Solution
Correct Answer: Option A
জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’, ‘রূপসী বাংলার কবি’ এবং ‘ধূসর পাণ্ডুলিপির কবি’ বলা হয়। তাঁকে 'তিমির হননের কবি' বলা হয় তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থের নামকরণের জন্য এবং তাঁর কবিতার ভাবধারার জন্য, যেখানে তিনি অন্ধকারের গভীরতাকে স্পর্শ করেও আলোর সন্ধান করেছেন। বুদ্ধদেব বসু তাঁকে 'নির্জনতম কবি' আখ্যা দিয়েছিলেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতার মূল্যায়ন করতে গিয়ে তাঁর কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ বলে অভিহিত করেছেন।
- বুদ্ধদেব বসু তাঁকে ‘আমাদের কালের নির্জনতম কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁর কবিতায় পরাবাস্তববাদের (Surrealism) প্রভাব এবং গ্রামবাংলার নিঃস্বর্গ ও রূপক অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।
• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (১৯২৭, প্রথম কাব্যগ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬),
- বনলতা সেন (১৯৪২),
- মহাপৃথিবী (১৯৪৪),
- সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮),
- রূপসী বাংলা (১৯৫৭, মৃত্যুর পর প্রকাশিত),
- বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১)।
• জীবনানন্দ দাশ রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ:
- কবিতার কথা (১৯৫৫),
- কেন লিখি,
- তিমির হননের গান (এটি একটি প্রবন্ধ সংকলন যার নাম থেকেই মূলত এই উপাধিটির ধারণা আসে)।
• জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস:
- মাল্যবান (১৯৭৩),
- সতীর্থ (১৯৭৪),
- জলপাইহাটি,
- জীবনপ্রণালী,
- বাসমতীর উপাখ্যান ইত্যাদি।
• জেনে রাখা ভালো:
- 'সাতটি তারার তিমির' জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, আবার 'তিমির হননের গান' তাঁর একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। তাই 'তিমির' শব্দটি তাঁর সাহিত্যকর্মে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।