বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-(অফিস সহায়ক) - ১৭.০১.২০২৬ (49 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণসংলগ্ন বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬ সে.মি. এবং ৪ সে.মি.।

আমরা জানি,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = $ \frac{১}{২} \times $ ভূমি $ \times $ উচ্চতা

যেহেতু সমকোণসংলগ্ন বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি এবং অপরটিকে উচ্চতা ধরা হয়,
সুতরাং, ভূমি = ৬ সে.মি. এবং উচ্চতা = ৪ সে.মি. (অথবা বিপরীতটি ধরলেও হবে)

তদানুসারে,
ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল
= $ \frac{১}{২} \times $ ৬ $ \times $ ৪ বর্গ সে.মি.
= $ \frac{১}{২} \times $ ২৪ বর্গ সে.মি.
= ১২ বর্গ সে.মি.
$\therefore$ নির্ণেয় ক্ষেত্রফল ১২ বর্গ সে.মি.।

শর্টকাট টেকনিক:
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল বের করার জন্য সমকোণ-সংলগ্ল বাহু দুটি গুণ করে তাকে ২ দ্বারা ভাগ করলেই উত্তর পাওয়া যায়।
ক্ষেত্রফল = $\frac{৬ \times ৪}{২}$ = $\frac{২৪}{২}$ = ১২ বর্গ সে.মি.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আসিয়ান (ASEAN)-এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র ৫টি। যথা: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুর।
- বর্তমানে আসিয়ান ভুক্ত মোট সদস্য সংখ্যা ১০টি
- ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এই সংস্থাটি গঠিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বেলফোর ঘোষণা (Balfour Declaration) হলো ১৯১৭ সালের ২রা নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর কর্তৃক ইহুদিদের জন্য একটি স্বাধীন আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিপত্র।
- এই ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি (National Home) গড়ে তোলা।
- এই ঘোষণার মধ্য দিয়েই ১৯৪৮ সালে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল নামক স্বাধীন রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকার ইহুদিদের সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি প্রদান করেছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের ফলে বস্ত্রশিল্পে ব্যাপক যান্ত্রিকীকরণ ঘটে, যার ফলে খুব দ্রুত এবং সস্তায় সুতি বস্ত্র উৎপাদন সম্ভব হয়।
- এই সস্তা ব্রিটিশ কাপড়ে ভারতীয় বাজার ছেয়ে যায়, যার সাথে প্রতিযোগিতা করতে না পেরে হাতে বোনা এবং শ্রমসাধ্য ভারতীয় তাঁত ও বস্ত্রশিল্প ধ্বংসের মুখে পড়ে।
- ব্রিটিশ সরকার ভারতীয় বস্ত্রের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করে এবং কাঁচামাল ইংল্যান্ডে রপ্তানি করতে বাধ্য করে, যা ভারতীয় তাঁতীদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়।
- পলাশীর যুদ্ধের পর থেকেই বাংলা এবং ভারতের বিখ্যাত মসলিন ও তাঁত শিল্পের অবক্ষয় ঘটতে থাকে এবং এই শিল্প বিপ্লবই ছিল তার কফিনের শেষ পেরেক।
- এর ফলে একসময়ের সমৃদ্ধ ভারতীয় তাঁতীরা বেকার হয়ে পড়ে এবং ভারতের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার বা পদক হলো স্বাধীনতা পদক
- এটি স্বাধীনতা পুরস্কার নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কিংবা শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জনসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের জন্য এই পদক প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার হিসেবে একটি ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননা পত্র এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
- ২৬শে মার্চ বা স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী গুণীজনদের মাঝে এই পুরস্কার তুলে দেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলার নাম পঞ্চগড়
- এটি বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের অন্তর্গত একটি সীমান্তবর্তী জেলা।
- এই জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তর বিন্দু।
- হিমালয় পর্বতমালা খুব কাছে হওয়ায় এই জেলায় শীতের প্রকোপ বেশি থাকে এবং এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পঞ্চগড়কে ‘হিমালয় কন্যা’ বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ চার বছর
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (অ্যামেন্ডমেন্ট ২০০৩) অনুযায়ী গভর্নরের এই মেয়াদকাল নির্ধারিত হয়।
- তবে চার বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সরকার চাইলে তাঁকে পুনর্নিয়োগ দিতে পারে।
- গভর্নরের মেয়াদ বা বয়সসীমা ৬৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে (আগে এটি ৬৫ বছর ছিল, যা ২০২০ সালে সংশোধন করা হয়)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রধান দায়িত্ব পালন করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা।
- এর সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত।
- ১৯৯৩ সালে পিটার ইগেন ও অন্যান্যরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার উদ্দেশ্যে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি মূলত বিশ্বজুড়ে সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য কাজ করে থাকে।
- এই সংস্থা প্রতি বছর দুর্নীতির ধারণা সূচক বা করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স (CPI) প্রকাশ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারি গবাদিপশু প্রজনন কেন্দ্র ও দুগ্ধ খামার।
- ১৯৫৯-৬০ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি সাভার ডেইরি ফার্ম নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো উন্নত জাতের গবাদিপশু উৎপাদন, প্রজনন এবং দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের জোগান বৃদ্ধি করা।
- খামারটি দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে এবং কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- তেহরান বা তাহেরান হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- শহরটি উত্তর-মধ্য ইরানে এলবুরুজ পর্বতশ্রেণীর পাদদেশে অবস্থিত।
- বাগদাদ হলো ইরানের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকের রাজধানী।
- ইস্তাম্বুল হলো তুরস্কের বৃহত্তম শহর এবং সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র।
- ইসলামাবাদ হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের রাজধানী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জেনেভা কনভেনশনস হলো চারটি আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং তিনটি প্রটোকল যা যুদ্ধের সময় মানবিক আচরণের মান নির্ধারণ করে।
- ১৮৬৪ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সম্পাদিত আন্তর্জাতিক চুক্তি হয় যা যুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধবন্দী ও আহতদের প্রতি আচরণবিধি কি হবে তা নির্ধারণ করে।
- এ চুক্তিসমূহ যুদ্ধাহত ও ধৃত সৈন্যদের নিরাপত্তা প্রদান এবং অসামরিক বা বেসামরিক ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত হয়।
- মূলত চারটি প্রধান চুক্তি নিয়ে এটি গঠিত, যার মধ্যে চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন (১৯৪৯) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করে।
- এটি ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেডক্রস (ICRC) দ্বারা পরিচালিত এবং পর্যবেক্ষণ করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করেন ১৯২০ সালে
- সংবিধানের ১৯তম সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের এই ভোটাধিকার প্রদান করা হয়।
- ২৬ আগস্ট ১৯২০ সালে এই সংশোধনী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমোদনের মাধ্যমে আইনে পরিণত হয়।
- এর আগে ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার দেওয়া হয়।
- যুক্তরাজ্যে (ব্রিটেন) নারীরা পূর্ণাঙ্গ ভোটাধিকার পায় ১৯২৮ সালে
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়।
- এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন অবিভক্ত বাংলার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
- চৌধুরী খালেকুজ্জামান এই প্রস্তাবটিকে সমর্থন করেছিলেন।
- রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রস্তাবটি ‘লাহোর প্রস্তাব’ বা ‘পাকিস্তান প্রস্তাব’ নামে পরিচিত লাভ করে।
- এই প্রস্তাবের মূল ভিত্তি ছিল ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলো নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জাতিসংঘের দাপ্তরিক বা অফিশিয়াল ভাষা মোট ৬ টি
- ভাষাগুলো হলো- ইংরেজি, ফরাসি, রুশ, চীনা, স্প্যানিশ এবং আরবি
- এর মধ্যে জাতিসংঘের সচিবালয়ের দাপ্তরিক ভাষা হলো ইংরেজি ও ফরাসি
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভা এবং দাপ্তরিক কাজগুলোতে এই ৬টি ভাষা ব্যবহৃত হয়।
- সর্বশেষ ১৯৭৩ সালে সাধারণ পরিষদ আরবি ভাষাকে অফিশিয়াল ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুরে অবস্থিত ছোট সোনা মসজিদ বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ।
