সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

পার্লামেন্ট

৪৯ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ একটি সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার দেশ।
- সংবিধানের ৫৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা যৌথভাবে আইনসভা অর্থাৎ জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- এর অর্থ হলো, মন্ত্রিসভার যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য সকল মন্ত্রী যৌথভাবে সংসদের কাছে দায়বদ্ধ। সংসদ যদি মন্ত্রিসভার ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে, তবে সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভাকে পদত্যাগ করতে হয়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্রোয়েশিয়ার আইনসভার নাম "সাবোর"।
- এটি ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় সংসদ হিসেবে পরিচিত এবং দেশটির আইন প্রণয়নকারী প্রধান সংস্থা।
- সাবোর একটি এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ, যেখানে আইন প্রণয়ন, সংশোধন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- এটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত।
- "সাবোর" শব্দটি ক্রোয়েশিয়ান ভাষায় "সমাবেশ" বা "পরিষদ" অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ক্রোয়েশিয়ার সাংবিধানিক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং দেশটির গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতীক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- দ্রৌপদী মুর্মু ২০ জুন, ১৯৫৮ সালে ওড়িশা রাজ্যের উপরবেদা গ্রামে একটি সাঁওতালি উপজাতি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- দ্রৌপদী মুর্মু ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি।
- দ্রৌপদী মুর্মু ২৫ জুলাই, ২০২২ এ ভারতের ১৫ তম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন, যখন তিনি দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির শপথ গ্রহণ করেছিলেন ।
- তিনি আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রথম ব্যক্তি এবং প্রতিভা পাটিলের পরে দ্বিতীয় মহিলা যিনি রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত হন৷
- তিনি স্বাধীন ভারতে জন্মগ্রহণকারী প্রথম রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি এই পদে অধিষ্ঠিত সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি।
- মুর্মু এর আগে ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাজ্যপাল এবং ২০০০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ওড়িশা রাজ্যের বিধানসভার সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জাপানের আইন সভার নাম ডায়েট।
- এটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা, যার উচ্চ কক্ষ হল উপদেষ্টা পরিষদ (House of Councillors) ও নিম্নকক্ষ জনপ্রতিনিধি পরিষদ (House of Representatives)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
গুরুত্তপুর্ণ কিছু দেশের আইন সভা বা পার্লামেন্টের নামঃ
➜ বাংলাদেশের আইন সভার নাম হল- জাতীয় সংসদ ।
➜ ভারতের আইন সভার নাম হল- লোকসভা বা রাজ্যসভা ।
➜ পাকিস্তানের আইন সভার নাম হল- জাতীয় পরিষদ বা সিনেট ।
➜ আফগানিস্তানের আইন সভার নাম হল- লয়াজিরগা ।
➜ ভুটানের আইন সভার নাম হল- সোংডু ।
➜ ডেমার্কের আইন সভার নাম হল- ফোকেট ।
➜ মালয়েশিয়ার আইন সভার নাম হল- মজলিস ।
➜ মঙ্গোলিয়ার আইন সভার নাম হল- থুরাল ।
➜ তাই্ওয়ানের আইন সভার নাম হল- উয়ান ।
➜ রাশিয়ার আইন সভার নাম হল সুপ্রিম- সোভিয়েত অ্যাসেম্বলি ।
➜ স্পেনের আইন সভার নাম হল- ক্রেটস ।
➜ তুরস্কের আইন সভার নাম হল- গ্রান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ।
➜ ফ্রান্সের আইন সভার নাম হল- চেম্বার ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সান ইয়াত সেন চীন দেশের নেতা ছিলেন।
- তিনি সেদেশের মানচু রাজবংশের অপশাসনের বিরুদ্ধে লড়ে ছিলেন।
- তিনি বিদেশে থাকা অবস্থায় মানচু রাজবংশের পতন হয়। তিনি রাষ্ট্রপতি হন।
- তিনি প্রজাতন্ত্রী চীনের প্রথম রাষ্ট্রপতি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-চীন : ২০১৮ সালে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি) রাষ্ট্রপতির মেয়াদের সীমা সরিয়ে দেয়, কার্যকরভাবে শি জিনপিংকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্ষমতায় থাকার অনুমতি দেয়।
-রাশিয়া : ২০২০ সালে, রাশিয়ান রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনকে আরও দুটি মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার দেওয়া হয়েছিল, কার্যকরভাবে তাকে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
-তাজিকিস্তান: ২০১৬ সালে, তাজিক রাষ্ট্রপতি ইমোমালি রহমানকে রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদের সীমা সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্ষমতায় থাকার অনুমতি দেয়।
-বেলারুশঃ ২০০৪ সালে, বেলারুশিয়ান সংবিধান সংশোধন করা হয়েছিল রাষ্ট্রপতির মেয়াদের সীমা অপসারণ করার জন্য। যাইহোক, মেয়াদ সীমা ২০২০ সালে পুনর্বহাল করা হয়েছিল।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
-রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান (তুর্কি: Recep Tayyip Erdoğan; জন্ম: ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪) হলেন তুরস্কের ১২তম রাষ্ট্রপতি যিনি ২০১৪ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ সালে তিনি একে পার্টি (জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলাপমেন্ট পার্টি বা একেপি) প্রতিষ্ঠা করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- চীনের পার্লামেন্ট ভবনের নাম গ্রেট হল অব দ্য পিপলস।
- এটি বেইজিংয়ের টিয়ানআনমেন স্কোয়ারে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম পার্লামেন্ট ভবন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- রাশিয়ার পার্লামেন্ট : ফেডারেল এসেম্বলি
- ডেনমার্কের পার্লামেন্ট : ফোকেটিং
- যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট : কংগ্রেস
- ইসরাইলের আইনসভার নাম : নেসেট
- নেসেট হলো ইসরাইলের আইনসভার নাম
- কাজাখস্তানের আইনসভার নিম্ন কক্ষের নাম : মাজলিস
ব্যাখ্যা (Explanation)
1236 সালে ইংরেজ রাজা এবং তার উপদেষ্টাদের মধ্যে একটি সমাবেশকে প্রথমবারের মতো সংসদ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছিল।

ম্যাগনা কার্টার সংস্কার সত্ত্বেও, রাজা জনের উত্তরসূরি, রাজা হেনরি তৃতীয়, ব্যারনদের সাথে সংঘর্ষ অব্যাহত রাখেন। অনেকে ব্যারন হেনরির শাসনে অসন্তুষ্ট ছিলেন, যার মধ্যে ফ্রান্সে তার ব্যর্থ সামরিক অভিযান এবং তার উপদেষ্টা এবং মিত্রদের পছন্দ ছিল। নগরবাসী রাজার করের দাবি এবং তাদের বিষয়ে হস্তক্ষেপের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করেছিল।

1258 সালে ব্যারনরা রাজাকে 15 সদস্যের ব্যারন কাউন্সিলের পরামর্শে শাসন করতে এবং সংসদের সাথে আরও নিয়মিত পরামর্শ করতে সম্মত হতে বাধ্য করে। তারা চেয়েছিল পার্লামেন্ট বছরে 3 বার সভা করুক এবং কাউন্টি থেকে নির্বাচিত 12 জন নন-নোবল প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করুক। যাইহোক, রাজা হেনরি চুক্তিকে সম্মান করেননি এবং সাইমন ডি মন্টফোর্টের নেতৃত্বে বিরোধী ব্যারনরা তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামেন।

ডি মন্টফোর্ট একজন ব্যারন ছিলেন যিনি বিশ্বাস করতেন রাজার ক্ষমতা সীমিত হওয়া উচিত, কাউন্টি নাইট এবং বার্গেস - শহর ও শহরের প্রতিনিধিদের আরও বেশি প্রভাব দেওয়া উচিত। 1264 সালে তিনি রাজাকে পরাজিত করেন এবং বাস্তবে ব্রিটেনের শাসক হন।

পরের বছর, ডি মন্টফোর্ট গ্রামাঞ্চল থেকে নাইটদের এবং শহর ও শহর থেকে বার্গেসদের নিজের সংসদে যোগ দেওয়ার জন্য ব্যারনদের সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। এই ধরনের একটি সভায় এই প্রথম সাধারণদের প্রতিনিধিত্ব করা হয়েছিল, যদিও তাদের উপস্থিতি আরও 63 বছরের জন্য স্থায়ী হবে না। ডি মন্টফোর্টের পার্লামেন্টে সাধারণদের অন্তর্ভুক্তির অর্থ হল এটিকে আধুনিক সংসদের অগ্রদূত হিসাবে দেখা হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation)
ইরানের পার্লামেন্ট মজলিস যা এক কক্ষ বিশিষ্ট।
♦ ইংল্যান্ডের পার্লামেন্ট দুই কক্ষ বিশিষ্ট যারঃ
- উচ্চকক্ষ হল হাউস অব লর্ডস্‌ এবং
- নিম্নকক্ষ হল হাউস অব কমনস্‌
♦ আয়ারল্যান্ডের পার্লামেন্ট দুই কক্ষ বিশিষ্ট যারঃ
- উচ্চকক্ষ হল  সিনেট ও
- নিম্নকক্ষ হল হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ।
♦ ইন্ডিয়ার পার্লামেন্ট দুই কক্ষ বিশিষ্ট যারঃ
- উচ্চকক্ষ হল রাজ্যসভা ও
- নিম্নকক্ষ হল  বিধানসভা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
জাপানের পার্লামেন্টের নাম-ডায়েট
জার্মানি পার্লামেন্টের নাম-বুন্দেস্‌ট্যাগ
নরওয়ের পার্লামেন্টের-স্টরটিং

