মধ্যযুগের শেষভাগে রচিত পুঁথি সাহিত্যের মূল বৈশিষ্ট্য ছিল এর ভাষারীতি । এতে বাংলা ভাষার পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে আরবি, ফারসি, উর্দু, হিন্দি ও তুর্কি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে । এই বহুল শব্দমিশ্রিত রূপকে 'দোভাষী বাংলা' বা 'মিশ্র ভাষা' বলা হয় । - কবি ফকির গরীবুল্লাহ ও সৈয়দ হামজা এই ধারার প্রধান কবি । - সাধারণ মানুষের বোধগম্য করার জন্য কবিগণ এ জাতীয় মিশ্র ভাষারীতি প্রয়োগ করেছিলেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা-১৫৪
কোর্স নামঃ
৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।
টপিকসঃ
ইংরেজি সাহিত্য বিভিন্ন লেখকের স্বীকৃতি ও উপাধি, ইংরেজি বই অবলম্বনে কতিপয় বাংলা গ্রন্থ।