৮ম এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা (মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬ষ্ঠ-১০ম) - ১৮.০৪.২০২৬ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক চাকুরি পরিত্যাগ বা ইস্তফা দিতে চাইলে তাকে অবশ্যই এক মাস পূর্বে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট নোটিশ প্রদান করতে হবে।

যথাযথ নোটিশ প্রদান ছাড়া চাকুরি ত্যাগ করলে উক্ত শিক্ষককে তার এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হয়।

∎ নিচের তথ্যগুলো জেনে রাখুনঃ
পদত্যাগপত্র জমাদান: শিক্ষকগণ সাধারণত স্কুল বা কলেজের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি বরাবর (প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের মাধ্যমে) ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে থাকেন।
এমপিও (MPO): এর পূর্ণরূপ হলো Monthly Pay Order। এর মাধ্যমে সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের একটি বড় অংশ (বর্তমানে মূল বেতনের ১০০%) প্রদান করে থাকে।
অবসর গ্রহণ: এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের চাকুরি হতে সাধারণ অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশে প্রাথমিক, নিম্ন-মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম (Curriculum) প্রণয়ন, পরিমার্জন এবং বাস্তবায়নের সার্বিক দায়িত্ব পালনকারী প্রতিষ্ঠান হলো এনসিটিবি (NCTB - National Curriculum and Textbook Board) বা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।

অন্যান্য অপশনগুলো:
- এনটিআরসিএ (NTRCA): বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিবন্ধন ও নিয়োগ সুপারিশ করে।
- মাউশি অধিদপ্তর (DSHE): মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা স্তরের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও তদারকি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য 'কল্যাণ ট্রাস্ট' ও 'অবসর সুবিধা বোর্ড' গঠন করা হয়েছে।
- নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৪% অর্থ কল্যাণ তহবিলে চাঁদা হিসেবে কর্তন করা হয়।
- উল্লেখ্য, অবসর সুবিধা তহবিলের জন্য মূল বেতনের আরও ৬% কর্তন করা হয়। অর্থাৎ, সর্বমোট ১০% চাঁদা কর্তন করা হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
BNQF (Bangladesh National Qualifications Framework) হলো শিক্ষার মান নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত একটি জাতীয় কাঠামো। এটি প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান হলো ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (UGC)

অন্যান্য অপশনগুলো:
- এনসিটিবি (NCTB): প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল: উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মান যাচাই এবং স্বীকৃতি প্রদান করে।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়: দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার নীতি নির্ধারণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর সুবিধা আইন অনুযায়ী চাকরিকালের ওপর ভিত্তি করে এই সুবিধা নির্ধারিত হয়।
- ২৫ বছর বা তদুর্ধ্ব সময়কাল চাকরি সম্পন্নকারীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭৫ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ অবসর সুবিধা হিসেবে প্রদান করা হয়।
- এর চেয়ে কম সময় চাকরির ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে এই সুবিধা হিসাব করা হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, যা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা প্রদান করে।
- এই অবসর সুবিধা তহবিল পরিচালনার সার্বিক দায়িত্ব একটি পরিচালনা পর্ষদের ওপর ন্যস্ত থাকে।
- এই পর্ষদ তহবিলের আয়-ব্যয়, বিনিয়োগ এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধের বিষয়গুলো তদারকি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশে শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ও পরিমার্জনের মূল দায়িত্ব পালন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)।
- অন্যদিকে শিক্ষা বোর্ড-এর প্রধান কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনা, সনদ বিতরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি ও স্বীকৃতি প্রদান করা এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন দেওয়া।
- তাই শিক্ষাক্রম সংক্রান্ত কাজগুলো শিক্ষা বোর্ডের সরাসরি কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মাধ্যমিক পর্যায়ের এমপিও (MPO) আবেদন প্রক্রিয়াটি একটি নির্দিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়।
- আবেদনের ১ম ধাপ সম্পন্ন করেন প্রতিষ্ঠান প্রধান, যিনি আবেদনটি অনলাইনে ফরোয়ার্ড করেন।
- এরপর ২য় ধাপটি নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের। তিনি দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তা পরবর্তী ধাপের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট প্রেরণ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্রান্সফার এমপিও (Transfer MPO) আবেদনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষক বা কর্মচারীকে তার পূর্বের কর্মস্থলের কিছু দাপ্তরিক নথিপত্র জমা দিতে হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় মূলত পূর্বের প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র, শেষ এমপিও কপি এবং নন-ড্রয়াল সনদ (বেতন উত্তোলন না করার প্রমাণপত্র) বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হয়।