- প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড়ের উপকন্ঠে এটি অবস্থিত এবং ১৫০০ খ্রিষ্টাব্দের প্রথমার্ধে এটি নির্মিত হয়।
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে ওয়ালী মোহাম্মদ নামক এক ব্যক্তি এই মসজিদ নির্মাণ করেন।
- অনেকে এই মসজিদকে ‘গৌড়ের রত্ন’ হিসেবেও আখ্যায়িত করে থাকেন।
- এটি সুলতানি স্থাপত্যের এক নিদর্শন, যার বাইরের দিকটি সোনালি পাত দিয়ে মোড়ানো ছিল বলে একে ‘সোনা মসজিদ’ বলা হতো।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উয়ারী বটেশ্বর হলো বাংলাদেশের নরসিংদী জেলায় অবস্থিত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, যা একটি প্রাচীন জনপদ
- এটি প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো দুর্গ নগরী যা মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল।
- উয়ারী এবং বটেশ্বর নামক দুটি পাশাপাশি গ্রাম এলাকা জুড়ে এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি বিস্তৃত।
- ১৯৩৩ সালে এই অঞ্চলে শ্রমিকরা মাটি খনন করার সময় কিছু প্রাচীন মুদ্রা পায়, যা পরবর্তীতে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের সূচনা ঘটায়।
- ২০০০ সালের খননকার্যে এখানে আড়াই হাজার বছরের পুরনো রাস্তা, দুর্গ-প্রাচীর ও মূল্যবান প্রত্নবস্তু পাওয়া গেছে যা প্রমাণ করে এটি একটি সমৃদ্ধ নগররাষ্ট্র ছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬
- একে ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করলে দাঁড়ায় ৫ : ৩
- পতাকার মাঝখানের লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যের ৫ ভাগের ১ ভাগ
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নকশা সরকারিভাবে অনুমোদিত হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার বা রূপকার হলেন কামরুল হাসান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘এডামস পিক’ বা শ্রীপদ শ্রীলংকার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে সাবারাগামুওয়া প্রদেশে অবস্থিত একটি পবিত্র পর্বত।
- এই পর্বতের চূড়ায় একটি পায়ের ছাপ রয়েছে, যা বৌদ্ধ, হিন্দু, মুসলমান এবং খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র বলে গণ্য হয়।
- মুসলমান ও খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করেন, এটি নবী হযরত আদম (আঃ)-এর পায়ের ছাপ, যখন তিনি বেহেশত থেকে পৃথিবীতে পতিত হয়েছিলেন।
- বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, এটি গৌতম বুদ্ধের পবিত্র বাম পায়ের ছাপ।
- হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, এটি দেবতা শিবের পায়ের ছাপ এবং তাদের কাছে এই পর্বতটি ‘শিবনন আদিপধম’ নামে পরিচিত।
- এই পর্বতটির উচ্চতা ২,২৪৩ মিটার (৭,৩৫৯ ফুট) এবং এটি একটি নিভে যাওয়া আগ্নেয়গিরি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হাজী শরীয়তুল্লাহ (১৭৮১-১৮৪০) ছিলেন বিখ্যাত সংস্কার আন্দোলন বা ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা
- মাদারীপুর জেলার (তৎকালীন ফরিদপুর জেলা) শিবচর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে এক দরিদ্র তালুকদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- মক্কা থেকে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে তিনি দেখতে পান মুসলমানদের মধ্যে অনৈসলামিক কুসংস্কার ও রীতিনীতি প্রবেশ করেছে।
- মুসলমানদের কুসংস্কার ও অনাচার থেকে মুক্ত করে পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহ নির্দেশিত পথে বা ‘ফরজ’ পালনের দিকে আহ্বান করার জন্যই এই আন্দোলনের সূত্রপাত।
- ‘ফরজ’ বা অবশ্য পালনীয় কাজ থেকেই এই আন্দোলনের নামকরণ করা হয় ‘ফরায়েজী আন্দোলন’
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর তাঁর সুযোগ্য পুত্র মহসীনউদ্দীন দুদু মিঞা এই আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেন।
- দুদু মিঞা নীলকর ও অত্যাচারী জমিদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এবং কৃষকদের সংগঠিত করেছিলেন, যে কারণে এই আন্দোলন রাজনৈতিক রূপ লাভ করে।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মধ্যে খাসিয়া ও গারো হলো মাতৃতান্ত্রিক বা মাতৃপ্রধান সমাজভিত্তিক।
- মাতৃপ্রধান পরিবারে মায়ের দিক থেকে বংশ পরিচয় নির্ণয় করা হয় এবং মায়ের পর মেয়েই পরিবারের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- এই সমাজে সাধারণত পরিবারের কর্ত্রী বা প্রধান হন মা এবং তাঁর নির্দেশেই পরিবার পরিচালিত হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মুরং, খুমি এবং চাকমা হলো পিতৃতান্ত্রিক বা পিতৃপ্রধান উপজাতি, যেখানে পিতার পরিচয়ই সন্তানের পরিচয় বহন করে।
