নেসকো (সাব-স্টেশন সহকারী) ১০.০৪.২০২৬ (70 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• আমরা জানি, বাল্বের রোধ R = V2 / P। অর্থাৎ, বাল্বের রেটেড পাওয়ার (P) যত বেশি হয়, তার রোধ তত কম হয়। তাই 100 W বাল্বের রোধ সবচেয়ে কম এবং 25 W বাল্বের রোধ সবচেয়ে বেশি।
শ্রেণি সমবায়ে (Series) যুক্ত থাকলে সব বাল্বের মধ্য দিয়ে একই কারেন্ট (I) প্রবাহিত হয়। এক্ষেত্রে ব্যয়িত ক্ষমতা P' = I2R অনুযায়ী, বেশি রোধের বাল্ব অর্থাৎ 25 W বাল্বটি সবচেয়ে উজ্জ্বল জ্বলবে।
• অপরদিকে, সমান্তরাল সমবায়ে (Parallel) যুক্ত থাকলে সব বাল্বের দুই প্রান্তের ভোল্টেজ (V) সমান থাকে। এক্ষেত্রে ব্যয়িত ক্ষমতা P' = V2 / R অনুযায়ী, কম রোধের বাল্ব বা বেশি পাওয়ারের বাল্ব অর্থাৎ 100 W বাল্বটি সবচেয়ে উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে।
(বি.দ্র: প্রদত্ত উত্তরটি সমান্তরাল সমবায়ের শর্তানুযায়ী দেওয়া হয়েছে, তবে শ্রেণি সমবায়ে তাত্ত্বিকভাবে 25 W উজ্জ্বলতর হওয়ার কথা।)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, ধারকগুলো শ্রেণিসমবায়ে (Series combination) সংযুক্ত থাকলে তুল্য ধারকত্ব নির্ণয়ের সূত্র হলো:
1/Cs = 1/C1 + 1/C2 + 1/C3

এখানে দেওয়া আছে,
C1 = 5 μF
C2 = 10 μF
C3 = 15 μF

মানগুলো বসিয়ে পাই,
1/Cs = 1/5 + 1/10 + 1/15
বা, 1/Cs = (6 + 3 + 2) / 30
বা, 1/Cs = 11 / 30
সুতরাং, Cs = 30 / 11 ≈ 2.73 μF
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ডায়নামো বা জেনারেটর এমন একটি যন্ত্র যা যান্ত্রিক শক্তিকে (যেমন—ঘূর্ণন শক্তি) বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত করে। এটি তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic induction) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
• যখন কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রে একটি পরিবাহী তারের কুণ্ডলীকে ঘোরানো হয় (যান্ত্রিক শক্তি প্রয়োগ), তখন সেই তারের মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হয়।
• অন্যদিকে, বৈদ্যুতিক মোটর ঠিক এর বিপরীত কাজটি করে, অর্থাৎ বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। আর ট্রান্সফরমার ভোল্টেজ কমাতে বা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়, এটি শক্তি রূপান্তর করে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ট্রানজিস্টর একটি সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী ডিভাইস।
- ট্রানজিস্টর তৈরি করতে সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ (যেমন: সিলিকন বা জার্মেনিয়াম) ব্যবহার করা হয়।
- পরিবাহী (Conductor) এবং অপরিবাহীর (Insulator) মাঝামাঝি ইলেকট্রন পরিবহন ক্ষমতা থাকার কারণে সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ ব্যবহার করা হয়। এটি ট্রানজিস্টরের কারেন্ট নিয়ন্ত্রণ বা কাজ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- অন্যদিকে মোটর, ট্রান্সফরমার এবং জেনারেটর মূলত পরিবাহী তার এবং তড়িৎচুম্বকীয় আবেশের নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, ক্ষমতা (P) = বিভব পার্থক্য (V) × তড়িৎ প্রবাহ (I)

এখানে দেওয়া আছে,
বিভব পার্থক্য, V = 220V
তড়িৎ প্রবাহ, I = 5A

মিটারের সাহায্যে সরবরাহকৃত সর্বোচ্চ ক্ষমতা, P = 220 × 5 = 1100 W
অর্থাৎ, মিটারে সর্বোচ্চ 1100 W ক্ষমতা ব্যবহার করা নিরাপদ।