ব্যাখ্যা (Explanation)
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা এক কক্ষবিশিষ্ট রাজ্য আইনসভা। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার বিবাদীবাগ এলাকায় হাইকোর্টের দক্ষিণে বিধানসভা ভবনটি অবস্থিত। বিধানসভার মেয়াদ ৫ বছর।
Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ফ্রান্সের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- ফ্রান্সের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট। এর উচ্চ কক্ষের নাম সিনেট এবং নিম্ন কক্ষের নাম ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি।
- ফ্রান্সের আইনসভা দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত: সিনেট এবং ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি।
- সিনেট হল উচ্চকক্ষ, যেখানে ৩৪৮ জন সদস্য রয়েছেন।
- ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি হল নিম্নকক্ষ, যেখানে ৫৭৭ জন সদস্য রয়েছেন।
- আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং সরকারের কাজকর্ম তদারকি করাই হল পার্লামেন্টের প্রধান কাজ।
- ফ্রান্সের পার্লামেন্ট প্যারিসে অবস্থিত।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- বুন্দেস্‌ট্যাগ (Bundestag) হলো জার্মানির ফেডারেল বা যুক্তরাষ্ট্রীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম।
- এটি জার্মানির বার্লিন শহরের রাইখস্ট্যাগ (Reichstag) ভবনে অবস্থিত এবং এখানেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন করা হয়।
- জার্মানির চ্যান্সেলর বা সরকার প্রধান নির্বাচন এবং সরকারের কার্যক্রম তদারকি করার মূল দায়িত্ব এই বুন্দেস্‌ট্যাগের।
- জার্মানির পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট, যার উচ্চকক্ষের নাম হলো বুন্দেসরাত (Bundesrat)।
- রোমানিয়ার পার্লামেন্টের নাম পার্লামেন্টুল রোমানি, স্পেনের পার্লামেন্টকে বলা হয় কোর্তেস জেনেরালস এবং বুলগেরিয়ার পার্লামেন্ট হচ্ছে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: নেসেট।
• বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনসভা বা পার্লামেন্টের আলাদা আলাদা নাম রয়েছে। ইসরাইলের আইনসভার নাম হলো 'নেসেট' (Knesset)। 
• এটি একটি এককক্ষ বিশিষ্ট (Unicameral) পার্লামেন্ট, যা ইসরাইলের রাজধানী জেরুজালেমে অবস্থিত।
• নেসেটের মোট সদস্য সংখ্যা ১২০ জন। এরা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।
• দেশের সকল আইন প্রণয়ন, রাষ্ট্রপতির নির্বাচন এবং সরকারের বাজেট ও কাজের তদারকি করার সর্বোচ্চ ক্ষমতা এই নেসেটের হাতেই ন্যস্ত থাকে। (উল্লেখ্য, অপশনের 'ডায়েট' হলো জাপানের এবং 'সুপ্রিম পিপল্‌স অ্যাসেম্বলি' হলো উত্তর কোরিয়ার আইনসভা)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ওয়েস্ট মিনিস্টার লন্ডনের একটি প্রাসাদ ভবন যা হাউজ অফ পার্লামেন্ট নামেও পরিচিত। এই প্রাসাদে যুক্তরাজ্যের আইনসভার দুই কক্ষের (হাউজ অফ লর্ডস এবং হাউজ অফ কমন্‌স) রাজনীতিবিদরা রাষ্ট্র পরিচালনা সংক্রান্ত কাজে একসাথে বসেন। লন্ডনের অধীনে স্বায়ত্তশাসনপ্রাপ্ত নগরী ওয়েস্টমিন্‌স্টারে টেম্‌স নদীর উত্তর কূল ঘেঁষে এই প্রাসাদটি অবস্থিত। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে এখানে বর্তমান সরকারি কাজকর্মের সূচনা ঘটে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ বা প্রতিনিধি পরিষদ। এর আসন সংখ্যা ৪৩৫টি, যার মেয়াদ ২ বছর।
 - উচ্চকক্ষ সিনেটে আসন সংখ্যা ১০০টি, যার মেয়াদ ৬ বছর।
 - সংরক্ষিত আসন ৩টি, 
 - মোট আসন ৫৩৮টি 
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৫১-৫২ সালে ভারতের প্রথম লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ভারতের সরকার গঠনের জন্য লোকসভার ৫৪৫ জন সদস্যের মধ্যে ২৭২ জন সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হয়।
- ভারতের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।
- উচ্চকক্ষ বা রাজ্যসভায় আসন সংখ্যা ২৫০ টি।
- নিম্নকক্ষ বা লোকসভায় আসন সংখ্যা ৫৪৫ টি।
- ৫৪৫ টির মধ্যে ২টি রাস্ট্রপতির জন্য সংরক্ষিত, প্রশ্নে বলা হয়েছে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
রাশিয়া-এর পার্লামেন্টের (আইনসভার নিম্নকক্ষ) নাম Duma বা ডুমা।
- ফ্রান্সের পার্লামেন্টের নাম ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (নিম্নকক্ষ) ও সেনেট (উচ্চকক্ষ)।
- ফিনল্যান্ডের পার্লামেন্টের নাম এডুসকুন্টা।
- জার্মানির পার্লামেন্টের নাম বুন্ডেসট্যাগ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আফগানিস্তানের বিভিন্ন সম্প্রদায় , সম্মানিত উপজাতীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের সর্বোচ্চ পরিষদ 'লয়া জিরগা' ( Loya Jirga ) । 
- আফগানিস্তানের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম 'ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ' ( National Assembly ) । 
- নিম্নকক্ষের নাম 'ওলেসি জিরগা' (ইংরেজিতে House of the People) এবং 
- উচ্চকক্ষের নাম 'মেশারানো জিরগা' (ইংরেজিতে House of Elders) ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আফগানিস্তানের বিভিন্ন সম্প্রদায় , সম্মানিত উপজাতীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের সর্বোচ্চ পরিষদ 'লয়া জিরগা' ( Loya Jirga ) । 
- আফগানিস্তানের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম 'ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ' ( National Assembly ) । 
- নিম্নকক্ষের নাম 'ওলেসি জিরগা' (ইংরেজিতে House of the People) এবং 
- উচ্চকক্ষের নাম 'মেশারানো জিরগা' (ইংরেজিতে House of Elders) ।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আফগানিস্তানের বিভিন্ন সম্প্রদায়, সম্মানিত উপজাতীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের সর্বোচ্চ পরিষদ ‘লয়া জিরগা’ (Loya Jirga)।
- আফগানিস্তানের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম ‘ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি’ (National Assembly)।
- নিম্নকক্ষের নাম ‘ওলেসি জিরগা’ (ইংরেজিতে House of the People) এবং উচ্চকক্ষের নাম ‘মেশরানো জিরগা’ (ইংরেজিতে House of Elders)।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।