কালান্তিক মজুত পদ্ধতিতে প্রারম্ভিক মজুতের সাথে ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য যোগ করে তা থেকে সমাপনী মজুতের মূল্য বাদ দিলে কোন মানটি পাওয়া যায়?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option D
কালান্তিক মজুত পদ্ধতিতে প্রারম্ভিক মজুতের সাথে ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য যোগ করে তা থেকে সমাপনী মজুতের মূল্য বাদ দিলে বিক্রীত পণ্যের ক্রয়মূল্য (Cost of Goods Sold) বা বিক্রীত পণ্যের ব্যয় পাওয়া যায়।
সহজ কথায়, নির্দিষ্ট হিসাবকালের শুরুতে আপনার গুদামে বিক্রির জন্য যে পরিমাণ মজুত পণ্য ছিল (প্রারম্ভিক মজুত), তার সাথে ওই সময়ে নতুন ক্রয়কৃত পণ্য যোগ করলে আপনি 'বিক্রয়যোগ্য মোট পণ্য' পাবেন। বছর বা নির্দিষ্ট সময় শেষে গুদামে যে পণ্যগুলো অবিকৃত অবস্থায় থেকে যায় (সমাপনী মজুত), তা বিক্রয়যোগ্য মোট পণ্য থেকে বাদ দিলেই খুব সহজে বের হয়ে যায় যে, ঠিক কত টাকার ক্রয়মূল্যের পণ্য ওই হিসাবকালে বাস্তবে বিক্রি করা হয়েছে।
আগের একটি প্রশ্নে আমরা যেমন দেখেছিলাম যে, কারখানায় প্রারম্ভিক কাঁচামালের সাথে ক্রয় যোগ করে সমাপনী কাঁচামাল বাদ দিলে 'ব্যবহৃত কাঁচামালের পরিমাণ' পাওয়া যায়; ঠিক একইভাবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা মজুত পণ্যের ক্ষেত্রে এই সূত্রটি প্রয়োগ করলে 'বিক্রীত পণ্যের ক্রয়মূল্য' নির্ণীত হয় ।
সহজ কথায়, নির্দিষ্ট হিসাবকালের শুরুতে আপনার গুদামে বিক্রির জন্য যে পরিমাণ মজুত পণ্য ছিল (প্রারম্ভিক মজুত), তার সাথে ওই সময়ে নতুন ক্রয়কৃত পণ্য যোগ করলে আপনি 'বিক্রয়যোগ্য মোট পণ্য' পাবেন। বছর বা নির্দিষ্ট সময় শেষে গুদামে যে পণ্যগুলো অবিকৃত অবস্থায় থেকে যায় (সমাপনী মজুত), তা বিক্রয়যোগ্য মোট পণ্য থেকে বাদ দিলেই খুব সহজে বের হয়ে যায় যে, ঠিক কত টাকার ক্রয়মূল্যের পণ্য ওই হিসাবকালে বাস্তবে বিক্রি করা হয়েছে।
আগের একটি প্রশ্নে আমরা যেমন দেখেছিলাম যে, কারখানায় প্রারম্ভিক কাঁচামালের সাথে ক্রয় যোগ করে সমাপনী কাঁচামাল বাদ দিলে 'ব্যবহৃত কাঁচামালের পরিমাণ' পাওয়া যায়; ঠিক একইভাবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা মজুত পণ্যের ক্ষেত্রে এই সূত্রটি প্রয়োগ করলে 'বিক্রীত পণ্যের ক্রয়মূল্য' নির্ণীত হয় ।