বাংলাদেশে প্রচলিত ই-টিন (e-TIN) বা ইলেকট্রনিক ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার কত ডিজিট বিশিষ্ট হয়ে থাকে?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option D
⇒ TIN-এর পূর্ণরূপ হলো Taxpayer Identification Number বা করদাতা শনাক্তকরণ সংখ্যা। বাংলাদেশে যারা আয়কর প্রদান করেন, তাদের জন্য এই নাম্বারটি থাকা বাধ্যতামূলক।
⇒ পূর্বে বাংলাদেশে যে ম্যানুয়াল টিন (TIN) সার্টিফিকেট দেওয়া হতো, সেটি ছিল ১০ ডিজিটের। কিন্তু কর ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে এবং জালিয়াতি রোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ২০১৩ সালে e-TIN ব্যবস্থা চালু করে।
⇒ নতুন এই আধুনিক e-TIN নাম্বারটি ১২ ডিজিটের হয়ে থাকে। বর্তমানে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ক্রেডিট কার্ড নেওয়া, জমি বা গাড়ি কেনা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কাজে এই ১২ ডিজিটের e-TIN বাধ্যতামূলক।
⇒ পূর্বে বাংলাদেশে যে ম্যানুয়াল টিন (TIN) সার্টিফিকেট দেওয়া হতো, সেটি ছিল ১০ ডিজিটের। কিন্তু কর ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে এবং জালিয়াতি রোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ২০১৩ সালে e-TIN ব্যবস্থা চালু করে।
⇒ নতুন এই আধুনিক e-TIN নাম্বারটি ১২ ডিজিটের হয়ে থাকে। বর্তমানে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ক্রেডিট কার্ড নেওয়া, জমি বা গাড়ি কেনা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কাজে এই ১২ ডিজিটের e-TIN বাধ্যতামূলক।