- এই পররাস্ট্র নীতির কারণে স্নায়ুযুদ্ধের প্রথম পর্যায় শুরু হয় রাশিয়ার স্ট্যালিন ও আমেরিকার ট্র ম্যানের মধ্যে জাতিসংঘে প্রভাব বিস্তার নিয়ে। - ১৯৪৭ সালে মার্কিন নতুন পররাষ্ট্রনীতি “মনরো ডকট্রিন” প্রদান করেন। “মনরো ডকট্রিনের” মূল উদ্দেশ্য ছিল সারা পৃথিবীতে সোভিয়েত সমাজতন্ত্রের বিস্তার রোধ এবং মার্কিন আধিপত্য বিস্তার। - অর্থনৈতিক ভাবে সমাজতন্ত্রের মোকাবেলা করতে গৃহীত হয় মার্কিন পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞ জন মার্শালের বিখ্যাত মার্শাল প্ল্যান। - ট্রু-ম্যানের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মার্শাল ইউরোপের অর্থনৈতিক পূর্ণগঠনে ৪০০ মিলিয়ন ডলার সাহায্যের প্যাকেজে মার্শাল প্ল্যান নিয়ে আসেন। - ১৯৪৮ সালে অবৈধ ইসরাইল রাষ্ট্র ফিলিস্তিনে প্রতিষ্ঠা করা হলে আরবরা চরম ইঙ্গ-মার্কিন তথা পশ্চিমা বিরোধী হয়ে পড়ে। - ট্রু-ম্যান ডকট্রিনকে সামরিক রুপ প্রদান করতে ১৯৪৯ সালে স্বাক্ষর করা হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি। - উত্তর আটলান্টিক চুক্তি অনুসারে সৃষ্টি হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক জোট ন্যাটো। - ১৯৪৯ সালে চীনের সমাজতান্ত্রিক নেতা মাও সে তুং সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের মাধ্যমে চীনকে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করলে সোভিয়েত শক্তি বৃদ্ধি লাভ করে। - জার্মানির মত ১৯৪৮ সালে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াকে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।