প্রতিটি বাল্বের ক্ষমতা = 90 W
নিরাপদে ব্যবহারযোগ্য বাল্বের সংখ্যা = মোট ক্ষমতা / একটি বাল্বের ক্ষমতা
= 1100 / 90
= 12.22

যেহেতু বাল্বের পূর্ণসংখ্যা বিবেচনা করতে হয়, তাই নিরাপদে সর্বোচ্চ ১২ টি বাল্ব ব্যবহার করা যাবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ওহমের সূত্রানুসারে আমরা জানি, তড়িৎ প্রবাহ (I) = বিভব পার্থক্য (V) / রোধ (R)

এখানে দেওয়া আছে,
রোধ, R = 40Ω
বিভব পার্থক্য, V = 200V

অতএব, তড়িৎ প্রবাহ, I = 200 / 40
বা, I = 5A

সুতরাং, বাল্বের মধ্য দিয়ে 5A তড়িৎ প্রবাহিত হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সকল তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ জলীয় দ্রবণে আংশিকভাবে আয়নিত হয়, তাদেরকে মৃদু ইলেকট্রোলাইট (Weak Electrolyte) বলা হয়।
- এখানে, HCl এবং $H_2SO_4$ হলো তীব্র এসিড এবং NaOH হলো তীব্র ক্ষার। এরা জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়, তাই এরা তীব্র ইলেকট্রোলাইট।
- অন্যদিকে, $NH_4OH$ (অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড) একটি মৃদু ক্ষার। এটি জলীয় দ্রবণে খুব সামান্য পরিমাণে আয়নিত হয় বলে এটি একটি মৃদু ইলেকট্রোলাইট
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলে অ্যানোডে হাইড্রোজেন গ্যাস জারিত হয়ে প্রোটন ($H^+$) এবং ইলেকট্রন উৎপন্ন করে।
- উৎপন্ন ইলেকট্রনগুলো বাইরের বর্তনী দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে।
- অন্যদিকে, উৎপন্ন প্রোটন বা হাইড্রোজেন আয়ন ($H^+$) তড়িৎ বিশ্লেষ্য (electrolyte) পদার্থের মধ্য দিয়ে ক্যাথোডে চলাচল করে।
- ক্যাথোডে এই $H^+$, ইলেকট্রন এবং অক্সিজেন একত্রে বিক্রিয়া করে পানি তৈরি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) দ্রবণে অ্যালুমিনিয়াম Al3+ আয়ন হিসেবে থাকে।
- ক্যাথোডে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন ৩টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতব অ্যালুমিনিয়ামে পরিণত হয়: Al3+ + 3e- → Al
- ফ্যারাডের সূত্র অনুযায়ী, ১ মোল ইলেকট্রনের চার্জকে ১ ফ্যারাডে (1 F) বলা হয়।
- যেহেতু ১ মোল Al সঞ্চিত হতে ৩ মোল ইলেকট্রন প্রয়োজন, তাই 3 F বিদ্যুৎ চালনা করতে হবে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
• মূখ্য কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা, Np = 30
• মূখ্য কুণ্ডলীর ভোল্টেজ, Vp = 210 V
• গৌণ কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা, Ns = 100

আমরা জানি, ট্রান্সফরমারের ক্ষেত্রে:
Vs / Vp = Ns / Np

বা, Vs = Vp × (Ns / Np)

মান বসিয়ে পাই:
Vs = 210 × (100 / 30)
বা, Vs = 210 × 3.33
বা, Vs = 700 V

সুতরাং, গৌণ কুণ্ডলীর ভোল্টেজ হবে 700 V
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
• ব্যাটারির ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য, V = 30 V
• চার্জ বা আধানের পরিমাণ, Q = 60 C

কাজ নির্ণয়ের সূত্র:
W = V × Q

মান বসিয়ে পাই:
W = 30 × 60
বা, W = 1800 J

সুতরাং, ব্যাটারির এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে 60 C চার্জ প্রবাহিত করতে 1800 J কাজ করতে হবে। (নোট: ভি (V) এর মান 0.5 V হলে কাজ 30 J হতো, তবে প্রদত্ত মান অনুযায়ী সঠিক কাজ 1800 J)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আমরা জানি, 1 eV = 1.6 × 10-19 J
- সুতরাং, 2 eV সমান হবে: 2 × (1.6 × 10-19) J
- গুণফল: 3.2 × 10-19 J

