সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (অফিস সহায়ক) - ৩০.১০.২০২৬

৮০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি কবি ফররুখ আহমদের প্রথম প্রকাশিত ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ । এটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয় । এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা রয়েছে । এর অন্যতম দুটি বিখ্যাত কবিতা হলো 'সাত সাগরের মাঝি' ও 'পাঞ্জেরি' । কবি এতে আরবি-ফারসি শব্দ ও রূপকের মাধ্যমে সামাজিক জাগরণ এবং মানবতার কথা ফুটিয়ে তুলেছেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ভাত' একটি তদ্ভব শব্দ।
যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে বিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত রূপ নিয়ে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে।
যেমন: সংস্কৃত 'ভক্ত' > প্রাকৃত 'ভত্ত' > বাংলা 'ভাত'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ঢোল একটি দেশি শব্দ, যা প্রাচীন অনার্য বা আদিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে।
অন্যান্য শব্দগুলোর উৎস:
- আনারস: পর্তুগিজ শব্দ
- কষ্ট: তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ
- নামাজ: ফারসি শব্দ
সুতরাং, সঠিক উত্তর ঢোল।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'উজবুক' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে । এর অর্থ বোকা বা আহাম্মক ।
বাংলায় ব্যবহৃত আরও কয়েকটি তুর্কি শব্দ:
- চাকর, বাবুর্চি, কাঁচি
- দারোগা, বেগম, কুলি
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ঢাকের কাঠি' বাগধারার সঠিক অর্থ হলো মোসাহেব বা তোষামুদে ।
ঢাক বাজাতে যেমন কাঠির প্রয়োজন হয় এবং কাঠিটি ঢাকের ইচ্ছামতোই বাজে, তেমনি যে ব্যক্তি নিজের কোনো মতামত না রেখে সবসময় প্রভাবশালী ব্যক্তির তোষামোদ করে বা তার কথায় চলে, তাকে 'ঢাকের কাঠি' বলা হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি'- চরণদ্বয়টি মদনমোহন তর্কালঙ্কার-এর বিখ্যাত কবিতা 'আমার পণ' থেকে নেওয়া হয়েছে [1-3]।
- চরণ দুটি তাঁর রচিত জনপ্রিয় শিশুপাঠ্য গ্রন্থ 'শিশুশিক্ষা' (১ম খণ্ড)-র অন্তর্ভুক্ত ।
- শিশুদের সুন্দর চরিত্র গঠন, নীতিশিক্ষা ও সৎ জীবনযাপনের প্রেরণা দিতে কবি এ কবিতাটি রচনা করেন।
- তাঁর আরেকটি সুপরিচিত পঙ্ক্তি হলো- 'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল' ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত উপন্যাস হলো বোবাকাহিনী (১৯৬৪) । এই উপন্যাসে মহাজনী শোষণ এবং গ্রামের প্রান্তিক চাষী আজাহারের ভূমিহীন হওয়ার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে । জসীমউদ্দীনের রচিত উপন্যাস মোট ২টি (বোবাকাহিনী ও বটবৃক্ষের ফুল) ।
অন্যান্য অপশনগুলোর পরিচয়:
- রাখালী: এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ (১৯২৭) ।
- পল্লীবধূ ও পদ্মাপাড়: এগুলো তাঁর উপন্যাস নয় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত কবিতা সংকলন 'সঞ্চিতা' (১৯২৮) কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন । উৎসর্গপত্রে তিনি লেখেন, 'বিশ্বকবিজুগল বিশ্বরূপ বিশ্বকবির শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু' ।
অন্যান্য বিকল্পসমূহ:
- 'অগ্নিবীণা': বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গকৃত তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ।
- 'সিন্ধু হিন্দোল': হাবিবুল্লাহ বাহার ও শামসুন্নাহার মাহমুদকে উৎসর্গকৃত কাব্য ।
- 'যুগবাণী': নজরুলের বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' পঙ্ক্তিটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি প্রবাদতুল্য ও বিখ্যাত উক্তি ।
- পঙ্ক্তিটিতে বুঝানো হয়েছে— সমগ্র নগর অগ্নিকাণ্ডে পুড়লে দেবালয় বা মন্দিরও রক্ষা পায় না, অর্থাৎ কোনো সমাজ বা দেশের সার্বিক বিপর্যয় ঘটলে কেউই তা থেকে মুক্ত হতে পারে না ।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রধান কাব্যধারা হওয়ায় এটি মঙ্গল কাব্যের অন্তর্ভুক্ত ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
'গড্ডল' একটি সংস্কৃত শব্দ, যার অর্থ ভেড়া । 'গড্ডলিকা' বলতে পালের সামনের প্রধান ভেড়াকে বোঝায় । ভেড়ার স্বভাব হলো চিন্তা না করে অন্ধভাবে সামনের ভেড়াকে অনুসরণ করা । এ থেকে 'গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগধারাটির উৎপত্তি, যার অর্থ অন্ধ অনুকরণ । তাই 'গড্ডল' শব্দের সঠিক অর্থ ভেড়া ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ফল পাকলে যে গাছ মরে যায়' তাকে এক কথায় ওষধি বলে ।
