সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

২৯৫ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'CVF'-এর পূর্ণরূপ হলো Climate Vulnerable Forum। এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো নিয়ে গঠিত একটি বৈশ্বিক অংশীদারিত্বমূলক ফোরাম।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- প্রতিষ্ঠাকাল: নভেম্বর, ২০০৯ (মালে, মালদ্বীপ)।
- সদরদপ্তর: মাজুরো, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ।
- বাংলাদেশ এই ফোরামের একটি প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় বা পূর্ব ক্রান্তীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে শীতল বা ঠান্ডা হওয়ার প্রাকৃতিক ঘটনাকে লা নিনা (La Niña) বলা হয়।
• স্প্যানিশ শব্দ লা নিনা-এর অর্থ 'ছোট খুকি', যা মূলত এল নিনো-এর বিপরীত অবস্থা।
• এটি একটি শীতল পর্যায়, যার প্রভাবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও বন্যা দেখা দেয়।
• অন্যদিকে, এল নিনো (El Niño) হলো সমুদ্রের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে উষ্ণ হওয়ার প্রক্রিয়া, যা সাধারণত খরার সৃষ্টি করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (COP-21) প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
এই চুক্তির মূল লক্ষ্যগুলো হলো:
- বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্পায়ন যুগের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা।
- সম্ভব হলে তা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা।
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রোধ করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে ১৯৯০ সালকে ভিত্তি বছর ধরে উন্নত দেশগুলোর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ৫.২% হ্রাস করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রথমদিকে এর মেয়াদ ছিল ১৬ বছর (১৯৯৭-২০১২), যা পরবর্তীতে বাড়িয়ে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ওজোন স্তর রক্ষায় এবং ক্ষতিকারক সিএফসি (CFC) গ্যাস নির্গমন বন্ধের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে-
- কিয়োটো প্রটোকল ও প্যারিস চুক্তি হলো জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে আন্তর্জাতিক পরিবেশ রক্ষায় এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । এটি বিশ্বের জলাভূমি (Wetlands) সংরক্ষণ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য গৃহীত চুক্তি, যা 'রামসার কনভেনশন' নামে পরিচিত ।
প্রধান তথ্যসমূহ:
- পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা ।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত দুটি রামসার সাইট হলো সুন্দরবন ও টাঙ্গুয়ার হাওর ।

সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় 'লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড' (Loss and Damage Fund) গঠনের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত কপ-২৭ (COP27) সম্মেলনে গৃহীত হয়।
⇒ COP27 সম্মেলন ২০২২ সালের নভেম্বরে মিশরের শারম আল-শেখে অনুষ্ঠিত হয়।
⇒ এই তহবিলটি মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য গঠন করা হয়েছে।
⇒ এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এবং বৈশ্বিক সুবিচার নিশ্চিতকরণে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
গ্রিনপিস (Greenpeace) হলো একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা।
- সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭১ সাল (ভ্যাঙ্কুভার, কানাডা)।
- উদ্দেশ্য: পরিবেশ ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ প্রতিরোধ, জলবায়ু সুরক্ষা, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কিয়োটো প্রটোকল জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৃহীত হয়।
● এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
● এই চুক্তির আওতায় বিশ্বের দেশগুলোকে মূলত ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়: Annex-I, Annex-II এবং Non-Annex।
● এর মধ্যে বিশেষ করে Annex-I ভুক্ত দেশগুলোর উপর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর বিশেষ বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।
● বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৯২টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ইরান ও সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে মধ্যস্থতা করেছে চীন।
- ২০১৬ সাল থেকে সন্ত্রাসী হামলা, বিভিন্ন বিরোধ ও রাজনৈতিক কারণে ইরান ও সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্ক বন্ধ ছিল।
- ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে সাত বছর পর পুনরায় কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সম্মতি হয়।
- চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত আলাপচারিতায় দুই দেশ তাদের দূতাবাস আবার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- উভয় দেশই চীনকে এই মধ্যস্থতার জন্য প্রশংসা করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে ধরা হয়।
- চীনের এই কূটনৈতিক ভূমিকা অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- "Kinzhal" ক্ষেপণাস্ত্রটি রাশিয়া দেশের তৈরি।

- Kh-47M2 Kinzhal হলো একটি রাশিয়ার এয়ার-লোঞ্চড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা উচ্চ গতি ও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট।
- এটি মিগ-৩১কে, সু-৩৪ এবং অন্যান্য বিমান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতি ম্যাক ১০ (প্রায় ১২,৩৫০ কিমি/ঘণ্টা) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এবং এটি পারমাণবিক বা প্রচলিত যুদ্ধাস্ত্র বহন করতে সক্ষম।
- এটি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা সংস্থা রোস্তেক-এর অংশ KBM কোম্পানি দ্বারা নির্মিত হয়।
- Kinzhal ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র।
ব্যাখ্যা (Explanation)

