গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর (বুকসর্টার) - ১০.০১.২০২৬ (69 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইউরিয়া সার তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural Gas)
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন (CH₄), যা ইউরিয়া উৎপাদনের মূল কার্বন ও হাইড্রোজেনের উৎস হিসেবে কাজ করে।
- সার কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে প্রথমে অ্যামোনিয়া (NH3)কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) তৈরি করা হয়।
- পরবর্তীতে উচ্চ চাপ ও তাপে এই লিকুইড অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া সার উৎপন্ন করে।
- বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায় বলে এ দেশে অধিকাংশ সার কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাতাস একটি মিশ্র পদার্থ, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে নাইট্রোজেন (প্রায় ৭৮%)
- উদ্ভিদ বা ফসল মাটির উর্বরতা ও নিজেদের বৃদ্ধির জন্য সরাসরি বাতাস থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না
- মাটিতে থাকা কিছু বিশেষ ব্যাকটেরিয়া (যেমন: রাইজোবিয়াম) বাতাসের নাইট্রোজেনকে গ্রহণ করে নাইট্রেট লবণে পরিণত করে মাটিতে আবদ্ধ করে।
- এই নাইট্রেট লবণ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং উদ্ভিদ এর মাধ্যমেই প্রোটিন তৈরি করতে পারে, যা তাদের পুষ্টির জন্য অপরিহার্য।
- তাই প্রাকৃতিকভাবে বা ইউরিয়া সারের মাধ্যমে নাইট্রোজেন সর্বরাহ করে মাটির উর্বরতা ও ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ নং অনুচ্ছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইন, জনশৃংখলা ও নৈতিকতা সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।
- প্রতিটি ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার অধিকারও এই অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এছাড়া, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোনো ব্যক্তিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ বা কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করা যাবে না।
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগে 'মৌলিক অধিকার' অংশের অন্তর্ভুক্ত এই অনুচ্ছেদটি বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষতার মূলনীতির অন্যতম ভিত্তি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইউরোপের একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হলো নেদারল্যান্ড বা হল্যান্ড।
- এই নেদারল্যান্ডের অধিবাসীদের বা নাগরিকদেরকেই ডাচ্ (Dutch) বলা হয়।
- এই দেশটির রাজধানীর নাম আমস্টারডাম
- সপ্তদশ শতাব্দীতে ডাচরা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভারতীয় উপমহাদেশে এসেছিল এবং তারা ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করেছিল।
- বাংলাদেশের নীলফামারী জেলায় ডাচদের তৈরি নীলকুঠির নিদর্শন এখনো পাওয়া যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি সম্পর্কিত তথ্য:
- ভাষা আন্দোলনের অমর এই গানটির রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী
- গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ নামক সংকলন গ্রন্থে (সম্পাদক: হাসান হাফিজুর রহমান) ১৯৫৩ সালে।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ। পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ যে সুরটি করেন, সেটিই বর্তমানে গীত হয় এবং সর্বজনবিদিত।
- বিবিসি শ্রোতা জরিপে বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ গানের তালিকায় এটি তৃতীয় স্থান লাভ করে।
- প্রভাতফেরিতে প্রতি বছর এই গানটি গেয়েই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

শহীদ আলতাফ মাহমুদ রচিত/সুরারোপিত উল্লেখযোগ্য গান:
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি,
- আমি মানুষের ভাই,
- এই দ্বীপে কেউ নেই,
- গোসলখানায় আমার এই চোখ।

একই নামে বা একই বিষয়ে অন্য সাহিত্যকর্ম:
- ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনটিতেই গানটি প্রথম কবিতা আকারে ছাপা হয়েছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি হলেন বিখ্যাত মার্কিন আর্কিটেক্ট লুই আই কান
- এটি ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত একটি অনন্য স্থাপত্য নিদর্শন।
- ১৯৬১ সালে এই ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮২ সালে সমাপ্ত হয়।
- এই ভবনটি কংক্রিট ও মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি, যেখানে প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার অত্যন্ত নিপুণভাবে করা হয়েছে।
- জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরের আয়তন প্রায় ২১৫ একর
- এই স্থাপত্যে বাংলাদেশি ঐতিহ্য ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর এক চমৎকার সংমিশ্রণ ঘটেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পেরুর রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর হলো লিমা
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত এবং দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রধান শহর
- স্প্যানিশ কঙ্কিস্টাডোর ফ্রান্সিসকো পিজারো ১৫৩৫ সালে এই শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন
- অন্য অপশনগুলোর মধ্যে জাকার্তা ইন্দোনেশিয়ার, ভিয়েনা অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত শহর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বলাকা হলো বাংলাদেশের কৃষিতে গমের একটি উন্নত উচ্চ ফলনশীল জাত।
- বাংলাদেশে গমের আরও কিছু উল্লেখযোগ্য জাত হলো— দোয়েল, আকবর, কাঞ্চন, অগ্রণী, আনন্দ ও বরকত।
- অন্যদিকে, ধানের উল্লেখযোগ্য জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে— চান্দিনা, ব্রিশাইল, হরিধান ও সোনার বাংলা-১।
- টমেটো চাষের জন্য জনপ্রিয় জাতগুলো হলো— মানিক, রতন, ঝুমকা ও বাহার।
- পাট চাষে তোষা ও দেশি জাত ছাড়াও তামাকের ক্ষেত্রে সুমাত্রা ও ম্যানিলা জাত দুটি পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোর গতিবিধি ও প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট (River Research Institute) ফরিদপুর জেলার হারুকান্দি নামক স্থানে অবস্থিত।
- ১৯৭৭ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম শুরু করে।
- এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা।
- ভৌত মডেল এবং গাণিতিক মডেলের মাধ্যমে হাইড্রোলিক্স, নদী প্রশিক্ষণ এবং পরিচালন কার্যক্রম এই ইনস্টিটিউটের প্রধান কাজ।
- এছাড়াও ভবন নির্মানের বিভিন্ন উপকরণ এবং মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা নিরীক্ষা করাও এই সংস্থার কাজের অন্তর্ভুক্ত।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- তখন এর নাম ছিল 'কিলা আওরঙ্গবাদ' বা 'আওরঙ্গবাদ দুর্গ'।
- কেল্লার কাজ সম্পূর্ণ হবার আগেই শায়েস্তা খানের মেয়ে পরী বিবি মারা যান।
- কন্যা শোক এবং দুর্ভাগ্যের লক্ষণ মনে করে তিনি ১৬৮৪ সালে কেল্লার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন
- পরবর্তীতে এই অসমাপ্ত কেল্লাটিই লালবাগ কেল্লা নামে পরিচিতি লাভ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রশ্নে দেওয়া আছে, $x$ ও $y$ উভয়ই বিজোড় সংখ্যা।
আমরা জানি,
১. দুটি বিজোড় সংখ্যার যোগফল সর্বদা জোড় সংখ্যা হয়।
২. দুটি বিজোড় সংখ্যার গুণফল সর্বদা বিজোড় সংখ্যা হয়।

এখন অপশনগুলো যাচাই করি:
অপশন (১): $x + 1 + y$
যেহেতু $x$ এবং $y$ বিজোড়, তাই $(x + y)$ হবে জোড়।
জোড় সংখ্যার সাথে $1$ যোগ করলে পাওয়া যায় বিজোড় সংখ্যা।
সুতরাং, $(x + y) + 1$ একটি বিজোড় সংখ্যা।

অপশন (২): $x + y$
আমরা জানি, বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা = জোড় সংখ্যা।
যেমন: $3 + 5 = 8$ (জোড়)।
সুতরাং, $x + y$ একটি জোড় সংখ্যা

অপশন (৩): $xy$
আমরা জানি, বিজোড় সংখ্যা $\times$ বিজোড় সংখ্যা = বিজোড় সংখ্যা।
যেমন: $3 \times 5 = 15$ (বিজোড়)।
সুতরাং, $xy$ একটি বিজোড় সংখ্যা।

অপশন (৪): $xy + 4$
যেহেতু $xy$ বিজোড় সংখ্যা, তাই বিজোড় সংখ্যার সাথে $4$ (জোড় সংখ্যা) যোগ করলে ফলাফল বিজোড়ই হবে।
যেমন: $15 + 4 = 19$ (বিজোড়)।

সুতরাং, নির্ণেয় জোড় সংখ্যাটি হলো $x + y$

শর্টকাট টেকনিক:
পরীক্ষার হলে সহজে সমাধানের জন্য $x$ ও $y$-এর যেকোনো দুটি ছোট বিজোড় মান ধরে অপশনগুলো চেক করা যায়।
ধরি, $x = 1$ এবং $y = 3$।
তাহলে,
অপশন ১: $x + 1 + y = 1 + 1 + 3 = 5$ (বিজোড়)
অপশন ২: $x + y = 1 + 3 = 4$ (জোড়) [সঠিক]
অপশন ৩: $xy = 1 \times 3 = 3$ (বিজোড়)
অপশন ৪: $xy + 4 = 3 + 4 = 7$ (বিজোড়)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
x + y = 2
প্রদত্ত রাশি = (x + y)2
= 22 [মান বসিয়ে]
= 2 × 2
= 4
∴ নির্ণেয় মান 4

বিকল্প ব্যাখ্যা:
যেহেতু x + y এর মান সরাসরি 2 দেওয়া আছে, তাই এর বর্গ করলে ফলাফল হবে 2 এর বর্গ অর্থাৎ 22 = 4।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জ্যামিতিতে বিন্দুর সংজ্ঞা হলো- যার কেবল অবস্থান আছে কিন্তু দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা (বেদ) কিছুই নেই, তাকে বিন্দু (Point) বলে।

আমরা জানি,
* যাদের কেবল দৈর্ঘ্য আছে, কিন্তু প্রস্থ ও উচ্চতা নেই, তাদের মাত্রা ১টি। যেমন- রেখা (Line)।
* যাদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আছে, কিন্তু উচ্চতা নেই, তাদের মাত্রা ২টি। যেমন- তল (Plane)।
* যাদের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা তিনটিই আছে, তাদের মাত্রা ৩টি। যেমন- ঘনবস্তু (Solid)।

যেহেতু বিন্দুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা কিছুই নেই, তাই বিন্দুর কোনো মাত্রা নেই। অর্থাৎ, বিন্দু হলো একটি শূন্য মাত্রিক (Zero-dimensional) সত্তা।

শর্টকাট বা মনে রাখার উপায়:
সহজ কথায় মনে রাখা যায়:
* বিন্দু (Point) = ০ মাত্রা।
* রেখা (Line) = ১ মাত্রা।
* তল (Plane/Surface) = ২ মাত্রা।
* ঘনবস্তু (Solid Body) = ৩ মাত্রা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
মোট ছাত্র সংখ্যা = ৬০ জন
ফেল করা ছাত্র সংখ্যা = ৪২ জন

সুতরাং, পাশ করা ছাত্র সংখ্যা = (৬০ - ৪২) জন = ১৮ জন

অতএব, পাশের হার বের করতে হলে,
৬০ জনের মধ্যে পাশ করে ১৮ জন
১ জনের মধ্যে পাশ করে $\frac{১৮}{৬০}$ জন
১০০ জনের মধ্যে পাশ করে $\frac{১৮ \times ১০০}{৬০}$ জন

কাটাকাটি বা লঘিষ্ঠকরণ করে পাই:
= $\frac{১৮ \times ১০}{৬}$ [উভয়কে ১০ দ্বারা ভাগ করে]
= ৩ $\times$ ১০ [১৮ কে ৬ দিয়ে ভাগ করে]
= ৩০ জন
সুতরাং, পাশের হার ৩০%

শর্টকাট নিয়ম:
পাশের হার = $\frac{\text{পাশ করা ছাত্র সংখ্যা}}{\text{মোট ছাত্র সংখ্যা}} \times ১০০\%$
= $\frac{১৮}{৬০} \times ১০০\%$
= $০.৩ \times ১০০\%$
= ৩০%
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০°।
সমকোণী ত্রিভুজের সংজ্ঞা অনুসারে, যে ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ বা ৯০°, তাকে সমকোণী ত্রিভুজ বলে।

ধরি, একটি সমকোণী ত্রিভুজের ১টি কোণ ৯০°।
বাকি দুইটি কোণের সমষ্টি হবে = (১৮০° - ৯০°) = ৯০°।
যেহেতু বাকি দুইটি কোণের সমষ্টি ৯০°, তাই এদের কোনোটিই ৯০° বা তার বেশি হতে পারবে না। অর্থাৎ, বাকি কোণ দুটি অবশ্যই সূক্ষকোণ হবে।

