৮ম এনটিআরসিএ (উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ: ৬ষ্ঠ–১২শ) অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা - ১৮.০৪.২০২৬ (80 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জীবনানন্দ দাশ এবং জসীম উদ্দীন উভয়েরই বিখ্যাত কবিতায় নির্দিষ্ট স্থানের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

• রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের কালজয়ী কবিতা 'বনলতা সেন'-এ 'নাটোর' স্থানটির অমর উল্লেখ রয়েছে। কবিতায় তিনি লিখেছেন, 'নাটোরের বনলতা সেন'।

• একইভাবে পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা 'আসমানী'-তে 'রসুলপুর' গ্রামটির উল্লেখ পাওয়া যায়। আসমানী চরিত্রের ঠিকানা জানাতে গিয়ে কবি লিখেছেন, 'রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও'।

কাজেই, সাহিত্যে স্থান ও চরিত্রের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় জীবনানন্দ দাশের অমর সৃষ্টির সাথে নাটোর-এর যে সম্পর্ক, জসীম উদ্দীনের সৃষ্টির সাথে রসুলপুর-এর ঠিক একই রকম সম্পর্ক বিদ্যমান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Art (শিল্প) চর্চার মাধ্যমে যেমন Culture (সংস্কৃতি) বিকশিত ও সমৃদ্ধ হয়, ঠিক তেমনি Training (প্রশিক্ষণ) গ্রহণের মাধ্যমে Skill (দক্ষতা) অর্জিত হয়।

* উল্লেখ্য, Training-কে Education (শিক্ষা)-এর একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করা গেলেও, Training-এর সুনির্দিষ্ট ও প্রত্যক্ষ ফলাফল হলো Skill বা দক্ষতা বৃদ্ধি করা। তাই এখানে Skill সবচেয়ে উপযুক্ত।

অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
* Expert – বিশেষজ্ঞ।
* Education – শিক্ষা।
* Extension – সম্প্রসারণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের 'বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা' অনুযায়ী অঞ্চলভেদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম শিক্ষার্থীর সংখ্যার সুনির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

একাডেমিক স্বীকৃতির ন্যূনতম শর্ত:
- মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত একটি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমপক্ষে ১৫০ জন হতে হয়।
- শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য এই ন্যূনতম শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বেশি নির্ধারণ করা থাকে, যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও মান বজায় রাখা যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ট্রাস্ট বা কল্যাণ তহবিলের (যেমন: প্রাতিষ্ঠানিক কল্যাণ ট্রাস্ট, স্কাউট বা অন্যান্য ফি) জন্য নির্ধারিত চাঁদা সংগ্রহের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা নীতিমালা থাকে।

নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের ওপর প্রতি মাসে বা শিক্ষাবর্ষের শুরুতে একসঙ্গে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমানোর জন্য ট্রাস্টের চাঁদা সাধারণত এককালীন হিসেবে পরীক্ষার শেষে বা আনুষঙ্গিক আনুষ্ঠানিকতার সময় সংগ্রহ করার বিধান রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (DSHE) প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী আঞ্চলিক অফিসগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন পরিচালক।

আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রশাসনিক, দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা এবং মাঠ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তদারকিতে পরিচালককে সার্বিক সহায়তা করার জন্য পদক্রম অনুযায়ী ১ জন উপ-পরিচালক (Deputy Director) নিয়োজিত থাকেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (DSHE) মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন কয়েকটি স্তরে বিভক্ত।

মাঠ-পর্যায়ের দপ্তরসমূহ:
- আঞ্চলিক স্তরে: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক অফিস
- জেলা স্তরে: জেলা শিক্ষা অফিস
- উপজেলা স্তরে: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস

অন্যদিকে, 'জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস' প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (DPE) অধীনস্থ একটি দপ্তর, এটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার অংশ নয়। তাই 'জেলা শিক্ষা অফিস' এবং 'উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস' উভয়ই সঠিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বেসরকারি কলেজের গভর্নিং বডি (Governing Body) গঠন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড বা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়।
- গভর্নিং বডির বিশেষ কোনো সভা আয়োজন, কমিটি সংক্রান্ত জটিলতা বা অ্যাডহক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সভা করার জন্য অধ্যক্ষ বা সদস্য সচিবকে সংশ্লিষ্ট বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক-এর অনুমোদন নিতে হয়।
- কলেজ পরিদর্শক মূলত বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কলেজ পর্যায়ের প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের সাধারণ নৈমিত্তিক ছুটি প্রতিষ্ঠান প্রধান মঞ্জুর করলেও দীর্ঘমেয়াদি বা বিশেষ ছুটি মঞ্জুরের ক্ষমতা পরিচালনা পর্ষদের হাতে থাকে।
- কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীর সংক্রামক ব্যাধি হলে বা জনস্বার্থে তাকে আলাদা রাখার প্রয়োজন হলে সংগ নিরোধ (Quarantine) ছুটি প্রদান করা হয়।
- এই বিশেষ সংগ নিরোধ ছুটি মঞ্জুর করার একমাত্র আইনি এখতিয়ার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও ও জনবল কাঠামো ২০১০ এর বিধিমালা অনুসারে, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বা কলেজে কোনো নতুন নৈর্বাচনিক বা ৫ম বিষয় খুলতে চাইলে ওই নির্দিষ্ট বিষয়ে কমপক্ষে ২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি থাকতে হবে।
- পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকলে ঐ বিষয়ের বিপরীতে কোনো শিক্ষকের পদ সৃষ্টি বা এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণযোগ্য হয় না।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-১৯৯৫ অনুযায়ী, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) প্রতিটি অনুমোদিত আবশ্যিক ও নৈর্বাচনিক বিষয়ের জন্য ১ জন করে প্রভাষক রাখার বিধান করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিধি বৃদ্ধির কারণে সংশোধিত নীতিমালায় পদসংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ অনুযায়ী, শিক্ষক-কর্মচারীদের জ্যেষ্ঠতা (Seniority) নির্ধারণের প্রধান মাপকাঠি হলো নিয়মিতকরণের তারিখ
- এমপিওভুক্ত পদে যোগদানের পর চাকরি নিয়মিত হওয়ার তারিখ থেকেই মূলত জ্যেষ্ঠতা গণনা করা হয়।
- একাধিক শিক্ষকের নিয়মিতকরণের তারিখ একই হলে পর্যায়ক্রমে যোগদানের তারিখ বা জন্ম তারিখ বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বছর শেষে কাজের মূল্যায়নের জন্য বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (ACR) দাখিল করতে হয়।

- বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন বা ACR-এর অনুবেদনকারী (Reporting Officer) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি
- উল্লেখ্য, বিদ্যালয়ের অন্যান্য সাধারণ সহকারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে অনুবেদনকারী হয়ে থাকেন স্বয়ং প্রধান শিক্ষক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৯৯৫ সালের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী স্কুল-কলেজে বিষয় বা বিভাগ খোলার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি রয়েছে।

- এই নীতিমালা অনুযায়ী কোনো উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি নতুন ঐচ্ছিক বিষয় (Optional Subject) খোলার জন্য উক্ত বিষয়ে ন্যূনতম ৬০ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি থাকা বাধ্যতামূলক।
- প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষার্থী না থাকলে বিষয়টি খোলার অনুমোদন পাওয়া যায় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
BNQF (Bangladesh National Qualifications Framework)-এর কাঠামো অনুযায়ী দেশের শিক্ষাব্যবস্থার যোগ্যতাকে বিভিন্ন স্তরে (Levels) বিভক্ত করা হয়েছে।

- এই কাঠামোর নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী এসএসসি (SSC - Secondary School Certificate) বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ৫ম স্তরে অন্তর্ভুক্ত।
- এটি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
BNQF (Bangladesh National Qualifications Framework) হলো বাংলাদেশের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মান নির্ধারণী একটি জাতীয় কাঠামো।

মূল পয়েন্টগুলো হলো:
- BNQF কাঠামোতে মোট ১২টি স্তর রয়েছে।
- এই স্তরগুলো মূলত সাধারণ শিক্ষা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষার মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং যোগ্যতার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন অনুযায়ী পরীক্ষা কক্ষে অসদুপায় বা নকল প্রতিরোধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

- কোনো পরীক্ষার্থীকে নকল বা অসদুপায় অবলম্বনে সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যে লিখিত উত্তর, বই বা অন্য কোনো কাগজপত্র সরবরাহ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
২০২৫ সালের সংশোধনী প্রবিধানমালা অনুযায়ী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি (জমি) বিক্রয় বা হস্তান্তরের জন্য কমিটির সভাপতি-এর পূর্বানুমোদন প্রয়োজন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সম্পত্তি বা স্থাবর সম্পদের সুরক্ষা এবং যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতির লিখিত অনুমোদন ছাড়া কোনো ধরনের সম্পত্তি বিক্রয়, হস্তান্তর বা ইজারা দেওয়া সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত বলে গণ্য হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রধান কাজ হলো সারাদেশে অভিন্ন সময় সূচিতে SSC ও HSC পরীক্ষা আয়োজন করা।

বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে (৯টি সাধারণ, ১টি মাদ্রাসা ও ১টি কারিগরি)। দেশের সকল সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে পরীক্ষার রুটিন প্রণয়ন, অভিন্ন প্রশ্নপত্র বা গ্রেডিং পদ্ধতি নির্ধারণ এবং ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে এই কমিটি একত্রে কাজ করে। সাধারণত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদাধিকার বলে এই সমন্বয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নতুন প্রতিষ্ঠিত স্কুল ও কলেজের একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান কাজ:
শিক্ষা বোর্ড: স্কুল-কলেজের একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান, পাবলিক পরীক্ষা (SSC ও HSC) আয়োজন এবং সনদ প্রদান।
NCTB: শিক্ষাক্রম প্রণয়ন, পরিমার্জন এবং পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণ।
মাউশি (DSHE): মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা স্তরের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ, এমপিও ভুক্তি এবং তদারকি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি ইন্টারমিডিয়েট কলেজ শিক্ষক বিধি-১৯৭৯ অনুযায়ী শিক্ষকের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হলেন চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড

বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ:
• বেসরকারি ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (১৯৭৯ বিধি অনুযায়ী): চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড
• সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
• সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক: মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক MPO-ভুক্তির আদেশ প্রাপ্ত হলে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রতিষ্ঠানের অবস্থান বা ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে MPO কোড (Code) প্রদান করে থাকে।

MPO-ভুক্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• MPO-এর পূর্ণরূপ: Monthly Pay Order।
• এটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি বেতনের অংশ প্রদানের ব্যবস্থা।
• কোড প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের উপজেলা, জেলা এবং জোন বা অঞ্চলের উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট নম্বর বরাদ্দ করা হয়, যাতে প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শিক্ষার্থীরা সাধারণত তখনই কোচিং সেন্টারের প্রতি নির্ভরশীল হয়, যখন তারা তাদের মূল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদানে ঘাটতি অনুভব করে।
শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি দূর হবে এবং পাঠ্যবইয়ের ওপর তাদের দখল বাড়বে। ফলে শিক্ষার্থীদের কোচিং নির্ভরতা কমে যাবে এবং কোচিং বাণিজ্য দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ করা সম্ভব হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (Public Procurement Rules বা PPR) সর্বশেষ ২০২২ সালে সংশোধন করা হয়।
- সরকারি ক্রয়কার্যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সমতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ২০০৮ সালে প্রথম এই বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- সময়ের সাথে ক্রয় পদ্ধতিতে আধুনিকায়ন ও ই-জিপি (e-GP) ব্যবস্থার প্রসারের জন্য এতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR) অনুযায়ী, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (Open Tendering Method) দরপত্র মূল্যায়নের জন্য গঠিত কমিটির সদস্যদের নির্দিষ্ট হারে সম্মানি প্রদান করা হয়।
বিধি মোতাবেক, ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্রয়ের ক্ষেত্রে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির প্রতিটি সদস্যের জন্য সম্মানির পরিমাণ ১৫০০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেকোনো প্রতিষ্ঠান প্রধানের খরচের জন্য একটি নির্দিষ্ট বাজেট বা আর্থিক ক্ষমতা পূর্ব থেকে বরাদ্দ থাকে।
বরাদ্দকৃত এই সীমার অতিরিক্ত অর্থ তিনি নিজের ইচ্ছায় খরচ করতে পারেন না, যা তার ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা নির্দেশ করে। প্রতিষ্ঠানের আর্থিক শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য এই সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- SSDA বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- শিক্ষা খাতের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে একটি সক্ষম পরিবেশ তৈরি করার লক্ষ্যে এটি গঠন করা হয়।
- অপশনগুলোর মধ্যে NCTB (National Curriculum and Textbook Board)-ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (CAG) প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত তার রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করেন।
- রিপোর্টটি পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি তা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করে থাকেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আয়কর আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি আইন দ্বারা নির্ধারিত উৎস কর (Tax Deducted at Source - TDS) কর্তন বা সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হন, তবে উক্ত ব্যক্তিকে খেলাপি করদাতা (Assessee in default) হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এই ধরনের খেলাপির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর জরিমানা এবং বকেয়া করের ওপর বিলম্ব সুদ আরোপের আইনি বিধান রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেকোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ের নগদ খরচের ক্ষেত্রে ডেবিট ভাউচার তৈরি করা হয়।
এটি হলো নগদ অর্থ প্রদানের প্রামাণ্য দলিল। পণ্য ক্রয়, কর্মচারীদের বেতন প্রদান, ভাড়া প্রদান ইত্যাদি যাবতীয় খরচের হিসাব লিপিবদ্ধ করার জন্য হিসাবরক্ষক এই ভাউচার তৈরি করেন এবং এর ভিত্তিতে নগদান বই প্রস্তুত করা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের আয়কর অধ্যাদেশ (Income Tax Ordinance) ১৯৮৪ সালে প্রণীত হয়।
- এই অধ্যাদেশটি ১৯২২ সালের আয়কর আইনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিল।
- বর্তমানে ২০২৩ সালে নতুন 'আয়কর আইন, ২০২৩' পাস হওয়ার মাধ্যমে ১৯৮৪ সালের অধ্যাদেশটি রহিত করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0