Solution
Correct Answer: Option A
- বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণের দুইটি রূপ আছে: পূর্ণরূপ ও সংক্ষিপ্ত রূপ।
- স্বরবর্ণ যখন স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়, তখন তার পূর্ণরূপ বসে। যেমন: অ, আ, ই, উ ইত্যাদি।
- স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের বা শব্দের মাঝে বা শেষে যুক্ত হয়, তখন তার যে চিহ্নের মতো সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়, তাকে ‘কার’ বা ‘কারবর্ণ’ বলে।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ ১১টি, কিন্তু কারবর্ণ ১০টি। কারণ, ‘অ’ বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই। তাই ‘অ’-কে নীলীন বর্ণ বলা হয়।
• উদাহরণ:
- ‘মা’ শব্দটিতে ‘ম’ এর সাথে ‘আ’ স্বরবর্ণটি যুক্ত হয়ে ‘ া ’ (আ-কার) হিসেবে বসেছে।
- ‘কৃষি’ শব্দটিতে ‘ক’ এর সাথে ‘ঋ’ যুক্ত হয়ে ‘ ৃ ’ (ঋ-কার) এবং ‘ষ’ এর সাথে ‘ই’ যুক্ত হয়ে ‘ ি ’ (ই-কার) হিসেবে বসেছে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- অনুবর্ণ: ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ণ। অনুবর্ণ মূলত তিন প্রকার: ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ। অর্থাৎ ফলা ও রেফ আসলে অনুবর্ণেরই অংশ বিশেষ।
- ফলা: ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘ফলা’ বলা হয়। ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের নিচে বা সাথে যুক্ত হয়, তখন ফলা ব্যবহৃত হয়। যেমন: ম-ফলা (স্মৃতি), ব-ফলা (স্বাধীন)।
- রেফ: র-এর একটি অনুবর্ণ বা রূপভেদ হলো রেফ (র্ )। র্ক, র্গ ইত্যাদি ক্ষেত্রে রেফ ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ‘র’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ, স্বরবর্ণের নয়।