সুতরাং, একটি সমকোণী ত্রিভুজে কেবল মাত্র ১টি কোণই সমকোণ হতে পারে।

শর্টকাট টেকনিক:
* মনে রাখবেন: কোনো ত্রিভুজেই ১টির বেশি সমকোণ (৯০°) বা ১টির বেশি স্থূলকোণ (৯০° এর বেশি) থাকতে পারে না। কারণ ২য় কোণটি ৯০° হলে, দুটি কোণের যোগফলই ১৮০° হয়ে যাবে, যা তৃতীয় কোণের অস্তিত্ব অসম্ভব করে দিবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করার জন্য সংখ্যাগুলোর লসাগু বের করতে হবে। যেহেতু প্রতিক্ষেত্রে ১ অবশিষ্ট থাকে তাই লসাগু এর সাথে ১ যোগ করতে হবে।

এখানে প্রদত্ত সংখ্যাগুলো হলো: ৩, ৫ এবং ৬
এখন এদের লসাগু নির্ণয় করি:
৩ | ৩, ৫, ৬
   ১, ৫, ২
$\therefore$ নির্ণেয় লসাগু $= ৩ \times ১ \times ৫ \times ২ = ৩০$
যেহেতু প্রতিক্ষেত্রে ১ অবশিষ্ট থাকে, তাই নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে লসাগু অপেক্ষা ১ বেশি।
$\therefore$ নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি $= ৩০ + ১ = ৩১$

শর্টকাট টেকনিক:
অপশনগুলোর মধ্যে দেখতে হবে কোন সংখ্যা থেকে ১ বিয়োগ করলে বিয়োগফল ৩, ৫ ও ৬ দ্বারা বিভাজ্য হয়।
* অপশন ১: ২৯ - ১ = ২৮ (৩, ৫ বা ৬ দ্বারা বিভাজ্য নয়)
* অপশন ২: ৩১ - ১ = ৩০ (৩০ সংখ্যাটি ৩, ৫ এবং ৬ সবগুলো দিয়েই বিভাজ্য)
* অপশন ৩: ২৭ - ১ = ২৬ (৩, ৫ বা ৬ দ্বারা বিভাজ্য নয়)
* অপশন ৪: ২১ - ১ = ২০ (৫ দ্বারা বিভাজ্য হলেও ৩ বা ৬ দ্বারা বিভাজ্য নয়)

সুতরাং, সঠিক উত্তর ৩১
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি,
১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার

আবার, ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার
সুতরাং, ১ সেন্টিমিটার = 1/2.54 ইঞ্চি
অতএব, ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার
= (100/2.54) ইঞ্চি
= 39.3700787... ইঞ্চি
৩৯.৩৭ ইঞ্চি (প্রায়)
সুতরাং, ১ মিটার সমান ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।

শর্টকাট টেকনিক:
এই মানটি মুখস্থ রাখাই সবচেয়ে ভালো উপায় কারণ এটি একটি ধ্রুবক বা স্থির মান।
মনে রাখার উপায়: ১ গজ = ৩৬ ইঞ্চি। ১ মিটার ১ গজের চেয়ে সামান্য বড়। তাই উত্তরটি ৩৬ এর চেয়ে বড় হবে। অপশনগুলোর মধ্যে ৩৯.৩৭ এবং ৩৯.৫৭ কাছাকাছি, তবে সঠিক মান ৩৯.৩৭
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে বৃহত্তম সংখ্যা নির্ণয় করার জন্য আমরা প্রতিটি ভগ্নাংশকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে তুলনা করতে পারি অথবা হরগুলোকে সমান করে তুলনা করতে পারি।

পদ্ধতি ১: হরগুলোর লসাগু করে তুলনা
প্রদত্ত ভগ্নাংশগুলো: ১/৭, ২/৭, ৩/৭ এবং ১/৮।
এখানে হরগুলো হলো ৭, ৭, ৭ এবং ৮।
৭ এবং ৮ এর লসাগু = ৫৬

এখন প্রতিটি ভগ্নাংশের হরকে ৫৬ এ রূপান্তর করি:

১/৭ = (১ × ৮) / (৭ × ৮) = ৮/৫৬
২/৭ = (২ × ৮) / (৭ × ৮) = ১৬/৫৬
৩/৭ = (৩ × ৮) / (৭ × ৮) = ২৪/৫৬
১/৮ = (১ × ৭) / (৮ × ৭) = ৭/৫৬

