Solution
Correct Answer: Option B
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার বা 'রয়্যাল লাইব্রেরি' থেকে চর্যাপদের তালপাতার পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তাঁর সম্পাদনায় 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে গ্রন্থটি প্রকাশ করা হয়। এই সংকলনেই চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়
- চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। এর রচনাকাল নিয়ে মতভেদ থাকলেও ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে এর রচনাকাল ৯৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৬৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুঁথিতে সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া গিয়েছিল। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের মোট পদসংখ্যা ৫০টি, আর সুকুমার সেনের মতে ৫১টি।
• ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম:
- বাল্মীকির জয় (কাব্যোপন্যাস),
- মেঘদূত ব্যাখ্যা (সমালোচনা),
- বেণের মেয়ে (ঐতিহাসিক উপন্যাস),
- কাঞ্চনমালা (ঐতিহাসিক উপন্যাস)।
• জেনেরাখা ভালো:
- ১৯১৬ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 'বৌদ্ধগান ও দোহা'-র সাথে সরহপাদ ও কৃষ্ণাচার্যের দোহা এবং ডাকার্ণব পুথিও প্রকাশ করেছিলেন।
- চর্যাপদের ভাষা যে বাংলা, তা ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণের মাধ্যমে প্রথম নিশ্চিত করেন ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'ODBL' (The Origin and Development of the Bengali Language) গ্রন্থে (১৯২৬)।