- সিলেটের পাহাড়তলী অঞ্চলে বসবাসকারী খাসিয়া জনগোষ্ঠীর এই বিশেষ সমাজব্যবস্থা বাংলাদেশের নৃগোষ্ঠীদের বৈচিত্র্যের অন্যতম অংশ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লোহিত সাগরের দক্ষিণে অবস্থিত বাবেল মান্দেব প্রণালি এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
- এই প্রণালিটি এশিয়া মহাদেশের ইয়েমেন এবং আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি ও ইরিত্রিয়াকে পৃথক করেছে।
- এটি মূলত লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে, যা ভারত মহাসাগরের অংশ।
- আরব উপদ্বীপ ও হর্ন অব আফ্রিকার মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- অপশনে থাকা জিব্রাল্টার প্রণালি আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালি এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালি এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সীমানা হিসেবে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি হলেন প্রথম মুসলিম সেনাপতি যিনি বাংলা জয় করেন।
- তিনি ১২০৪-১২০৫ খ্রিস্টাব্দে লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন।
- নদীয়া জয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হয়।
- তুর্কি বংশোদ্ভূত এই সেনাপতি গৌড় অধিকার করে সেখানে মুসলিম সাম্রাজ্য বিস্তার করেছিলেন।
- বখতিয়ার খলজি বাংলার রাজধানী নদিয়া থেকে লখনৌতিতে (গৌড়) স্থানান্তর করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গ্রিনল্যান্ড হলো বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যেটি ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ হলেও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের সাথে সম্পৃক্ত।
- এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল যা 'ডেনমার্ক' রাজতন্ত্রের অধীনস্ত।
- ১৮১৪ সালে ডেনমার্ক ও নরওয়ের মধ্যকার একটি চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ডেনিশ ঔপনিবেশিক শাসনে আসে এবং ১৯৫৩ সালে এটি ডেনমার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- যদিও গ্রিনল্যান্ডের নিজস্ব সরকার এবং সংসদ রয়েছে, তবুও এর পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিষয়গুলো ডেনমার্ক সরকার নিয়ন্ত্রণ করে।
- তাই আন্তর্জাতিক আইন ও সার্বভৌমত্বের বিচারে গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটির মালিকানা ডেনমার্কের হাতে ন্যস্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ফিনিশীয় সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব প্রায় তিন হাজার বছর পূর্বে বর্তমান লেবানন ও ভূমধ্যসাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিলো।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হলো বর্ণমালা বা লিখন পদ্ধতি উদ্ভাবন।
- ফিনিশীয়রা মোট ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণ উদ্ভাবন করেছিল, যা পরবর্তীতে আধুনিক বর্ণমালার ভিত্তি স্থাপন করে।
- তাদের উদ্ভাবিত এই ব্যঞ্জনবর্ণগুলোর সাথে পরবর্তীতে গ্রিকরা স্বরবর্ণ যোগ করে বর্ণমালাকে সম্পূর্ণ রূপ দান করে।
- টায়ার ও সিডন ছিল ফিনিশিয়ার দুটি বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর এবং তারা নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে ইতিহাসে বিখ্যাত ছিল।
- তারা ব্যবসা-বাণিজ্যে অত্যন্ত দক্ষ ছিল এবং ইউরোপীয়রা তাদের কাছ থেকেই কাগজ, কলম ও কালির ব্যবহার শিখেছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- যুদ্ধ পরিচালনার জন্য এই সেক্টরগুলো গঠন করা হয় ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডারদের এক সম্মেলনে।
- প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে একজন করে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন যিনি নিয়মিত বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ দিতেন।
- ১১টি সেক্টরের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়ভাবে বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং ৩টি বিশেষ ফোর্স (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) গঠন করা হয়েছিল।
- ১০ নং সেক্টরটি ছিল ব্যতিক্রম, এটি ছিল নৌ-কমান্ডোদের জন্য নির্ধারিত এবং এর সুনির্দিষ্ট কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি,
১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার

আবার,

১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার
সুতরাং, ১০০ সেন্টিমিটার = (১০০ $\div$ ২.৫৪) ইঞ্চি
= ৩৯.৩৭০০৭৮৭... ইঞ্চি
$\approx$ ৩৯.৩৭ ইঞ্চি (প্রায়)
অতএব, ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি (প্রায়)।

শর্টকাট টেকনিক:
১ মিটার প্রায় ৩.২৮ ফুটের সমান।
যেহেতু ১ ফুট = ১২ ইঞ্চি
সুতরাং, ৩.২৮ ফুট = (৩.২৮ $\times$ ১২) ইঞ্চি = ৩৯.৩৬ ইঞ্চি
যা ৩৯.৩৭ এর খুব কাছাকাছি। তাই সঠিক উত্তর ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
x এর ১০% = y এর ২০%
বা, x $\times \frac{১}{১০}$ = y $\times \frac{১}{৫}$ [যেহেতু ১০% = $\frac{১০}{১০০} = \frac{১}{১০}$ এবং ২০% = $\frac{২০}{১০০} = \frac{১}{৫}$]
বা, $\frac{x}{১০} = \frac{y}{৫}$
বা, $ 5x = 10y$ [আড়গুণন করে]
বা, $\frac{x}{y} = \frac{১০}{৫}$
বা, $\frac{x}{y} = \frac{২}{১}$
$\therefore x : y = $ ২ : ১

শর্টকাট টেকনিক:
প্রশ্নে x এর সাথে যে সংখ্যা এবং y এর সাথে যে সংখ্যা থাকে, অনুপাত করার সময় তারা জায়গা পরিবর্তন করে।
অর্থ্যাৎ, x : y = (y এর সহগ) : (x এর সহগ)
= ২০ : ১০
= ২ : ১
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি,
১ মাস = ৩০ দিন [সাধারণত গাণিতিক সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ১ মাস = ৩০ দিন ধরা হয়]

১ দিনে ডাল বিক্রয় করেন = ২০ কে.জি. ৪০০ গ্রাম
অতএব, ৩০ দিনে ডাল বিক্রয় করেন = (২০ কে.জি. ৪০০ গ্রাম $\times$ ৩০)
= (২০ $\times$ ৩০) কে.জি. (৪০০ $\times$ ৩০) গ্রাম
= ৬০০ কে.জি. ১২০০০ গ্রাম

আবার আমরা জানি,
১০০০ গ্রাম = ১ কে.জি.
$\therefore$ ১২০০০ গ্রাম = (১২০০০ $\div$ ১০০০) কে.জি. = ১২ কে.জি.

