম হয়।

- কেলভিন (Kelvin) স্কেলে পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো 0 K (প্রশ্নের অপশনে 0°k দেওয়া হয়েছে)।
- সেলসিয়াস স্কেলে এর মান -273.15°C।
- যেহেতু অপশনগুলোর মধ্যে 0°k দেওয়া আছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর। (উল্লেখ্য, কেলভিন স্কেলে ডিগ্রির (°) ব্যবহার করা হয় না, বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক রূপ হলো 0 K)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যখন কোনো পরমাণু, আয়ন বা অণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তখন সেই প্রক্রিয়াকে বিজারণ (Reduction) বলা হয়।
- প্রদত্ত বিক্রিয়াটিতে ($Fe^{3+} + 3e → Fe$), ফেরিক আয়ন ($Fe^{3+}$) ৩টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিরপেক্ষ আয়রন পরমাণুতে ($Fe$) পরিণত হয়েছে।
- যেহেতু এখানে ইলেকট্রন গ্রহণ বা জারণ মান হ্রাসের ঘটনা ঘটছে, তাই এটি একটি বিজারণ বিক্রিয়া।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'সবুজপত্র' পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। এটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির আন্দোলন সফল ও সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

তাঁর সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ:
- জন্ম ও নিবাস: তিনি ৭ আগস্ট, ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রাম।
- উপাধি ও ছদ্মনাম: তাঁকে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক বলা হয়। তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল'
- সাহিত্যকর্ম: তাঁর প্রথম প্রবন্ধ 'জয়দেব' ১৮৯৩ সালে 'সাধনা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯০২ সালে 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত 'হালখাতা' রচনাটিতে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান। এছাড়া বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- সম্পাদনা: 'সবুজপত্র' (১৯১৪) ছাড়াও তিনি 'বিশ্বভারতী পত্রিকা' সম্পাদনা করেন।
- স্বীকৃতি: তিনি ১৯৩৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ করেন। উল্লেখ্য, স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় নিজ মাতার নামে এ পদক প্রবর্তন করেছিলেন।
- মৃত্যু: তিনি ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ সালে (১৬ ভাদ্র, ১৩৫৩ বঙ্গাব্দ) শান্তিনিকেতনে মৃত্যুবরণ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশে ১, ২ এবং ৫ টাকার নোট ব্যাংক নোট নয়, এগুলো হলো সরকারি নোট
• সরকারি নোটগুলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা হয় এবং এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
• অন্যদিকে ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট হলো ব্যাংক নোট। এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যু করে এবং এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Youtube-এর বর্তমান মালিকানা প্রতিষ্ঠান হলো গুগল (Google), যা ২০০৬ সালে গুগল কর্তৃক অধিগৃহীত হয়।
ল্যারি পেইজসের্গেই ব্রিন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
• এর সদরদপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউতে অবস্থিত।
• গুগলের প্রকৃত নাম ছিল Back Rub
• গুগলের মূলমন্ত্র হলো "বিশ্বের তথ্য সন্নিবেশিত করে তাকে সবার জন্য সহজলভ্য করে দেয়া" এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক মূলমন্ত্র হলো 'Don't be evil'।
• গুগল ক্রোম (Google Chrome), জিমেইল (Gmail), গুগল ড্রাইভ (Google Drive), অ্যান্ড্রয়েড (Android) ইত্যাদি গুগলের অন্যান্য জনপ্রিয় পণ্য ও সেবা।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সূর্যের পরিক্রমণকালে ২১ জুন পৃথিবী এমন এক অবস্থানে আসে যখন সূর্য ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে তথা কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- তাই ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে বছরের দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত হয়।
- উল্লেখ্য, এই দিনে দক্ষিণ গোলার্ধে এর ঠিক বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত হয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0