কাজী নজরুল ইসলামকে কত সালে স্বপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option B
- ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে উনাকে পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় ভালো মানসিক চিকিৎসা প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় উনাকে আনা হয়।
- বাংলাদেশের শারীরিক চিকিৎসা ব্যবস্থা যে পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় উন্নত বিষয়টা তেমন ছিলো না, মূলত মানসিক সমস্যাটাই ছিলো কবির প্রধান সমস্যা। আর ঐ সময় সমগ্র ভারতে সাম্প্রদায়িক অসংহতি মারাত্মক রূপ নিয়েছিলো।
- কাজী নজরুল ইসলাম অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তি হলেও উনাকে শুধুমাত্র একজন মুসলমান হিসেবেই বিবেচনা করা হয়েছিল। আর ভারত সরকার সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা দিয়ে নিশ্চিত করেছিলো যে তাঁর পক্ষে আর সুস্থ হওয়া সম্ভব নয়, তাই তাঁর চিকিৎসায় প্রচুর অবহেলা করা হচ্ছিল।
- অপরদিকে বাঙালি সাহিত্যিকদের মধ্যে একমাত্র তিনি ই ছিলেন যাকে রবীন্দ্রনাথের বিপরীতে দাঁড় করানো যায়, তাই বাংলাদেশিরা উনাকে মনে প্রাণে ভালোবাসতো । আর যখন উনাকে ঢাকায় আনার সুযোগ পাওয়া গেলো, বাংলাদেশিরা সেই সুযোগ লুফে নেয়।
- বাংলাদেশের জনগণের এ ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার উনার পরিবারের সদস্যদের সম্মতিক্রমে উনাকে স্থায়ীভাবে রেখে দেয়।
- বাংলাদেশের শারীরিক চিকিৎসা ব্যবস্থা যে পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় উন্নত বিষয়টা তেমন ছিলো না, মূলত মানসিক সমস্যাটাই ছিলো কবির প্রধান সমস্যা। আর ঐ সময় সমগ্র ভারতে সাম্প্রদায়িক অসংহতি মারাত্মক রূপ নিয়েছিলো।
- কাজী নজরুল ইসলাম অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তি হলেও উনাকে শুধুমাত্র একজন মুসলমান হিসেবেই বিবেচনা করা হয়েছিল। আর ভারত সরকার সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা দিয়ে নিশ্চিত করেছিলো যে তাঁর পক্ষে আর সুস্থ হওয়া সম্ভব নয়, তাই তাঁর চিকিৎসায় প্রচুর অবহেলা করা হচ্ছিল।
- অপরদিকে বাঙালি সাহিত্যিকদের মধ্যে একমাত্র তিনি ই ছিলেন যাকে রবীন্দ্রনাথের বিপরীতে দাঁড় করানো যায়, তাই বাংলাদেশিরা উনাকে মনে প্রাণে ভালোবাসতো । আর যখন উনাকে ঢাকায় আনার সুযোগ পাওয়া গেলো, বাংলাদেশিরা সেই সুযোগ লুফে নেয়।
- বাংলাদেশের জনগণের এ ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার উনার পরিবারের সদস্যদের সম্মতিক্রমে উনাকে স্থায়ীভাবে রেখে দেয়।