(নোট: ৪ ইলেকট্রন ভোল্ট বা 4 eV হলে মানটি 6.4 × 10-19 J হতো, তবে ২ ইলেকট্রন ভোল্টের জন্য সঠিক গাণিতিক মান 3.2 × 10-19 J হবে)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাসা-বাড়ি বা সাধারণ সরবরাহ লাইনে যে ভোল্টেজ উল্লেখ থাকে (যেমন 220V), তা মূলত RMS (Root Mean Square) ভোল্টেজের মান।
- এ.সি. (A.C.) সাপ্লাইয়ের ক্ষেত্রে শীর্ষমান বা Peak Voltage বের করার সূত্র হলো: Vpeak = Vrms × √2
- যেহেতু লাইনের RMS ভোল্টেজ 220V, তাই এর শীর্ষমান হবে: 220 × 1.4142 ≈ 311V
- উল্লেখ্য, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সিঙ্গল ফেজ সাপ্লাই ভোল্টেজ সাধারণত 230V এবং ফ্রিকোয়েন্সি 50 Hz হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন (Ar) ব্যবহৃত হয়।
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টটি মূলত টাংস্টেন (Tungsten) তার দিয়ে তৈরি হয়। উচ্চতাপে এই তারটি যেন জারিত হয়ে পুড়ে না যায়, সেজন্য বাল্বের ভেতর নিষ্ক্রিয় আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে বায়ুতে আর্গনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এটি সবচেয়ে সস্তা এবং সহজলভ্য
- অক্সিজেন (O2) বা অন্যান্য সক্রিয় গ্যাস থাকলে উচ্চতাপে ফিলামেন্টটি দ্রুত জারিত হয়ে বাল্ব নষ্ট হয়ে যেত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাস অগ্নি নির্বাপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি প্রধানত দুটি উপায়ে আগুন নেভাতে সাহায্য করে:
- অক্সিজেন প্রতিস্থাপন: কার্বন ডাই-অক্সাইড বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় এটি আগুনের চারপাশে একটি আবরণ তৈরি করে এবং অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
- শীতলীকরণ: অত্যন্ত দ্রুত বেগে ছড়িয়ে পড়ার কারণে এটি আশপাশের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়, যা আগুন নেভাতে সহায়ক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি পি-এন (p-n) জাংশন ডায়োডকে বিমুখী বায়াস বা রিভার্স বায়াস (Reverse bias) করা হলে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্ত এন-টাইপ (n-type) এবং ঋণাত্মক প্রান্ত পি-টাইপ (p-type) অংশের সাথে যুক্ত থাকে।
- এর ফলে হোল এবং ইলেকট্রনগুলো জাংশন থেকে দূরে সরে যায়।
- ফলস্বরূপ নিঃশেষিত স্তর বা ডিপ্লেশন লেয়ার (Depletion layer)-এর প্রস্থ বৃদ্ধি পায়
- এই অবস্থায় ডায়োডের মধ্য দিয়ে স্বাভাবিকভাবে কোনো তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দিক পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহের আদর্শ সমীকরণ, I = I₀ sin(ωt)
প্রদত্ত সমীকরণ I = 14 sin(314t)-এর সাথে তুলনা করে পাই,
- কৌণিক কম্পাঙ্ক, ω = 314 rad/s
আমরা জানি, ω = 2πf (যেখানে f = কম্পাঙ্ক)
- বা, 2πf = 314
- বা, f = 314 / (2 × 3.1416)
- f ≈ 50 Hz
সুতরাং, তড়িৎ প্রবাহের কম্পাঙ্ক 50 Hz।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এসি (AC) ভোল্টেজ বলতে মূলত এর আর.এম.এস (RMS) মানকে বোঝানো হয়।
- একটি 110 V এসি লাইনের সর্বোচ্চ বা পিক (Peak) ভোল্টেজ = √2 × Vrms
- এখানে, Vrms = 110 V
- অতএব, সর্বোচ্চ ভোল্টেজ = 1.414 × 110 = 155.56 V
সুতরাং, ১১০ ভোল্ট এসি লাইনের শক মূলত ১৫৫.৫৬ ভোল্ট ডিসি শকের সমতুল্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- চুম্বকের মেরু শক্তি (Magnetic pole strength, m) হলো কোনো চৌম্বক মেরুর চৌম্বকীয় আকর্ষণ বা বিকর্ষণ ক্ষমতার পরিমাপ।
- চৌম্বক ভ্রামক (Magnetic dipole moment, M) এর সূত্র হলো: M = m × 2l (যেখানে m = মেরু শক্তি এবং 2l = চৌম্বক দৈর্ঘ্য)।
- এখান থেকে পাই, মেরু শক্তি, m = M / 2l
- চৌম্বক ভ্রামকের (M) একক হলো অ্যাম্পিয়ার-মিটার² (A.m²) এবং দৈর্ঘ্যের একক হলো মিটার (m)।
- সুতরাং, মেরু শক্তির একক = A.m² / m = A.m (অ্যাম্পিয়ার-মিটার)

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আমরা জানি, বৈদ্যুতিক ক্ষমতা (P), বিভব পার্থক্য (V) এবং রোধের (R) মধ্যকার সম্পর্কটি হলো: P = V² / R বা R = V² / P
- প্রথম বাল্বের ক্ষেত্রে: ক্ষমতা P₁ = 60W, বিভব V₁ = 220V, রোধ R₁ = (220)² / 60
- দ্বিতীয় বাল্বের ক্ষেত্রে: ক্ষমতা P₂ = 60W, বিভব V₂ = 110V, রোধ R₂ = (110)² / 60
- বাল্ব দুটির রোধের অনুপাত: R₁ : R₂ = [(220)² / 60] : [(110)² / 60]
- উভয় পক্ষ থেকে 60 বাদ দিলে পাই: R₁ : R₂ = (220)² : (110)²
- R₁ : R₂ = 48400 : 12100 = 4 : 1
- শর্টকাট: যেহেতু উভয় বাল্বের ক্ষমতা (P) সমান, তাই তাদের রোধ বিভব পার্থক্যের বর্গের সমানুপাতিক (R ∝ V²)। বিভব দ্বিগুণ (110V থেকে 220V) হওয়ায় রোধ 2² = 4 গুণ হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ নির্ণয়ের জন্য ওমের সূত্র (Ohm's Law) প্রয়োগ করতে হয়।
আমরা জানি, তড়িৎ প্রবাহ, $I = \frac{V}{R_{eq}}$
যেখানে, V = মোট ভোল্টেজ এবং $R_{eq}$ = তুল্য রোধ।
সমাধানের ধাপ:
• প্রথমে বর্তনীর রোধগুলোর বিন্যাস (শ্রেণি বা সমান্তরাল সমবায়) পর্যবেক্ষণ করে তুল্য রোধ ($R_{eq}$) নির্ণয় করতে হবে।
• এরপর বর্তনীর মূল ভোল্টেজকে (V) প্রাপ্ত তুল্য রোধ দিয়ে ভাগ করতে হবে।
প্রদত্ত চিত্রের ডেটা অনুযায়ী তুল্য রোধ ও ভোল্টেজের মান সূত্রে বসালে নির্ণেয় তড়িৎ প্রবাহের মান পাওয়া যায় 2 A
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আমরা জানি, একটি ধারক বা ক্যাপাসিটরে সঞ্চিত শক্তির (U) সাধারণ সমীকরণ হলো: U = 1/2 CV2
- আবার, চার্জের সূত্র হতে জানি, Q = CV
- শক্তির সমীকরণে C = Q/V বসালে পাই: U = 1/2 (Q/V)V2 = 1/2 QV
- শক্তির সমীকরণে V = Q/C বসালে পাই: U = 1/2 C(Q/C)2 = Q2 / 2C
- সুতরাং, ধারকের সঞ্চিত শক্তির সঠিক সমীকরণগুলো হলো: 1/2 CV2, 1/2 QV এবং Q2 / 2C
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে U = 1/2 QV সঠিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অক্সিজেন (Oxygen) নিজে দাহ্য গ্যাস নয়, তবে এটি অন্য বস্তুকে জ্বলতে বা দহনে সাহায্য করে।
- অন্যদিকে, বিউটেন (Butane), হাইড্রোজেন (Hydrogen) এবং প্রোপেন (Propane) হলো অত্যন্ত দাহ্য (combustible) গ্যাস, যা সহজেই আগুন ধরে জ্বলে ওঠে।
- তাই সঠিক উত্তর: অক্সিজেন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অপটিক্যাল ফাইবারের মূল উপাদান হলো SiO2 (Silica)
- কারণ SiO2-এর high transparency এবং very low attenuation সিগন্যালকে বেশি দূরত্বে কম ক্ষতিতে বহন করতে সাহায্য করে।
- এটি সহজে ultra-thin fiber আকারে টানা যায় এবং এর thermal/chemical stabilitymechanical strength অনেক ভালো।
- ডোপিংয়ের মাধ্যমে এর refractive index নিয়ন্ত্রণ করে core ও cladding তৈরি করা যায়, ফলে total internal reflection কার্যকর হয়।
- অন্য অপশনগুলো (CaO, MgO, CuO) অপটিক্যাল লস বেশি থাকায় ফাইবার নির্মাণে উপযোগী নয়।
- তাই সঠিক উত্তর: SiO2
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে কয়লা পোড়ানোর ফলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই-অক্সাইড ($SO_{2}$) এবং নাইট্রোজেন অক্সাইড ($NO_{x}$) নির্গত হয়।
- এই গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্প ও অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে যথাক্রমে সালফিউরিক অ্যাসিড ($H_{2}SO_{4}$) এবং নাইট্রিক অ্যাসিড ($HNO_{3}$) তৈরি করে।
