মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ (অফিস সহায়ক) - ২৮.০৮.২০২৬ (70 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত গুণফলটি হলো: \[0.001 \times 0.301\]
দশমিক সংখ্যার গুণের নিয়ম অত্যন্ত সহজ। নিচে ধাপ অনুসারে ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- সাধারণ সংখ্যার গুণ: প্রথমে সংখ্যা দুটিকে দশমিক ছাড়া সাধারণ সংখ্যা হিসেবে গুণ করতে হবে।
এখানে দশমিক বাদ দিলে সংখ্যা দুটি হলো \(1\) এবং \(301\)।
তাদের গুণফল: \[1 \times 301 = 301\]
- দশমিক বিন্দুর অবস্থান নির্ধারণ: এবার গুণ্য ও গুণকের দশমিকের ডান পাশের মোট অঙ্কের সংখ্যা হিসাব করতে হবে।
প্রথম সংখ্যা \(0.001\)-এ দশমিকের পর অঙ্ক আছে ৩টি (০, ০, ১)।
দ্বিতীয় সংখ্যা \(0.301\)-এ দশমিকের পর অঙ্ক আছে ৩টি (৩, ০, ১)।
সুতরাং, গুণফলে দশমিকের পর মোট \(3 + 3 = 6\) টি অঙ্ক থাকতে হবে।
- শূন্য বসিয়ে ঘর পূরণ: আমাদের প্রাপ্ত সাধারণ গুণফল হলো \(301\), যাতে অঙ্ক আছে মাত্র ৩টি।
৬টি অঙ্ক পূরণ করার জন্য আমাদের \(301\) এর বাম পাশে আরও ৩টি শূন্য (\(0\)) বসাতে হবে।
অর্থাৎ, গুণফলটি হবে: \(0.000301\)।
অতএব, সঠিক উত্তর: অপশন ৪: \(0.000301\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চাকা একবার ঘুরলে তার পরিধির সমান দূরত্ব অতিক্রম করে ।
সুতরাং, চাকার ঘূর্ণন সংখ্যা এবং অতিক্রান্ত দূরত্বের মধ্যে সম্পর্কটি হলো:
\[\text{ঘূর্ণন সংখ্যা} = \frac{\text{মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব}}{\text{চাকার পরিধি}}\]
পক্ষান্তর বিধি অনুযায়ী সমীকরণটি সাজালে পাই:
\[\text{চাকার পরিধি} = \frac{\text{মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব}}{\text{ঘূর্ণন সংখ্যা}}\]
প্রশ্নে দেওয়া মানগুলো হলো:
- মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = \(৭২০\) মিটার
- ঘূর্ণন সংখ্যা = \(১৮\) বার
এখন সূত্রে মানগুলো বসিয়ে পাই:
\[\text{চাকার পরিধি} = \frac{৭২০}{১৮} \text{ মিটার}\]
ভাগ করে পাই:
\[\text{চাকার পরিধি} = ৪০ \text{ মিটার}\]
অতএব, চাকাটির পরিধি হলো \(৪০\) মিটার ।
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: \(৪০\) মিটার
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া রাশিটি হলো: \[x^2 - x - 42\]
এই রাশিতে \(x^2\)-এর সহগ হলো \(1\), মধ্যপদ \(x\)-এর সহগ হলো \(-1\) এবং ধ্রুবক পদটি হলো \(-42\)।
রাশিটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করার জন্য আমাদের মধ্যপদ বিশ্লেষণ বিধি বা Middle Term Factorization ব্যবহার করতে হবে ।
এই নিয়মে আমাদের এমন দুটি সংখ্যা খুঁজে বের করতে হবে, যাদের গুণফল হবে ধ্রুবক পদ এবং \(x^2\)-এর সহগের গুণফলের সমান, যা হলো \(-42\) এবং যাদের বীজগণিতীয় যোগফল হবে মধ্যপদের সহগের সমান, যা হলো \(-1\) ।
যেহেতু গুণফল ঋণাত্মক, তাই সংখ্যা দুটির একটি হবে ধনাত্মক এবং অন্যটি হবে ঋণাত্মক ।
আমরা জানি, \(7 \times 6 = 42\) এবং এদের বিয়োগফল \(7 - 6 = 1\)।
যেহেতু মধ্যপদের সহগ \(-1\), তাই বড় সংখ্যাটির আগে ঋণাত্মক চিহ্ন এবং ছোট সংখ্যাটির আগে ধনাত্মক চিহ্ন বসবে ।
অর্থাৎ সংখ্যা দুটি হলো \(-7\) এবং \(+6\)।
এখন রাশিটির মধ্যপদ ভেঙে আমরা পাই:
\[x^2 - 7x + 6x - 42\]
প্রথম দুটি পদ থেকে \(x\) এবং শেষ দুটি পদ থেকে \(6\) কমন বা সাধারণ উৎপাদক নিয়ে পাই:
\[= x(x - 7) + 6(x - 7)\]
এখন উভয় অংশ থেকে \(x - 7\) কমন নিয়ে পাই:
\[= (x + 6)(x - 7)\]
অতএব, \(x^2 - x - 42\)-এর নির্ণেয় উৎপাদক হলো \((x + 6)(x - 7)\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: \((x + 6)(x - 7)\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৬৯ এর বর্গমূল হলো ১৩ : \[\sqrt{169} = 13\]
