শারীরিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা: - শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশ নিশ্চিত করতে শারীরিক ও মানসিক শিক্ষার অপরিহার্য ভূমিকা রয়েছে। - শারীরিক শিক্ষা দেহ ও মনের মধ্যে ভারসাম্য উন্নত করে এবং শিক্ষার পূর্ণতা অর্জনে সহায়ক হয়। - এটি ব্যক্তিকে সুস্থ, সবল, দায়িত্বশীল এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম করে গড়ে তোলে। - আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা দৈহিক ও মানসিক বিকাশে সমান গুরুত্ব প্রদান করে।
চিন্তাবিদদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্যকে চারটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে: 1) শারীরিক সুস্থতা অর্জন। 2) মানসিক বিকাশ সাধন। 3) চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন। 4) সামাজিক গুণাবলি অর্জন।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।