- বৃষ্টির পানির সাথে এই অ্যাসিডগুলো মিশে যখন পৃথিবীর বুকে ঝরে পড়ে, তখন তাকে অ্যাসিড বৃষ্টি বা Acid Rain বলে।
- অ্যাসিড বৃষ্টির কারণে জলজ প্রাণী, উদ্ভিদ এবং মাটির উর্বরতার ব্যাপক ক্ষতি হয়। এছাড়া প্রাচীন স্থাপত্য ও দালানকোঠা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যাকে ‘স্টোন ক্যান্সার (Stone Cancer)’ বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ Solar Power Plant বা সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- এই কেন্দ্রটির নাম তিস্তা সোলার লিমিটেড এবং এটি বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেড দ্বারা নির্মিত।
- এই কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০০ মেগাওয়াট
- এটি ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে উদ্বোধন করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- PGCB (Power Grid Company of Bangladesh) গঠিত হয় ২১ নভেম্বর ১৯৯৬ সালে।
- এটি কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর অধীনে গঠিত একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- এর মূল কাজ হলো সারা দেশে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন (Transmission) করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মহেশখালী বিদ্যুৎ প্রকল্পটি (যা মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামেও পরিচিত) মূলত একটি কয়লা (Coal) ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় অবস্থিত।
- কেন্দ্রটি প্রতিটি ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত।
- জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকা (JICA)-এর সহায়তায় প্রায় ৫১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি নির্মিত হচ্ছে।
- ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর প্রথম ইউনিটটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আটলান্টিক মহাসাগরের নামকরণ করা হয়েছে গ্রিক দেবতা 'অ্যাটলাস' (Atlas)-এর নাম অনুসারে। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী, তিনি স্বর্গ বা আকাশমণ্ডলীকে নিজের কাঁধে ধারণ করতেন।
- আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর, যার আকৃতি অনেকটা ইংরেজি 'S' অক্ষরের মতো।
- এই মহাসাগরের উপকূলরেখা খুবই ভগ্ন বা অনিয়মিত প্রকৃতির, যা প্রাকৃতিক পোতাশ্রয় ও বন্দর গড়ে ওঠার জন্য খুবই উপযোগী।
- এই কারণেই এখানে পৃথিবীর অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দরগুলো গড়ে উঠেছে, যা এই মহাসাগরকে বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশাকার হলেন পটুয়া কামরুল হাসান
- সরকারিভাবে বর্তমান পতাকাটি প্রথম গৃহীত হয় ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে।
- পতাকাটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬ বা ৫:৩ এবং মাঝের লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ
- উল্লেখ্য, ২ মার্চ ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রথম মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করা হয়, যার প্রাথমিক নকশাকার ছিলেন শিব নারায়ণ দাস।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0