সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (জুনিয়র ইলেকট্রিশিয়ান গ্রেড-২): ৩১.০৭.২০২৬

৪৪ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি ঘড়ির ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ খুব সহজেই ছবির মতো করে বোঝা যায়। নিচে এর সহজ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- একটি ঘড়ি সম্পূর্ণ গোলাকার হওয়ায় এর চারপাশের মোট কোণের পরিমাণ ৩৬০°।
- ঘড়ির ডায়ালে ১ থেকে ১২ পর্যন্ত মোট ১২টি বড় ঘণ্টার ঘরের ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ঘণ্টার ঘরের মধ্যবর্তী কোণ = \(\frac{৩৬০^{\circ}}{১২} = ৩০^{\circ}\) ।
- সকাল ৪টার সময় মিনিটের কাঁটাটি থাকে ঠিক ১২-এর ঘরে এবং ঘণ্টার কাঁটাটি থাকে ঠিক ৪-এর ঘরে।
- ১২ থেকে ৪ পর্যন্ত ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো মোট ৪টি ঘণ্টা নির্দেশক ঘর (১২ থেকে ১, ১ থেকে ২, ২ থেকে ৩ এবং ৩ থেকে ৪)।
- যেহেতু প্রতিটি ঘরের ব্যবধানের জন্য কোণ ৩০°, তাই ৪টি ঘরের জন্য মোট কোণ হবে: \(৪ \times ৩০^{\circ} = ১২০^{\circ}\) ।
বিকল্প পদ্ধতি (সূত্রের সাহায্যে):
ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ নির্ণয়ের সহজ সূত্রটি হলো:
\(\text{কোণ} = \left| \frac{\text{১১M} - \text{৬০H}}{২} \right|\)
এখানে,
- \(H\) = ঘণ্টার কাঁটার অবস্থান (এখানে \(H = ৪\))
- \(M\) = মিনিটের কাঁটার অবস্থান (এখানে \(M = ০\))
সূত্রে মান বসিয়ে পাই:
\(\text{কোণ} = \left| \frac{\text{১১} \times \text{০} - \text{৬০} \times \text{৪}}{২} \right|\)
\(= \left| \frac{\text{০} - \text{২৪০}}{২} \right|\)
\(= \left| \frac{-\text{২৪০}}{২} \right|\)
\(= \left| -\text{১২০} \right|\)
\(= ১২০^{\circ}\)
সুতরাং, সকাল ৪টার সময় ঘড়ির ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ ১২০°।
সোর্সঃ খাইরুল মানসিক দক্ষতা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রথম নল দ্বারা চৌবাচ্চাটি \(5\) মিনিটে পূর্ণ হয়।
- সুতরাং, প্রথম নলটি \(1\) মিনিটে পূর্ণ করে চৌবাচ্চার \(\frac{1}{5}\) অংশ।
দ্বিতীয় নল দ্বারা চৌবাচ্চাটি \(7\) মিনিটে খালি হয়।
- সুতরাং, দ্বিতীয় নলটি \(1\) মিনিটে খালি করে চৌবাচ্চার \(\frac{1}{7}\) অংশ।
নল দুটি একসাথে খোলা থাকলে \(1\) মিনিটে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হবে :
\[\frac{1}{5} - \frac{1}{7}\]
লসাগু করে বিয়োগ করলে পাই:
\[\frac{7 - 5}{35} = \frac{2}{35}\] অংশ।
অর্থাৎ, নল দুটি একসাথে চালু থাকলে চৌবাচ্চাটির \(\frac{2}{35}\) অংশ পূর্ণ হতে সময় লাগে \(1\) মিনিট।
সুতরাং, চৌবাচ্চাটির সম্পূর্ণ বা \(1\) অংশ পূর্ণ হতে সময় লাগবে:
\[1 \div \frac{2}{35} = 1 \times \frac{35}{2} = 17.5\] মিনিট।
এই ধরণের নল ও চৌবাচ্চার অংক খুব দ্রুত সমাধান করার জন্য একটি সহজ সূত্র রয়েছে ।
বিকল্প শর্টকাট পদ্ধতি:
চৌবাচ্চায় একটি নল দিয়ে পানি প্রবেশ এবং অন্য নল দিয়ে পানি বের হলে পূর্ণ হতে প্রয়োজনীয় সময় :
\[\frac{A \times B}{B - A}\]
এখানে,
- প্রথম নলের পূর্ণ করার সময়, \(A = 5\) মিনিট
- দ্বিতীয় নলের খালি করার সময়, \(B = 7\) মিনিট (যেখানে \(B > A\))
মানগুলো সূত্রে বসিয়ে পাই:
\[\frac{5 \times 7}{7 - 5} = \frac{35}{2} = 17.5\] মিনিট।
অতএব, নল দুটি একসাথে খোলা থাকলে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে মোট \(17.5\) মিনিট সময় লাগবে।
- সঠিক উত্তর: অপশন ২: \(17.5\) মিনিট
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
ব্যাখ্যা (Explanation)
ধরি, পিতার বর্তমান বয়স \(7x\) বছর এবং পুত্রের বর্তমান বয়স \(2x\) বছর ।
৫ বছর পর তাদের বয়স হবে যথাক্রমে \((7x + 5)\) বছর এবং \((2x + 5)\) বছর ।
প্রশ্নমতে, ৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে \(8 : 3\) ।
সুতরাং সমীকরণটি হবে:
\[\frac{7x + 5}{2x + 5} = \frac{8}{3}\]
আর-গুণন বা কোণাকুণি গুণ করে পাই:
\[\Rightarrow 3(7x + 5) = 8(2x + 5)\]
\[\Rightarrow 21x + 15 = 16x + 40\]
এখন পক্ষান্তর বিধি অনুযায়ী পাই:
\[\Rightarrow 21x - 16x = 40 - 15\]
\[\Rightarrow 5x = 25\]
\[\Rightarrow x = 5\]
অতএব, পিতার বর্তমান বয়স = \(7 \times 5 = 35\) বছর ।
পুত্রের বর্তমান বয়স = \(2 \times 5 = 10\) বছর ।
আমরা চাইলে এই সমস্যাটি সমীকরণ ছাড়াই অনুপাত পদ্ধতি বা Ratio Method ব্যবহার করে মুখে মুখে সমাধান করতে পারি ।
- ১ম অনুপাত (বর্তমান) \(\rightarrow\) পিতা : পুত্র = \(7 : 2\)
- ২য় অনুপাত (৫ বছর পর) \(\rightarrow\) পিতা : পুত্র = \(8 : 3\)
উভয় অনুপাতে পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাতের পার্থক্য লক্ষ্য করি:
পিতার ক্ষেত্রে পার্থক্য = \(8 - 7 = 1\) অংশ
পুত্রের ক্ষেত্রে পার্থক্য = \(3 - 2 = 1\) অংশ
যেহেতু উভয়ের বয়সই ৫ বছর করে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই এই \(1\) অংশ পার্থক্যের মান হলো ৫ বছর ।
অর্থাৎ, \(1\) অংশ = \(5\) বছর ।
অতএব, পিতার বর্তমান বয়স \(7\) অংশ = \(7 \times 5 = 35\) বছর ।
পুত্রের বর্তমান বয়স \(2\) অংশ = \(2 \times 5 = 10\) বছর ।
- সঠিক উত্তর: অপশন ১: ৩৫ বছর ও ১০ বছর
সোর্সঃ খাইরুল বেসিক গণিত
ব্যাখ্যা (Explanation)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- ১৯৪২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট প্রথম 'জাতিসংঘ' নামটি প্রস্তাব করেন ।
- ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর করা হয় এবং ২৪ অক্টোবর থেকে এটি কার্যকর হয় ।
- এ কারণেই প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর 'জাতিসংঘ দিবস' হিসেবে পালিত হয় ।
সোর্স: বেসিক ভিউ (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ হলো আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ) । এটি ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় । এই আদালতের প্রধান কাজ হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যকার আইনি বিরোধের মীমাংসা করা। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরের 'পিস প্যালেস' (Peace Palace) ভবনে এই আদালতের সদর দপ্তর বা প্রধান কার্যালয় অবস্থিত । আদালতটি ১৫ জন বিচারক নিয়ে গঠিত এবং তাঁদের কার্যকাল ৯ বছর ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার তিনটি ধাপ হলো উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ।
- PGCB (Power Grid Company of Bangladesh) হলো দেশের একমাত্র বিদ্যুৎ সঞ্চরণ কোম্পানি। এর কাজ উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রিডের মাধ্যমে সাব-স্টেশনে পৌঁছে দেওয়া।
- BPDB প্রধানত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও আংশিক বিতরণের কাজ করে।
- DESCO ও WZPDCL কেবল গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ বিতরণের কাজ করে।
সঞ্চালনের দায়িত্ব শুধুমাত্র PGCB-এর ওপর ন্যস্ত।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ তাদের ঐতিহাসিক প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে । এই ম্যাচে আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রথম বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট সেঞ্চুরি করার ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করেন । তিনি ভারতের বিপক্ষে এই ম্যাচে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেটে এক অনন্য রেকর্ড গড়েন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে অবস্থিত । এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প ।
এই কেন্দ্রটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- উৎপাদন ক্ষমতা: এর মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট ।
- সহযোগিতা: এটি নির্মাণে রাশিয়া ৮০% এবং ভারত ২০% আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে ।
- চুক্তি ও বাস্তবায়ন: ২০১১ সালে রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তিটি সই হয় এবং রাশিয়ার 'রসাটম' এটি নির্মাণ করছে ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
যা কোনোভাবেই ঠেকানো বা বন্ধ করা যায় না, তাকে এক কথায় অনিবার্য বলে।
অন্য শব্দগুলোর অর্থ:
- দুর্নিবার: যা সহজে নিবারণ করা যায় না বা কষ্টে নিবারণ করা যায়।
- অনির্বচনীয়: যা মুখে বা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
- লঙ্য: যা লঙ্ঘন বা অতিক্রম করার যোগ্য।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
আমাদের বাসাবাড়িতে অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) বা পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে এর কম্পাঙ্ক বা ফ্রিকোয়েন্সি হলো ৫০ হার্জ (50 Hz)।
- এর অর্থ হলো, প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার তার দিক পরিবর্তন করে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যে yesterday থাকায় এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে ।
অতীতকালের বাক্যে verb-এর past form (V2) বসে ।
- win-এর past form হলো won।
যদিও Neither of + plural noun-এর পর singular verb বসে , কিন্তু past tense-এ রূপ অপরিবর্তিত থাকে। তাই সঠিক উত্তর won।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ইংরেজি গ্রামারে কোনো কাজে বা বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে good-এর পর প্রিপজিশন at বসে ।
এখানে 'making excise' (অজুহাত তৈরি করা) একটি কাজ, যাতে সাবজেক্টের দক্ষতা বোঝানো হয়েছে ।
- good at = কোনো কিছুতে দক্ষ (successful at) ।
তাই শূন্যস্থানে সঠিক preposition হবে at ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Lord অর্থ সম্ভ্রান্ত পুরুষ, এটি একটি Masculine Gender।
এর বিপরীত বা Feminine Gender হলো Lady (সম্ভ্রান্ত মহিলা) ।
অন্য অপশনগুলো হলো:
- Madam (Sir-এর স্ত্রীবাচক)
- Queen (King-এর স্ত্রীবাচক)
- Princess (Prince-এর স্ত্রীবাচক)
ব্যাখ্যা (Explanation)
Enormous শব্দের অর্থ হলো বিশাল বা প্রকাণ্ড।
এর বিপরীত শব্দ (Antonym) জানতে চাওয়া হয়েছে।
বিকল্পগুলোর অর্থ:
- Huge, Massive, Large: বড় বা বিশাল (সমার্থক শব্দ)।
- Tiny: অতি ক্ষুদ্র (বিপরীত শব্দ)।
তাই সঠিক উত্তর Tiny।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ইংরেজিতে 'ie' বসে (যেমন: achieve)। তবে 'c' এর পর 'ei' হয়।
এখানে 'ch' থাকায় 'ie' হবে। মূল শব্দ 'achieve' এর সাথে 'ment' যুক্ত হয়ে 'Achievement' গঠিত হয়েছে, যেখানে শেষের 'e' বাদ যায় না।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বহ্নি' শব্দের অর্থ হলো আগুন ।
সংস্কৃত '√বহ্' (বহন করা) ধাতুর সাথে 'নি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'বহ্নি' শব্দটি গঠিত হয়েছে । যজ্ঞের আগুনে দেওয়া আহুতি অগ্নি বহন করে দেবতাদের কাছে পৌঁছে দেয় বলে একে 'বহ্নি' বলা হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
"নীল আকাশ" বাক্যাংশে নীল শব্দটি বিশেষণ পদ ।
- যে পদ অন্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা রঙ প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ বলে।
- এখানে 'আকাশ' হলো বিশেষ্য পদ এবং 'নীল' শব্দটি আকাশের রূপ বা রঙের গুণ প্রকাশ করছে । তাই এটি একটি রূপবাচক বিশেষণ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কর্তা যার সাহায্যে বা যে উপায়ে কাজ শেষ করে, তাকে করণ কারক বলে।
এখানে 'পড়াশোনা' কাজটি 'বই'-এর সাহায্যে করা হচ্ছে, তাই 'বই' হলো করণ কারক।
বাংলায় 'দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক' যুক্ত হলে তৃতীয়া বিভক্তি হয়।
যেহেতু এখানে 'বই দ্বারা' রয়েছে, তাই এটি করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সৎ + জাত = সজ্জাত এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধি ।
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত বা দ-এর পর জ বা ঝ থাকলে ত/দ-এর স্থানে ‘জ’ হয় এবং তা পরের ‘জ’ এর সাথে মিলে দ্বিত্ব ‘জ্জ’ রূপ নেয় ।
এখানে পূর্বপদের ‘ৎ’ এবং পরপদের ‘জ’ (ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন) মিলে ‘জ্জ’ তৈরি করেছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
PGCB দূরবর্তী স্থানে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বা ট্রান্সমিশন করে। এ সময় বিদ্যুৎ অপচয় রোধে উচ্চ ভোল্টেজ (যেমন- 132kV, 230kV, 400kV) ব্যবহার করা হয়। অপরদিকে, 440V হলো গ্রাহক পর্যায়ের বিদ্যুৎ বিতরণের (ডিস্ট্রিবিউশন) ভোল্টেজ, যা ট্রান্সমিশনে ব্যবহৃত হয় না।
সোর্স: এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কুণ্ডলীর প্যাঁচ সংখ্যা Np ও Ns এবং ভোল্টেজ Vp ও Vs হলে, এদের সম্পর্ক: Vp/Vs = Np/Ns।
অর্থাৎ, প্যাঁচ সংখ্যার অনুপাত (Np:Ns) জানা থাকলে ভোল্টেজের অনুপাত জানা যায়। তাই প্যাঁচ সংখ্যা জানলে ভোল্টেজ জানা সম্ভব।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক লাইনে AC বা পরিবর্তী প্রবাহ প্রবাহিত হয় । কারণ দূর-দূরান্তে বিদ্যুৎ পাঠানোর সময় AC কারেন্টের অপচয় অনেক কম হয় এবং ট্রান্সফরমার-এর সাহায্যে এর ভোল্টেজ সহজে বাড়ানো বা কমানো যায় । বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত সব বিদ্যুৎই AC কারেন্ট ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সৌর প্যানেলে বা সৌর কোষে (PV Cell) সূর্যের আলো পড়লে অর্ধপরিবাহী পদার্থের মধ্যে ফটোভোলটাইক প্রক্রিয়ায় সরাসরি একমুখী প্রবাহের বিদ্যুৎ বা DC (Direct Current) উৎপন্ন হয় । এই বিদ্যুতের প্রবাহের দিক সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয় না। বাসাবাড়িতে ব্যবহারের সময় ইনভার্টারের সাহায্যে এই DC কারেন্টকে AC কারেন্টে রূপান্তর করে নেওয়া হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাধারণত ১১ কেভি ভোল্টেজ উৎপন্ন হয়। দূর-দূরান্তে বিদ্যুৎ প্রেরণের সময় লাইনে অপচয় কমাতে স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে ৩০০/৪০০ কেভি-তে উন্নীত করা হয়। ভোল্টেজ বাড়ালে কারেন্ট কমে যায়, ফলে তারের তাপীয় অপচয় হ্রাস পায় এবং দক্ষতার সাথে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনটি দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এটিকে সরকারি মালিকানা বজায় রেখে কোম্পানিতে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- ২০০৬ সালে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনকে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (APSCL)-এ রূপান্তরিত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনা।
- বর্তমানে এটি দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান জ্বালানি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- এখানে প্রাকৃতিক গ্যাস পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়, যা দিয়ে পানি ফুটিয়ে উচ্চচাপের বাষ্প তৈরি করা হয়।
- এই বাষ্পের সাহায্যে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- এই কেন্দ্রটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের কাছে অবস্থিত হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ সহজ হয়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
উত্তল লেন্স হলো অভিসারী লেন্স। সূর্যের সমান্তরাল আলোক রশ্মি এই লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে (ফোকাস বিন্দুতে) মিলিত হয়। এর ফলে সূর্যের সমস্ত তাপশক্তি ওই বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত হওয়ায় প্রচণ্ড উত্তাপের সৃষ্টি হয় এবং গ্লাসে আগুন লেগে যায়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফলে নিয়মিত অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
Google Play থেকে ইন্সটল করুন
ফ্রি অ্যাপ, প্রিমিয়াম ফিচারসহ
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।