সমহরবিশিষ্ট ভগ্নাংশগুলো হলো: ৮/৫৬, ১৬/৫৬, ২৪/৫৬, ৭/৫৬।
ভগ্নাংশগুলোর হর সমান হলে, যার লব বড় সেই ভগ্নাংশটিই বৃহত্তম।
এখানে ২৪ > ১৬ > ৮ > ৭।
সুতরাং, বৃহত্তম ভগ্নাংশটি হলো ৩/৭

বিকল্প পদ্ধতি ২: দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা
১/৭ ≈ ০.১৪২৮
২/৭ ≈ ০.২৮৫৭
৩/৭ ≈ ০.৪২৮৫
১/৮ = ০.১২৫

দেখা যাচ্ছে, ০.৪২৮৫ সংখ্যাটি অন্য সবার চেয়ে বড়।
অতএব, ৩/৭ হলো বৃহত্তম সংখ্যা।

শর্টকাট টেকনিক (সহজে মনে রাখার উপায়):
*ধাপ ১:* প্রথমে অপশন ১, ২ ও ৩ দেখুন। এদের সবার হর সমান (৭)। হর সমান হলে যার লব বড়, সেই ভগ্নাংশটি বড়।
এখানে ৩ > ২ > ১, তাই এই তিনটির মধ্যে ৩/৭ বড়।

*ধাপ ২:* এখন ৩/৭ এর সাথে অপশন ৪ (১/৮) এর তুলনা করুন।
আড়গুণন পদ্ধতি ব্যবহার করে:

(৩/৭) এবং (১/৮)
৩ × ৮ = ২৪ (৩/৭ এর লবের জন্য)
৭ × ১ = ৭ (১/৮ এর লবের জন্য)
যেহেতু ২৪ > ৭, তাই ৩/৭ > ১/৮
সুতরাং, ৩/৭ বৃহত্তম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মনে করি, পূর্বের লোকসংখ্যা ছিল ১০০ জন।
লোকসংখ্যা ৮% বৃদ্ধি পাওয়ায়,
বর্তমান লোকসংখ্যা = (১০০ + ৮) জন = ১০৮ জন।
বর্তমান লোকসংখ্যা ১০৮ জন হলে পূর্বের লোকসংখ্যা ১০০ জন
অতএব, বর্তমান লোকসংখ্যা ১ জন হলে পূর্বের লোকসংখ্যা = ১০০১০৮ জন

অতএব, বর্তমান লোকসংখ্যা ১৬২০ জন হলে পূর্বের লোকসংখ্যা = (১০০ × ১৬২০)১০৮ জন
= (১০০ × ১৫) জন [১০৮ দিয়ে ১৬২০ কে ভাগ করে]
= ১৫০০ জন
সুতরাং, পূর্বের লোকসংখ্যা ছিল ১৫০০ জন

শর্টকাট টেকনিক:
পূর্বের লোকসংখ্যা বের করতে হলে নিচের সূত্রটি ব্যবহার করা যেতে পারে:
পূর্বের সংখ্যা = (বর্তমান সংখ্যা × ১০০)(১০০ + বৃদ্ধির হার)
= (১৬২০ × ১০০)(১০০ + ৮)
= ১৬২০০0১০৮
= ১৫০০

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১০৫০ টাকার ৮%
= ১০৫০ এর ৮%
= ১০৫০ × ১০০ টাকা
= ১০৫ × ১০ টাকা [উভয় সংখ্যাকে ১০ দ্বারা ভাগ করে]
= ২১ × টাকা [১০৫ কে ৫ দ্বারা এবং ১০ কে ৫ দ্বারা ভাগ করে]
= ২১ × ৪ টাকা [৮ কে ২ দ্বারা ভাগ করে]
= ৮৪ টাকা

বিকল্প বা শর্টকাট নিয়ম:
যেকোনো সংখ্যার ১% বের করতে হলে শেষ দিক থেকে দুই ঘর আগে দশমিক বসাতে হয়।

১০৫০ এর ১% = ১০.৫০ টাকা
তাহলে, ৮% = ১০.৫০ ×
= ১০ × ৮ + ০.৫০ ×
= ৮০ + ৪
= ৮৪ টাকা
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত রাশি,
= 2x2 + x - 15

[মিডল টার্ম ফ্যাক্টর (Middle Term Factor) করার নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল (2 × -15 = -30) কে এমন দুটি সংখ্যায় ভাঙতে হবে যাদের যোগ বা বিয়োগফল মাঝের পদের (x বা 1x) সমান হয়। এখানে, 6 এবং -5 নিলে, গুণফল -30 এবং যোগফল 1 হয়।]

= 2x2 + 6x - 5x - 15
= 2x(x + 3) - 5(x + 3)
= (x + 3)(2x - 5)
সুতরাং, নির্ণেয় উৎপাদক হলো (x + 3)(2x - 5)

শর্টকাট টেকনিক (অপশন টেস্ট):
পরীক্ষার হলে দ্রুত সমাধানের জন্য অপশনগুলোর গুণফল বের করে মূল রাশির সাথে মিলিয়ে দেখা যায়।
অপশন ১: (x + 3)(2x - 5) = 2x2 - 5x + 6x - 15 = 2x2 + x - 15 (এটি মূল রাশির সাথে মিলে গেছে)
সুতরাং, সঠিক উত্তর (x + 3)(2x - 5)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৪ : ৫
এবং সংখ্যা দুটির যোগফল = ৩৬০
অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৪ + ৫ = ৯

আমরা জানি,
১ম সংখ্যা = মোট সংখ্যা $\times$ $\frac{\text{১ম অনুপাত}}{\text{অনুপাতের যোগফল}}$
$\therefore$ ১ম সংখ্যাটি = ৩৬০ এর $\frac{৪}{৯}$
= $৩৬০ \times \frac{৪}{৯}$
= $৪০ \times ৪$
= ১৬০

আবার,
২য় সংখ্যা = মোট সংখ্যা $\times$ $\frac{\text{২য় অনুপাত}}{\text{অনুপাতের যোগফল}}$
$\therefore$ ২য় সংখ্যাটি = ৩৬০ এর $\frac{৫}{৯}$
= $৩৬০ \times \frac{৫}{৯}$
= $৪০ \times ৫$
= ২০০
নির্ণেয় সংখ্যা দুটি হলো ১৬০ ও ২০০।

বিকল্প পদ্ধতি (শর্টকাট টেকনিক):
অনুপাত দুটির যোগফল (৪ + ৫) = ৯।
যেহেতু মোট যোগফল ৩৬০, তাই ৯ ভাগ মানে ৩৬০।
তাহলে, ১ ভাগ মানে = $\frac{৩৬০}{৯}$ = ৪০।
এখন,
১ম সংখ্যা (৪ ভাগ) = $৪০ \times ৪$ = ১৬০
২য় সংখ্যা (৫ ভাগ) = $৪০ \times ৫$ = ২০০
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
a = 1
b = 2
c = 3

প্রদত্ত রাশি = a2 + 2ab - c
= (1)2 + 2(1)(2) - 3   [a, b ও c এর মান বসিয়ে]
= 1 + 4 - 3
= 5 - 3
= 2
সুতরাং, নির্ণেয় মান = 2

শর্টকাট নিয়ম:
সরাসরি মানগুলো মনে মনে বসিয়ে হিসাব করা যায়:
12 + 2×1×2 - 3 = 1 + 4 - 3 = 5 - 3 = 2
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, সরল অনুপাতের পূর্বরাশিকে উত্তররাশি এবং উত্তররাশিকে পূর্বরাশি করে প্রাপ্ত অনুপাতকে পূর্বের অনুপাতের ব্যস্ত অনুপাত (Inverse Ratio) বলে।

এখানে প্রদত্ত অনুপাতটি হলো = ৯ : ১৬
এই অনুপাতের পূর্বরাশি = ৯ এবং উত্তররাশি = ১৬।
সুতরাং, ৯ : ১৬ এর ব্যস্ত অনুপাত হবে = ১৬ : ৯

শর্টকাট টেকনিক:
যেকোনো অনুপাতের সংখ্যাগুলোকে উল্টিয়ে দিলেই ব্যস্ত অনুপাত পাওয়া যায়।
যেমন: $a : b$ এর ব্যস্ত অনুপাত $b : a$।
তাই, ৯ : ১৬ $\rightarrow$ ১৬ : ৯
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত রাশি = a7 × a8
= a(7 + 8) [∵ am × an = am + n]
= a15

