বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (উপ-সহকারী প্রকৌশলী) - ২৫.০৪.২০২৬ (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- OR গেইট যৌক্তিক যোগ (Logical Addition) পদ্ধতিতে কাজ করে।
- OR গেইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, এর যেকোনো একটি ইনপুট হাই (লজিক্যাল 1) হলে আউটপুট হাই (লজিক্যাল 1) হবে।
- সকল ইনপুট লো (লজিক্যাল 0) হলে কেবল তখনই এর আউটপুট লো বা শূন্য (0) হবে।
- সুতরাং, দুই বা ততোধিক ইনপুটবিশিষ্ট OR গেইটের আউটপুট শূন্য হবে যখন উভয় বা সব কয়টি ইনপুটই শূন্য হয় (0 + 0 = 0)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Boolean Algebra বা বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মূল ভিত্তি হলো Logic বা যুক্তি
- সাধারণ অ্যালজেব্রায় যেমন সংখ্যা (Numbers) ব্যবহৃত হয়, বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় শুধুমাত্র দুটি লজিক্যাল অবস্থা ব্যবহৃত হয়: সত্য (True / 1) এবং মিথ্যা (False / 0)
- ১৮৫৪ সালে ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল (George Boole) যুক্তিবিদ্যা এবং গণিতের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য এই অ্যালজেব্রা আবিষ্কার করেন।
- কম্পিউটার এবং ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের ডিজাইনে লজিক গেইটগুলোর কার্যপ্রণালী বিশ্লেষণে এটি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি ডাইরেক্ট-কাপলড (Direct-coupled) বা ডিসি অ্যাম্প্লিফায়ার (DC Amplifier) এমন একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট যা ডিসি (DC) এবং এসি (AC) উভয় সিগন্যালকেই বিবর্ধিত (Amplify) করতে পারে।
- এতে কাপলিং ক্যাপাসিটর বা ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না, ফলে এটি খুব কম ফ্রিকোয়েন্সির সিগন্যাল এমনকি 0 Hz (যা একটি ডিসি সিগন্যাল) ফ্রিকোয়েন্সির সিগন্যালও বিবর্ধন করতে সক্ষম।
- সাধারণ এসি অ্যাম্প্লিফায়ার কেবল এসি সিগন্যাল বিবর্ধন করে, কিন্তু ডিসি অ্যাম্প্লিফায়ার ডিসি এবং এসি উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে কার্যকরী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Class-C অ্যাম্প্লিফায়ার মূলত R.F (Radio Frequency) carrier Amplifier হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কারণ এটি সংকেতের খুব কম অংশকে (১৮০ ডিগ্রির কম) পরিবর্ধিত করে এবং অধিকাংশ সময় ট্রানজিস্টর কাট-অফ অবস্থায় থাকে।
- এর দক্ষতা (Efficiency) প্রায় ৭৫-৯০% পর্যন্ত হতে পারে, যা অন্যান্য ক্লাসের অ্যাম্প্লিফায়ারের তুলনায় সর্বোচ্চ এবং পাওয়ার লস অনেক কম হয়।
- যেহেতু এটি সিগন্যালে অনেক বেশি বিকৃতি (Distortion) তৈরি করে, তাই এটি অডিও অ্যাম্প্লিফায়ারে ব্যবহার না করে মূলত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ট্রান্সমিটার এবং ক্যারিয়ার সিগন্যাল অ্যামপ্লিফিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি আদর্শ অপারেশনাল অ্যাম্প্লিফায়ার (OP-Amp) এর ইনপুট ইম্পিড্যান্স অসীম (Infinite) ধরা হয়।
- ইনপুট ইম্পিড্যান্স অসীম হওয়ার কারণে এটি পূর্ববর্তী স্টেজ থেকে কোনো কারেন্ট গ্রহণ করে না, অর্থাৎ ইনপুট কারেন্ট শূন্য (0) হয়।
- এর ফলে সিগন্যাল সোর্সের উপর কোনো লোডিং ইফেক্ট (Loading effect) পড়ে না এবং সিগন্যাল অবিকৃত থাকে।
- উল্লেখ্য, একটি আদর্শ OP-Amp এর অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: অসীম ভোল্টেজ গেইন (Infinite voltage gain), শূন্য আউটপুট ইম্পিড্যান্স (Zero output impedance) এবং অসীম ব্যান্ডউইডথ (Infinite bandwidth)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি ফটো ডায়োড (Photo Diode) সাধারণত রিভার্স বায়াস (Reverse-biased) অবস্থায় কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়।
- রিভার্স বায়াস অবস্থায় ডায়োডের ডিপ্লশন রিজিয়ন (Depletion region) প্রশস্ত হয়, যা আলো শনাক্ত করার জন্য একটি বড় কার্যকর অঞ্চল তৈরি করে।
- ডায়োডে আলো বা ফোটন (photon) আপতিত হলে ডিপ্লশন রিজিয়নে ইলেকট্রন-হোল জোড় (electron-hole pairs) তৈরি হয়।
- রিভার্স বায়াস থাকার কারণে মাইনরিটি ক্যারিয়ারগুলোর চলাচল সহজ হয় এবং আলোর তীব্রতার সমানুপাতিক একটি বিদ্যুৎ প্রবাহ (ফটোকারেন্ট) তৈরি করে।
- ফরওয়ার্ড বায়াসে এটি সাধারণ ডায়োডের মতো আচরণ করে বিধায় আলো নিখুঁতভাবে শনাক্ত করার জন্য একে সর্বদা রিভার্স বায়াসে ব্যবহার করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভোল্টেজ রেগুলেশন (Voltage Regulation) হলো লোড পরিবর্তনের সাথে সাথে আউটপুট ভোল্টেজ স্থির রাখার ক্ষমতা।
- একটি আদর্শ ভোল্টেজ রেগুলেটরের (Ideal Voltage Regulator) ক্ষেত্রে ইনপুট ভোল্টেজ বা লোড কারেন্টের পরিবর্তন হলেও আউটপুট ভোল্টেজ সর্বদা স্থির (constant) থাকে।
- এর অর্থ হলো, নো-লোড ভোল্টেজ (V_NL) এবং ফুল-লোড ভোল্টেজ (V_FL) সমান হয়।
- গাণিতিকভাবে, ভোল্টেজ রেগুলেশন = (V_NL - V_FL) / V_FL। যেহেতু আদর্শ রেগুলেটরে V_NL = V_FL, তাই এর ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ বা রেগুলেশন ০ (শূন্য) হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Silicon (Si) এবং Germanium (Ge) হলো বহুল ব্যবহৃত মৌলিক সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী।
- GaAs (Gallium Arsenide) হলো একটি যৌগিক সেমিকন্ডাক্টর, যা উচ্চগতির ইলেকট্রনিক্স ও LED তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- Indium (In) নিজে কোনো সেমিকন্ডাক্টর নয়, এটি একটি ধাতু (metal) বা পরিবাহী পদার্থ।
- যদিও এটি কিছু সেমিকন্ডাক্টর যৌগ (যেমন: Indium Phosphide) তৈরিতে ডোপ্যান্ট (dopant) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে নিজে শুদ্ধ অবস্থায় এটি পরিবাহী। তাই Indium সেমিকন্ডাক্টরের বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি পি-টাইপ (p-type) সেমিকন্ডাক্টরে ত্রিযোজী অপদ্রব্য ডোপিং করার কারণে হোল (hole) বা ধনাত্মক চার্জের সৃষ্টি হয়।
- যদিও একটি পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরে অ্যাকসেপ্টার অ্যাটম একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে আয়নিত (ionized) হয়ে নেগেটিভ চার্জে পরিণত হয়, কিন্তু একইসাথে একটি হোল (hole) বা পজিটিভ চার্জও তৈরি করে।
- এই নেগেটিভ আয়ন এবং পজিটিভ হোল একে অপরকে নাকচ করে দেয়।
- একটি সেমিকন্ডাক্টরে ডোপিং (doping) করার ফলে ইলেকট্রন বা হোলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও পরমাণুর প্রোটন ও ইলেকট্রনের মোট সংখ্যার ভারসাম্য বজায় থাকে।
