Solution
Correct Answer: Option A
- বাংলা বর্ণমালার বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনিগুলোকে অঘোষ ধ্বনি বলা হয়। এই ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রে কোনো কম্পন সৃষ্টি হয় না, তাই এরা অঘোষ।
- বর্ণমালার বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ধ্বনিগুলোকে ঘোষ ধ্বনি বলা হয়। এদের উচ্চারণে স্বরতন্ত্রে কম্পন বা অনুরণন হয়।
- বর্গের প্রথম ও তৃতীয় ধ্বনি অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি মহাপ্রাণ হয়।
সঠিক উত্তরের ব্যাখ্যা:
প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন দুটি অঘোষ ধ্বনি। বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ‘চ’ বর্গটি হলো: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ। নিয়ম অনুযায়ী বর্গের প্রথম (চ) এবং দ্বিতীয় (ছ) বর্ণ দুটি হলো অঘোষ ধ্বনি। উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রে কম্পন হয় না বলেই এগুলো অঘোষ। তাই অপশন ১-এর চ, ছ হলো সঠিক উত্তর।
• উদাহরণ:
অন্যান্য অঘোষ ধ্বনির উদাহরণ হলো: ক, খ (ক-বর্গ); ট, ঠ (ট-বর্গ); ত, থ (ত-বর্গ); প, ফ (প-বর্গ)।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- ঙ, ট: এখানে ‘ট’ অঘোষ ধ্বনি হলেও ‘ঙ’ হলো ‘ক’ বর্গের পঞ্চম বর্ণ যা ঘোষ ধ্বনি (নাসিক্য)। তাই এই জোড়টি সঠিক নয়।
- ব, ভ: এরা ‘প’ বর্গের তৃতীয় এবং চতুর্থ বর্ণ। নিয়ম অনুযায়ী বর্গের ৩য় ও ৪র্থ বর্ণ ঘোষ ধ্বনি। তাই এটি ভুল উত্তর।
- দ, ধ: এরা ‘ত’ বর্গের তৃতীয় এবং চতুর্থ বর্ণ। বর্গের ৩য় ও ৪র্থ বর্ণ হওয়ায় এরাও ঘোষ ধ্বনি। তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।
নোট: মনে রাখবেন, অঘোষ ধ্বনি উচ্চারণে নিঃশ্বাসের জোর কম থাকে এবং গাম্ভীর্য বা নাদ থাকে না। অন্যদিকে ঘোষ ধ্বনি উচ্চারণে স্বরতন্ত্রের কম্পনের ফলে গাম্ভীর্য সৃষ্টি হয়।