বর্ণ আসলে-

A শব্দের গুচ্ছ

B বর্ণের সমষ্টি

C ধ্বনিগুচ্ছ

D বাক্যের বিন্যাস

Solution

Correct Answer: Option C

- ধ্বনি: মানুষের বাক্‌প্রত্যঙ্গ বা বাগযন্ত্রের (যেমন- ফুসফুস, কণ্ঠনালী, জিহ্বা, দাঁত, ঠোঁট, নাসিকা ইত্যাদি) সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ধ্বনি বলে। ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি।
- বর্ণ: ধ্বনি মানুষের মুখনিসৃত বায়ুর আওয়াজ, তাই একে চোখে দেখা যায় না। ধ্বনিকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সাংকেতিক চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়, তাকে বর্ণ বলে। অর্থাৎ, ধ্বনির লিখিত রূপই হলো বর্ণ বা 'Letter'।
- ড. সুনীতকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, "কোনো ভাষায় ব্যবহৃত ধ্বনিসমষ্টিকে সেই ভাষার বর্ণমালা বা Alphabet বলে এবং প্রত্যেকটি ধ্বনির দ্যোতক চিহ্নকে বর্ণ বা Letter বলা হয়।"
- যেমন- 'অ', 'আ', 'ক', 'খ' ইত্যাদি এক একটি বর্ণ। বাংলা ভাষায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- শব্দের গুচ্ছ: কতগুলো ধ্বনি বা বর্ণ মিলে যখন কোনো অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে, আর কতগুলো শব্দ পাশাপাশি বসলে তাকে শব্দের গুচ্ছ বলে (যেমন- লাল ফুল)। বর্ণ কখনো শব্দের গুচ্ছ হতে পারে না।
- বর্ণের সমষ্টি: বর্ণের সমষ্টিকে সাধারণত বর্ণমালা বা শব্দ বলা হয়, এটি বর্ণ বা ধ্বনির সংজ্ঞা নয়।
- বাক্যের বিন্যাস: কতগুলো শব্দ সুশৃঙ্খলভাবে বসে যখন মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে তখন তাকে বাক্য বলে। বাক্যের বিন্যাস হলো সিনট্যাক্স বা পদক্রম, যা বর্ণের সংজ্ঞার সাথে সম্পর্কিত নয়।

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions