নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?

A দধীচি

B গণনা

C শাশ্বত

D প্রানী

Solution

Correct Answer: Option D

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এবং প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে 'প্রানী' বানানটি ভুল। সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে স্বভাবতই 'ণ' এবং 'ষ' ব্যবহৃত হয় এবং ই-কার বা ঈ-কারের ব্যবহার নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে।

'প্রাণী' শব্দটি একটি তৎসম শব্দ। তৎসম শব্দের বানানের নিয়ম অনুযায়ী, মূল শব্দ 'প্রাণ'-এর সাথে 'ইন' (ইন্) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'প্রাণিন্‌' শব্দটি গঠিত হয়, যার প্রথমার একবচনে রূপটি হয় 'প্রাণী'। অর্থাৎ, 'প্রাণ' শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) যুক্ত হবে।

অতএব, শুদ্ধ বানানটি হলো: প্রাণী

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:
- সংস্কৃতি বা তৎসম শব্দের বানানের ক্ষেত্রে সাধারণত মূল শব্দের শেষে 'ইন' প্রত্যয় থাকলে সেটি দীর্ঘ ঈ-কারান্ত হয়। যেমন- গুণ + ইন্ = গুণী, মন্ত্র + ইন্ = মন্ত্রী।
- আধুনিক বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, প্রাণিবিদ্যা, প্রাণিসম্পদ বা প্রাণিজগত - এরকম সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে 'ই-কার' (ি) ব্যবহৃত হয় (যেমন: প্রাণি), কিন্তু যখন শব্দটি একাকী বিশেষ্য হিসেবে বসে, তখন সেটি 'প্রাণী' (দীর্ঘ ঈ-কার) হয়।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- দধীচি: এটি একটি শুদ্ধ বানান। 'দধীচি' ছিলেন একজন পৌরাণিক ঋষি। বানানটিতে প্রথমে ই-কার এবং শেষে দীর্ঘ ঈ-কার (দ+ধ+ঈ+চ+ই) ব্যবহার হয় না, বরং দধীচি (দ+ধ+ঈ+চ+ই) বানানটি প্রথাগতভাবে এবং অভিধান সিদ্ধ। অনেক সময় 'দধীচী' বানানটিও দেখা যায়, তবে 'দধীচি' বানানটি বহুল প্রচলিত এবং শুদ্ধ হিসেবে গণ্য।
- গণনা: এটি একটি শুদ্ধ বানান। তৎসম শব্দে 'ট' বর্গের আগে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হলেও, 'গণনা' শব্দটিতে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ (ণত্ব বিধানের নিয়ম বহির্ভূত বা নিপাতনে সিদ্ধ নয়, মূলত স্বভাবতই ণ) ব্যবহৃত হয়েছে। 'গণ' ধাতু থেকে এর উৎপত্তি।
- শাশ্বত: এটিও একটি শুদ্ধ বানান। যার অর্থ চিরন্তন বা নশ্বর নয় এমন। 'শাশ্বত' বানানে তালব্য-শ এর নিচে ব-ফলা (শ্ব) থাকে।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা – ৭৯
কোর্স নামঃ প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (২য় ব্যাচ)
টপিকসঃ
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী সম্পূর্ণ সিলেবাস (১০০ মার্ক)
৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু।
রুটিন দেখুন
পরীক্ষা-৫৪
কোর্স নামঃ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।
টপিকসঃ
বাংলা সাহিত্য
খুব গুরুত্বপূর্ণঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
গুরুত্বপূর্ণঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, এস. ওয়াজেদ আলি, কায়কোবাদ, কাজী ইমদাদুল হক, কাজী আবদুল ওদুদ, জহির রায়হান, জাহানারা ইমাম, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্যারীচাঁদ মিত্র,।
কম গুরুত্বপূর্ণঃ আবুল হাসান, আসাদ চৌধুরী, আরজ আলী মাতুব্বর, আশরাফ সিদ্দিকী, আহমদ ছফা, ড. আহমদ শরীফ, আহসান হাবীব, আহমদ রফিক, ইব্রাহীম খাঁ, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, উইলিয়াম কেরি, এম. আর. আখতার মুকুল, কাঙাল হরিনাথ, কাজী মোতাহার হোসেন, কামিনী রায়, কালিদাস রায়, কালীপ্রসন্ন ঘোষ, কালীপ্রসন্ন।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রুটিন দেখুন

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions