'চন্দ্রমুখ' কোন প্রকারের কর্মধারয় সমাস?

A উপমান

B রূপক

C মধ্যপদলোপী

D উপমিত

Solution

Correct Answer: Option D

চন্দ্ৰমুখ
চন্দ্র রূপ মুখ (রূপক কর্মধারয় সমাস)
চন্দ্রের ন্যায় মুখ -  উপমিত কর্মধারয় (ড. হায়াত মামুদ প্রণীত- ভাষা শিক্ষা)
চন্দ্রের ন্যায় মুখ যাহার - বহুব্রীহি সমাস (ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রণীত- বাঙ্গালা ব্যাকরণ)

চাঁদমুখ
চাঁদ রূপ মুখ - রূপক কর্মধারয় (ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রণীত- বাঙ্গালা ব্যাকরণ)

চাঁদের মতো মুখ  - 
উপমিত কর্মধারয় (ড. এনামুল হক প্রণীত- ব্যাকরণ মঞ্জরী), 
উপমিত কর্মধারয় (ড. হায়াত মামুদ প্রণীত- ভাষা শিক্ষা)

মুখচন্দ্ৰ
মুখ চন্দ্রের ন্যায় - উপমিত কর্মধারয় (ড. হায়াত মামুদ প্রণীত- ভাষা শিক্ষা)
মুখ চন্দ্ৰ তুল্য - উপমিত কর্মধারয় (ড. এনামুল হক প্রণীত- ব্যাকরণ মঞ্জরী)
======== সোর্সঃ অগ্রদ্রুত বাংলা ============

 

চাঁদমুখ, চন্দ্রমুখ ও মুখচন্দ্র সমস্যার সমাধান (Shawon's Bangla)
চাঁদমুখ, চন্দ্রমুখ বা মুখচন্দ্র নিয়ে আমাদের মধ্যে যে Confusion তৈরি হয় তা হচ্ছে – এগুলো কী উপমিত কর্মধারয় না কী রূপক কর্মধারয়? কারণ উপমিত কর্মধারয় আর রূপক কর্মধারয়ের গঠন কিন্তু একই। উভয়ক্ষেত্রেই N + N যোগে সমস্তপদ গঠিত হয়। এ প্রসঙ্গে দিলীপ কুমার পাল চৌধুরী তাঁর ‘সমাস অভিধান’ গ্রন্থে বলেছেন – “উপমিত কর্মধারয় আর রূপক কর্মধারয় সমাসে কোনো প্রভেদ নেই। কেবল বাক্যে ব্যবহারে এদের প্রভেদ সুস্পষ্ট হয়। যেমন: মুখচন্দ্ৰ – এখানে উপমেয় মুখ আর উপমান চাঁদ। এবার ভাবুন

বাক্যে যখন বলি ‘মুখচন্দ্রের মধুর বাণী শুনি' – তখন উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়। কেননা মুখের বাণী শোনা যায়, কিন্তু চাঁদের বাণী বলতে কিছু নেই। কিন্তু যখন বলি 'মুখচন্দ্র আঁধার ঘরের আলো – তখন উপমান চাঁদেরই প্রাধান্য বুঝায়। কারণ চাঁদ আলো দিতে পারে, মুখ নয়। তাই এক্ষেত্রে মুখচন্দ্র' রূপক কর্মধারয়। আবার যদি বলি ‘মুখচন্দ্র শোভা পাচ্ছে – সেক্ষেত্রে মুখ ও চাঁদ উভয়েরই শোভা পাওয়া সম্ভব। সুতরাং এখানে ‘মুখচন্দ্ৰ'কে উপমিত ও রূপক দুটিই বলা যাবে।

ভাষাবিদ হরলাল রায়ের 'উচ্চতর ব্যাকরণ ও ভাষা' গ্রন্থে মুখচন্দ্র = মুখ চন্দ্রের ন্যায় ও চাঁদমুখ = চাঁদের ন্যায় মুখ লিখে উভয়ই উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জগদীশ ঘোষ রচিত ‘আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে বলেছেন ‘চন্দ্রমুখ’ রূপক কর্মধারয় সমাস। আর 'মুখচন্দ্র'কে ব্যবহারভেদে তিনিও উপমিতর সঙ্গে রূপকও বলেছেন। তাঁর উল্লেখকৃত উদ্ধৃতিটি এ রকম: “রমণী যে মুখচন্দ্র (উপমিত) দর্পণে দেখিয়া একটু হাসিল, তাহার সেই মুখচন্দ্র (রূপক) আমার হৃদয়ের গভীর অন্ধকার বিদূরিত করিল।

এখন কথা হচ্ছে চাঁদমুখ, চন্দ্রমুখ বা মুখচন্দ্র এগুলো পরীক্ষায় আসলে কী দাগাবেন? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই সমস্তপদগুলোকে বেশিরভাগ বইতে উপমিত হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। তাই অপশনে উপমিত কর্মধারয় থাকলে সেটা দাগানোই উত্তম। তবে যদি অপশনে উপমিত না থাকে তাহলে রূপক কর্মধারয় দাগানো যেতে পারে।

অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা-১৯
কোর্স নামঃ টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
টপিকসঃ
গণিত: বীজগণিত: সরল ও দ্বিপদী অসমতা, সূচক ও লগারিদম, ধারা, সেট, ফাংশন ও ভেনচিত্র
বাংলা সাহিত্য: মীর মশাররফ হোসেন, সৈয়দ মুজতবা আলী, প্রমথ চৌধুরী, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্লোল যুগ ও বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব, মুসলিম সাহিত্য সমাজের সাহিত্যিকগণ, শওকত ওসমান, শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, সৈয়দ শামসুল হক, সেলিম আল দীন, হুমায়ুন আজাদ, হুমায়ুন আহমেদ, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
পরীক্ষা শুরুঃ ২২ জুন, ২০২৬
রুটিন দেখুন
পরীক্ষা - ১০
কোর্স নামঃ ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়): বাংলা
টপিকসঃ
প্রবন্ধ রচনা:
'রাজবন্দীর জবানবন্দী': বাংলা একাডেমি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত 'নজরুল রচনাবলী' থেকে।
পরীক্ষা শুরুঃ ৫ আগস্ট, ২০২৬
রুটিন দেখুন
সাপ্তাহিক প্রবাহ- ১১২
কোর্স নামঃ সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
টপিকসঃ
বিগত সপ্তাহের বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ও গত একবছরের গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক।
পরীক্ষা – ১
কোর্স নামঃ ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন - লেকচারশীট ভিত্তিক।
টপিকসঃ
বাংলা সাহিত্য:
বাংলা সাহিত্যর যুগ বিভাগ, চর্যাপদ, মধ্যযুগের গুপূর্ণ লেখক, বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, বৈষ্ণব সাহিত্য, মঙ্গলকাব্য, অনুবাদ সাহিত্য, নাথ সাহিত্য, মার্সিয়া সাহিত্য, লোক সাহিত্য, অবক্ষয় যুগ/যুগসন্ধিক্ষণ।
(৬ষ্ঠ ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬।
রুটিন দেখুন

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions