কারখানায় পরিবর্তনশীল ব্যয় বৃদ্ধি পেলে প্রতিষ্ঠানের 'কন্ট্রিবিউশন মার্জিন' বা অবদানের ক্ষেত্রে কী প্রভাব পড়ে?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option C
সঠিক উত্তর "কন্ট্রিবিউশন মার্জিন কমে যায়" হওয়ার কারণটি কন্ট্রিবিউশন মার্জিন (Contribution Margin) বা অবদানের গাণিতিক সূত্রের মাধ্যমে সহজেই ব্যাখ্যা করা যায়।
উৎস অনুযায়ী, কন্ট্রিবিউশন মার্জিন বা অবদান নির্ণয়ের মূল সূত্রটি হলো:
কন্ট্রিবিউশন মার্জিন (Contribution Margin) = বিক্রয় (Sales) – পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost) [1, 2]।
অর্থাৎ, কোনো প্রতিষ্ঠানের মোট বিক্রয় থেকে মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় বাদ দিলে যে অংশটুকু অবশিষ্ট থাকে, তাকেই কন্ট্রিবিউশন মার্জিন বা অবদান বলা হয় ।
এই সূত্র থেকে একটি সরল গাণিতিক সম্পর্ক স্পষ্ট বোঝা যায়—যেহেতু বিক্রয় থেকে পরিবর্তনশীল ব্যয়কে বিয়োগ করা হয়, তাই বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত থাকা অবস্থায় যদি পরিবর্তনশীল ব্যয় বৃদ্ধি পায়, তবে বিক্রয় আয় থেকে তুলনামূলকভাবে বড় একটি অঙ্ক বাদ দিতে হবে। এর অনিবার্য ফলস্বরূপ বিয়োগফলের মান হ্রাস পাবে। অর্থাৎ, কন্ট্রিবিউশন মার্জিন বা অবদানের পরিমাণ কমে যাবে।
এ কারণেই কারখানায় পরিবর্তনশীল ব্যয় বৃদ্ধি পেলে প্রতিষ্ঠানের কন্ট্রিবিউশন মার্জিনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং তা হ্রাস পায়।
উৎস অনুযায়ী, কন্ট্রিবিউশন মার্জিন বা অবদান নির্ণয়ের মূল সূত্রটি হলো:
কন্ট্রিবিউশন মার্জিন (Contribution Margin) = বিক্রয় (Sales) – পরিবর্তনশীল ব্যয় (Variable Cost) [1, 2]।
অর্থাৎ, কোনো প্রতিষ্ঠানের মোট বিক্রয় থেকে মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় বাদ দিলে যে অংশটুকু অবশিষ্ট থাকে, তাকেই কন্ট্রিবিউশন মার্জিন বা অবদান বলা হয় ।
এই সূত্র থেকে একটি সরল গাণিতিক সম্পর্ক স্পষ্ট বোঝা যায়—যেহেতু বিক্রয় থেকে পরিবর্তনশীল ব্যয়কে বিয়োগ করা হয়, তাই বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত থাকা অবস্থায় যদি পরিবর্তনশীল ব্যয় বৃদ্ধি পায়, তবে বিক্রয় আয় থেকে তুলনামূলকভাবে বড় একটি অঙ্ক বাদ দিতে হবে। এর অনিবার্য ফলস্বরূপ বিয়োগফলের মান হ্রাস পাবে। অর্থাৎ, কন্ট্রিবিউশন মার্জিন বা অবদানের পরিমাণ কমে যাবে।
এ কারণেই কারখানায় পরিবর্তনশীল ব্যয় বৃদ্ধি পেলে প্রতিষ্ঠানের কন্ট্রিবিউশন মার্জিনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং তা হ্রাস পায়।