IAS-36 অনুযায়ী, প্রতি বছর শেষে দীর্ঘমেয়াদি স্পর্শনীয় সম্পত্তির কোন বিষয়টি যাচাই করা আবশ্যক?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option B
আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান মান বা IAS-36 (International Accounting Standard-36) এর মূল আলোচ্য বিষয় হলো Impairment of Assets বা সম্পত্তির ক্ষতিসাধন।
এই মান অনুযায়ী প্রতি আর্থিক বছর শেষে দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী স্পর্শনীয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে নিচের বিষয়গুলো যাচাই করা আবশ্যক:
• প্রথম ধাপ (সূচক যাচাই): বছর শেষে দেখতে হবে সম্পত্তির মূল্য হ্রাসের কোনো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ প্রমাণ বা সূচক (Indicators) রয়েছে কি না।
• দ্বিতীয় ধাপ (আদায়যোগ্য মূল্য নির্ধারণ): যদি এমন কোনো সূচক পরিলক্ষিত হয়, তবে গাণিতিক নিয়মে সম্পত্তির আদায়যোগ্য মূল্য (Recoverable Amount) হিসাব করতে হবে।
• তৃতীয় ধাপ (ক্ষতিসাধন মূল্যায়ন): সম্পত্তির পুস্তক মূল্য বা বহিমূল্য (Carrying Amount) যদি এর আদায়যোগ্য মূল্যের চেয়ে বেশি হয়, তবে সেই অতিরিক্ত পরিমাণকেই ক্ষতিসাধন বা Impairment হিসেবে গণ্য করা হয়।
তাই দীর্ঘমেয়াদি সম্পত্তির সঠিক ও নির্ভরযোগ্য আর্থিক চিত্র তুলে ধরার জন্য বছর শেষে ক্ষতিসাধন যাচাই করা আবশ্যক।
এই মান অনুযায়ী প্রতি আর্থিক বছর শেষে দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী স্পর্শনীয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে নিচের বিষয়গুলো যাচাই করা আবশ্যক:
• প্রথম ধাপ (সূচক যাচাই): বছর শেষে দেখতে হবে সম্পত্তির মূল্য হ্রাসের কোনো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ প্রমাণ বা সূচক (Indicators) রয়েছে কি না।
• দ্বিতীয় ধাপ (আদায়যোগ্য মূল্য নির্ধারণ): যদি এমন কোনো সূচক পরিলক্ষিত হয়, তবে গাণিতিক নিয়মে সম্পত্তির আদায়যোগ্য মূল্য (Recoverable Amount) হিসাব করতে হবে।
• তৃতীয় ধাপ (ক্ষতিসাধন মূল্যায়ন): সম্পত্তির পুস্তক মূল্য বা বহিমূল্য (Carrying Amount) যদি এর আদায়যোগ্য মূল্যের চেয়ে বেশি হয়, তবে সেই অতিরিক্ত পরিমাণকেই ক্ষতিসাধন বা Impairment হিসেবে গণ্য করা হয়।
তাই দীর্ঘমেয়াদি সম্পত্তির সঠিক ও নির্ভরযোগ্য আর্থিক চিত্র তুলে ধরার জন্য বছর শেষে ক্ষতিসাধন যাচাই করা আবশ্যক।