২ এর ঘন হলো ৮ : \[2^3 = 2 \times 2 \times 2 = 8\]
প্রশ্নানুযায়ী, ১৬৯ এর বর্গমূল-এর সাথে ২ এর ঘন যোগ করতে হবে।
সুতরাং, নির্ণেয় যোগফল হবে: \[13 + 8 = 21\]
অতএব, সঠিক মানটি হবে ২১।
- সঠিক উত্তর: অপশন ২: ২১

সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, প্রথম সেটটি হলো: \[A = \{1, 2, 3\}\]
এবং দ্বিতীয় সেটটি হলো: \[B = \{3, 4, 5\}\]
আমাদের \(A \cap B\)-এর মান বের করতে হবে।
এখানে \(\cap\) প্রতীকটি দিয়ে ছেদ সেট (Set Intersection) প্রকাশ করা হয় ।
- ছেদ সেট হলো এমন একটি সেট, যা দুই বা ততোধিক সেটের মধ্যে থাকা শুধুমাত্র সাধারণ উপাদান (Common Elements) নিয়ে গঠিত হয় । অর্থাৎ, যে উপাদানগুলো উভয় সেটের মধ্যেই বিদ্যমান থাকে, কেবল সেগুলোই এই সেটে স্থান পায়।
- এখানে \(A\) এবং \(B\) সেট দুটির উপাদানগুলোর মধ্যে কেবল \(3\) উপাদানটি উভয় সেটেই রয়েছে।
অতএব, নির্ণেয় ছেদ সেটটি হবে: \[A \cap B = \{3\}\]
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: \(\{3\}\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, কক্ষের দৈর্ঘ্য \(12\) ফুট এবং প্রস্থ \(14\) ফুট।
কক্ষে টাইলস করার জন্য আমাদের প্রথমে কক্ষের মেঝের মোট ক্ষেত্রফল বের করতে হবে।
আমরা জানি, আয়তাকার মেঝের ক্ষেত্রফল বের করার সূত্রটি হলো:
\[\text{ক্ষেত্রফল} = \text{দৈর্ঘ্য} \times \text{প্রস্থ}\]
সূত্র অনুযায়ী মেঝের ক্ষেত্রফল হবে:
\[\text{ক্ষেত্রফল} = 12 \times 14 = 168 \text{ বর্গফুট}\]
প্রশ্নে উল্লেখ আছে, প্রতি বর্গফুট টাইলস করতে খরচ হয় \(10\) টাকা।
আমরা জানি, পরিমাপ ও ক্ষেত্রফল সংক্রান্ত অংকের খরচ নির্ণয়ের সাধারণ নিয়মটি হলো:
\[\text{মোট খরচ} = \text{মোট ক্ষেত্রফল} \times \text{প্রতি বর্গফুটের খরচ}\]
অতএব, কক্ষটিতে টাইলস করতে মোট খরচ হবে:
\[\text{মোট খরচ} = 168 \times 10 = 1680 \text{ টাকা}\]
সুতরাং, কক্ষটিতে টাইলস করতে মোট \(1680\) টাকা খরচ হবে।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: \(1680\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, সূচকীয় সমীকরণটি হলো: \[4^x = 8\]
সমীকরণটি সমাধান করার জন্য আমাদের উভয় পাশের ভিত্তি বা বেস সমান করতে হবে।
আমরা জানি, \(4\) এবং \(8\)-কে একই ভিত্তি \(2\)-এর শক্তি বা পাওয়ার হিসেবে প্রকাশ করা যায়। যেখানে, \(4 = 2^2\) এবং \(8 = 2^3\)।
এই মানগুলো প্রদত্ত সমীকরণে বসিয়ে পাই: \[(2^2)^x = 2^3\]
এখন, সূচকের ঘাত বিধি অনুযায়ী \((a^m)^n = a^{mn}\) ব্যবহার করে সমীকরণের বামপাশকে সরল করে পাই: \[2^{2x} = 2^3\]
যেহেতু সমীকরণের উভয় পাশের ভিত্তি \(2\) সমান, তাই সূচকের সমতা বিধি অনুযায়ী আমরা লিখতে পারি: \[2x = 3\]
এখান থেকে \(x\)-এর মান বের করার জন্য সমীকরণটিকে সমাধান করে পাই: \[x = \frac{3}{2}\]
অতএব, \(x\)-এর নির্ণেয় মান \(\frac{3}{2}\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: \(\frac{3}{2}\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, শরবতে চিনি ও পানির অনুপাত হলো \(3 : 7\)।
চিনি ও পানির মোট অংশ নির্ণয় করার জন্য অনুপাতের পদ দুটি যোগ করতে হবে।
- অনুপাতের রাশিদ্বয়ের যোগফল: \[3 + 7 = 10\]
অর্থাৎ, মোট \(10\) ভাগের মধ্যে চিনি আছে \(3\) ভাগ এবং পানি আছে \(7\) ভাগ।
অতএব, শরবতে চিনির পরিমাণ হলো \(\frac{3}{10}\) অংশ।
চিনির এই অংশকে শতকরায় প্রকাশ করতে হলে একে \(100\) দিয়ে গুণ করতে হবে।
- চিনির শতকরা পরিমাণ: \[\frac{3}{10} \times 100\% = 30\%\]
সুতরাং, শরবতে চিনি আছে \(30\%\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: ৩০%

সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জ্যামিতির সংজ্ঞা অনুযায়ী, দুটি কোণের পরিমাপের সমষ্টি \(90^\circ\) বা এক সমকোণ হলে, কোণ দুটির একটিকে অপরটির পূরক কোণ (Complementary Angle) বলা হয়।
দেওয়া আছে, কোণটির পরিমাপ \(45^\circ\)।
ধরি, \(45^\circ\) কোণের পূরক কোণটি হলো \(x\)।
অতএব, পূরক কোণের শর্তানুসারে আমরা লিখতে পারি:
\[45^\circ + x = 90^\circ\]
এখন, সমীকরণটি সমাধান করার জন্য পক্ষান্তর বিধি অনুযায়ী পাই:
\[x = 90^\circ - 45^\circ\]
\[x = 45^\circ\]
সুতরাং, \(45^\circ\) কোণের পূরক কোণ হলো \(45^\circ\)।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: \(45^\circ\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভাগ প্রক্রিয়ার ৪টি অংশ বা উপাদান থাকে। এগুলো হলো: ভাজ্য, ভাজক, ভাগফল এবং ভাগশেষ
নিচে এগুলোর সহজ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- ভাজ্য (Dividend): যে সংখ্যাকে ভাগ করা হয়, তাকে ভাজ্য বলে।
- ভাজক (Divisor): যে সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা হয়, তাকে ভাজক বলে।
- ভাগফল (Quotient): ভাগ করার পর যে ফল পাওয়া যায়, তাকে ভাগফল বলে।
- ভাগশেষ (Remainder): কোনো সংখ্যাকে ভাগ করার পর যা অবশিষ্ট থাকে বা বেঁচে থাকে, তাকে ভাগশেষ বলে।
একটি উদাহরণের সাহায্যে বিষয়টি সহজে বোঝা যাক:
আমরা যদি \(15\)-কে \(4\) দিয়ে ভাগ করি:
\[15 = 4 \times 3 + 3\]
এখানে,
- যাকে ভাগ করা হচ্ছে সেটি হলো \(15\) (ভাজ্য)।
- যা দিয়ে ভাগ করা হচ্ছে সেটি হলো \(4\) (ভাজক)।
- ভাগ করার পর প্রাপ্ত ফল হলো \(3\) (ভাগফল)।
- ভাগ করার পর অবশিষ্ট বা বাড়তি হিসেবে যা থাকছে তা হলো \(3\) (ভাগশেষ)।
অতএব, ভাগ করার পর যা অবশিষ্ট থাকে তাকে ভাগশেষ বলে।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: ভাগশেষ
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভূমি বা জমি পরিমাপের দেশীয় একক এবং ব্রিটিশ এককের পারস্পরিক সম্পর্ক থেকে আমরা জানি, \(১\) কাঠা হলো \(৭২০\) বর্গফুট এর সমান ।
ক্ষেত্রফল পরিমাপের দেশীয় একাবলী অনুযায়ী:
- \(১\) বর্গহাত = \(১\) গণ্ডা
- \(২০\) গণ্ডা = \(১\) ছটাক
- \(১৬\) ছটাক = \(১\) কাঠা
- \(২০\) কাঠা = \(১\) বিঘা
মেট্রিক, ব্রিটিশ ও দেশীয় এককের মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ:
- \(১\) কাঠা = \(৭২০\) বর্গফুট = \(৮০\) বর্গগজ \(\approx\) \(৬৬.৮৯\) বর্গমিটার
- \(১\) বিঘা = \(১৪৪০০\) বর্গফুট \(\approx\) \(১৬০৭.৮\) বর্গমিটার
- \(১\) শতক = \(৪৩৫.৬\) বর্গফুট
অতএব, ০১ কাঠা সমান \(৭২০\) বর্গফুট
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: ৭২০

সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, মোট চালের পরিমাণ: \(২\) মেট্রিক টন।
আমরা জানি, ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কেজি
- অতএব, \(২\) মেট্রিক টন চালের পরিমাণ কেজিতে হবে: \[২ \times ১০০০ = ২০০০\text{ কেজি}\]
এখন, এই \(২০০০\) কেজি চাল \(৫০\) জন শ্রমিকের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দিতে হবে।
- সুতরাং, প্রত্যেকে পাবে: \[\frac{2000}{50}\text{ কেজি} = 40\text{ কেজি}\]
অর্থাৎ, প্রত্যেক শ্রমিক ৪০ কেজি করে চাল পাবে।
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: \(৪০\)
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বৃত্তের পরিধির যেকোনো অংশকে চাপ (Arc) বলা হয়।
বৃত্ত সম্পর্কিত বিভিন্ন পদের সংজ্ঞাগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
- চাপ (Arc): বৃত্তের পরিধির যেকোনো অংশকে চাপ বলা হয়।
- ব্যাসার্ধ (Radius): বৃত্তের কেন্দ্র হতে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ বলা হয়।
- ব্যাস (Diameter): বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যা-কে ব্যাস বলা হয়।
- স্পর্শক (Tangent): বৃত্তের যেকোনো বিন্দুতে স্পর্শ করে অঙ্কিত সরলরেখাকে স্পর্শক বলা হয়।
সুতরাং, সংজ্ঞানুযায়ী বৃত্তের পরিধির যেকোনো অংশই হলো বৃত্তের একটি চাপ
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: চাপ
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল তাকে সামান্তরিক বলে ।
নিচে অপশনগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় তাকে সামান্তরিক বলে । অর্থাৎ, কোণ সমকোণ না হয়ে বিপরীত বাহু সমান ও সমান্তরাল হওয়া সামান্তরিকের মূল বৈশিষ্ট্য ।
- আয়তক্ষেত্র: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল এবং কোণগুলো সমকোণ (অর্থাৎ \(90^\circ\)) তাকে আয়তক্ষেত্র বলে ।
- বর্গক্ষেত্র: যে চতুর্ভুজের চারটি বাহুই পরস্পর সমান ও সমান্তরাল এবং কোণগুলো সমকোণ তাকে বর্গক্ষেত্র বলে ।
- ট্রাপিজিয়াম: যে চতুর্ভুজের দুইটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল কিন্তু অসমান এবং অন্য বাহুদ্বয় অসমান্তরাল তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে ।
যেহেতু প্রশ্নে শুধুমাত্র বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল হওয়ার সাধারণ শর্তটি দেওয়া হয়েছে এবং কোণ সমকোণ হওয়ার কোনো বিশেষ শর্ত উল্লেখ করা হয়নি, তাই চতুর্ভুজটি একটি সামান্তরিক
- সঠিক উত্তর: অপশন ৪: সামান্তরিক
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাস্তব সংখ্যাকে মূলত প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: ধনাত্মক সংখ্যা, শূন্য এবং ঋণাত্মক সংখ্যা
১. ধনাত্মক সংখ্যা: শূন্য অপেক্ষা বড় সকল বাস্তব সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যা বলা হয়। যেমন: \(১\), \(২.৫\), \(\frac{৩}{২}\) ইত্যাদি।
২. শূন্য: এটি ধনাত্মক বা ঋণাত্মক কোনোটিই নয়। এটি একটি নিরপেক্ষ সংখ্যা
৩. ঋণাত্মক সংখ্যা: শূন্য অপেক্ষা ছোট সকল বাস্তব সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যা বলা হয়। এদের মান সর্বদা শূন্যের চেয়ে কম বা ছোট হয়। যেমন: \(-১\), \(-২.৫\), \(-\frac{৩}{২}\) ইত্যাদি।
- সংখ্যারেখায় শূন্য (\(০\))-এর বাম পাশের সকল সংখ্যাই ঋণাত্মক, যা গাণিতিকভাবে \(x < ০\) হিসেবে প্রকাশ করা হয়। এখানে \(x\) হলো যেকোনো ঋণাত্মক বাস্তব সংখ্যা।
- অন্য অপশনগুলোর মধ্যে অসীম সংখ্যা দ্বারা অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত মানকে বোঝায় এবং সসীম সংখ্যা দ্বারা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যের মানকে বোঝায়।
অতএব, শূন্য অপেক্ষা ছোট সকল বাস্তব সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যা বলা হয়।
- সঠিক উত্তর: অপশন ২: ঋণাত্মক
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
GDP-এর পূর্ণরূপ হলো Gross Domestic Product, যাকে বাংলায় মোট দেশজ উৎপাদন বলা হয় ।
একটি দেশের অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছরে) উৎপাদিত চূড়ান্ত পণ্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্যকে GDP বলে । এটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তি ও সমৃদ্ধির একটি বড় নির্দেশক।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন General Data Packet বা General Development Program-এর সাথে অর্থনীতির সরাসরি সম্পর্ক নেই। তাই সঠিক উত্তরটি হলো Gross Domestic Product।