Economic recovery is hindered by
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option A
Economic recovery বিভিন্ন কারণে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এখানে উল্লিখিত কারণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সঠিক হলো Weak governance, inflation and global shocks।
এই তিনটি বিষয় যেভাবে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে বাধাগ্রস্ত করে:
* Weak governance (দুর্বল শাসন): যখন কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়, তখন দুর্নীতি, নীতির অনিশ্চয়তা এবং আইনের শাসনের অভাব দেখা দেয়। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারায়, দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ কমে যায় এবং সরকারের গৃহীত অর্থনৈতিক পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয় না। ফলে পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া ধীর হয়ে পড়ে।
* Inflation (উচ্চ মূল্যস্ফীতি): উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, যার ফলে ভোগ (consumption) হ্রাস পায়। একই সাথে, এটি ব্যবসার উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেয়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন সুদের হার (interest rate) বৃদ্ধি করে, তখন ঋণ গ্রহণ ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে, যা বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে। এই দুটি কারণেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সংকুচিত হয়।
* Global shocks (বৈশ্বিক অভিঘাত): বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ, মহামারি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি বা উন্নত দেশগুলোতে অর্থনৈতিক মন্দার মতো ঘটনাগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। এর ফলে রপ্তানি আয় কমে যায়, আমদানি ব্যয় বেড়ে যায় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।
এই তিনটি বিষয় যেভাবে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে বাধাগ্রস্ত করে:
* Weak governance (দুর্বল শাসন): যখন কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়, তখন দুর্নীতি, নীতির অনিশ্চয়তা এবং আইনের শাসনের অভাব দেখা দেয়। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারায়, দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ কমে যায় এবং সরকারের গৃহীত অর্থনৈতিক পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয় না। ফলে পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া ধীর হয়ে পড়ে।
* Inflation (উচ্চ মূল্যস্ফীতি): উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, যার ফলে ভোগ (consumption) হ্রাস পায়। একই সাথে, এটি ব্যবসার উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেয়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন সুদের হার (interest rate) বৃদ্ধি করে, তখন ঋণ গ্রহণ ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে, যা বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে। এই দুটি কারণেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সংকুচিত হয়।
* Global shocks (বৈশ্বিক অভিঘাত): বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ, মহামারি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি বা উন্নত দেশগুলোতে অর্থনৈতিক মন্দার মতো ঘটনাগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। এর ফলে রপ্তানি আয় কমে যায়, আমদানি ব্যয় বেড়ে যায় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।