সহজ পার্থক্য:
- ওষধি: ফল পাকলে বা একবার ফল দিয়েই যে গাছ মরে যায় (যেমন: ধান, কলাগাছ) ।
- ঔষধি: যে গাছ থেকে ওষুধ তৈরি করা হয় (যেমন: নিম, তুলসী) ।
তাই সোর্স ও ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো ওষধি (অপশন ১) ।
সোর্স: অগ্রদূত বাংলা ভাষা ও ATM এক টানা মুখস্থ ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে পাত্র বা উৎস থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, গৃহীত, জাত বা বিচ্যুত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে । 'সব ঝিনুকে মুক্তা মেলে না' বাক্যটিতে ঝিনুক থেকে মুক্তা গৃহীত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে । মূল শব্দ 'ঝিনুক'-এর সাথে 'এ' (৭মী বিভক্তি) যুক্ত হয়ে 'ঝিনুকে' হয়েছে । সুতরাং এটি অপাদানে ৭মী বিভক্তি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'গণ্যমান্য' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো- যিনি গণ্য, তিনিই মান্য ।
এখানে 'গণ্য' ও 'মান্য' দুটি বিশেষণ পদ দ্বারা একই ব্যক্তিকে বোঝানো হচ্ছে।
নিয়মানুসারে, দুটি বিশেষণ পদ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করলে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হলে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বিদ্বান' একটি বিশেষ তৎসম পুংলিঙ্গ শব্দ, যার অর্থ জ্ঞানী পুরুষ । ব্যাকরণের বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী 'বিদ্বান' শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ হলো বিদূষী । তাই কোনো জ্ঞানী নারীকে 'বিদূষী' বলা হয় । বাকি অপশনগুলোর বানান অশুদ্ধ।
- পুংলিঙ্গ: বিদ্বান
- স্ত্রীলিঙ্গ: বিদূষী
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
মূর্ত শব্দের অর্থ হলো যার নির্দিষ্ট আকার বা রূপ আছে । এর বিপরীত শব্দ হলো বিমূর্ত, যার কোনো আকার বা রূপ নেই ।
- মূর্ত: আকার বা রূপযুক্ত ।
- বিমূর্ত: আকার বা রূপহীন ।
তাই 'মূর্ত' এর সঠিক বিপরীত শব্দ বিমূর্ত ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'জাঙ্গাল' শব্দটির অর্থ হলো বাঁধ বা আল । নদী বা জলাশয়ের পানি আটকানোর জন্য তৈরি উঁচু মাটির বাঁধকে 'জাঙ্গাল' বলা হয় ।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
- জঙ্গল: নিবিড় বন
- স্তূপ: গাদা বা ঢিবি
- আবর্জনা: ময়লা
তাই 'জাঙ্গাল' এর সঠিক প্রতিশব্দ হলো বাঁধ ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব শব্দকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং আলাদা করলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে ।
এখানে 'ফুল' একটি মৌলিক শব্দ, কারণ এটিকে আর কোনো ছোট অর্থপূর্ণ অংশে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না ।
অন্যান্য অপশনগুলোর শব্দগুলো মৌলিক শব্দ নয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি গণ, প্রজা ও তন্ত্র—এই তৎসম বা সংস্কৃত পদগুলোর সমন্বয়ে গঠিত। সংস্কৃত ভাষা থেকে যেসব শব্দ কোনো পরিবর্তন ছাড়া সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। 'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি প্রাচীন সংস্কৃত ভাষার নিয়ম মেনে অবিকৃতভাবে বাংলায় ব্যবহৃত হওয়ায় এটি একটি তৎসম শব্দ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'মুক্তি পেতে ইচ্ছুক' অর্থে শুদ্ধ বানান হলো মুমূক্ষু (অপশন ২)।
বানানের নিয়ম:
- ১ম 'ম'-এ হ্রস্ব-উ (ু)
- ২য় 'ম'-এ দীর্ঘ-উ (ূ)
- 'ক্ষ'-এ হ্রস্ব-উ (ু)
অর্থাৎ স্বরচিহ্ন হবে ু-ূ-ু (হ্রস্ব-দীর্ঘ-হ্রস্ব)। তাই সঠিক বানান মুমূক্ষু।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, সম্ ধ্বনির পর অন্তঃস্থ ধ্বনি য থাকলে ‘ম্’ স্থানে অনুস্বার (ং) হয় ।
- সম্ + যম = সংযম
এখানে ‘সম্’ এর হসন্তযুক্ত ‘ম্’ ও ‘যম’ এর ‘য’ মিলে অনুস্বার (ং) হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর সম্+যম ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
রাজা রামমোহন রায় ভারতে সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ । তাঁর নিরলস আন্দোলন ও সামাজিক সংস্কারের প্রচেষ্টার ফলে ১৮২৯ সালে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণ আইন পাস করে এই অমানবিক প্রথা বিলুপ্ত করেন । তাই সতীদাহ প্রথা রহিতকরণের পেছনে প্রধান উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন রাজা রামমোহন রায় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়া উপদ্বীপে অবস্থিত ৩টি প্রধান দেশকে মূলত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ বলা হয় । দেশগুলো হলো:
- ডেনমার্ক
- নরওয়ে
- সুইডেন
অন্যদিকে হল্যান্ড (নেদারল্যান্ডস) হলো পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ । তাই এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।
(নোট: এই ৩টি দেশের সাথে ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ড যুক্ত হলে একত্রে তাদের নর্ডিক দেশ বলা হয় ।)
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
তুরস্ক এমন একটি দেশ যা একই সাথে এশিয়া ও ইউরোপ—এই দুই মহাদেশজুড়ে অবস্থিত ।
- দেশটির বড় অংশ (আনাতোলিয়া) এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- ছোট অংশটি (পূর্ব থ্রেস) ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- দার্দানেলেস প্রণালী তুরস্ককে দুই মহাদেশে বিভক্ত করেছে ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review
ব্যাখ্যা (Explanation)
JICA (Japan International Cooperation Agency) হলো জাপানের একটি সরকারি উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা ।
- এটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- সংস্থাটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবকাঠামো নির্মাণ, কারিগরি সহায়তা ও ঋণ প্রদান করে ।
- সহজ কথায়, জাইকা হলো জাপানের প্রধান বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত একটি অন্যতম প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান । এটি প্রাচীন বাংলার সমৃদ্ধ নগরী পুণ্ড্রনগর-এর ধ্বংসাবশেষ । মহাভারতে উল্লেখিত এই করতোয়া নদীকে কেন্দ্র করেই ঐতিহাসিক নগরীটি গড়ে উঠেছিল ।
- এটি প্রাচীন মৌর্য ও গুপ্ত রাজবংশের ঐতিহাসিক কেন্দ্র ছিল ।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ৮ মাইল উত্তরে স্থানটি অবস্থিত ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ঢাল নৃত্য হলো বাংলাদেশের যশোর অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্য।
- ঢাল ও তলোয়ার হাতে নিয়ে ঢোলের তালে তালে যুদ্ধকৌশল ও বীরত্ব প্রদর্শনের মাধ্যমে এই নৃত্য পরিবেশিত হয়।
- প্রাচীনকালে লাঠিয়াল ও যোদ্ধারা নিজেদের আত্মরক্ষা, যুদ্ধের মহড়া এবং বীরত্ব প্রকাশের জন্য এই নৃত্যের চর্চা করতো।
- বর্তমানে যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন লোকজ মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবে ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনা হিসেবে এটি প্রদর্শিত হয়।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে আম গবেষণা কেন্দ্র ১৯৮৫ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় স্থাপিত হয়।
- আমকে সর্বপ্রথম বহির্বিশ্বে পরিচিত করেন বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ ছাড়াও রাজশাহী ও দিনাজপুরে প্রচুর উন্নত জাতের আম পাওয়া যায়।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত, লাংড়া ও আশ্বিনা আম বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা GI পণ্য হিসেবে স্বীকৃত।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের মারমা নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান বর্ষবরণ উৎসবের নাম হলো সাংগ্রাই । এটি মূলত পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করার একটি আনন্দময় জল উৎসব ।
অন্যান্য প্রধান নৃ-গোষ্ঠীর উৎসবসমূহ:
- চাকমা: বিজু
- ত্রিপুরা: বৈসুক
- সাঁওতাল: সোহরাই
পার্বত্য চট্টগ্রামের এসব উৎসবকে একত্রে 'বৈসাবি' (বৈসুক+সাংগ্রাই+বিজু) বলা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
অধ্যাদেশ সংক্রান্ত ব্যাখ্যা:
- সংবিধানের ৯৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন ।
- জাতীয় সংসদ সেশনে না থাকলে বা সংসদ ভেঙে গেলে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি এই ক্ষমতা ব্যবহার করেন ।
- অধ্যাদেশের ক্ষমতা ও কার্যকারিতা জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত সাধারণ আইনের মতোই সমান হয় ।
- পরবর্তীতে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে এর প্রথম বৈঠকেই অধ্যাদেশটি পেশ করা বাধ্যতামূলক ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।