- ফলে সামগ্রিকভাবে উপাদানটিতে মোট চার্জ শূন্য থাকে এবং এটি বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ (electrically neutral) আচরণ করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জার্মেনিয়াম (Ge) ডায়োডের টার্ন-অন বা কাট-ইন (Cut-in) ভোল্টেজ সাধারণত ০.৩ ভোল্ট (0.3 V) হয়।
- অন্যদিকে, সিলিকন (Si) ডায়োডের ক্ষেত্রে এই ভোল্টেজের মান ০.৭ ভোল্ট (0.7 V)
- টার্ন-অন ভোল্টেজ (Turn-on Voltage) হলো সেই ন্যূনতম ফরওয়ার্ড ভোল্টেজ, যা প্রয়োগ করলে ডায়োডের পটেনশিয়াল ব্যারিয়ার (Potential Barrier) ভেঙে যায় এবং এর মধ্য দিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে শুরু করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি বিশুদ্ধ রেজিস্টিভ সার্কিটে (Pure Resistive Circuit) ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যে কোনো ফেজ পার্থক্য থাকে না। অর্থাৎ, এদের ফেজ অ্যাঙ্গেল (Phase Angle) θ = 0°
- পাওয়ার ফ্যাক্টর নির্ণয়ের সূত্র: Power Factor = cosθ
- সুতরাং, cos(0°) = 1 (Unity বা একক)।
- তাই পাওয়ার ফ্যাক্টর 1 হওয়ার অর্থ হলো সার্কিটটি সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ রেজিস্টিভ (Pure resistive)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বৈদ্যুতিক সিস্টেমে আর্থিং (Earthing) করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো লিকেজ কারেন্ট বা ফল্ট কারেন্টকে নিরাপদে মাটিতে পৌঁছে দিয়ে নিরাপত্তা প্রদান করা।
- এটি মানুষকে বৈদ্যুতিক শক (Electric Shock) থেকে রক্ষা করে।
- বজ্রপাত বা শর্ট সার্কিটের কারণে সৃষ্ট অতিরিক্ত ভোল্টেজ বা কারেন্ট থেকে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষিত রাখে।
- আর্থিং লাইনের রেজিস্ট্যান্স বা বাধা সবসময় খুবই কম রাখা হয়, যাতে সহজেই কারেন্ট মাটিতে প্রবাহিত হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিনক্রোনাস মোটরের (Synchronous Motor) প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি লোড পরিবর্তনের সাথে গতির পরিবর্তন করে না, বরং সর্বদা একটি স্থির বা ধ্রুব গতিতে (Synchronous speed) ঘোরে।
- এটি সেলফ-স্টার্টিং নয়, অর্থাৎ এটি নিজে থেকে ঘুরতে শুরু করতে পারে না।
- একে চালু করার জন্য বাহ্যিক উৎসের প্রয়োজন হয়, যেমন ছোট আকারের পনি মোটর (Pony Motor) বা রোটর পোলে ড্যাম্পার ওয়াইন্ডিং (Damper Winding) ব্যবহার করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ট্রান্সফরমার ফ্যারাডের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে, যার জন্য পরিবর্তনশীল ম্যাগনেটিক ফ্লাক্সের প্রয়োজন হয়।
- ডিসি (DC) সাপ্লাইয়ের ফ্রিকোয়েন্সি শূন্য (0 Hz) হওয়ায় এর কারেন্ট এবং ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স স্থির থাকে।
- ফ্লাক্সের কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় সেকেন্ডারি কয়েলে কোনো ভোল্টেজ উৎপন্ন (Induce) হয় না
- এছাড়াও ডিসি সাপ্লাই দিলে প্রাইমারি কয়েলে কোনো ইন্ডাকটিভ রিঅ্যাক্ট্যান্স (Inductive Reactance) থাকে না, ফলে কয়েলটি অতিরিক্ত কারেন্ট গ্রহণ করে পুড়ে যেতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এসি সার্কিটে ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যবর্তী ফেজ অ্যাঙ্গেলের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর (Power Factor) বলা হয়।
