- শিক্ষকের অসীম মর্যাদা বোঝাতে কবি কাজী কাদের নেওয়াজ লিখেছিলেন ‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতাটি।
- কাজী কাদের নেওয়াজ (১৯০৯-১৯৮৩) শিক্ষাবিদ, কবি। - ১৯০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদের তালেবপুরে মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট গ্রামে। - দেশ বিভাগের পর পূর্ববঙ্গের সাহিত্যচর্চার ধারাকে স্বতন্ত্র মর্যাদায় সুসংগঠিত রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - প্রেম ও পল্লীর শ্যামল প্রকৃতি তাঁর কবিতায় মনোজ্ঞভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
- তিনি প্রেসিডেন্ট পুরস্কার, শিশুসাহিত্যের জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৩) এবং মাদার বক্শ পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৮৩ সালের ৩ জানুয়ারি স্বগ্রামে তাঁর মত্যু হয়।
কাজী কাদের নেওয়াজের গুরুত্বপূর্ণ রচনাবলি হলো: - মরাল (১৯৩৬), - দাদুর বৈঠক (১৯৪৭), - নীল কুমুদী (১৯৬০), - মণিদীপ, - কালের হাওয়া, - মরুচন্দ্রিকা, - দুটি পাখি দুটি তারা (১৯৬৬), - উতলা সন্ধ্যা ইত্যাদি।
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকেই কর্মকারক বলে। - ক্রিয়ার সাথে কি বা কাকে যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্মকারক। - যেমন: আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা। এখানে যদি প্রশ্ন করা হয়, কাকে তুমি করিবে ত্রাণ? তাহলে উত্তর পাই 'আমারে'। - সুতরাং, 'আমার' কর্মকারক এবং এর সাথে ২য়া বিভক্তি (আমা+রে) যোগ হওয়ায় এটি কর্মকারকে ২য়া বিভক্তি।
- দুই বা তার চেয়ে বেশি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে কোনো স্বরধ্বনি না থাকলে সে ব্যঞ্জনধ্বনি দুটি বা ধ্বনি কয়টি একত্রে উচ্চারিত হয়। এরূপ যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির দ্যোতনার জন্য দুটি বা অধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একত্রিত হয়ে সংযুক্ত বর্ণ (Ligature) গঠিত হয়। - ‘হ্ম’ এখানে এরূপ একটি সংযুক্ত বর্ণ। - কারণ, হ্ + ম = হ্ম।
• অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত উপন্যাস ‘তিতাস একটি নদীর নাম' (১৯৫৬)। • এটি ১৯৪৫ সালে প্রথমে ‘মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। • কয়েকটি অধ্যায় মুদ্রিত হওয়ার পর এ গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি হারিয়ে যায়। পরে বন্ধুবান্ধব ও পাঠকদের আগ্রহের কারণে পুনরায় কাহিনীটি লেখেন। • লেখকের মৃত্যুর পর ১৯৫৬ সালে এটি ৪ খণ্ডে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়। • ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত তিতাস নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের দরিদ্র, শ্রমজীবী ‘মালো’ সম্প্রদায়ের আশা-নিরাশা, আনন্দ-বেদনা, শ্রম-বিশ্রাম, সংকীর্ণতা ও ঔদার্যকে লেখক এ উপন্যাসে শিল্পরূপ দিয়েছেন। • এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র রক্তমাংসময় কোনো ব্যক্তি নয়, তিতাস নদী। কিশোর, কিশোরের স্ত্রী, সুবল, বাসন্তী প্রভৃতি চরিত্রগুলো তিতাসকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। • ১৯৬৩ সালে উৎপল দত্ত উপন্যাসটির নাট্যরূপ দেন। • ঋত্বিক ঘটক ১৯৭৩ সালে এ উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
তার অন্যন্যা রচিত উপন্যাসঃ - সাদা হাওয়া, - রাঙ্গামাটি, - জীবনতৃষা ইত্যাদি।