সূচকের গুণের নিয়ম অনুযায়ী, যদি ভিত্তি (base) একই হয় এবং তাদের মধ্যে গুণ সম্পর্ক থাকে, তবে তাদের ঘাত বা শক্তিগুলো (powers/exponents) যোগ করতে হয়।
এখানে ভিত্তি হলো 'a'।
প্রথম পদের ঘাত 7 এবং দ্বিতীয় পদের ঘাত 8।
সুতরাং, গুণফল হবে a(7+8) = a15

শর্টকাট টেকনিক:
ভিত্তি (base) একই হলে পাওয়ারগুলো (power) যোগ করে দিলেই উত্তর পাওয়া যায়।
যেমন: a7 × a8 → 7 + 8 = 15 → উত্তর: a15
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে ৫ক ও ৬ক।
এখন ৫ক ও ৬ক এর গ.সা.গু = ক

প্রশ্নমতে,
ক = ৪
অতএব, সংখ্যা দুইটি হলো (৫ × ৪) বা ২০ এবং (৬ × ৪) বা ২৪।
এখন ২০ ও ২৪ এর ল.সা.গু নির্ণয় করি;
২০ ও ২৪ এর ল.সা.গু = ৪ × ৫ × ৬ = ১২০

অথবা,
আমরা জানি,
ল.সা.গু = সংখ্যা দুটির ল.সা.গু × গ.সা.গু
এখানে, ৫ক ও ৬ক এর ল.সা.গু = ৩০ক
যেহেতু গ. সা. গু, ক = ৪
অতএব, ল.সা.গু = ৩০ × ৪ = ১২০
সুতরাং, নির্ণেয় ল.সা.গু ১২০

শর্টকাট টেকনিক:
ল.সা.গু = অনুপাতদ্বয়ের গুণফল × গ.সা.গু
= ৫ × ৬ × ৪
= ১২০
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত ধারা: ২, ৪, ৩, ৪, ৪, ১০, ৫ ________

ধারা বিশ্লেষণ
উদ্দীপকের ধারাটি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এটি একটি মিশ্র ধারা (Mixed Series), অর্থাৎ এখানে দুটি ভিন্ন ধারা একত্রে রয়েছে।

১. বিজোড় স্থানীয় পদগুলো: ২, ৩, ৪, ৫ ...
(এখানে পদগুলো ক্রমান্বয়ে ১ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে)।

২. জোড় স্থানীয় পদগুলো: ৪, ৪, ১০ ...
(আমাদের ১০ম পদটি বের করতে হবে, যা এই জোড় স্থানীয় ধারার অংশ)।

১০ম পদ নির্ণয়
আমাদের জোড় অবস্থানের পদগুলোর দিকে লক্ষ্য করতে হবে।
এখানে,
২য় পদ = ৪
৬ষ্ঠ পদ = ১০

আমরা দেখতে পাচ্ছি, ২য় পদ থেকে ৬ষ্ঠ পদের ব্যবধান (১০ - ৪) = ৬।
অর্থাৎ, প্রতি ৪টি পদের ব্যবধানে জোড় স্থানীয় ধারার মান ৬ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে, ৬ষ্ঠ পদের পর আরও ৪টি পদের ব্যবধানে অর্থাৎ ১০ম পদে মান আরও ৬ বৃদ্ধি পাবে।

সুতরাং,
১০ম পদ = ৬ষ্ঠ পদ + ৬
= ১০ + ৬
= ১৬

(দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত ধারার ৪র্থ পদটি '৭' হলে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সমান্তর ধারা ৩, ৬, ৯... বা ৪, ৭, ১০... হতো। তবে প্রদত্ত উপাত্ত অনুযায়ী ২য় ও ৬ষ্ঠ পদের সম্পর্ক ধরেই ১০ম পদ নির্ণয় করা যুক্তিসঙ্গত।)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
4x + 1 = 32
বা, (22)x + 1 = 25 [উভয় পাশে ভিত্তি 2 এ রূপান্তর করে, কারণ 4 = 22 এবং 32 = 25]
বা, 22(x + 1) = 25 [সূচকের নিয়ম অনুসারে, (am)n = amn]
বা, 22x + 2 = 25
বা, 2x + 2 = 5 [উভয় পাশের ভিত্তি সমান হলে সূচকগুলো সমান হয়]
বা, 2x = 5 - 2
বা, 2x = 3
বা, x = 3/2
∴ নির্ণেয় সমাধান: x = 3/2

শর্টকাট টেকনিক (পরীক্ষার হলে দ্রুত সমাধানের জন্য):
অপশনগুলো সমীকরণে বসিয়ে চেক (Back Calculation) করা যেতে পারে।
বামপক্ষ = 4x + 1 ডানপক্ষ = 32

অপশন (3/2) বসিয়ে পাই:
বামপক্ষ = 43/2 + 1
= (22){(3+2)/2}
= 22 × (5/2)
= 25
= 32 = ডানপক্ষ।

যেহেতু বামপক্ষ ও ডানপক্ষ মিলে গেছে, তাই সঠিক উত্তর 3/2
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মনে করি, ঘড়ির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা।

১০% ক্ষতিতে,

বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ১০) টাকা = ৯০ টাকা।
এখন,
বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০৯০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৯৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৯৯০)৯০ টাকা
= ১১০০ টাকা।

সুতরাং, দোকানদারের জন্য ঘড়িটির ক্রয়মূল্য ১১০০ টাকা

বিকল্প বা শর্টকাট পদ্ধতি:
যদি ক্ষতি হয়, তবে ক্রয়মূল্য সবসময় বিক্রয়মূল্য অপেক্ষা বেশি হবে।
ক্রয়মূল্য = (বিক্রয়মূল্য × ১০০)(১০০ - ক্ষতির হার)
= (৯৯০ × ১০০)(১০০ - ১০)
= ৯৯০০০৯০
= ১১০০ টাকা

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, একটি ঘড়ির বৃত্তাকার ডায়াল ৩৬০° কোণ ধারণ করে। ঘড়িতে মোট ১২টি ঘণ্টার ঘর থাকে।
সুতরাং, ১ ঘণ্টার ব্যবধান = ৩৬০° ÷ ১২ = ৩০° কোণ।
আবার, ১ মিনিটের ব্যবধান = ৩৬০° ÷ ৬০ = ৬° কোণ।

ধাপ ১: ঘন্টার কাঁটার অবস্থান নির্ণয়
ঘড়িতে যখন দুপুর ২:৩০ বাজে, তখন ঘন্টার কাঁটাটি ২-এর ঘর অতিক্রম করে আরও ৩০ মিনিট এগিয়ে যায়।
আমরা জানি,
১ ঘণ্টায় (৬০ মিনিটে) ঘন্টার কাঁটা অতিক্রম করে ৩০°
∴ ৩০ মিনিটে ঘন্টার কাঁটা অতিক্রম করে = (৩০ ÷ ৬০) × ৩০° = ১৫°
সুতরাং, ১২টা থেকে ঘন্টার কাঁটার মোট সরণ = (২ × ৩০°) + ১৫° = ৬০° + ১৫° = ৭৫°

ধাপ ২: মিনিটের কাঁটার অবস্থান নির্ণয়
মিনিটের কাঁটাটি ৩০ মিনিটের ঘরে আছে।
আমরা জানি, প্রতি ১ মিনিটে মিনিটের কাঁটা অতিক্রম করে ৬°
∴ ৩০ মিনিটে মিনিটের কাঁটা অতিক্রম করে = ৩০ × ৬° = ১৮০°

ধাপ ৩: দুটি কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ নির্ণয়
এখন, ঘন্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণের পার্থক্য = |মিনিটের কাঁটার কোণ - ঘন্টার কাঁটার কোণ|
= |১৮০° - ৭৫°|
= ১০৫°
সুতরাং, দুপুর ২:৩০ মিনিটের সময় ঘন্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ ১০৫°

শর্টকাট টেকনিক (পরীক্ষার জন্য):
ঘড়ির কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ নির্ণয়ের একটি সহজ সূত্র আছে:
কোণ ($\theta$) = $|\frac{11M - 60H}{2}|$
এখানে,
M = মিনিট = ৩০
H = ঘণ্টা = ২

মান বসিয়ে পাই:
$\theta$ = $|\frac{11 \times 30 - 60 \times 2}{2}|$
= $|\frac{330 - 120}{2}|$
= $|\frac{210}{2}|$
= $105^{\circ}$

সঠিক উত্তর: ১০৫°
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0