প্রান্তিক ব্যয় পদ্ধতিতে (Marginal Costing) উৎপাদন ব্যয় নির্ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিব্যয়কে প্রধানত কোন দুটি ভাগে ভাগ করা হয়?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option A
প্রান্তিক ব্যয় (Marginal Costing) পদ্ধতিতে উৎপাদন ব্যয় নির্ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিব্যয়কে প্রধানত স্থির ব্যয় (Fixed Cost) এবং পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost)- এই দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।
এর পেছনের মূল কারণ ও ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
* ব্যয় বিভাজন: এই পদ্ধতিতে উৎপাদন ব্যয় নির্ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য কারখানার মোট ব্যয়কে স্থির এবং পরিবর্তনশীল—এই দুই ভাগে ভাগ করা বাধ্যতামূলক ।
* পরিবর্তনশীল ব্যয়কে প্রাধান্য: প্রান্তিক ব্যয় পদ্ধতিতে শুধুমাত্র পরিবর্তনশীল ব্যয় (যেমন: প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম এবং পরিবর্তনশীল উপরিভ্যয়)-কেই কোনো দ্রব্য বা সেবার প্রকৃত উৎপাদন ব্যয় হিসেবে গণ্য করা হয় [2, 3]। কারণ উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলে পরিবর্তনশীল ব্যয়েরও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি বা হ্রাস ঘটে ।
* স্থির ব্যয়কে কালীন ব্যয় হিসেবে গণ্য করা: এই পদ্ধতিতে স্থির ব্যয়কে (যেমন: কারখানার ভাড়া, মেশিনের অবচয় ইত্যাদি) উৎপাদনের অংশ না ধরে 'কালীন ব্যয়' (Period Cost) হিসেবে বিবেচনা করা হয় [2, 3]। উৎপাদনের পরিমাণ বাড়লে বা কমলে স্থির ব্যয়ের কোনো পরিবর্তন ঘটে না । তাই নিট মুনাফা নির্ণয় করার সময় সম্পূর্ণ স্থির ব্যয়কে 'মোট অবদান' (Total Contribution) থেকে সরাসরি বাদ দেওয়া হয় ।
যেহেতু প্রান্তিক ব্যয় ব্যবস্থায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থির ও পরিবর্তনশীল ব্যয়ের আচরণগত পার্থক্য জানা অত্যন্ত জরুরি, তাই পরিব্যয়কে এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
এর পেছনের মূল কারণ ও ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
* ব্যয় বিভাজন: এই পদ্ধতিতে উৎপাদন ব্যয় নির্ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য কারখানার মোট ব্যয়কে স্থির এবং পরিবর্তনশীল—এই দুই ভাগে ভাগ করা বাধ্যতামূলক ।
* পরিবর্তনশীল ব্যয়কে প্রাধান্য: প্রান্তিক ব্যয় পদ্ধতিতে শুধুমাত্র পরিবর্তনশীল ব্যয় (যেমন: প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম এবং পরিবর্তনশীল উপরিভ্যয়)-কেই কোনো দ্রব্য বা সেবার প্রকৃত উৎপাদন ব্যয় হিসেবে গণ্য করা হয় [2, 3]। কারণ উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলে পরিবর্তনশীল ব্যয়েরও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি বা হ্রাস ঘটে ।
* স্থির ব্যয়কে কালীন ব্যয় হিসেবে গণ্য করা: এই পদ্ধতিতে স্থির ব্যয়কে (যেমন: কারখানার ভাড়া, মেশিনের অবচয় ইত্যাদি) উৎপাদনের অংশ না ধরে 'কালীন ব্যয়' (Period Cost) হিসেবে বিবেচনা করা হয় [2, 3]। উৎপাদনের পরিমাণ বাড়লে বা কমলে স্থির ব্যয়ের কোনো পরিবর্তন ঘটে না । তাই নিট মুনাফা নির্ণয় করার সময় সম্পূর্ণ স্থির ব্যয়কে 'মোট অবদান' (Total Contribution) থেকে সরাসরি বাদ দেওয়া হয় ।
যেহেতু প্রান্তিক ব্যয় ব্যবস্থায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থির ও পরিবর্তনশীল ব্যয়ের আচরণগত পার্থক্য জানা অত্যন্ত জরুরি, তাই পরিব্যয়কে এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।