- গাণিতিকভাবে: Power Factor = cosθ
- এটি সার্কিটের একটিভ পাওয়ার (Active Power) এবং এ্যাপারেন্ট পাওয়ার (Apparent Power) এর অনুপাত (kW / kVA)।
- যেহেতু এটি দুটি সমজাতীয় রাশির অনুপাত, তাই পাওয়ার ফ্যাক্টরের কোনো একক নেই (Unitless)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একটি পরিবাহী বা কন্ডাক্টরের রেজিস্ট্যান্স বা রোধ মূলত চারটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
- দৈর্ঘ্য (Length): কন্ডাক্টরের দৈর্ঘ্য বাড়লে রেজিস্ট্যান্স বাড়ে (সমানুপাতিক)।
- প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল (Cross-sectional Area): কন্ডাক্টর যত মোটা হবে, রেজিস্ট্যান্স তত কমবে (ব্যস্তানুপাতিক)।
- পদার্থের প্রকৃতি (Nature of Material): উপাদান ভেদে রোধ ভিন্ন হয় (যেমন: তামা ও লোহার রোধ আলাদা)।
- তাপমাত্রা (Temperature): সাধারণত তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়।
- গাণিতিক সূত্র: R = ρ(L/A) (যেখানে R = রোধ, L = দৈর্ঘ্য, A = ক্ষেত্রফল এবং ρ = আপেক্ষিক রোধ)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হর্সপাওয়ার (Horsepower বা HP) এবং ওয়াট (Watt বা W) হলো ক্ষমতা বা শক্তি পরিমাপের দুটি ভিন্ন একক।
- মেকানিক্যাল শক্তি পরিমাপের জন্য সাধারণত অশ্ব ক্ষমতা বা HP ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে মেট্রিক সিস্টেমে বিদ্যুতের ক্ষমতার একক হলো ওয়াট।
- বিজ্ঞানী জেমস ওয়াট একটি ঘোড়া কতটুকু কাজ করতে পারে তা বোঝানোর জন্য হর্সপাওয়ারের ধারণাটি প্রবর্তন করেন।
- বৈদ্যুতিক এবং যান্ত্রিক ক্ষমতার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ১ HP = ৭৪৬ W নির্ধারণ করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক একক হলো kWh (কিলোওয়াট-ঘন্টা)
- ১ কিলোওয়াট (kW) ক্ষমতার কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র ১ ঘন্টা (h) ধরে একটানা চললে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি খরচ হয়, তাকে ১ kWh বলে।
- শক্তির সূত্র: শক্তি = ক্ষমতা × সময়
- আমাদের বাসাবাড়ি বা কারখানায় বিদ্যুৎ বিলের হিসাব মূলত এই kWh বা Unit এককেই পরিমাপ করা হয় (১ Unit = ১ kWh)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্রান্সফরমার মূলত ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন (Electromagnetic Induction) বা তাড়িতচৌম্বক আবেশ নীতিতে কাজ করে।
- বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে এই নীতি আবিষ্কার করেন।
- এই নীতি অনুযায়ী, যখন একটি কয়েলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট পরিবর্তিত হয়, তখন তার পাশের অন্য একটি কয়েলেও ভোল্টেজ বা বিদ্যুৎ আবিষ্ট হয়।
- ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কয়েলে AC (Alternating Current) প্রয়োগ করা হলে, ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স তৈরি হয় যা কোর এর মাধ্যমে সেকেন্ডারি কয়েলে ভোল্টেজ উৎপন্ন করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- AC এর পূর্ণরূপ হলো Alternating Current বা পরিবর্তী প্রবাহ।
- যে বিদ্যুৎ প্রবাহ নির্দিষ্ট সময় পরপর দিক পরিবর্তন করে, তাকে Alternating Current বলে।
- বাসাবাড়িতে সাধারণত আমরা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি তা হলো AC।
