- বাংলা সাহিত্যের ছন্দের যাদুকর বলা হয় সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে।
- ছন্দের ঝংকারে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতা সমৃদ্ধ হতো বলে তাকে 'ছন্দের রাজা' ও 'ছন্দের জাদুকর "বাস্তববাদী কবি' অভিধায় বিশেষায়িত করা হয়। - সত্যেন্দনাথ দত্তকে 'ছন্দের জাদুকর' উপাধি প্রদান করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ- - সবিতা (১৯০০) - সন্ধিক্ষণ (১৯০৫) - বেণু ও বীণা (১৯০৬) - হোমশিখা (১৯০৭) - ফুলের ফসল (১৯১১) - কুহু ও কেকা (১৯১২) - তুলির লিখন (১৯১৪) - মনিমঞ্জুষা (১৯১৫) ইত্যাদি।
• প্যারীচাঁদ মিত্র কর্তৃক রচিত সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৮)।
• উপন্যাসটি ইংরেজিতে Spoiled Child নামে অনূদিত। • এটি বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস, যা তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর নামে ১৮৫৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে 'মাসিক পত্রিকায় লিখতেন। • এটি কথ্য ভাষায় লিখিত, যা 'আলালি ভাষা' নামে পরিচিত। • ধনাঢ্য বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে মিশে এবং শিক্ষার প্রতি পিতার অবহেলার কারণে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়। পিতার মৃত্যুর পর সব সম্পত্তির বিনাশ সাধন করার পর তার বোধোদয় ঘটে। ফলে হৃদয়-মন পরিবর্তিত হওয়ায় সে সৎ ও ধর্মনিষ্ঠ হয়। • চরিত্র: মতিলাল, মোকাজান মিঞা বা ঠক চাচা, পূর্ত উকিল বটলর, অর্থলোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর।
• তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থঃ - 'মদ খাওয়া বড় দায়, - জাত থাকার কি উপায়' (১৮৫৯), - 'রামারঞ্জিকা' (১৮৬০), - 'গীতাঙ্কুর (১৮৬১), - 'যকিঞ্চিৎ' (১৮৬৫), - 'অভেদী' (১৮৭১), - 'ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত (১৮৭৮), - 'আধ্যাত্মিকা (১৮৮০), -'বামাতোষিণী' (১৮৮১), - 'কৃষিপাঠ' (১৮৬১), - The Zamindar and Royats.
- 'মেঘনাদবধ কাব্য ' মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। - এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। - কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। - মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক কবি ও নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - তিনিই বাংলায় প্রথম সনেট রচনা করেন এবং তার নাম দেন ‘চতুর্দশপদী’। - বাংলা সনেটের আদি গ্রন্থ ‘চতুর্দশপদী কবিতা’ (১৮৬৬)। - তাঁর ছদ্মনাম টিমোথি পেনপোয়েম।
• তাঁর রচিত নাটক ও প্রহসন - শর্মিষ্ঠা নাটক (১৮৫৯) - কৃষ্ণকুমারী নাটক (১৮৬১) - মায়া-কানন (১৮৭৪) - একেই কি বলে সভ্যতা? (১৮৬০) - বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০) - পদ্মাবতী নাটক (১৮৬০)
- গীতাঞ্জলি হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। - এই বইয়ে মোট ১৫৭টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। - কবিতাগুলি ব্রাহ্ম-ভাবাপন্ন ভক্তিমূলক রচনা। - এর বেশিরভাগ কবিতাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজে সুরারোপ করেছিলেন। - ১৯০৮-০৯ সালে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এই কবিতাগুলি প্রকাশিত হয়। - এরপর ১৯১০ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- ১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথের সং অফারিংস (Song Offerings) কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। - এতে গীতাঞ্জলি ও সমসাময়িক আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থের কবিতা রবীন্দ্রনাথ নিজে অনুবাদ করে প্রকাশ করেন। - ইংরেজি কাব্যগ্রন্থটির জন্য রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
- চতুর্দশপদী (Sonnet) হল এক ধরনের কবিতা যার প্রথম উদ্ভব হয় মধ্যযুগে ইতালিতে। - এর বৈশিষ্ট হল যে এই কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত এবং প্রতিটি চরণে সাধারণভাবে মোট ১৪টি করে অক্ষর থাকবে।
- ট-বর্গীয় বর্ণের ধ্বনির আগে ণ হয়। - যেমন, লুণ্ঠন, বণ্টন ইত্যাদি।
• ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে 'ণ' ব্যবহারের নিয়ম: - তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে সবসময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়, কখনোই 'ন' ব্যবহার করা হয় না। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড ইত্যাদি।
• 'ণ'-ত্ব বিধান: বাংলা ভাষার তৎসম শব্দে 'ণ' ব্যবহারের সঠিক নিয়মকেই 'ণ'-ত্ব বিধান বলা হয়।
• 'ণ' ব্যবহারের নিয়মাবলি: ১. ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড ইত্যাদি। ২. ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি। ৩. কিছু শব্দে স্বাভাবিকভাবেই 'ণ' হয়। যেমন: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক ইত্যাদি।
• যেসকল ক্ষেত্রে 'ণ'-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়: ১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত 'ণ'-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়; এ ক্ষেত্রে 'ন' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক। ২. ত-বর্গীয় বর্ণের সাথে যুক্ত ন কখনো 'ণ' হয় না। যেমন: অন্ত, গ্রন্থ ইত্যাদি। ৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব এবং বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন নেই।
- হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ — ১৯ জুলাই, ২০১২) বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। - তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়। - তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার। - কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে'।
• তাঁর রচিত আরও কয়েকটি উপন্যাস: - শঙ্খনীল কারাগার, - মাতাল হাওয়া, - দারুচিনি দ্বীপ, - জোছনা ও জননীর গল্প, - সৌরভ, দেয়াল, - অনিল বাগচীর একদিন, - আগুনের পরশমণি।
- শরৎচন্দ্র বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথাশিল্পী। তাঁর উপন্যাসের মূল বিষয় পল্লীর জীবন ও সমাজ। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক পান। এছাড়াও, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে 'ডি-লিট' উপাধি পান ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। - শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যজগতে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস শ্রীকান্ত ।
- অধিকাংশ পদার্থের ক্ষেত্রে, তাপমাত্রা কমলে ঘনত্ব বাড়ে। কিন্তু পানির ক্ষেত্রে এটি একটু ভিন্ন। - পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় 4°C (সেলসিয়াস) বা 39.2°F (ফারেনহাইট) তাপমাত্রায়। - 4°C-এ পানির অণুগুলি এমনভাবে সাজানো থাকে যে তারা সবচেয়ে কাছাকাছি আসে। - এই তাপমাত্রায় পানির মধ্যে সবচেয়ে কম ফাঁকা জায়গা থাকে।
- ইন্টারনেট এক বিশেষ ধরনের যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। - কম্পিউটার সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান করার প্রক্রিয়াই হল ইন্টারনেট সিস্টেম। - ইন্টারনেট ব্যবস্থায় ই-মেইল এর মাধ্যমে চিঠি আদান প্রদান করা যায়। - ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজেস্ব কম্পিউটারকে হোষ্ট কম্পিউটারে পরিণত করা যায়। এফটিপি -এর মাধ্যমে ডাটা ,প্রোগ্রাম, গ্রাফিক্স আদান প্রদান করা যায়। - UCnet ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন নিউজপেপার পড়া যায়। - সুতরাং আধুনিক যোগাযোগের এক অনিবার্য ব্যবস্থা ইন্টারনেট।
- চীনের মহাপ্রাচীর পাথর ও মাটি দিয়ে তৈরি দীর্ঘ প্রাচীর সারি। - এগুলি খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক থেকে খ্রিস্টীয় ১৬শ শতক পর্যন্ত চীনের উত্তর সীমান্ত রক্ষা করার জন্য তৈরি ও রক্ষাণাবেক্ষণ করা হয়। - বর্তমান প্রাচীরটি মিং রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হয়। - চীনের মহাপ্রাচীর মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য। - এই প্রাচীরের উচ্চতা প্রায় ৫ থেকে ৮ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ২১,১৯৬ কিলোমিটার। - এটি শুরু হয়েছে সাংহাই পাস এবং শেষ হয়েছে লোপনুর নামক স্থানে।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।