দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option C
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) মানব সভ্যতার ইতিহাসে সংঘটিত সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ। এই যুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেভিল চেম্বারলেন, যিনি ১৯৩৭ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তার পরে উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রী হন এবং ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দেশকে নেতৃত্ব দেন। যুদ্ধের শেষের দিকে ক্লেমেন্ট এটলি প্রধানমন্ত্রী হন এবং ১৯৪৫ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে। এই যুদ্ধে বিশ্বের প্রায় সব বড় দেশই জড়িত হয় এবং দুটি প্রধান জোট গঠিত হয়: মিত্রশক্তি ও অক্ষশক্তি। এই যুদ্ধে প্রায় ৫ কোটি থেকে সাড়ে ৮ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করে, যা এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস যুদ্ধে পরিণত করে।
যুদ্ধের প্রধান কারণ ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি, ইতালি এবং জাপানে ফ্যাসিবাদের উত্থান। ভার্সাই চুক্তির ফলে জার্মানিতে উগ্র জাতীয়তাবাদ ও নাৎসিবাদের বিস্তার ঘটে। এছাড়াও, জাপানের পূর্ব এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টা এবং ১৯৩৭ সালে চীনে আক্রমণ এই যুদ্ধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে ১৯৪৫ সালের ২রা সেপ্টেম্বর, যখন জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এই যুদ্ধের ফলে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে, যা বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থার ভিত্তি গঠন করে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে। এই যুদ্ধে বিশ্বের প্রায় সব বড় দেশই জড়িত হয় এবং দুটি প্রধান জোট গঠিত হয়: মিত্রশক্তি ও অক্ষশক্তি। এই যুদ্ধে প্রায় ৫ কোটি থেকে সাড়ে ৮ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করে, যা এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস যুদ্ধে পরিণত করে।
যুদ্ধের প্রধান কারণ ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি, ইতালি এবং জাপানে ফ্যাসিবাদের উত্থান। ভার্সাই চুক্তির ফলে জার্মানিতে উগ্র জাতীয়তাবাদ ও নাৎসিবাদের বিস্তার ঘটে। এছাড়াও, জাপানের পূর্ব এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টা এবং ১৯৩৭ সালে চীনে আক্রমণ এই যুদ্ধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে ১৯৪৫ সালের ২রা সেপ্টেম্বর, যখন জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এই যুদ্ধের ফলে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে, যা বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থার ভিত্তি গঠন করে