- এর বিপরীতে রয়েছে DC, যার পূর্ণরূপ হলো Direct Current বা সমপ্রবাহ (যা সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্যারালাল সার্কিটে (Parallel Circuit) ভোল্টেজের মান সবসময় একই থাকে, কিন্তু কারেন্ট প্রতিটি শাখায় ভাগ হয়ে যায়।

- প্যারালাল সংযোগে প্রতিটি লোড বা রেজিস্টরের আড়াআড়ি (across) ভোল্টেজ সোর্স ভোল্টেজের সমান হয়।
- এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই বাড়ি-ঘরে বৈদ্যুতিক উপকরণগুলো প্যারালাল সার্কিটে সংযুক্ত করা হয়, যাতে প্রতিটি উপকরণ সমান ভোল্টেজ পায় এবং একটি বন্ধ হলেও অন্যগুলো স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে।
- অন্যদিকে, সিরিজ সার্কিটে কারেন্ট একই থাকে কিন্তু লোড অনুযায়ী ভোল্টেজ ভাগ হয়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, এসি মোটরের ক্ষেত্রে সিনক্রোনাস স্পিড (N), ফ্রিকোয়েন্সি (f) এবং পোল সংখ্যার (P) মধ্যে সম্পর্ক হলো:
N = (120 × f) / P

এখানে দেওয়া আছে,
ফ্রিকোয়েন্সি, f = 50 Hz
পোল সংখ্যা, P = 2

সূত্রানুসারে,
N = (120 × 50) / 2
= 6000 / 2
= 3000 rpm

সুতরাং, নির্ণেয় গতি 3000 rpm
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
AC সিগন্যালের RMS (Root Mean Square) মান হলো এর কার্যকর মান (Effective Value)

- RMS ভ্যালু হলো AC সিগন্যালের সেই কার্যকরী মান, যা সমতুল্য DC সিগন্যালের সমান পাওয়ার বা হিটিং ইফেক্ট প্রদান করে।
- AC সিগন্যালের ক্ষেত্রে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট সাইন তরঙ্গের আকারে পরিবর্তিত হয়, যার পূর্ণ সাইকেলের গড় মান (Average Value) শূন্য হয়।
- তাই শুধু গড় মান নিলে সঠিক পরিমাপ পাওয়া যায় না। এজন্য AC সার্কিটে পাওয়ার ক্যালকুলেশনের জন্য RMS মান ব্যবহার করা হয়।
- সাইন তরঙ্গের ক্ষেত্রে, RMS ভ্যালু = Peak Value ÷ √2
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বৈদ্যুতিক সিস্টেমে তিন ধরনের পাওয়ার থাকে:
- অ্যাক্টিভ পাওয়ার (Active Power): এর একক ওয়াট (Watt) বা কিলোওয়াট (kW)। এটি কার্যকরী পাওয়ার।
- রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ার (Reactive Power): এর একক VAR (Volt-Ampere Reactive) বা kVAR। এটি সার্কিটে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু কোনো কার্যকর কাজ করে না।
- অ্যাপারেন্ট পাওয়ার (Apparent Power): এর একক VA (Volt-Ampere) বা kVA।

সুতরাং, রিঅ্যাক্টিভ পাওয়ারের সঠিক একক হলো VAR
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নত করতে ক্যাপাসিটরের ভূমিকা:
- বৈদ্যুতিক সিস্টেমে সাধারণত ইন্ডাকটিভ লোডের (যেমন: মোটর, ট্রান্সফরমার) কারণে পাওয়ার ফ্যাক্টর কমে যায় (Lagging)।
- লাইনের সাথে প্যারালালে ক্যাপাসিটর (Capacitor) যুক্ত করলে এটি লিডিং কারেন্ট সরবরাহ করে।
- এই লিডিং কারেন্ট ইন্ডাকটিভ লোডের ল্যাগিং রিয়্যাক্টিভ কারেন্টকে প্রশমিত করে, যার ফলে সিস্টেমের পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- করোনা লস (Corona loss) মূলত হাই ভোল্টেজ ওভারহেড ট্রান্সমিশন লাইনে ঘটে থাকে।
- ট্রান্সমিশন লাইনের ভোল্টেজ একটি নির্দিষ্ট মাত্রা অতিক্রম করলে পরিবাহীর চারপাশের বাতাস আয়নিত (Ionized) হয়ে পরিবাহীর মতো আচরণ করে এবং সিস্টেমে হারমোনিক কারেন্ট তৈরি হয়।