- পাওয়ার ফ্যাক্টর (Power Factor) হল একটি নির্ধারক মান, যা প্রকৃত শক্তি (Real Power) এবং আপাত শক্তি (Apparent Power) এর অনুপাত প্রকাশ করে। - এটি সরলীকৃতভাবে সার্কিটের ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যে কোণের (θ) কোসাইন হিসেবে প্রকাশ করা হয়, অর্থাৎ Power Factor = cosθ।
- ট্রান্সফর্মারের ক্ষমতা MVA (Mega Volt-Ampere) এককে প্রকাশ করা হয়। - এটি ট্রান্সফর্মারের আপাত ক্ষমতা (Apparent Power) নির্দেশ করে, যা ভোল্টেজ ও কারেন্টের গুণফল।
KW (Kilo Watt): - এটি Real Power বা কার্যকর শক্তি নির্দেশ করে। - ট্রান্সফর্মার শুধু Real Power নিয়ে কাজ করে না; এটি Reactive Power সহ পুরো Apparent Power বহন করে।
MVAR (Mega Volt-Ampere Reactive): - এটি শুধুমাত্র Reactive Power নির্দেশ করে, যা ট্রান্সফর্মারের শক্তির একটি অংশ। - ট্রান্সফর্মারের সামগ্রিক ক্ষমতা নির্দেশ করার জন্য শুধুমাত্র Reactive Power যথেষ্ট নয়।
MVA (Mega Volt-Ampere): - এটি ট্রান্সফর্মারের আপাত ক্ষমতা প্রকাশ করে, যেখানে Real Power এবং Reactive Power উভয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে। - ট্রান্সফর্মারের নকশা এবং ক্ষমতা নির্ধারণে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একক।
ট্রান্সফর্মারের ক্ষমতা MVA (Mega Volt-Ampere) এককে প্রকাশ করা হয় কারণ এটি পুরো সিস্টেমের Real এবং Reactive Power উভয়ের জন্য দায়ী।
Resistive Load: - এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তর করে। - উদাহরণ: ইলেকট্রিক হিটার, বাল্ব, টোস্টার ইত্যাদি। - এই ধরনের লোডে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট একই পর্যায়ে থাকে (In Phase)।
Inductive Load: - এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে চুম্বকীয় শক্তিতে রূপান্তর করে। - উদাহরণ: মোটর, ট্রান্সফরমার, ফ্যান ইত্যাদি। - এই ধরনের লোডে কারেন্ট ভোল্টেজের থেকে পিছিয়ে থাকে (Lagging)।
Capacitive Load: - এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে চার্জ সংরক্ষণে ব্যবহার করে। - উদাহরণ: ক্যাপাসিটার ব্যাংক, পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন ডিভাইস। - এই ধরনের লোডে কারেন্ট ভোল্টেজের থেকে এগিয়ে থাকে (Leading)।
যেকোনো ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে এই তিন ধরণের লোড একত্রে বা পৃথকভাবে উপস্থিত থাকতে পারে। তাই সঠিক উত্তর "All of above"।
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। - ট্রপোমণ্ডল (Troposphere), স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere), মেসোমণ্ডল (Mesosphere), তাপমণ্ডল (Thermosphere) ও এক্সোমণ্ডল (Exospher)। - এদের মধ্যে তাপমণ্ডল মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। - এই মণ্ডলে বায়ুস্তর অত্যন্ত হালকা ও চাপ ক্ষীণ। - তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে আয়োনোমণ্ডল (Ionosphere) বলে। এ স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়।
- পোটেনশিওমিটার (Potentiometer) একটি যন্ত্র যা মূলত তড়িৎচালক শক্তি (এমএমএফ) বা ভোল্টেজ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি খুবই সঠিকভাবে কোনো কোষ বা বৈদ্যুতিক উৎসের তড়িৎচালক শক্তি নির্ণয় করতে সাহায্য করে। - পোটেনশিওমিটার একটি রেফারেন্স ভোল্টেজ বা মানের সাথে তুলনা করে কাজ করে, যার মাধ্যমে তড়িৎচালক শক্তি পরিমাপ করা হয়।