সুতরাং, মোট ডাল বিক্রয়ের পরিমাণ = (৬০০ + ১২) কে.জি. = ৬১২ কে.জি.

বিকল্প পদ্ধতি (দশমিকে রূপান্তর করে):
১০০০ গ্রাম = ১ কে.জি.
$\therefore$ ৪০০ গ্রাম = ০.৪০০ কে.জি. = ০.৪ কে.জি.

১ দিনে বিক্রয় করেন = ২০.৪ কে.জি.
$\therefore$ ৩০ দিনে বিক্রয় করেন = (২০.৪ $\times$ ৩০) কে.জি.
= ৬১২.০ কে.জি.
= ৬১২ কে.জি.

শর্টকাট টেকনিক:
মাসের দিন সংখ্যা (৩০) দিয়ে কে.জি. ও গ্রামকে আলাদাভাবে গুণ করে যোগ করতে হবে।
২০ $\times$ ৩০ = ৬০০ কে.জি.
৪০০ $\times$ ৩০ = ১২০০০ গ্রাম = ১২ কে.জি.
মোট = ৬০০ + ১২ = ৬১২ কে.জি.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এখানে, বিলের মোট পরিমাণ = ৪০৮০ টাকা
ভ্যাটের হার = ৫%
আমাদের নির্ণয় করতে হবে ভ্যাটের পরিমাণ।

আমরা জানি,
ভ্যাটের পরিমাণ = মোট বিল × ভ্যাটের হার
= ৪০৮০ এর ৫%
= $৪০৮০ \times \frac{৫}{১০০}$
= $৪০৮ \times \frac{৫}{১০}$ [উভয় সংখ্যাকে ১০ দ্বারা ভাগ করে]
= $৪০৮ \times \frac{১}{২}$ [৫ দ্বারা ১০ কে ভাগ করে]
= $\frac{৪০৮}{২}$
= ২০৪ টাকা
$\therefore$ ভ্যাটের পরিমাণ ২০৪ টাকা।

শর্টকাট নিয়ম:
যেকোনো সংখ্যার ১০% বের করা খুব সহজ, সংখ্যাটির ডানদিক থেকে এক ঘর আগে দশমিক বসালেই হয়। আর ৫% হলো ১০% এর অর্ধেক।
৪০৮০ এর ১০% = ৪০৮.০ = ৪০৮
অতএব, ৫% হবে ৪০৮ এর অর্ধেক = $\frac{৪০৮}{২}$ = ২০৪ টাকা।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আমরা জানি, সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে Definite Article 'the' ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যে 'architect' শব্দটি দ্বারা সাধারণ কোনো স্থপতিকে বোঝানো হয়নি, বরং একজন ব্যক্তির 'নিজ ভাগ্যের স্থপতি' হিসেবে তাকে নির্দিষ্ট বা Particularize করা হয়েছে।
- যখন কোনো Common Noun (যেমন: architect) দ্বারা কোনো কিছুকে সুনির্দিষ্টভাবে বোঝানো হয় বা কোনো বিশেষ গুণের অধিকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তখন তার পূর্বে 'the' বসে।
- এখানে মানুষ নিজেই তার ভাগ্যের নির্মাতা, এই সুনির্দিষ্ট সত্যটি প্রকাশ করতেই 'the architect' ব্যবহার করা হয়েছে।
- এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ বা Proverb যার অর্থ হলো, 'মানুষ নিজেই তার ভাগ্যের নির্মাতা'। প্রবাদে শব্দচয়ন সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0