- তবে এমপিও স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পূর্বের প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি পত্র সংগ্রহের কোনো প্রয়োজন নেই।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের যাবতীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা (Drawing and Disbursing Officer বা DDO) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা, বিল পাস করা এবং আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রধান কর্তৃপক্ষ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা প্রাপ্তির আবেদন প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- একজন সহকারী প্রধান শিক্ষক অবসরে গেলে তার আবেদনটি ফরোয়ার্ড করার দায়িত্ব প্রধান শিক্ষকের
- প্রধান শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের সকল প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজের সমন্বয়ক হিসেবে যাবতীয় নথিপত্র যাচাই করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী অর্জিত ছুটি বা অন্যান্য ছুটি ভোগের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- কোনো কর্মচারীর ছুটি পাওনা থাকলে তিনি উপযুক্ত কারণ (যেমন- অসুস্থতা বা ব্যক্তিগত কারণ) দেখিয়ে অর্ধগড় বেতনে ছুটি নিতে পারেন।
- বিধিমালা অনুযায়ী, উপযুক্ত কারণ সাপেক্ষে এই ছুটি এককালীন সর্বোচ্চ ১ বছর বা ১২ মাস পর্যন্ত মঞ্জুর করা যেতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পাঠদানের স্বীকৃতি প্রদানের নীতিমালা অনুযায়ী নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি রয়েছে।
- সাধারণ বা সমতল এলাকায় একটি নতুন বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার ন্যূনতম জনসংখ্যা ১০,০০০ জন হতে হবে।
- এই শর্তাবলি মূলত শিক্ষার্থী প্রাপ্তির নিশ্চয়তা এবং প্রতিষ্ঠানের স্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত শিক্ষাক্রম ও শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
- ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জির নির্দেশনা মোতাবেক, বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রতিটি পরীক্ষা বা সামষ্টিক মূল্যায়ন সর্বোচ্চ ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- দ্রুত মূল্যায়ন শেষ করে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদানে ফিরিয়ে আনাই এর মূল উদ্দেশ্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী পরীক্ষা চলাকালীন নকল বা অবৈধ সুবিধা প্রদানের সুনির্দিষ্ট শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- কোনো ব্যক্তি পরীক্ষা কক্ষে পরীক্ষার্থীকে লিখিত উত্তর, বই, বা অন্য কোনো নকল সরবরাহ করলে তা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
- এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে অপরাধীকে ন্যূনতম ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং সেই সাথে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (BNQF) অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন স্তর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ১ম স্তর: প্রাথমিক শিক্ষা
- ২য় স্তর: অষ্টম শ্রেণি/জেএসসি বা সমমান
- ৩য় স্তর: এসএসসি/দাখিল বা সমমান
- ৪র্থ স্তর: এইচএসসি/আলিম বা সমমান
সুতরাং, এসএসসি ৩য় স্তরের (Level 3) অন্তর্ভুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (ACR) মূল্যায়নের একটি নির্দিষ্ট কাঠামো রয়েছে।
সাধারণ সহকারী শিক্ষকদের এসিআর-এর অনুবেদনকারী বা মূল্যায়নকারী হলেন প্রধান শিক্ষক। অন্যদিকে, প্রধান শিক্ষকের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের অনুবেদনকারী বা মূল্যায়নকারী হলেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির (পরিচালনা পর্ষদ) সভাপতি
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও (MPO) ভুক্তির ক্ষেত্রে অবস্থান ও ভৌগলিক দূরত্বের নির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে।
মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিও প্রাপ্তির জন্য নিকটবর্তী বা বিদ্যমান অন্য একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এর নূন্যতম ভৌগলিক দূরত্ব ৩ কিলোমিটার হতে হবে। তবে হাওর, চরাঞ্চল, পাহাড়ি বা দুর্গম এলাকার ক্ষেত্রে এই শর্ত শিথিলযোগ্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক ও কর্মচারীদের শৃঙ্খলা ও উপস্থিতির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী যদি কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে একাদিক্রমে ১৮০ দিন (বা ৬ মাস) প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকেন, তবে তার এমপিও (MPO) স্থগিত বা বাতিল করা হবে। দীর্ঘমেয়াদি বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতি গুরুতর পেশাগত অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক স্বীকৃতি এবং পাঠদানের অনুমতি প্রদানের মূল দায়িত্ব পালন করে সংশ্লিষ্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড
১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ হলো শিক্ষা বোর্ড। শিক্ষা বোর্ডগুলোর অন্যতম কাজ হলো নতুন বিদ্যালয় স্থাপন, পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি প্রদান এবং স্বীকৃতি নবায়ন করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এমপিও বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শূন্য পদের বা জনবল কাঠামোর অতিরিক্ত শিক্ষক/কর্মচারীর চাহিদা NTRCA-তে প্রদান করলে তার দায়ভার সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ওপর বর্তাবে।
শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসমূহ:
• অতিরিক্ত নিয়োগকৃত শিক্ষক/কর্মচারীর শতভাগ বেতন ভাতা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব তহবিল থেকে বহন করতে হবে।
• এর ব্যত্যয় ঘটলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও বা বেতন ভাতা স্থগিত/বাতিল করা হবে।
• একইসাথে সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটির (ম্যানেজিং কমিটি) বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি (Governing Body) বা ম্যানেজিং কমিটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কমিটির অধিকাংশ সদস্য নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হন।
নিয়ম অনুযায়ী, গভর্নিং বডির মোট পদের ন্যূনতম ৮০% পদ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণ করতে হয়। বাকি পদগুলো পদাধিকার বলে বা মনোনয়নের মাধ্যমে পূরণ করা হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
iBAS++ (Integrated Budget and Accounting System) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ, বাজেট প্রণয়ন ও হিসাব সংরক্ষণের এই ডিজিটাল ব্যবস্থাটি অর্থ মন্ত্রণালয় (Ministry of Finance)-এর অর্থ বিভাগ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বা সমমূল্যের সম্পত্তি দান করলে তাকে আজীবন দাতা বা দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
নিয়ম অনুযায়ী, পৌর এলাকায় ১০ লক্ষ টাকা বা তার সমমূল্যের জমি দান করলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আজীবন দাতা হওয়া যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানের (প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ) নেতৃত্বে 'একাডেমিক কমিটি' গঠন করতে হয়।
এই কমিটি প্রতিষ্ঠানের পাঠদান, পরীক্ষা গ্রহণ, ফলাফল মূল্যায়ন এবং অন্যান্য শিক্ষামূলক কার্যক্রম তদারকি করে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন ব্যবহার্য মালামাল, স্টেশনারি এবং অন্যান্য জিনিসপত্র লিপিবদ্ধ করার জন্য স্টোর রেজিস্টার (Store Register) ব্যবহার করা হয়।
এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে কী পরিমাণ মালামাল ক্রয় করা হয়েছে এবং কতটুকু মজুত আছে তার সঠিক হিসাব রাখা হয়।
অন্যদিকে 'নগদান বই'-এ আর্থিক লেনদেন এবং 'ডেড স্টক' রেজিস্টারে স্থায়ী বা অব্যবহার্য সম্পত্তির হিসাব রাখা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হিসাবরক্ষণের নিয়মানুযায়ী, যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক খরচ বা নগদ অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে ডেবিট ভাউচার তৈরি করা হয়।
- ডেবিট ভাউচার: নগদ অর্থ প্রদান, যেমন- কর্মচারীদের বেতন, অফিস ভাড়া বা পণ্য ক্রয়ের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
- ক্রেডিট ভাউচার: যেকোনো উৎস থেকে আয় বা নগদ অর্থ প্রাপ্তির প্রমাণস্বরূপ এটি ব্যবহৃত হয়।
- জার্নাল ভাউচার: যেসব লেনদেনে নগদ অর্থের আদান-প্রদান ঘটে না (যেমন- ধারে ক্রয়-বিক্রয় বা সম্পদের অবচয়), সেসব ক্ষেত্রে এটি তৈরি করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (PPR) অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (OTM) অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে দরপত্র প্রস্তুত ও দাখিলের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে:
- ১ কোটি টাকা পর্যন্ত মূল্যের পণ্য সরবরাহ বা কাজের ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের দিন থেকে দরপত্র দাখিলের সময়কাল ন্যূনতম ১৪ দিন নির্ধারণ করা আছে।
- ১ কোটি টাকার অধিক মূল্যের অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে দরদাতাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে এই সময়কাল সাধারণত ন্যূনতম ২১ দিন হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (PPR) অনুযায়ী GCC-এর পূর্ণরূপ হলো General Conditions of Contract
- এটি দরপত্র বা চুক্তির সাধারণ শর্তাবলি নির্দেশ করে, যা ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান এবং সরবরাহকারীর মধ্যে চুক্তির আইনি ও সাধারণ দিকগুলো সংজ্ঞায়িত করে।
- এর পাশাপাশি নির্দিষ্ট চুক্তির বিশেষ শর্তাবলি বোঝাতে PCC (Particular Conditions of Contract) ব্যবহৃত হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুযায়ী, দৈনন্দিন ছোটখাটো ব্যয় বা আনুষঙ্গিক খরচ নির্বাহের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধানগণ প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা নগদ হাতে রাখতে বা ব্যয় করতে পারেন।
- নির্ধারিত এই সীমার অতিরিক্ত যেকোনো ব্যয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই চেকের মাধ্যমে বা ব্যাংক হিসাবের সাহায্যে লেনদেন করতে হয়।
- এই নিয়মাবলির প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0