Solution
Correct Answer: Option D
নাটক হলো সাহিত্যের সেই বিশেষ শাখা যা মূলত সংলাপ বা কথোপকথনের (Dialogue) ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়। নাটকের প্রধান উদ্দেশ্য হলো মঞ্চে অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের মাধ্যমে কোনো ঘটনা বা কাহিনি দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা। এর ফলে, নাটকের প্রাণই হলো সংলাপ।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে মহাকাব্য সাধারণত বর্ণনামূলক এবং দীর্ঘ হয়। আত্মজীবনী হলো নিজের জীবনের ঘটনা প্রবাহের বিবরণ। গল্পে বর্ণনা এবং সংলাপ উভয়ই থাকে তবে এটি প্রধানত বর্ণনামূলক গদ্য সাহিত্য। সুতরাং, একমাত্র নাটকই পুরোপুরি সংলাপের ওপর নির্ভরশীল।
প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
- নাটকের মূল উপাদান হচ্ছে দ্বন্দ্ব বা সংঘাত (Conflict)।
- সংস্কৃত আলঙ্কারিকদের মতে, কাব্য দুই প্রকার: দৃশ্যলকাব্য ও শ্রব্যকাব্য। নাটক হলো দৃশ্যকাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা সাহিত্যে সার্থক ট্র্যাজেডি নাটকের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকটি বাংলা সাহিত্যে প্রথম সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতামূলক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।
• বাংলা সাহিত্যে নাটক সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাটক: ভদ্রার্জুন (তারাচরণ শিকদার)।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক: শর্মিষ্ঠা (মাইকেল মধুসূদন দত্ত)।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক: কৃষ্ণকুমারী (মাইকেল মধুসূদন দত্ত)।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম কমেডি নাটক: পদ্মাবতী (মাইকেল মধুসূদন দত্ত)।
• জেনে রাখা ভালো:
- উইলিয়াম শেকসপিয়রের মতো বিশ্বখ্যাত নাট্যকারদের নাটকগুলোও প্রধানত সংলাপের ওপর ভিত্তি করেই বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রক্তকরবী' একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক, যা সংলাপের মাধ্যমে গভীর দার্শনিক বার্তা প্রদান করে।