- ডাই ইলেকট্রিক (Dielectric) উপাদান এমন একটি মাধ্যম, যেখানে বাহ্যিক তড়িৎ ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে প্রতিটি পরমাণু বা আণু এক একটি তড়িৎ দ্বিমেরুতে পরিণত হয়। - অর্থাৎ, এই উপাদানে বাহ্যিক তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে পরমাণুর মধ্যে মেরুতা (polarization) সৃষ্টি হয়। - ডাই ইলেকট্রিক উপাদানগুলি বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চয় করতে সক্ষম, এবং এগুলি কন্ডাক্টর বা অপরিবাহী (ইনসুলেটর) থেকে আলাদা। এই কারণে ডাই ইলেকট্রিক উপাদানগুলি বৈদ্যুতিক কন্ডেনসার (capacitor) এর মতো যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- ইলেকট্রোলাইটিক ধারক (Electrolytic Capacitor) কম জায়গায় বেশি তড়িৎ সঞ্চয় করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি উচ্চ ক্যাপাসিট্যান্স ধারণ করতে সক্ষম, কারণ এতে দুটি কন্ডাকটিভ প্লেটের মধ্যে ইলেকট্রোলাইটিক সমাধান ব্যবহার করা হয়, যা তড়িৎ সঞ্চয়ের ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে।
- অন্যান্য ধারক যেমন অন্ত্রধারক বা সিরামিক ধারক তুলনামূলকভাবে কম ক্যাপাসিট্যান্স ধারণ করে।
- Current Transformer (CT) তড়িৎ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি উচ্চ প্রবাহের কারেন্টকে একটি ছোট ও নিরাপদ মানে রূপান্তরিত করে, যা সহজে পরিমাপ যন্ত্র (যেমন অ্যামিটার বা রিলে) দিয়ে নির্ণয় করা যায়। - উচ্চ ভোল্টেজ ও কারেন্ট পরিবেশে সরাসরি পরিমাপ করা ঝুঁকিপূর্ণ, তাই CT ব্যবহারে নিরাপদ ও নির্ভুল পরিমাপ নিশ্চিত হয়।
আমরা জানি, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সর্বদা দুই সমকোণ বা ১৮০ ডিগ্রি। এটি জ্যামিতির একটি মৌলিক উপপাদ্য।
ধরি, ABC একটি ত্রিভুজ। প্রমাণ করতে হবে যে, $\angle A + \angle B + \angle C = 180^{\circ}$ BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করি এবং C বিন্দু দিয়ে BA রেখার সমান্তরাল করে CE রেখা আঁকি। যেহেতু BA || CE এবং AC তাদের ছেদক, $\therefore \angle BAC = \angle ACE$ [একান্তর কোণ] ......(i)
আবার, যেহেতু BA || CE এবং BCD তাদের ছেদক, $\therefore \angle ABC = \angle ECD$ [অনুরূপ কোণ] ......(ii)
এখন, (i) ও (ii) নং সমীকরণ যোগ করে পাই, $\angle BAC + \angle ABC = \angle ACE + \angle ECD$ বা, $\angle BAC + \angle ABC = \angle ACD$
- আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির অগ্রগতির পিছনে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান - ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। - কম্পিউটারের মূল মেমোরি বা প্রাইমারি মেমোরি তৈরি করা হয় একটি বিশেষ পদার্থ দিয়ে, যার নাম সিলিকন। - ইলেকট্রনিক্স শিল্পে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় যে উপাদানটি, তা হলো সিলিকন। - কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সিলিকন নামক মৌলটিকে। - সিলিকনের বৈশিষ্ট্যগুলো তাকে করেছে অনন্য: এটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী, সহজেই পাওয়া যায়, এবং অন্যান্য উপাদানের সাথে সহজেই মিশ্রিত করা যায়। - এই কারণেই কম্পিউটারের চিপ, ট্রানজিস্টর, সিলিকন ডায়োড, মেমোরি এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সার্কিট তৈরিতে সিলিকন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।