বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদ চিহ্ন কয়টি?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option D
বাংলা ভাষায় প্রচলিত যতি বা ছেদ চিহ্নের সংখ্যা প্রথাগত ব্যাকরণ অনুযায়ী ১১টি বা ১২টি ধরা হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১১টি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর। তবে বাংলা একাডেমির আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে যতি বা ছেদ চিহ্ন বর্তমানে ১৬টি ধরা হয়।
যতিচিহ্ন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- যতি বা ছেদ চিহ্নের প্রবর্তক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থে তিনি সর্বপ্রথম যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ করেন।
- যতি বা ছেদ চিহ্ন বাংলা ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
- বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয় এমন বিরাম চিহ্নের সংখ্যা ৪টি (দাঁড়ি, জিজ্ঞাসাসূচক, বিস্ময়সূচক ও ত্রিবিন্দু)।
যতিচিহ্নের বিরতিকাল অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ:
- এক সেকেন্ড থামতে হয়: ৬টি চিহ্নে (দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, ড্যাশ ও কোলনড্যাশ)।
- এক বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়: ১টি চিহ্নে (সেমিকোলন)।
- এক বলতে যে সময় লাগে: ২টি চিহ্নে (কমা ও উদ্ধরণ চিহ্ন)।
- থামার প্রয়োজন নেই: ৩টি চিহ্নে (হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও বন্ধনী চিহ্ন)।
উল্লেখযোগ্য যতিচিহ্নের অপর নাম:
- দাঁড়ি: পূর্ণচ্ছেদ
- কমা: পাদচ্ছেদ
- সেমিকোলন: অর্ধচ্ছেদ
- হাইফেন: সংযোগ চিহ্ন
- ইলেক: বিলোপ বা লোপ চিহ্ন
যতিচিহ্ন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- যতি বা ছেদ চিহ্নের প্রবর্তক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থে তিনি সর্বপ্রথম যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ করেন।
- যতি বা ছেদ চিহ্ন বাংলা ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
- বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয় এমন বিরাম চিহ্নের সংখ্যা ৪টি (দাঁড়ি, জিজ্ঞাসাসূচক, বিস্ময়সূচক ও ত্রিবিন্দু)।
যতিচিহ্নের বিরতিকাল অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ:
- এক সেকেন্ড থামতে হয়: ৬টি চিহ্নে (দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, ড্যাশ ও কোলনড্যাশ)।
- এক বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়: ১টি চিহ্নে (সেমিকোলন)।
- এক বলতে যে সময় লাগে: ২টি চিহ্নে (কমা ও উদ্ধরণ চিহ্ন)।
- থামার প্রয়োজন নেই: ৩টি চিহ্নে (হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও বন্ধনী চিহ্ন)।
উল্লেখযোগ্য যতিচিহ্নের অপর নাম:
- দাঁড়ি: পূর্ণচ্ছেদ
- কমা: পাদচ্ছেদ
- সেমিকোলন: অর্ধচ্ছেদ
- হাইফেন: সংযোগ চিহ্ন
- ইলেক: বিলোপ বা লোপ চিহ্ন