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিশুদের সুস্থতা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে বছরে ২ বার (প্রতি ৬ মাস পর পর) ভিটামিন A ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। সাধারণত ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই ক্যাপসুল দেওয়া হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Linux কোনো ওয়েব ব্রাউজার নয়, এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম (OS) । অপরদিকে, Mozilla Firefox এবং Opera হলো জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার । Duck Duck Go মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন । তাই লিনাক্স ব্রাউজার নয়।
সোর্সঃ ইজি কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গাছের পাতার সবুজ রঙের জন্য দায়ী হলো ক্লোরোফিল। উদ্ভিদের এই ক্লোরোফিল তৈরির জন্য নাইট্রোজেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মাটিতে নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে পাতা সবুজ থেকে হলুদ হয়ে যায় । উদ্ভিদের পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানের ভাষায় ক্লোরোসিস বলা হয় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো এর সংবিধান। এটি ১৯৭২ সালে প্রণীত হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। সংবিধানের কাঠামোটি নিচে দেওয়া হলো:
- ১১টি ভাগ বা অংশ রয়েছে।
- ১৩টি পরিচ্ছেদ রয়েছে।
- ১টি প্রস্তাবনা এবং ৭টি তফসিল রয়েছে।
সংবিধানের সর্বশেষ ১৫৩ নম্বর অনুচ্ছেদে 'প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সোর্স: বেসিক ভিউ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্রেট রেড স্পট হলো সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে থাকা একটি বিশাল ও দীর্ঘস্থায়ী সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড়। এটি মূলত একটি উচ্চ-চাপযুক্ত ঘূর্ণিবাতাস, যা প্রায় ৩৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় রয়েছে। এর লালচে রঙের কারণে একে লাল দাগ বলা হয়। এই ঝড়টি এতই বিশাল যে এর মধ্যে পুরো পৃথিবীটাই অনায়াসে ধরে যেতে পারে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হাইগ্রোমিটার দিয়ে বাতাসের আর্দ্রতা মাপা হয়।
অন্যান্য যন্ত্রগুলোর কাজ:
- হাইড্রোমিটার: তরলের আপেক্ষিক ঘনত্ব মাপে।
- এনিমোমিটার: বাতাসের গতিবেগ মাপে।
- ইলেকট্রোমিটার: বিদ্যুৎ আধান মাপে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৯২১ সালে কানাডীয় চিকিৎসক ফ্রেডরিক বেন্টিং ও চার্লস বেস্ট ইনসুলিন আবিষ্কার করেন। এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের দেহে পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হয় না। এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য বেন্টিং ১৯২৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইউক্রেনের কাছে এবং ক্রিমিয়া উপদ্বীপের চারপাশে কৃষ্ণসাগর অবস্থিত । ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে এই কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত ক্রিমিয়া উপদ্বীপটি দখল করে নেয় । তাই ইউক্রেনের নিকটবর্তী সাগর হলো কৃষ্ণসাগর।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিশ্বগ্রাম (Global Village) ধারণার প্রবক্তা হলেন কানাডিয়ান সমাজবিজ্ঞানী মার্শাল ম্যাকলুহান । তিনি ১৯৬২ সালে তাঁর ‘The Gutenberg Galaxy’ বইয়ে প্রথম এ ধারণাটি দেন । তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরো বিশ্বকে একটি একক কমিউনিটি বা গ্রামে রূপান্তরের ধারণাই হলো বিশ্বগ্রাম।
সোর্সঃ ইজি কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0