- এই আয়নিত বাতাস তৈরি করতে কিছু পরিমাণ বৈদ্যুতিক শক্তির প্রয়োজন হয়, যা মূলত আলো, তাপ, শব্দ এবং রাসায়নিক বিক্রিয়া হিসেবে অপচয় হয়।
- শক্তির এই অপচয়ই সিস্টেমে পাওয়ার লস বা করোনা লস হিসেবে গণ্য হয়, যা ট্রান্সমিশন লাইনের কর্মদক্ষতা (Efficiency) কমিয়ে দেয়।
- আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল মাটির নিচে থাকে এবং এতে শক্ত ইনসুলেশন থাকে বলে সেখানে করোনা লস হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ট্রান্সফরমারের ইএমএফ (EMF) সমীকরণটি হলো: E = 4.44 × f × Φm × N
- এখানে, f হলো সাপ্লাই ফ্রিকোয়েন্সি (Frequency)
- Φm হলো কোরের সর্বোচ্চ ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স (Maximum Flux)
- N হলো কয়েলের প্যাঁচ বা টার্ন সংখ্যা (Number of turns)
- সমীকরণটি থেকে স্পষ্ট দেখা যায় যে, ট্রান্সফরমারের প্ররোচিত ইএমএফ ফ্রিকোয়েন্সি, ফ্লাক্স এবং টার্ন সংখ্যা—এই সবগুলোর ওপরই নির্ভরশীল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সার্কিট ব্রেকার হলো একটি স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক সুরক্ষা যন্ত্র যা সার্কিটকে ওভারকারেন্ট বা শর্ট সার্কিটজনিত ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
- আপদকালীন সময়ে বা বৈদ্যুতিক সার্কিটে কোনো ত্রুটি (Fault) দেখা দিলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রিপ করে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
- স্বাভাবিক অবস্থায় এটি একটি সাধারণ সুইচের মতো কাজ করে এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ বজায় রাখে।
- ফিউজ অতিরিক্ত তাপে গলে গিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে, কিন্তু সার্কিট ব্রেকার সাধারণত ইলেক্ট্রোম্যাগনেট বা থার্মাল স্ট্রিপ ব্যবহার করে কাজ করে এবং ত্রুটি দূর করার পর এটিকে পুনরায় চালু (Reusable) করা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হুইটস্টোন ব্রিজ (Wheatstone Bridge) হলো একটি বিশেষ বৈদ্যুতিক সার্কিট যা কোনো পরিবাহীর অজানা রোধ বা রেজিস্ট্যান্স অত্যন্ত নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
- এর সাম্যাবস্থার (Null deflection) নীতি অনুসারে, যখন ব্রিজটি ব্যালেন্সে থাকে তখন এর গ্যালভানোমিটারের মধ্য দিয়ে কোনো কারেন্ট প্রবাহিত হয় না।
- মিটার ব্রিজ যন্ত্রটি মূলত এই হুইটস্টোন ব্রিজ নীতির ওপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়।
- অপশনের অন্যান্যগুলোর ক্ষেত্রে: ভোল্টেজ মাপা হয় ভোল্টমিটার দিয়ে, কারেন্ট অ্যামিটার দিয়ে এবং পাওয়ার মাপা হয় ওয়াটমিটার দিয়ে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মেগার (Megger) হলো একটি বিশেষ ধরনের টেস্টিং যন্ত্র যা বৈদ্যুতিক ক্যাবল, মোটর, জেনারেটর এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক উপকরণের ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি উচ্চ ডিসি ভোল্টেজ (সাধারণত 500V থেকে 5000V) প্রয়োগ করে মেগাওহম (MΩ) স্কেলে রেজিস্ট্যান্স মাপে।
- সাধারণ মাল্টিমিটার বা ওহমমিটার কম ভোল্টেজে কাজ করে বলে মেগাওহম রেঞ্জে পরিমাপ করতে পারে না।
- অন্যদিকে, ভোল্টমিটার ভোল্টেজ, অ্যামিটার কারেন্ট এবং ওয়াটমিটার পাওয়ার পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0