-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিয়োটা প্রটোকল থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ২০০১ সালের নভেম্বর মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ. বুশ ঘোষণা করেছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিয়োটা প্রটোকল থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করবে। বুশের যুক্তি ছিল যে কিয়োটা প্রটোকল একটি "অন্যায়" চুক্তি যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ক্ষতি করবে।

-কিয়োটা প্রটোকল হল ১৯৯৭ সালের একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন হ্রাস করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রটোকলটি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়েছিল এবং বর্তমানে ১৯৫টি দেশ দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে।

-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিয়োটা প্রটোকল থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার একমাত্র দেশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার কিয়োটা প্রটোকলের কার্যকরতাকে হ্রাস করেছে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত সনদ হচ্ছে মানবাধিকার।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সিদ্ধান্ত নং ২১৭ এ (১১১) দ্বারা বিশ্বজনীন মানবাধিকারসমূহ গ্রহণ ও ঘোষণা করে।
- এ ঘোষণাপত্রের শিরোনাম হচ্ছে 'বিশ্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র' (Universal Declaration of Human Rights) |
- বিশ্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রে ধারা ৩০টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্যারিস চুক্তিতে যোগ দেওয়া সর্বশেষ দুটি দেশ হলো নিকারাগুয়া এবং সিরিয়া। এই দেশ দুটি প্রাথমিকভাবে চুক্তিতে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত ছিল।

কানাডা:
২০১৬ সালের ৫ অক্টোবর প্যারিস চুক্তি অনুমোদন করে। 
ভুটান: ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৭ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তা অনুমোদন করে।
জাপান: ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর চুক্তিটি অনুমোদন করে।

নিকারাগুয়া প্রথমে ২০১৭ সালের অক্টোবরে এই চুক্তিতে যোগ দেয়। এর কিছুদিন পরেই, যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া ২০১৭ সালের নভেম্বরে চুক্তিতে যোগদানের কথা ঘোষণা করে, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বিশ্বের সমস্ত দেশ এই চুক্তির অংশ হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)

প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে প্রতি পাঁচ বছর পর পর তাদের নিজ নিজ কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। এই পরিকল্পনাটি "জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান" বা Nationally Determined Contributions (NDC) নামে পরিচিত। 

চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে রাখা এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ করার জন্য প্রচেষ্টা চালানো। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য, দেশগুলো তাদের NDC-এর মাধ্যমে নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এই পরিকল্পনা পর্যালোচনা এবং নতুন করে জমা দেওয়ার নিয়মটি করা হয়েছে যাতে দেশগুলো সময়ের সাথে সাথে তাদের লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়াতে পারে এবং সম্মিলিতভাবে বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্নায়ুযুদ্ধের সময়কাল ছিল ১৯৪৫ - ১৯৯১ সাল।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির পর থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চলা একটি ভূ-রাজনৈতিক, আদর্শগত এবং সামরিক উত্তেজনাপূর্ণ সময়কাল ছিল।
- এই সময়ে সরাসরি কোনো বড় আকারের যুদ্ধ না হলেও, উভয় পক্ষই প্রক্সি যুদ্ধ, অস্ত্রের প্রতিযোগিতা, গুপ্তচরবৃত্তি এবং প্রচারণার মাধ্যমে একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল।
- স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে, যা বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
মন্ট্রিয়ল চুক্তি বা মন্ট্রিয়ল প্রটোকল মন্ট্রিল প্রটোকল হচ্ছে ওজোন স্তর রক্ষা করার জন্যে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। ওজোন স্তরকে রক্ষা করার জন্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সাক্ষরিত হয় মন্ট্রিল চুক্তি, এবং ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হয়। এটি প্রথম সংশোধন হয় ১৯৮৯ সালে। 
এখন পর্যন্তঃ  
- United Nations Environment Programme এর ওয়েবসাইট অনুসারে ৫বার সংশোধন হয়েছে।
- Department of Agriculture, Water and the Environment, Australia Government এর ওয়েবসাইট অনুসারে ৬ বার সংশোধন হয়েছে। 
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্প্রাটলী দ্বীপপুঞ্জটি দক্ষিন চীন সাগরে অবস্থিত।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মোকাবেলা, বহিবিশ্বে নিজেদের সক্ষমতা ও মর্যাদা বৃদ্ধি এবং চীনের ওপর পশ্চিমা কূটনৈতিক আক্রমণের বিরুদ্ধে আগ্রাসী জবাব দেওয়ার মত করে নিজেদের গড়ে তুলতে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর মহান নেতিক দর্শন নেকড়েযাদ্ধা কতি (Wolf Warrior Diplomacy) শুরু করে চীন। ২০১৫, ২০১৭ সালে চীনা জাতীয়তাবাদের প্রেক্ষাপটে নির্মিত দুটি চলচিত্র ( Wolf Warrior & Wolf Warrior-21) এই দুটি সিনেমার গল্পে দেখা যায় চীনের পিপলস রিপাবলিক আর্মির একজন এজেন্ট চীনের বাহিরের শত্রুদের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস অপারেশন চালিয়ে চীনা বিরোধী কর্মকাণ্ড নস্যাৎ করে চীনের জাতীয় শক্তি বৃদ্ধি করছে। এ চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চীনা কর্তৃপক্ষ Wolf Warrior কূটনৈতিক গ্রহণ করে। আর চীনের স্বার্থ রক্ষার্থে চীনের একেকজন কূটনীতিক হয়ে উঠছেন Wolf Warrior,
ব্যাখ্যা (Explanation)
- "প্রতিবেশ" প্রকল্প হলো একটি পরিবেশ সংরক্ষণমূলক উদ্যোগ, যা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল ও জলাভূমি রক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছে।
- এটি মূলত সুন্দরবন এবং সিলেট অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি প্রকল্প।
- প্রকল্পটি ইউএসএআইডি (USAID) এর অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে, যার মোট বাজেট ২ কোটি ডলার।
- এটি একটি পাঁচ বছর মেয়াদী প্রকল্প।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- "লস অ্যান্ড ড্যামেজ" তহবিল হলো একটি আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ব্যবস্থা, যা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
- এটি মূলত উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে উন্নয়নশীল এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য গঠিত।
- উন্নত দেশগুলো শিল্পায়নের মাধ্যমে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বড় ভূমিকা রাখে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ। ফলে, তাদের নৈতিক ও অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতা রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তা করার।
- ২০২২ সালে COP-27 সম্মেলনে "লস অ্যান্ড ড্যামেজ" তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- তহবিলটি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অবকাঠামো পুনর্গঠন, পুনর্বাসন, এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যয় করা হয়।
- এটি "শর্তমুক্ত" অর্থায়ন হিসেবে বিবেচিত, অর্থাৎ এটি ঋণ নয় বরং অনুদান।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পোলার বিয়ার (Polar Bear) সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে রয়েছে।
- পোলার বিয়ারদের প্রধান বাসস্থান হলো আর্কটিক অঞ্চলের বরফাচ্ছন্ন এলাকা।
- তবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে আর্কটিক অঞ্চলের বরফ দ্রুত গলে যাচ্ছে।
- বরফ গলে যাওয়ার ফলে পোলার বিয়ারদের শিকার করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ এবং বাসস্থান সংকুচিত হচ্ছে।
- তাদের প্রধান খাদ্য সীল শিকার করতে বরফের প্রয়োজন হয়।
- কিন্তু বরফের অভাবে তারা শিকার করতে পারছে না, ফলে খাদ্য সংকট দেখা দিচ্ছে।
- এছাড়া বরফের অভাবে দীর্ঘ দূরত্ব সাঁতরে যেতে গিয়ে অনেক পোলার বিয়ার ক্লান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে।
- জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, যদি বর্তমান উষ্ণায়নের হার অব্যাহত থাকে, তবে পোলার বিয়ারদের প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়বে।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
বায়ুমণ্ডলের যেসকল গ্যাস তাপীয় অবলোহিত সীমার মধ্যে বিকিরিত শক্তি শোষণ ও নির্গত করে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, সেসকল গ্যাসকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে।
প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাসগুলো হলো: কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC), ওজোন (O₃) এবং জলীয় বাষ্প।
জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)-এর সাম্প্রতিক 'এমিশনস গ্যাপ রিপোর্ট' এবং IPCC-এর সর্বশেষ তথ্য (২০২৪-২০২৫) অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনের জন্য দায়ী প্রধান অর্থনৈতিক খাতগুলোর ক্রমবিন্যাস প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এর মধ্যে শীর্ষ খাতগুলো হলো:
১. শক্তি খাত (Energy Sector - বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন): প্রায় ৩৪%-৩৫%
২. শিল্প খাত (Industry): প্রায় ২৪%
৩. কৃষি, বন ও অন্যান্য ভূমি ব্যবহার (AFOLU): প্রায় ২২%
৪. পরিবহন খাত (Transport): প্রায় ১৫%
৫. ভবন নির্মাণ ও ব্যবহার (Buildings): প্রায় ৬%

বিশেষ নোট: যদি সামগ্রিকভাবে বৃহত্তর অর্থে 'এনার্জি বা জ্বালানি খাত' (যার মধ্যে পরিবহনের জ্বালানি, শিল্পের জ্বালানি ও ভবনের বিদ্যুৎ অন্তর্ভুক্ত থাকে) হিসাব করা হয়, তবে তা বৈশ্বিক নির্গমনের প্রায় ৭৩% এর জন্য দায়ী। তবে অর্থনৈতিক খাত হিসেবে ভাগ করলে সরাসরি 'শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন খাত' সবচেয়ে বেশি (৩৪%) দায়ী। তাই সঠিক উত্তর 'শক্তি খাত'।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।